তোরা যুদ্ধ করে করবি কী তা বল!

3209

ভয়ঙ্কর এক পরিস্থিতি ! দমবন্ধ চাপা শোক, ত্রাস আর আতঙ্কের পরিস্থিতি চারপাশে। কারণ পুলওয়ামা। জম্মু থেকে শ্রীনগর যাওয়ার পথে হাইওয়ের ওপর ছোট্ট একটি জনপদ। ১৪ই ফেব্রুয়ারি ঠিক ওখানেই শ্রীনগরগামী সি আর পি এফের ৮০টি বাসের কনভয়ের মধ্যে একটি বাসের গায়ে ভীমবেগে ছুটে এসে ধাক্কা মারলো ৩২০ কেজি মারাত্মক বিস্ফোরক ভর্তি একটি এসইউভি গাড়ি। ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ মুহূর্তের মধ্যে ! নিমেষে হত গাড়ির মধ্যে ৪০ জন জওয়ান (পরে হাসপাতালে সংখ্যাটা আরও ৪ বৃদ্ধি পায়)। মুহূর্তের মধ্যেই ভিশন মিডিয়ার দৌলতে খবরটা ভাইরাল সারা দেশে তথা বিশ্বে। তোলপাড় দেশ জুড়ে। টিভিতে বিতর্ক। নিন্দার ঝড়। প্রতিবেশী দেশকে দোষারোপ। পাল্টা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার প্রতিবেশীর তরফে। যথারীতি। সেই একই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে। প্রতিবাদ, মোমবাতি মিছিল (সরব এবং নীরব), যুদ্ধের হুমকি এবং পাল্টা হুমকি পাশাপাশি হাঁটছে হাত ধরাধরি করে। এইরকম ভয়াবহ এক দমচাপা আবহের মধ্যেই সামান্য কয়েকটি কিঞ্চিৎ বেখাপ্পা, একটু অন্য ধরনের প্রশ্ন উঁকিঝুকি মারছে মনে। সল্প পরিসরে সেগুলোই বলার চেষ্টা করছি নীচে।

আচ্ছা, যুদ্ধ সত্যিই কি খুব প্রয়োজন? আর দ্বিতীয় কোন রাস্তাই কি খোলা নেই সামনে। জানি, এই অব্ধি পড়েই অনেকে হাঁ হাঁ করে উঠবেন – ‘আরে, ছাড়ুন তো মশাই ! সেই তো একঘেয়ে লোমের শান্তির কথা বলবেন। অনেক হয়েছে ওসব শান্তি-ফান্তি। বহুবার তো ওসব কতাবাত্তা মানে পিস টক-ফক হল। কাজ হয়েছে কিচু? এবার চাই কড়া দাওয়াই। সিধে ভেতরে ঢুকে গিয়ে গুঁড়িয়ে দ্যাও সবকিছু। তবে ঠান্ডা হবে শালারা। বড্ড বাড় বেড়েছে হারামিদের। আর আপনাদের মানে এইসব লেখকফেখক মানে আঁতেল মানে বুদ্ধিজীবীদের এটাই হোল যাকে বলে গিয়ে প্রব্লেম। শালা যেন পাক্কা নদের নেমাই। ওদিকে জগাই মাধাই মেরে মেরে খলখলে করে দিচ্ছে আর ওনারা বত্রিশ পাটি কেলিয়ে বলছেন – ‘তা বলে কি প্রেম দোব না…’ । শালা আদিখ্যেতা আর কাকে বলে, হেঃ !’

এই বাক-আয়লা সামালাতে সময় নিই মিনিট দুয়েক। অতঃপর খানদুয়েক কথা নিবেদন করি সবিনয়ে। দাদা গো, একটু শুনবেন মন দিয়ে। তারপর না হয় গালাগাল দেবেন মন খুলে।

