সাগর আই লাভ ইউ (পর্ব ১৩)

521
ছবি - দেবব্রত ঘোষ

থানার লক আপ কেমন হতে পারে সে ব্যাপারে আমার অল্প বিস্তর অভিজ্ঞতা আছে। 

একবার গভীর রাতে চিড়িয়াখানার পাঁচিল টপকে বাঘের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। সেই বাঘের চোখ ছিল হরিণের মতো। পাঁচিল টপকাতেই আমি ধরা পড়ে গেলাম। সেদিন ‘‌চোর’‌ ভেবে  উত্তম মধ্যমও জুটেছিল। তারপর আমাকে তুলে দেওয়া হল পুলিসের হাতে।  সেইসব কথা লেখা আছে ‘‌আমার যা আছে’‌ কাহিনীতে। তখন আমার থানার লকাপের অভিজ্ঞতা হয়েছিল। এবার আবার হলো।

লকাপ কেমন তার বিস্তারিত বর্ণনায় গিয়ে লাভ নেই। শুধু এটুকু বলি, সিনেমা, থিয়েটারের মতো নয়। আমি বরং সেখানে যাদের সঙ্গে আলাপ হলো তাদের কথা বলি। সহকর্মীর মতো এরা সব আমার সহ–অপরাধী। যেহেতু আমি থানার লকাপে ঢুকেছি, আমিও একজন অপরাধী। অন্তত অপরাধে অভিযুক্ত তো বটেই।

আমি ছাড়াও লকাপে আরও  দু’‌জন রয়েছে। ছোকরা ধরনের একজন দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে ঝিমোচ্ছে। বয়স্ক একজন গামছা পেতে গুটিসুটি মেরে রয়েছে শুয়ে। ফর্‌ফর্‌ করে নাক ডাকছে। তাকে দেখল মনে হচ্ছে, এমন নিশ্চিন্তে বহুদিন ঘুমোয়নি। আমাকে ঢুকিয়ে ঝন্‌ঝন্‌ আওয়াজে লকাপের গেটে তালা লাগিয়ে চলে গেল হাবিলদার। দেয়ালে হেলান দেওয়া কম বয়সী চোখ খুলে বলল,‘‌দাদা, আপনার কাছে বিড়ি হবে?‌’‌

আমি বিনয়ের সঙ্গে বললাম,‘না তো।’‌

ছোকরা বলল, ‘‌এইটা ভুল করেছেন। লকাপে অন্য কিছুর তেমন সমস্যা নেই, কিন্তু বিড়ির বড্ড টানাটানি হয়। আসবার সময় নিয়ে এলে পারতেন।’‌

আমি একটা পাশ দেখে বসে পড়লাম। মাথার ওপর টিমটিম করে হলুদ রঙের আলো জ্বলছে। এতে ছায়া বেড়েছে। আমাদের লাগছে ছায়া ছায়া। অপরাধ কি মানুষকে ছায়ার মতো করে দেয়?‌ যারা নিস্পাপ তারা কি আলোক উজ্জ্বল?‌ এই বিষয়ে নিশ্চয় গবেষনা হয়েছে। আর কোথাও না হোক‌ আমেরিকায় হয়েছে বটেই। ওখানে যে কত বিষয়ে গবেষনা হয় তার ঠিক নেই। ওই দেশ হল গবেষনার ডিপো। এলিফ্যান্ট টু আলপিন সব বিষয়ে নিয়ে ওদের নেড়েঘাঁটা দেখা অভ্যেস। আমার এক ভাগ্নি সেখানকার এক ইউনিভার্সিটিতে গেছে ‘‌ডিগবাজি’‌ নিয়ে কাজ করতে। ভাগ্নি ভারতবর্ষ থেকে অ্যাপ্লাই করায় ওরা একেবারে লুফে নিয়েছে। আমরা নাকি ‘‌‌ডিগবাজি’‌র জন্য গোটা পৃথিবীতে বিখ্যাত। আমি শুনে তো অবাক। ভাগ্নিকে বললাম,‘হ্যাঁরে, ‌এটা কি স্পোর্টসের কোনও বিষয়? ‌আমরা তো খেলাধুলোয় তেমন কিছু করিনি। অলিম্পিকে পোল ভল্টে আমরা কোনোদিনই মেডেল টেডেল পাইনি। আমরা কেন ডিগবাজিতে বিখ্যাত হতে যাব।’‌ 

