সাগর আই লাভ ইউ (পর্ব ১৫)

610
ছবি - দেবব্রত ঘোষ

দরজায় কেউ ধাক্কা দিচ্ছে। জোরে নয়,আবার আস্তেও নয়। যে ধাক্কা দিচ্ছে সে আমাকে ঘুম থেকে তুলতে চাইছে ঠিকই,তবে ধমক দিয়ে নয়, খানিকটা নিচু গলায়। গায়ের ওপর হাত রেখে আলতো নাড়ায়।  

এখন সকাল কটা?‌ আমার ঘরে দেয়াল ঘড়ি,টেবিল ঘড়ি,হাত ঘড়ি কিছুই নেই। মোবাইল ফোনও নেই। আমার আছে আলো ঘড়ি এবং অন্ধকার ঘড়ি। দিনেরবেলা বাইরে থেকে যে আলো ঘরে আসে তাই দেখে আমি সময় আন্দাজ করি। সন্ধ্যের পর ব্যবহার করি অন্ধকার ঘড়ি। রাতের অন্ধকার দেখে সময় বোঝবার চেষ্টা। মজার কথা,এই আন্দাজ বেশিরভাগ সময়েই ভুল হয়। তাতে আমার কিছু এসে যায় না। আমার তো অফিস বা ট্রেন ধরবার তাড়া নেই। এটা একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। সময় এলোমেলো হয়ে যাওয়া। পৃথিবীর সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিত্রকর সালভাদোর দালি ‘‌টাইম ডায়লেশন’‌ এর ওপর ছবি এঁকেছেন।    

যাই হোক,আলো ঘড়ি আমাকে বলছে,এখন সকাল সাতটা থেকে সাতটা দশ–‌পনেরোর মধ্যে। 

খানিকক্ষণ আগে আমার ঘুম ভেঙেছে আবার ভাঙেনিও। কাল রাতে চমৎকার একটা ঘুম হয়েছে। উইথ বিউটিফুল ড্রিমস। ঘুমের বিজ্ঞানীরা বলেন, স্বপ্নহীন ঘুম হল সবথেকে ভাল ঘুম। গাঢ় ঘুমে স্বপ্ন থাকে না। আমি এটা মানি না। স্বপ্ন ছাড়া ঘুম অতি দুর্ভাগ্যজনক একটা ঘটনা। স্বপ্ন ছাড়া জেগে থাকাও খুব বাজে। সবথেকে ভাল হচ্ছে,স্বপ্ন খানিকটা খানিকটা মনে থাকা। যেমন কাল আমি একটা চমৎকার স্বপ্ন দেখেছি। দেখেছি,আমি আর মোবাইল ছবির থেকেও সুন্দর একটা মেঠোপথ ধরে হাঁটছি। আমরা মোবাইলের গ্রামে বেড়াতে যাচ্ছি। মোবাইল বলল,‘‌দাঁড়াও সাগরদা, আমি বাঁশি বাজাই। বাঁশি বাজাতে বাজাতে এই পথ ধরে হাঁটলে খুব ভাল লাগবে।’ 

এই কথা বলে মোবাইল তার ঝুলি থেকে একটা আঁড় বাঁশি বের করল।

ব্যস্‌ তারপর আর মনে নেই।‌ একজন পকেটমারের বাঁশি বাজানোর স্বপ্ন অতি ইন্টারেস্টিং না?‌

আমার ঘুম ভেঙেছে,কিন্তু খাট ছেড়ে উঠিনি। গুছিমুচি ঘুম দিচ্ছি। গুছিমুচি ঘুম একটা ওয়াণ্ডারফুল জিনিস। চাদর মুড়ি দিয়ে গুছিমুচি করে শুয়ে ঘুমের ভান করে পড়ে থাকাই হল গুছিমুচি ঘুম। ঘাপটি ঘুমও অনেকটা এরকম। কিন্তু তার সঙ্গে একটা পার্থক্য আছে। আলাদা মজা। সেই মজা হল,গুছিমুচি ঘুমে অন্যের কাছে যেমন ঘুমের ভান করা যায়,আবার নিজের কাছেও ঘুমের ভান করা যায়। অনেক কিছু নিয়ে এতোল বেতোল ভাবা যায়। যেমন এখন আমি ভাবছি। কে দরজা ধাক্কা দিচ্ছে?‌