প্রথমে আসি ওই ‘গুঁড়িয়ে দেয়া’ মানে যুদ্ধ অথবা দমননীতির প্রসঙ্গে। সত্যিই এই দাওয়াইয়ে কাজ হয় কি? পরিসংখ্যান অথবা পূর্ব অভিজ্ঞতা কিন্তু তা বলছে না। সেই ৮০র দশক থেকে নিয়ে কাশ্মীরের এই দ্বিতীয় পর্যায়ের সমস্যার বয়স প্রায় বছর চল্লিশেক হতে চলল। কার্গিল, গোটা দুয়েক সার্জিক্যাল স্ট্রাইক মিলিয়ে খানচারেক মিনিযুদ্ধ, অগ্নিগর্ভ উপত্যকা, পাথরবর্ষণ, প্যালেট গানের ছররা বুলেট, হাজারে হাজারে মৃত্যু, বিস্ফোরণে অথবা কোট আনকোট এনকাউন্টারে, নিখোঁজ হয়ে যাওয়া কতশত মুখ, রক্তাক্ত রাজপথ অথবা পার্বত্য উপত্যকার আঁকাবাঁকা শিরা উপশিরা, ভ্রমনার্থী, রাষ্ট্রীয়বাহিনীর জওয়ান, জঙ্গি অথবা স্থানীয় নিরীহ সাধারন মানুষের রক্তেসমস্যার সমাধান হয়েছে কি? সেই পরিসংখ্যানই বলছে হয়নি বরং বৃদ্ধি পেয়েছে উত্তরোত্তর। সমরশক্তির ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীল হতে গিয়ে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতা বেড়েছে। আর সেই রন্ধ্রপথে ঢুকে পড়ছে জঙ্গিরা। খাদ্য, আশ্রয়, নিরাপত্তা, সহানুভূতি, সহযোগিতা পাচ্ছে। বাইরের মদত আছে কিন্তু স্থানীয় মানুষের এক বিপুল অংশের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহায়তা না পেলে এ ক্রিয়াকলাপ চালিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হত না কিছুতেই, এ কথা আশা করি সকলেই স্বীকার করবেন।

অতঃপর আসি শান্তির প্রসঙ্গে। যে যা কিছু বলুন, এপারের যুদ্ধবাজরা যতই যুদ্ধজিগির তুলুন আর ওপারে তাদের তুতো ভাইরা যতই তাতে ধূনোর গন্ধ ছড়ান, এই অধম প্রতিবেদক কিন্তু সেই চিরন্তন শান্তির পক্ষেই দাঁড়াবে। এক্ষেত্রেও তথ্য, দৃষ্টান্ত এবং পরিসংখ্যান সেই মতের পক্ষেই সমর্থন জোগাবে। দু-চারটি উদহারন দিই। আরেক প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালে প্রবল যুযুধান প্রতিপক্ষ মাওবাদীদের সঙ্গে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মধ্যস্থতায় আলোচনায় বসেছিল সেদেশের সরকার। ফলস্বরুপ সেখানে রাজতন্ত্রের উচ্ছেদ হয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে সম্পূর্ণ আস্থাহীন একটি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। তাদের সর্বচ্চ স্তরের নেতা পুষ্পকুমার দাহাল ওরফে প্রচণ্ড এবং দলের একাধিক শীর্ষ নেতা দেশের মন্ত্রীর আসন অলংকৃত করেছেন। একইভাবে আমাদের এই দেশেরই উত্তর পূর্বের এক অঙ্গরাজ্য মিজোরামে বিদ্রোহী জঙ্গি নেতা লালডেঙ্গা ও তার মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টকে পিস টেবলে আনা সম্ভব হয়েছিল। আর তার ফলাফলও সকলের জানা। লালডেঙ্গা মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর আসন অলংকৃত করেছিলেন দীর্ঘ সময়। মৃত্যুর পূর্বাবধি। একইভাবে ফিলিপিন্স এবং কলম্বিয়ায় বামপন্থী গেরিলাদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্থাপিত হয় দীর্ঘস্থায়ী আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই। যার ফলে