ভাগ্নি হেসে গড়িয়ে পড়ল। বলল,‘‌এই ডিগবাজি সেই ডিগবাজি নয় সাগরমামা।’‌

আমি বললাম, ‌‘‌তাহলে কোন ডিগবাজি?‌’‌

ভাগ্নি বলল,‘‌এটা সোশ্যাল সায়েন্সের বিষয়। এখানে আমরা সোশাল পয়েন্ট অব ভিউতে অ্যানালিসিস করে দেখব কেন মানুষ তার মোরাল, ইডিওলজি, দীর্ঘদিনের প্র‌্যাকটিশকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে অন্য কোথাও শেলটার নেয়। এউ কাজটা করবার জন্য আমি তিন বছরের স্কলারশিপ পেয়েছি।’

আমি বলি,‌‘‌বাপ্‌রে, তোরা পারিসও বটে।’‌

মানুষের আলো নিয়েও এরকম কোনও গবেষনা হতে পারে। হয়তো গবেষনার নাম ‘‌ম্যান অব্‌ শ্যাডো এণ্ড লাইট’‌। ছায়া ও আলোর মানুষ। বিভিন্ন পুলিস লকাপ, জেলখানা ঘুরে ঘুরে সমীক্ষা নেওয়া চলছে। আবার বাইরের ভাল মানুষদের সঙ্গেও কথা হচ্ছে। 

আমি ছোকরা চেহারার ছেলেটিকে বললাম, ‌‘‌আপনার কথা মনে থাকবে। এরপর থেকে পুলিশ লকাপে ঢোকবার সময় এক বাণ্ডিল বিড়ি নিয়ে ঢুকব।’‌

ছেলেটি আড়মোড়া ভেঙে বলল,‘‌আমাকে আপনি আজ্ঞে করবেন না দাদা। বয়েসে ছোট। তাছাড়া চোর ছ্যাঁচোরের লাইনে আছি তো, আপনি আজ্ঞেতে প্রবলেম হয়। ভয় করে। শালার ভদ্রলোক হয়ে গেলাম না তো?‌ শালার ভদ্রলোক হলে খাব কী?‌ তুই তোকারিতে নিশ্চিন্ত লাগে। আপনার নাম কী দাদা?‌’‌

‘‌সাগর।’
‘‌গুড নেম। আমার নাম মোবাইল।’‌
আমি অবাক হয়ে বলি,‘‌মোবাইল!‌ এ আবার কেমন নাম?‌’‌

মোবাইল হেসে বলল,‘‌মোবাইল চুরিতে কিঞ্চিৎ নাম ডাক করেছি বলে, লাইনে সবাই আদর করে মোবাইল ডাকে। এবারও ওই মোবাইল কেসে ধরা পড়েছি। পড়তাম না। সব দিকে আমার ফিটিং আছে। কোন্‌ এক নেতার মেয়ের মোবাইল চুরি করে ফেঁসে গেছি। আরে বাবা, আমি কি জানতাম মোবাইলটা ভিআইপি মোবাইল?‌ শালার ফ্যাকড়ায় পড়ে গেছি। পরশু রাতে বড়বাবু তুলে এনেছে।’‌

আমি বললাম, ‘‌কোথা থেকে চুরি করলে?‌’‌

মোবাইল বলল,‘‌শপিং মল থেকে।’

আমি বললাম, ‘‌জিনিসটা ফেরত দিয়ে দিলেই তো হয়।’‌

‘‌সাগরদা, সে মাল কী আর আমার কাছে আছে ?‌ চুরি করবার আধঘন্টার মধ্যে  চালান করে দিয়েছি। ইস, আগে যদি জানতাম। ভিআইপি জিনিসের দাম বেশি।’

আমি চিন্তিত হয়ে বললাম, ‘‌এবার কী হবে?‌’‌

মোবাইল বলল, ‘কী আর হবে, মোবাইলটা ফেরত না হওয়া পর্যন্ত গ্যারেজ হয়ে গেলাম। যাকে চালান করেছি, সে মাল কোথায় ঝেপেছে ঠিক আছে?‌ শালার অন্য একটা মাল দিয়ে কেস সালটাব সে উপায়ও নেই। ওই ফোনই দিতে হবে।’‌

আমি চিন্তিত হয়ে বললাম,‘‌তাহলে তো খুব ঝামেলা।’‌

মোবাইল হেসে বলল,‘‌সে আর কী করা যাবে। কটাদিন পুলিস গোঁতানি খেতে হবে। এখনও গোঁতানি শুরু হয়নি, কাল থেকে হবে মনে হচ্ছে। এখানে দিন তিন পর থেকে ব্যাটম স্টার্ট হয়।’‌