সাতসকালে কে দরজা ধাক্কা দিচ্ছে সেই প্রবালিটি নিয়ে একটা রিপোর্ট তৈরি করা যেতে পারে। রিপোর্ট হবে এরকম—

প্রবাবিলিটি এক ) দরজা কি ধাক্কাচ্ছেন কাজের মাসি?‌ বাসনধোয়া,কাপড় কাচা,ঘর ঝাড়পোচের জন্য এসে তিনি ধড়াম ধড়াম করে দরজা আওয়াজ করতে পারেন। সাতবাড়িতে কাজ করার তাড়া থাকে। ভোরবেলার আরামদায়ক ঘুমটি নষ্ট করবার জন্য তাদের মতো মানুষ দ্বিতীয়টি পাওয়া যাবে না। যদি বাড়ি বাড়ি ঘুরে স্ট্যাটিসটিক্স নেওয়া হয়,দেখা যাবে নিরানব্বই শতাংশ বাড়িতে সকালের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর জন্য দায়ী কাজের মাসি। আবার তিনি যদি না আসেন,ঘুম যদি না ভাঙান,গোটা দিনের ‘‌ঘুম’‌নষ্ট। আমারবেলায় এই আশঙ্কা নেই। এই এক কামরার ভাড়া বাড়িতে নো কাজের মাসি। আমি কাজ,আমিই অকাজ। সুতরাং এই প্রবাবিলিটি খারিজ। তাছাড়া কাজের মাসিরা এত মোলায়েম ভঙ্গিতে দরজা ধাক্কা দেবেন না।

প্রবাবিলিটি দুই )‌ খবরের কাগজের হকার। রাস্তার ধারে ঘর। দরজার বাইরে কাগজ ফেলে রাখলে কে তুলে নিয়ে যাবে তার নেই ঠিক। আমার বাড়িওলার খবরের কাগজ নিয়ে এমন হয়েছে। জানলার ফাঁকে গুঁজে রাখা কাগজ একদিন টুক করে কে ঝেপে দিল। সেই কাগজে আবার আমার বাড়িওলার নাম লেখা ছিল। মাথার ওপর ইনিশিয়াল। ভদ্রলোক বাজারে গিয়ে দেখলেন,একজন রোদে বসে মেজাজে কাগজ পড়ছে। কাগজের মাথায় তার নাম!‌ বাড়িওলা বিনয়ের সঙ্গে বললেন ‌‘‌ভাই,কাগজটা কি একবার দেখা যাবে?’‌

কাগজচোর কড়া গলায় বলল,‘‌না,যাবে না।  ইমপর্টান্ট নিউজ পড়ছি। ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্প।’

বাড়িওলা অপমানিত হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। তারপর থেকে তিনি ভোর হলে দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকেন। হকার কাগজ মুড়িয়ে ছুঁড়ে দেন, উনি লোফেন। আমার এ চান্স নেই। আমি খবর কাগজ রাখি না,সুতরাং খবরের কাগজের হকার কখনই সকালে এসে দরজা ধাক্কা দেবেন না।

প্রবাবিলিটি তিন)‌ দুধওলা। প্যাকেট দুধ,মেশিন দুধ গুঁড়ো,দুধের আমলেও বহু মানুষ আজও খাঁটি গরুর দুধে বিশ্বাসী। বাড়িতে বাড়িতে সকালে এসে পোয়া মেপে দুধ দিয়ে যায় গোয়ালা। আমার জীবনে দুধের বালাই নেই। আমার জীবনে সবটাই জল। ফলে নো দুধওলা।

প্রবাবিলিটি চার) পুলিশ। অনেক সময় গভীররাতে বা সাতসকালে পুলিস বাড়িতে হাজির হয়।‌ ‘‌বিপ্লবী’‌ পাকড়াও করতে এই দুটি সময়ই নাকি মাহেন্দ্রক্ষণ। বইতে পড়েছি। আমি বিপ্লবী নই,আমি হলাম ‘‌মেনে নেওয়া’‌ধরণ। যা হবে তাই মেনে নাও বাছা—এটাই আমার আদর্শ। আমার কাছে সাতসকালে পুলিস আসার প্রশ্নই ওঠে না।