যবনিকাপাত ঘটেছিল বেশ কয়েক দশকব্যাপী ভয়ঙ্কর রক্তক্ষয়ী সরকার বিরোধী সংগ্রামের। একথা শোনার পর অনেকেই বলবেন সে তো মশাই এখানেও চেষ্টাচরিত্তির হয়েছিল অনেকবার। ফল তো সেই কঞ্চকদলী অথবা অশ্বডিম্ব। তাদেরকে বলি শান্তি আলোচনা একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রক্রিয়া। দু-চারটে ট্রেন চালিয়ে, হঠাৎ একদিন বিনা নেমন্তন্নে উড়ে গিয়ে বিরিয়ানি খেয়ে, একে অপরকে জড়িয়ে ধরে মেকি হাসিমুখে করমর্দনের ছবি তুলে সেটা হবে না। চাই আন্তরিক সদিচ্ছা। দু’পক্ষেরই। মনে রাখতে হবে সাম্প্রতিক ইতিহাসে আমেরিকাকিউবা চুক্তি, আমেরিকাউঃ কোরিয়া চুক্তি অথবা অতীতে স্তালিনরুজভেল্টচার্চিল পিস ট্রিটি, কোনটাই হঠাৎ একদিন আকাশ থেকে লাফ পড়েনি। দীর্ঘ প্রচেষ্টা আর অধ্যবসায় ছিল এর পিছনে। তবে তার আগে বন্দুকের নলটা একটু সরিয়ে রেখে আলোচনার হাতটা বাড়াতে হবে নিজের দেশের মধ্যে, এই কাশ্মীরেই। দূরত্ব কমিয়ে সাধারন মানুষকে কাছে টানতে পারলেই ওপারে পাকিস্তানই হোক অথবা ভগবান, সাপ্লাই লাইনটা কেটে যাবে আপনাআপনিই। রোজ রোজ যুদ্ধ যুদ্ধ মহড়া দেবার প্রয়োজন হবে না।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সত্যতা এবং তার মর্মন্তুদ পরিণাম নিয়ে একফোঁটা সন্দেহের অবকাশ নেই মনে, যা একইসঙ্গে অত্যন্ত বেদনাদায়কও বটে। তবু শেষমেশ কোথাও যেন সামান্য একটু মন খুঁতখুঁত। একটা কিন্তু কিন্তু ভাব। চোরাগোপ্তা কয়েকটা প্রশ্ন, উঁকিঝুকি মারছে আড়াল আবডাল থেকে। পূর্ব নজরদারি (অ্যাডভান্স সার্চ টিম / স্নিফিং স্কোয়াড} না পাঠিয়ে আড়াই হাজার জনের অতবড় একটা প্লাটুনকে ওরকম পিকনিক মুডে অতখানি দীর্ঘ বিপদজনক রাস্তায় ওভাবে ছেড়ে দেয়া হল কেন ? গোয়েন্দা দফতর এ বিষয়ে অগ্রিম তথ্য দেয়া সত্বেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হল না কেন? দায়ভার কে নেবে? প্রশ্ন উঠছে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়িটির অবস্থান নিয়ে। একবার বলা হচ্ছে ঘটনার ঘন্টাতিনেক আগে থেকেই সেটি রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ছিল। অন্য মত অনুযায়ী গাড়িটি কনভয়ের গা ঘেঁষে চলতে চলতে অথবা উল্টদিকের লেন থেকে ছুটে এসে সেনা বোঝাই বাসটিতে ধাক্কা মারে। বলছে মিডিয়াই। কিন্তু প্রশ্ন মিডিয়াকে এধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করছে কারা? প্রশাসনের কোন বিভাগ? বলা হচ্ছে রাস্তার দু’ধারে আগে থেকেই নাকি জঙ্গিরা মারাত্মক সব স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছিল। বিস্ফোরন ঘটামাত্র তারা নাকি ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি চালাতে শুরু করে। এবার প্রশ্ন, সেইসব জঙ্গিদের সঙ্গে সামনে পিছনে কনভয়ের বাকি ৭৯টি গাড়ির জওয়ানদের কোন অ্যামবুশ অথবা এনকাউন্টার হল না কেন? অ্যাকশন শেষে ৭৯ গাড়ি জওয়ানের চোখের সামনে দিয়ে কোন যাদুমন্ত্রে জঙ্গিরা হাওয়ায় মিলিয়ে গেল? অন্তত কোন মিডিয়া তো এ ব্যাপারে কিছু বলেছে বলে শুনিনি।