আমি বললাম,‘‌ব্যাটম কী ?‌ খানিক আগেও ব্যাটমের কথা শুনলাম।’‌

‘‌ব্যাটম হল, ব্যাটম দিয়ে মার। ও কিছু নয় আমাদের অভ্যেস আছে। ওই যে খোঁচা দাড়ির মামাকে দেখছেন, ও ধরা পড়েছে মার্ডার কেসে। ওর ব্যাটাম্‌ শুরু হয়ে গেছে। কাল একদফা কম্বল ধোলাই হয়ে গেছে। দেখে বুঝতে পারছেন সাগরদা?‌ কেমন আরামে ঘুমোচ্ছে, অভ্যেস আছে।’‌

আমি ঘাবড়ে গিয়ে বললাম,‘‌সে কী!‌’‌

মোবাইল বলল,‘ঘাবড়াবেন না। ‌এ কিছু নয়। কিন্তু দাদা, আপনি কেন এখানে?

আপনাকে তো চোর ডাকাত বলে মনে হচ্ছে না। লাইনেও কখনও দেখিনি।‌’‌

‘‌আমি মাথা চুলকে বললাম,‘‌ঠিক জানি না।’‌

মোবাইল বলল,‘‌এটাও কোনও ব্যাপার নয়। বহু নিরীহ লোককে পুলিস ধরে। ধরে পেটানি দিয়ে বুঝতে পারে ভুল লোককে ধরেছে। তবে একটাই বিপদ।’‌

আমি বললাম, ‘‌কী বিপদ?‌’‌

‘‌নিরীহ মানুষেরবেলায় পেটানি বেশি হয়। জাল–‌ভেজাল বুঝতে হয় তো। চিন্তা করবেন না দাদা। প্রথম মিনিট কুড়ি–‌পঁচিশ মার খাওয়ার পর, গা সওয়া হয়ে যাবে। সেই সময় আপনি দোষ স্বীকার করে নেবেন।’‌

আমি চোখ কপালে তুলে বললাম,‘‌সেকী!‌ দোষ না করেই দোষ স্বীকার করব !‌’‌

মোবাইল বলল,‘‌তাতে আপনার সমস্যা কী?‌ দোষ স্বীকার করলেই তো আর আপনি‌ দোষী হয়েছেন না দাদা। পুলিসকে প্রমাণ করতে হবে। পারবে না। কত বড় বড় দোষীকে এই দুনিয়ায় অপরাধী প্রমাণ করা যায়নি তার ঠিক আছে। আপনিও ছাড়া পেয়ে যাবেন দাদা। মধ্যিখান থেকে আপনি মারের হাত থেকে বেঁচে গেলেন।’‌

আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। একজন সামান্য মোবাইল চোরের কী বুদ্ধি!‌ গদগদ গলায় বললাম, ‌‘‌ধন্যবাদ ভাই।’

মোবাইল বলল,‘‌একটু ঝিম্‌ মেরে নিন দাদা। সকালে আবার কী হুজ্জুতি শুরু হয় তার ঠিক নেই।’‌

আমি লকাপের দেয়ালে হেলান দিলাম। চোখ বুঁজলাম। রেবার সঙ্গে একটু মন ফোনে কথা বললে কেমন হয়?‌ ও নিশ্চয় এতক্ষনে ঘুম থেকে উঠে পড়েছে। কী করছে?‌ মর্নিং ওয়াক ?  লাল ফারের লং কোট পরে হেঁটে চলেছে পাহাড়ি পথ দিয়ে?‌ কুয়াশার মাঝখানে তাকে নিশ্চয় দেখাচ্ছে মায়াবী। আজকাল কত সুবিধে হয়ে গেছে। ভালবাসার মানুষকে ইচ্ছে করলেই দেখা যায়। ফোনে ছবি তুলে ফট করে পাঠিয়ে দিলেই হল। হোয়াটস অ্যাপ, মেইল, ফেসবুক, ভিডও কল কত ব্যবস্থা। আমার সে   সেসব ব্যবস্থা নেই। আমার আছে শুধু মনফোন। এই ফোন মন থেকে করতে হয়। যখন খুশি করা যায়। ভালবাসার মানুষকে দেখতে হলে আমার মনফোনই যথেষ্ট। রেবা এখন লামডিং–‌এ। ফার্ম হাউস দেখাশোনা করে। ছোটোদের জন্য স্কুল বানিয়েছে। আমার থেকে সে দূরে থাকতে চায়। তার বিশ্বাস ভালবাসার মানুষ যত দূরে থাকবে তত ভালবাসা তীব্র হয়। আমি মনফোনে রেবার নম্বর টিপলাম।