প্রবাবিলিটি পাঁচ) বাড়িওলা। এটা হলেও হতে পারত। সাড়ে তিনমাস ভাড়া বাড়ি থাকলে যে কোনও ভদ্রলোক সাতসকালে ভাড়াটের দরজা ধাক্কা দেবে। মাঝরাতে দেওয়ার অধিকারও আছে। কিন্তু আমার বাড়িওলা সেরকম নন। তিনি একজন জেনুইন সদাশয় ব্যক্তি। বাড়ি ভাড়া থাকলে তিনি কখনও দরজা ধাক্কা দেন না। দরজার বাইরে চুপটি অপেক্ষা করেন। যাতে দরজা খুলেই তাকে দেখতে পাই।

প্রবাবিলিটি রিপোর্টে সবই তো বাতিল হয়ে গেল। তাহলে কে এসেছে ?‌

আবার দরজায় ধাক্কা। এবার একটু জোরে। স্বাভাবিক,অনেকেটা সময় চলে গেল।

আমি গুছিমুচি ঘুমের আরাম ছেড়ে উঠে পড়লাম। পায়জামার দড়ি টাইট করত করতে দরজা খুলে চমকে উঠলাম। আরে সৃজনী!‌

‘‌সরুন,ভিতরে আসতে দিন।’‌

সৃজনীকে খুব সুন্দর লাগছে। সাদা রঙের চমৎকার একটা ড্রেস পড়েছে। এই ড্রেসকে কী বলে?‌ হাঁটু পর্যন্ত লম্বা ফ্রক। কনুই পর্যন্ত ফ্রিল দেওয়া হাতা। এদিকে আমি পরে আছি স্যাণ্ডো গেঞ্জি। তাড়াতাড়ি খাটের ওপর পড়ে থাকা ফতুয়াটা তুলে গায়ে গলিয়ে নিলাম। ঘরের একমাত্র মোড়াটা এনে সৃজনীকে বললাম,‘‌নাও বসো।’‌

সৃজনী মোড়ায় না বসে আমার বাসি বিছানায় চাদর টাদর সরিয়ে বসে পড়ল। আমি বসলাম মোড়াতে।

সৃজনী হেসে বলল,‘সাগরদা, আমি আপনাকে না বলে চলে এসেছি। বলে এলে দেখা পেতাম না। আপনি অতি বিজি মানুষ একজন।’‌

আমি লজ্জা পেয়ে বললাম,‘ধুর,আমি একটা বেকার লোক,আমার আবার ব্যস্ততা কীসের?‌ আসলে সারাদিন কোথায় থাকি তার তো কোনও ঠিক থাকে না।’‌

সৃজনী বলল,‘‌আমি জানি। সেদিন গড়িয়াহাটে দেখা হবার পর ভেবেছিলাম আপনার পিছু নিই। ফলো করি। তারপর ভাবলাম,থাক। একেবারে সকালে বাড়িতে গিয়ে হাজির হব।’‌

আমি বললাম,‘‌ভালই করেছো। দাঁড়াও চা আনি। গলির মোড়েই চায়ের দোকান।’‌

সৃজনী পা দোলাতে দোলাতে বলল,‘‌আপনাকে আনতে হবে না। আমি অর্ডার দিয়ে এসেছি।’‌

আমি অবাক হয়ে বললাম,‘‌চায়ের অর্ডার!‌ কোথায় দিলে?’‌

সৃজনী হেসে বলল,‘‌কেন?‌ আপনি যেখানে থেকে রোজ সকালে চা খান। আমি তো ওই চায়ের দোকান থেকেই আপনার বাড়ির হদিশ পেলাম।’‌

আমি বললাম,‘তুমি তো একবার এবাড়িতে এসেছিলে। সেই যে এক বদ ছোকরাকে চড় মার‌বার পর তমালের সঙ্গে এসে আমাকে খবর দিয়ে গেলে। ওই ছেলে আমেরিকা না জাপান কোথায় যেন থাকত। বিয়ের আগে তোমার সঙ্গে প্রেম করবে ভেবেছিল।’‌

সৃজনী বলল,‘আপনার তো সব মনে আছে দেখছি!‌ ‌সেদিন আপনার এখানে এসেছিলাম গাড়িতে। যে কোনও ঠিকানা গাড়িতে একরকম হয়,পায়ে হেঁটে হয় আর একরকম। আপনি গাড়িতে কোথায় পৌছোলে,পরে আর হেঁটে সেখানে কখনও যেতে পারবেন না। দেখবেন জায়গা চিনতে পারছেন না। সেই জন্যই তো গাড়ি করে পাহাড়ে ওঠা আর ট্রেক করে পাহাড় চড়া সম্পূর্ণ আলাদা বেড়ানো। তাই না?‌’‌‌

