পুরনো ক্ষত শচীনও মনে রাখেন‚ তবে উত্তর দেন রসবোধেই

পুরনো ক্ষত শচীনও মনে রাখেন‚ তবে উত্তর দেন রসবোধেই

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

বিশ্বের তাবড় বোলাররা তাঁকে সেলাম জানিয়েছেন বারবার। কেরিয়ারের সেরা সময়ে বিশ্বত্রাস বোলারের বলকেও অবলীলায় সীমানা পার করে দিতে পারতেন তিনি— শচীন তেন্ডুলকর। দেখা যাচ্ছে, অবসরের পরেও তিনি বদলাননি। এবার আইসিসি তাঁকে ‘আওয়াজ’ দিতেই বুদ্ধির সঙ্গে সেই গুগলিটিকে সপাট পুলে বাউন্ডারিতে ছিটকে দিলেন ‘লিটল মাস্টার’। প্রমাণ করলেন সরস মন্তব্যেও তিনি একইরকম চোখ ধাঁধানো।

কয়েকদিন আগে নিজের টুইটার হ্যান্ডলে শচীন একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায় নবি মুম্বইয়ে ‘তেন্ডুলকর-মিডলসেক্স গ্লোবাল অ্যাকাডেমি ক্যাম্প’-এ শচীন ও তাঁর বাল্যবন্ধু বিনোদ কাম্বলি নেটে গা ঘামাচ্ছেন। শচীনের হাতে বল। কাম্বলির হাতে ব্যাট। ভিডিওটির সঙ্গে শচীন আবেগপ্রবণ কয়েক লাইনও লিখে দেন। লেখেন, শিবাজি পার্কে ছেলেবেলার দিনগুলো যেন ফিরে পাচ্ছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে এও মনে করিয়ে দেন, জীবনে কখনও তাঁরা দু’জন আলাদা দলে খেলেননি। কখনও একে অপরের বিপক্ষ দলে খেলতে হয়নি তাঁদের।

এই ভিডিওটিতে দেখা যায় শচীন ক্রিজ থেকে বেরিয়ে এসে বল করছেন। এই সুযোগে তাঁকে ‘ট্রোল’ করে আইসিসি। তারা সেই ভিডিওর সঙ্গে একটি ছবিও শেয়ার করে যেখানে দেখা যায় আম্পায়ার স্টিভ বাকনারকে। বাকনার ‘নো বল’ ডাকছেন। শচীনের ভিডিওর সঙ্গে ওই ছবি জুড়ে আইসিসি লেখে— ‘তোমার সামনের পা কোথায় শচীন?’

শচীন আইসিসি-র এহেন ‘চিমটি’র উত্তরে লেখেন—‘অন্তত এবার আমি বোলিং করছি, ব্যাটিং নয়? আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত সব সময়ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত?’ আসলে নিজের কেরিয়ারে স্টিভের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে একাধিক বার ক্রিজ ছাড়তে হয়েছে একশো শতরানের মালিককে। সেই কথাই মনে করিয়ে দিলেন তিনি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।