পরিশেষে সবচেয়ে উদ্বেগের যেটা, এই মর্মান্তিক ঘটনার মারাত্মক এবং বিষাক্ত অনুরণন আগুনের চেয়েও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দেশে। জম্মুতে বেছে বেছে একটি সম্প্রদায়কে আক্রমণের নিশানা করা হচ্ছে। কাশ্মীরি শালওয়ালাদের তল্পিতল্পা গোটাতে বলা হচ্ছে গোবলয়ের নানা জায়গা থেকে। কাশ্মীরি ছাত্রীদের হস্টেল আক্রমণ করছে সঙ্ঘবদ্ধ গুন্ডার দল। পুলিশ গিয়ে তাদের রেসকিউ করছে। কয়েকজন মানুষের ঘৃণ্য কাজের জন্য কোন সম্প্রদায় / দেশ অথবা রাজ্যের সমস্ত মানুষকে কাঠগড়ায় তোলাটা অন্যায় এরকম একটি আদ্যন্ত মানবিক মন্তব্য করার ক্রিকেটার নভজ্যোত সিং সিধুকে তাঁর দল এমনকি দেশ থেকে বহিষ্কারের দাবি উঠছে জান্তব সগর্জনে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে করাচির সাহিত্যসভায় যাওয়া বর্জন করলেন জাভেদ আখতারশাবানা আজমি দম্পতি। তাতেও রেহাই নেই। এরকম আরো কতশত কান্ডের প্রতিবাদ কেন তাঁরা আগে করেননি তার ঠিকুজি কুষ্ঠী আর জাবদা খেরোর খাতা খুলে বসা হল কুৎসিত ভাষা সন্ত্রাসের আবহে। বাদ গেল না আমাদের চির অসাম্প্রদায়িকতার পটভূমি আর ইতিহাস সমৃদ্ধ এই বঙ্গদেশও। তপসিয়া থেকে কোচবিহার আক্রান্ত হলেন কাশ্মিরী ডাক্তারবাবু আর প্রতিবাদী ছাত্রছাত্রীরা। ট্রোল্ড হলেন গায়িকা লোপামুদ্রা মিত্র। যুদ্ধবিরোধী মন্তব্যের জন্য। সব মিলিয়ে একটা দাঙ্গা দাঙ্গা, যুদ্ধ যুদ্ধ, হাল্লারাজ পরিস্থিতি চারপাশে। সামনেই দরজায় কড়া নাড়ছে লোকসভা নির্বাচন। এখন প্রশ্ন, এরকম একটা গুলিয়ে ঘেঁটে দেয়া পরিস্থিতিতে লাভ কাদের? কারা এই ঘোলা জলে মাছ ধরতে চায় ? এমন একটা সময়ে যখন জিএসটি আর নোটবন্দির ফাঁসে হাঁসফাঁস করছে মানুষ। দেনার দায়ে প্রতিদিন আত্মঘাতী হচ্ছে কৃষক। দেশের ৭৭ ভাগ আর্থিক সম্পদ ১ শতাংশ মানুষের হাতে। চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়া হচ্ছে কালবুর্গি পানেসার দাভালকার গৌরী লঙ্কেশদের মত প্রতিবাদী সব কন্ঠগুলো। কে কী খাবে পরবে, ফতোয়া দেয়া হচ্ছে সর্বত্র। দিকে দিকে আক্রান্ত সংখ্যালঘু, দলিত, আদিবাসীরা। পরবাসে প্রাণ হারাচ্ছেন সেনাআধাসেনাবাহিনীতে কাজ করতে যাওয়া ছেলেপুলেরা। যাদের অধিকাংশই হতদরিদ্র অবস্থান, প্রান্তিক আর অন্তজ সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা। কারণ যে কোন যুদ্ধ অথবা দাঙ্গায় প্রায় ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই এরাই ক্ষতিগ্রস্থ হন সবচেয়ে বেশি। প্রাণহানি অথবা সম্পত্তি ধ্বংস প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটা বাস্তব সত্য। এই পরিস্থিতিতে সার কথাটি শুনিয়ে দিয়েছেন নিহত জওয়ান বাবলু সাঁতরার স্ত্রী মিতা সাঁতরা। স্বামীকে হারিয়ে চোখের জলে ভেসে যেতেও মানবিক মুল্যবোধের আকর এই স্পষ্টবাদিনী বলেছেন, যুদ্ধ চাই না। সীমানার এপার হোক বা ওপার, যুদ্ধ হলে কোন না কোন মায়ের কোল তো খালি হবেই। তাই শান্তি চাই। লালন সাঁই, রবি ঠাকুর, নজরুল, সুকান্ত, শঙ্খ ঘোষ, অলোকরঞ্জন, কবীর সুমন, জয় গোঁসাই, নবারুণ, সনাতন দাস, গৌর ক্ষ্যাপা, পার্বতী বাউল আর মনসুর ফকিরের বাংলায় আজ এটাই হোক আমাদের রংধনু নিশান। এগিয়ে চলার শেষ পারানির কড়ি। ভিভজিওর স্যালুট নিন মিতা !

Advertisements

4 COMMENTS

  1. যুদ্ধ কোনদিনই সমাধান নয়। বরং সমস্যা বাড়ায়। খুবই বলিষ্ঠ প্রতিবেদনটি। আবেগ ও যুক্তির ভারসাম্যে স্থির।

  2. আপনার এই প্রতিবেদন কোনও দাদা শেষ অব্দি পড়বেন কি না জানি না, তবে এ অধমের মনের কথা আপনি যে আপনার বহু পরিচিত লেখার ইন্দ্রজালে লিখলেন, তার জন্য প্রণাম জানাই। হাল্লা রাজার গল্প একবার মন দিয়ে যে মানুষ দেখবেন তিনি তাঁর শৈশবেই যুদ্ধ বিরোধী হয়ে উঠবেন নিজে থেকেই। এ প্রসঙ্গে আমার শৈশবে ওঠা সেই প্রশ্ন আজ এখানে আবার লিখি – “এরা তো খেতেই পায় না ভালো করে, যুদ্ধ যুদ্ধ করছে কেন?”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.