অনাদর অবহেলার ছন্দোপতন ঘটিয়ে যত্নের ছাপ পড়বে শচীন কর্তা-পঞ্চমের বাড়িতে ?

অনাদর অবহেলার ছন্দোপতন ঘটিয়ে যত্নের ছাপ পড়বে শচীন কর্তা-পঞ্চমের বাড়িতে ?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

৩৬/১ এস সাউথ এন্ড পার্ক | এই ঠিকানার বাড়িতে জীবনের ১৫ টি বসন্ত কাটিয়েছিলেন রাহুল দেব বর্মন | অবশেষে সেই বসতবাড়ি এ বার মেরামতির মুখ দেখতে চলেছে | বারো বছর আগেই বাড়িটি ঘোষিত হয়েছে হেরিটেজ ভবন হিসেবে | কিন্তু তাতে হাল ফেরেনি | পড়ে আছে অবহেলিত অবস্থায় | 

বুধবারই পঞ্চমের ৭৯ তম জন্মবার্ষিকী | তার আগে তাঁর কাকা আবেদনপত্র পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছেন রাজ্যের হেরিটেজ কমিশনের কাছে | কমিশনের পক্ষ থেকে বর্ষীয়ান শিল্পী শুভাপ্রসন্ন জানিয়েছেন আবেদন পেলে তাঁরা প্রচেষ্টা করবেন | 

হিন্দুস্তান পার্কে একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতেন শচীন দেব বর্মন এবং মীরা বর্মন | সেখানেই জন্ম রাহুলের | পরে তাঁরা তিনজনে উঠে আসেন এই বাসায় | এখান থেকেই বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে যেতেন রাহুলদেব | পরে তীর্থপতি ইনস্টিটিউশনে | 

উস্তাদ আলাউদ্দিন খান‚ গুরু দত্ত‚ সলিল চৌধুরী‚ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়-সহ আরও কত দিকপালের পায়ের ধুলো পড়েছে এই বাড়িতে | অথচ আজ সবই চাপা পড়েছে বিস্মৃতির ধুলোয় | এমনকী বাড়ির সামনে মার্বেল ফলকেও লেখা আছে ভুল তথ্য | সেখানে বলা হয়েছে ১৯৪৪ সালে কলকাতা ছেড়ে বম্বে চলে গিয়েছিলেন পঞ্চম | কিন্তু ঠিক তথ্য হল‚ তিনি বম্বে পাড়ি দিয়েছিলেন ১৯৫২ সালে | 

ইতিহাসের স্মারক এই বাড়িটি যেন অযত্নে নষ্ট না হয়ে যায় | অনাদর অবহেলার ছন্দোপতন ঘটিয়ে ফিরে আসুক পরিচর্যার ছাপ | তৈরি হোক সংগ্রহশালা | আর্জি পঞ্চমের পরিবারের | সেইসঙ্গে তাঁর অগণিত ভক্তের |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।