‘‌কেমন আছো রেবা ?‌’‌
‘‌ভাল আছি।’‌
‘‌আমিও ভাল আছি।’‌
‘‌সাগর, তুমি তো সবসময়েই ভাল থাক।’
‘‌এখন বেশি ভাল আছি রেবা।’
‘‌তাই নাকি!‌ খুব চমৎকার।’‌
‘‌কেন এত ভাল আছি তুমি জানতে চাও না?‌’‌

মনফোনের ওপার থেকে রেবা বলল,‘‌তোমার ভাল থাকবার কারণ সমুদ্রের মতো গভীর। তল খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেই চেষ্টা করা বাতুলতা মাত্র।’‌

আমি আনন্দিত গলায় বললাম,‘‌রেবা, আমি এখন পুলিস থানার লকাপে।‌’‌

রেবা বলল, ‘‌কেন?‌ পুলিসের কি ধরাবার মতো লোক কম পড়ল?‌’‌

আমি বললাম,‘‌আমাকে পুলিস রসিকতা করবার দোষে ‌ফাটকে পুরেছে।’

রেবা হাসতে হাসতে বলল,‘‌ঠিকই করেছে। তোমার একটা শিক্ষা হওয়ার দরকার ছিল।’‌

আমি অবাক হয়ে বললাম,‘‌কেন?‌’‌
‘‌তোমার রসিকতা সবার পক্ষে সহ্য করা অসম্ভব। কী রসিকতা করেছো?‌’‌

আমি বললাম,‌‘‌আমি থানার অফিসারকে বলেছি, মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়েছে। তিনি একটু পরেই থানা ভিজিটে আসছেন। আপনি দেরি না করে বনলতার কমপ্লেইন নিয়ে নিন।’‌

রেবা বলল,‘‌বনলতা!‌ সে কে?‌ ’‌  

মনফোনে কথা বলাবার এই পর্যায়ে লকাপের বাইরে থেকে হাউমাউ করে চিৎকার ভেসে উঠল।‌ পুলিস কাউকে মারধোর করছে?‌ বনলতার স্বামী আর তার বন্ধুকে ধরে এনেছে নাকি?‌ তাদের পেটাচ্ছে?‌ তাই হবে। মনটা আনন্দে ভরে উঠল। যাক সাগরের রসিকতা টেকনিক অ্যাপ্লাই করে একটা কাজ অন্তত করা গেল।

এর কিছুক্ষনের মধ্যে বড় অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটল।

চলবে…

গত পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-12/

১১ পর্বের লিংক –  https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-11/

১০ পর্বের লিংক –  https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-10/

৯ম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-9/

৮ম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-8/

৭ম পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-7/

৬ পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-6/

 
৪র্থ পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-4/

৩য় পর্বের লিঙ্ক –https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-3/

২য় পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta-2/

প্রথম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta/

 

Advertisements
Previous articleবাড়িতে আশ্রিত অসংখ্য পরিজন-আর্ত-দুঃখী-ভবঘুরে‚ ধনী হরি ঘোষের বাড়ি হয়ে উঠল ‘গোয়াল’
Next articleডুগডুগি (পর্ব ১৭)
প্রচেত গুপ্ত
জন্ম : ১৪ অক্টোবর, কলকাতায়, ১৯৬২ সালে | কলকাতার গায়ে বেড়ে ওঠে শহরতলি বাঙুর এভিনিউতে স্কুলের পড়াশোনা, বড় হওয়া | স্কুলজীবন থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে লেখালেখির নেশা | প্রথম লেখা মাত্র ১২ বছর বয়সে আনন্দমেলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় | তারপর বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লেখা চলতে থাকে | গোড়ার দিকে ছোটদের জন্য লেখাতেই বিশেষ ঝোঁক ছিল | স্কুল শেষ হলে স্কটিশ চার্চ কলেজ | এরপরই একটা দুটো করে বড়দের জন্য লেখার শুরু | অর্থনীতিতে স্নাতক হয়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়া | বিভিন্ন পত্রিকায় গল্প প্রকাশিত হতে থাকে নিয়মিত | প্রথম উপন্যাস 'আমার যা আছে' প্রকাশিত হয় আনন্দলোক পত্রিকায়, ২০০৪ সালের পূজাবার্ষিকীতে |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.