সাগর আই লাভ ইউ (পর্ব ১১)

603
ছবি - দেবব্রত ঘোষ

কিশোরী বনলতার গল্প শুনে আমি শিউরে উঠলাম। গল্প যদি বানানোও হয়, তাহলেও ভয়ংকর।

খানিকটা সময় থুম্‌ মেরে বসে থাকবার পর নিজেকে সামলে নিলাম। বনলতা বলল,‘‌দাদা, আমি জানি আপনি আমার কথা বিশ্বাস করলেন না। তারপরেও এই ঘটনা সত্যি। লজ্জায় আমি সবটা বলতে পারিনি।’‌

আমি নরম গলায় বললাম,‘গল্প সত্যি বা মিথ্যে যাই হোক না কেন, ‌তুমি আমাকে বললে কেন?‌ এত রাতে পার্কে বসে থাকা মানুষ কি ভাল হয়?‌ হয় না। তুমি আমার পাশে এসে বসেছ কেন? আমি তো তোমার সঙ্গে খারাপ কিছু করতে পারতাম।’‌ একটু থেমে বললাম,‘‌এখনও পারি।’‌

বললতা মাথা নামিয়ে বলল,‘পারেন না। ‌মেয়েরা যেমন অমানুষ চিনতে পারে, মানুষও চিনতে পারে। খারাপ মানুষ রাতে পার্কে ঘুমোয় না। তাছাড়া.‌.‌.‌তাছাড়া ঘুমিয়ে থাকা মানুষকে দেখলে খানিকটা চেনা যায়।’‌

খানিক আগে অমন গা শিউরোনো ঘটনা শুনেও আমি এবার না হেসে পারলাম না। বললাম,‘‌এ তোমার ঠিক যুক্তি হল না। জেগে থাকা বা ঘুমোনো দেখে মানুষ চেনা যায় না।’‌

বনলতা একটু চুপ করে থেকে নিচু গলায় বলল,‘হয়তো যায় না, কিন্তু ‌আমি পারি।’‌

আমি একটু চুপ থেকে বললাম,‘‌আচ্ছা,আমি মেনে নিচ্ছি তুমি পারো। কিন্তু বনলতা,এই ঘটনা আমাকে বললে কেন?‌’‌

বনলতা বলল,‘‌আগে যাদের বলেছি হয় তারা মাঝপথে থামিয়ে দিয়েছে,নয় গা ঝাড়া দিয়েছে। আমি এক বাড়িতে কাজ করতাম। তারা ঘটনা শুনে আমাকে ছাড়িয়ে দিয়েছিল। যেন দোষ আমার। আমার স্বামী,তার বন্ধু নয়,অন্যায় করেছি আমি। এমনকি আমার বাবা–‌মাও মানতে চায় না। প্রথম প্রথম বলত মানিয়ে নে। পরে বলে দিয়েছে,বরের ঘর ছেড়ে চলে এলে বাড়িতে থাকতে দেবে না। তাই তো যেদিন এরকম হয় পালিয়ে যাই। যেখানে দু চোখ যায়। একদিন রাতে পালিয়ে আমার এক মাসির বাড়ি গিয়েছিলাম। মাসি রাতের জন্য থাকতে দিল। আমি ছাদের ঘরে দোর দিয়ে শুয়ে পড়লাম। মেসোমোশাই রাতে দরজায় নাড়া দিল। ভোররাতে সেখান থেকেও পালাতে হল।’‌

আমি চুপ করে রইলাম। বনলতা তার ঘটনা হয়তো বানিয়ে বলেছে, কিন্তু কথাগুলো সত্যি। অসহায় মেয়েকে পেলে আমরা ভদ্রলোকেরা হয় তাড়িয়ে দিই বা মুখ ঘুরিয়ে নিই। নয়তো মাঝরাতে দরজায় কড়া নাড়ি। ব্যতিক্রম আছে,সেটা ব্যতিক্রমই।

আমি বললাম,‘‌বনলতা, তমি আমাকে কী করতে বল?‌’‌

বনলতা বলে,‘‌কিছু করতে বলি না। কেবল ভোর হওয়া পর্যন্ত আপনার সঙ্গে একটু থাকতে দিন। পুরুষমানুষ সঙ্গে থাকলে অন্য পুরুষরা বিরক্ত করে না। একা থাকলে খুব ঝামেলা। আলো ফুটলে ঘরে ফিরে যাব। তখন আমার স্বামীর বন্ধু চলে যাবে। স্বামী ঘুমিয়ে থাকবে।’

আমি অবাক হয়ে বললাম,‘‌সকালে তো উঠবে। তোমাকে মারধোর,অত্যাচার করবে না?‌’‌

বনলতা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,‘সে তো স্বামীর হাতে মার।’‌‌ 

আমি আবার চুপ করে গেলাম। সত্যি তো স্বামীর হাতে মার খাওয়া আজও আমাদের দেশের একটা বড় অংশের মেয়েদের দায়িত্ব এবং কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। এখন তো আবার নিয়ম হয়েছে ‘‌স্বামী-‌দেবতা’‌চাইলে স্ত্রীকে গুড গার্ল হয়ে গুটি গুটি বিছানায় পৌছে যেতে হবে। ইচ্ছে না থাকলেও যেতে হবে। এই নিয়ে কমপ্লেন চলবে না। তুমি ‘‌মেয়েমানুষ’‌, তোমার আবার কীসের ইচ্ছে অনিচ্ছে?‌ আহা,দেশ বড় সভ্য হচ্ছে। তবে যতই পচা নিয়মকানুন চালু হোক,মেয়েরা পৃথিবীর আধখানার বেশি দখল করে ফেলছে। বাকিটুকু নিতেও বেশি দেরি নেই। এর জন্য মেয়েরা ব্যবহার করছে তাদের বিদ্যা,বুদ্ধি এবং সাহস। এমনকি তাদের সৌন্দর্যও। বুদ্ধির মধ্যে সুবুদ্ধি যেমন আছে, কুবুদ্ধিও আছে। সে থাক। এটা তাদের একটা যুদ্ধ। যু্দ্ধে কৌশল লাগে। একদিকে যখন এই যুদ্ধ চলছে,অন্যদিকে তখন মেয়েদের ওপর নানা ধরনের অন্যায় বাড়চ্ছে। মাঝরাতে পার্কে ছুটে আসা বনলতা তো নেহাতই দরিদ্র,অশিক্ষিত। স্বামী চোলাই মদ খায়। রেল লাইনের পাশে ঝুপড়িতে থাকে। রাতে মাতাল হয়ে বন্ধুদের স্ত্রীর বিছানায় তুলে দিতে যায়। স্ত্রী পালিয়ে বেড়ায়। মেয়েকে ঘাড় থেকে নামবার জন্য নাবালিকা অবস্থাতেই বনলতাকে বিয়ে দিয়েছে তার গরিব বাবা–‌মা। ছেলে রেলে হকারি করে। অতি সুপাত্র। এই পরিবার তো সমাজের ওপর মহলের মানুষ নয়। যারা ওপর মহলে আছে তারা তো দেখি আরও ভয়ংকর!‌ চট করে একটা ঘটনা বলে নিই। 

আমি খবরের কাগজ পড়ি না। মাঝে মাঝে নন্দর চায়ের দোকানে গিয়ে উলটে দেখি। তাও একেবারে কোনও কাজ না থাকলে। ঘুম টুম না পেলে। এক রবিবার এরকম ভাবেই কাগজ ওলটাচ্ছিলাম। খবর টবর মোটে সহ্য হল না। বিজ্ঞাপন পড়তে শুরু করলাম। ‘‌পাত্রী চাই’‌ বিজ্ঞাপনে গিয়ে বড় মজা পেলাম। খুব ফান। কিন্তু একটু সিরিয়াসলি দেখবার পর আমার চোখ একবারে কপালে উঠে গেল। একী কান্ড!‌ 

ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়র,টিচার,ব্যবসায়ী,প্রফেশনালরা বিয়ের জন্য হন্যে হয়ে পাত্রী খুঁজছে। কেউ দেশী,কেউ প্রবাসী,কেউ টাটকা কেউ বাসি। পাত্রী খোঁজার প্রক্রিয়ায় জাতপাত,ধর্ম তো আছেই,আর আছে নির্লজ্জ অসভ্যতা। আমি লিখে দিতে পারি এই হারামজাদাগুলোই ফেসবুকে জাতপাত,ধর্মের বিরুদ্ধে পোস্ট দেয়। কোনও ধর্ষনের ঘটনা ঘটলে ফেসবুকে গর্জে ওঠে। ভন্ডামি,নষ্টামি আর কাকে বলে। বিজ্ঞাপনে দেখলাম,এক-দেড়জন বাদে লেখাপড়া জানা ‘‌কীর্তিমান’‌রা সবাই চান তার ঘরনীটি যেন হয় ‘‌সুশ্রী’‌। বন্ধুদের যেন চোখ টাটায়। পার্টিতে শ্লিভলেস আর ব্যাকলেস দেখে হাত পা যেন কাঁপে । ‘‌সুশ্রী’‌র মধ্যেও আবার ক্লাসিফিকেশন আছে। মর্কটগুলো কেউ চাইছে ফর্সা মেয়ে,কেউ চাইছে লম্বা। যেন মেয়েদের বাজার বসেছে!‌ দেখলাম কটা শিক্ষিত ছোটোলোক লিখেছে,‘‌স্লিম’পাত্রী চাই। এদের ছোটোলোকি ভাষাতেই বলতে হয়,‘তোদের বাড়িতে মা-‌বোন নেই?‌ তারা কেউ যদি কালো কুলো,বেঁটে বা মোটা হয়? তখন কী হবে?‌‌ কালো হলে এই গাধাগুলো মাকে কি আর ‘‌মা’‌  ডাকবে না?’‌কালুয়া’‌ডাকবে?‌বেঁটে বলে‌ বোনের বিয়ে দেবে না?‌ নিজের পরিচয় দিয়ে কোনও লেখাপড়া জানা ভদ্রলোক এসব কথা বুক ফুলিয়ে ছাপাতে পারে এটাই আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। কাগজ হাতে ভাবলাম আনি কি ভুল দেখেছি?‌ নিজেকে চিমটি কাটলাম। নন্দর দোকানে বসে ঘুমিয়ে পড়িনি তো?‌ পণ নেওয়া নিষেধ জানি। নিলে জেল হয়। পণ মানে কী?‌ বিয়ের জন্য মেয়ের বাড়ি থেকে গয়নাগাঁটি, টাকাপয়সা,‌জিনিসপত্র চাওয়া যাবে না। গায়ের রঙ ফর্সা চাওয়াটা পণ নয়? 

‘‌সুন্দর’‌ চাওয়াটা অরপরাধ নয়। হওয়াটাও নয়। তবে বাইরের রূপ যদি মানুষ বিচারের মাপকাঠি হয় তাহলে অতি লজ্জার। একেকজনের কাছে একেকটা জিনিস সুন্দর। যে মানুষ তার কাছে শিক্ষা,সাহস,মন সুন্দর। যে অমানুষ তার কাছে গায়ের রঙ, রোগা–‌মোটা সুন্দর। সে আর কী করা যাবে। এই দুনিয়ায় লেখাপড়া জানা কত মানুষই তো আসলে অমানুষ। শিক্ষিত ছেলেদের পাত্রী চাইবার ধরণ ধারন দেখে মনে হল, পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে যেসব ছেলে সিটি মারে এরা তাদের থেকেও খারাপ। খারাপকে চিনতে অসুবিধে হয় না। ভদ্রবেশী খারাপকে চিনতে অসুবিধে হয়। মানুষ ভুল করে। ‘‌পাত্রী’রাও করে‌। তখন কাঁদা ছাড়া উপায় থাকে না। গায়ের রঙ, টিকোলো নাক, স্লিম ফিগার ভেসে যায় চোখের জলে। আহা!‌  

সেদিন আমা‌র কাগজ পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল,যে শিক্ষিত মানুষ গায়ের রঙ, লম্বা,কালো,বেঁটে,মোটা দিয়ে মানুষকে বিচার করে এবং সেটা সদর্পে কাগজে ঘোষনা করে তাদের একটাই সাজা। পশ্চাতদেশে চারটি করে লাথি। সুশ্রী লাথি, শিক্ষিত লাথি,গৃহকর্মে নিপুনা লাথি এবং স্লিম লাথি।

তবে রাগের সঙ্গে আমার মন খারাপও হয়ে গেল। যত পাত্র চাই বিজ্ঞাপনে ফর্সা পাত্রী চাই বেরবে,তত মেয়ে জন্ম অভিশাপের হয়ে থাকবে। তত কন্যাভ্রুণ হত্যা বাড়বে, তত নারী পাচার হবে,তত পণ নেওয়া বাড়বে,তত আত্মহত্যা বাড়বে। আমাদের দেশে যারা আইন বানান,মাননীয় মহাশয়রা একটা আইন বানাতে পারেন না ‌?‌ যারা এধরনের কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যক্তি রুচি যদি অন্যের জন্য ক্ষতির কারণ হয় সেটা তো আইনের চোখে অপরাধের হওয়া উচিত। তাই না?‌

ভাগ্যিস আমি অতি ছোটো মানুষ,আমাকে এসব নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় না। ঘুমোতে পারলেই হল।

আমি বললাম,‘‌বনলতা,তোমার কথা আমি শুনলাম,এবার যে আমার কথা  তোমাকে শুনতে হবে।’‌

‘‌কী কথা?‌’‌

আমি বললাম,‘‌আমাকে তোমার সঙ্গে থানায় যেতে হবে।’‌

বনলতা চমকে উঠে বলল,‘‌থানায়!‌ কেন?‌’‌

আমি সামান্য হেসে বললাম,‘‌ভয়ের কিছু নেই,থানায় গিয়ে তোমাকে তোমার স্বামী আর তোমার স্বামীর ওই বন্ধুটির নামে কমপ্লেন করতে হবে। স্বামী যদি তার ,স্ত্রীকে অন্য পুরুষমানুষের কাছে ঠেলে দেয় এবং না গেলে খুন করবার হুমকি দেয়,সেটা আইনের চোখে গুরুতর অপরাধ। এই অপরাধ মাপ করা যাবে না।’‌

বনলতা ভয়ার্ত গলায় বলল,‘‌নানা,এসবের দরকার নেই।’‌

‘‌তোমার দরকার নেই,কিন্তু আমার দরকার আছে। তুমি যদি না যাও তাহলে ধরে নেব,এতক্ষন তুমি যা যা বললে সবটাই মিথ্যে।’‌

বনলতা একটু চুপ করে থেকে বলল,‘‌আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেবে।’‌

আমি হাই তুলে বললাম,‘‌দিলে দেবে। এমনিতেই তো দিয়েছে। প্রায় রাতেই তোমাকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে লুকিয়ে থাকতে হয়। হয় না?‌ আজ একটা এক এসপার ওসপার হয়ে যাবে না হয়।’‌

চাঁদ ঢলে পড়ছে। লেকের জল ঘুমিয়ে পড়েছে। কোনও রাত জাগা পাখি শেষবারের মতো ডেকে উঠল। খানিকপরেই ভোর হবে। আবার কলকাতা শহর ব্যস্ত হয়ে পড়বে। ছুটতে শুরু করবে। ভুলিয়ে দিতে চাইবে রাতের যাবতীয় অপরাধ,অপমান।

বনলতা উঠে দাঁড়াল। বলল,‘‌আমি থানা পুলিসের কাছে যাব না দাদা।’‌

আমি ‌উদাসীন ভাবে বললাম,‘‌তোমার ইচ্ছে। তবে একটা কথা মনে রেখও বনলতা, এভাবে পালিয়ে তুমি বাঁচতে পারবে না।’

‘‌বাঁচব না।’‌

আমি থমকে গেলাম। এক অপমানিত কিশোরী যদি বলে,‘‌বাঁচব না’‌তখন না থমকে উপায় কী?‌‌ নিজেকে অসম্ভব ছোটো মনে হয়। আমি এখন কী করব?‌ মেয়েটাকে জোর করে থানায় নিয়ে যাব?‌ নাকি চলে যেতে দেব?‌আমি অন্য পদ্ধতি নিলাম।

আবার শুয়ে পড়বার আয়োজন করতে করতে শান্ত গলায় বললাম,‘‌তাই ভাল। তোমার মতো মেয়ের না বাঁচাই উচিত। এবার এখান থেকে যাও বনলতা। আমি চাই না,ঘুমন্ত অবস্থায় আমাকে তুমি দেখ। ঘুমিয়ে থাকা মানুষের ভাল মন্দ দেখতে শিখেছো,রাগ দেখতে শিখেছো কি? শেখোনি । সুতরাং কেটে পড় বাপু।‌ একটু পরেই ভোর হবে। ভোরের আলোয় আমি কোনও ভীতু মেয়ের মুখ দেখা পছন্দ করি না।’‌

বনলতা একটু চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে পিছন ফিরে রওনা হল। কিছুক্ষনের মধ্যে গাছপালার আড়ালে মিলিয়ে গেল। মেয়েটা বাড়ি ফিরবে। স্বামীর কাছে নিজেকে সারেন্ডার করবে। করুক,যা খুশি করুক। শুধু পুরুষমানুষের দোয় নয়,দোষ মেয়েদেরও। 

আমি আমার শুয়ে পড়বার প্রস্তুতি নিলাম। ঠান্ডা ঠান্ডা হাওয়া দিচ্ছে। বহুদিন বাদে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটালাম। মাঝামাঝে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটানো উচিত। শরীর ফ্রেশ এয়ার পায়। তার থেকে বড় কথা,গাছপালা,চাঁদ,জল,বাতাসে অনেক পাপ ধুয়ে যায়।

আমি বেঞ্চের ওপর টানটান হয়ে শুয়ে পড়লাম। আহ্‌,এত অন্যায়,এত অত্যাচারের পরেও পৃথিবী এত সুন্দর!‌

চোখ বোজার একটু পরেই চমকে উঠলাম।

চলবে…

গত পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-10/

৯ম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-9/

৮ম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-8/

৭ম পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-7/

৬ পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-6/

 
৪র্থ পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-4/

৩য় পর্বের লিঙ্ক –https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-3/

২য় পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta-2/

প্রথম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta/

Advertisements
Previous articleকামদেব বা মদনদেব দেবী দুর্গার কী নাম রেখেছিলেন ?
Next articleবৈদ্যনাথে ছিটকে এসে পড়েছিল সতীর হৃৎপিণ্ড
প্রচেত গুপ্ত
জন্ম : ১৪ অক্টোবর, কলকাতায়, ১৯৬২ সালে | কলকাতার গায়ে বেড়ে ওঠে শহরতলি বাঙুর এভিনিউতে স্কুলের পড়াশোনা, বড় হওয়া | স্কুলজীবন থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে লেখালেখির নেশা | প্রথম লেখা মাত্র ১২ বছর বয়সে আনন্দমেলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় | তারপর বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লেখা চলতে থাকে | গোড়ার দিকে ছোটদের জন্য লেখাতেই বিশেষ ঝোঁক ছিল | স্কুল শেষ হলে স্কটিশ চার্চ কলেজ | এরপরই একটা দুটো করে বড়দের জন্য লেখার শুরু | অর্থনীতিতে স্নাতক হয়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়া | বিভিন্ন পত্রিকায় গল্প প্রকাশিত হতে থাকে নিয়মিত | প্রথম উপন্যাস 'আমার যা আছে' প্রকাশিত হয় আনন্দলোক পত্রিকায়, ২০০৪ সালের পূজাবার্ষিকীতে |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.