আমি খুশি হয়ে বললাম,‘‌বাঃ,তুমি তো খুব সুন্দর করে কথা বলতে পার সৃজনী! তুমি আমাকে আপনি আপনি করে কথা না বললে ভাল লাগবে। বেশিক্ষণ আপনি শুনলে আমার ভয় করে। মনে হয় আমি আর সাগর নেই।’

সৃজনী মুখ তুলে তার টানা টানা চোখে আমার দিকে তাকাল। ঠোঁটের কোনায় মুচকি হাসল। একেই কি দুষ্টমির হাসি বলে?‌ ঘাড় কাত করে বলল,‘ সাগর তখন ‌কী হয়ে যায়?‌ ডোবা?‌‌’

‘‌তা খানিকটা বলতে পারও। তবে ডোবা সব সময় খারাপ নয়।’‌

সৃজনী চোখ নাক কুঁচকে বলল,‘‌ডোবা খারাপ নয় মানে !‌ ব্যঙ আর মশার আড়ত। তাকে বলছো খারাপ নয়!‌ কচুরি পানাও থাকে।’‌

আমি গম্ভীর হয়ে বললাম,‘সেরকম‌ ডোবায় কুমীরও মেলে।’

সৃজনী বলল,‘‌কুমীর!’

আমি হেসে বললাম,‌‘‌কেন ওই ছড়াটা শোনওনি ?’‌

সৃজনী বলল,‘‌ছড়া!’

আমি মাথা নেড়ে নেড়ে বললাম,‘‌‌যাস্‌ কোথা তুই গোবর্ধন?‌ \একটা মজার খবর শোন \‌বৃহস্পতির বারবেলায় \‌ডোবার জলে চার ফেলায় \‌উঠল কুমীর বড়শীতে‌‌ \‌দেখল পাড়া পড়শীতে। ’‌

সৃজনী হাততালি দিয়ে উঠল। বলল,‘‌দারুণ!‌ ‌দারুণ!‌ এই ছড়া কার লেখা ?‌ সাগরদা তোমার ‌?‌’‌

আমি জিভ কেটে কানে হাত দিয়ে বললাম,‘‌না না। এ জিনিস আমি কী লিখব!‌  যতদূর জানি এটা লিখেছিলেন সুনির্মল বসু। ভুলও হতে পারে।’

সৃজনী আবদারের ঢঙে বলল,‘‌এই ছড়া আমাকে লিখে দিতে হবে। দিতেই হবে।’‌‌ এই সময় চা চলে এলও। চা নিয়ে এল বেলুন। বারো বছরের বেলুন তার মামার চায়ের দোকানে থাকে। লেখাপড়া করে এবং মামাকে কাজে সাহায্য করে। চায়ের সঙ্গে খাস্তা বিস্কুট নিয়ে এসেছে।

সৃজনী বিস্কুটে কামড় দিয়ে আরও জোরে জোরে পা নাড়াতে নাড়াতে বলল,‘‌আহা কতদিন পরে এই বিস্কুট খাচ্ছি। আচ্ছা,বলো তো দেখি সাগরদা, আমি আজ তোমার কাছে কেন এসেছি ‌? দেখি তোমার কেমন বুদ্ধি।‌’

আমি ভাঁড়ের চা শেষ করে বললাম,  ‘‌আমার মন বলছে তুমি তোমার প্রেমের খবর দিতে এসেছো।’‌

সৃজনী উজ্জ্বল মুখে বলল,‘‌কী করে বুঝলে ?‌’‌

আমি মুচকি হেসে,মাথা নেড়ে বললাম,‌‘‌হু হু। আমি অনেক কিছু বুঝতে পারি।’

আসলে জীবনের একেকটা সন্ধিক্ষণে মেয়েদের চেহারা,ভাব ভঙ্গি,কথাবার্তা একেকরকম‌ হয়ে যায়। প্রেমে পড়লে একরকম,প্রেম ভাঙলে একরকম। বিয়ে করব করব সময় আর একরকম। মেয়েরা নিজেদের এই ভাব ভঙ্গি লুকিয়ে রাখবার চেষ্টা করে,তাতে ফল হয় উল্টো। সৃজনীর অগোছালো খাটের ওপর ধড়াম্‌ করে বসা,বাচ্চা মেয়ের মতো পা দোলানো,চায়ের অর্ডার দিয়ে ঘরে ঢোকা,ছড়া শুনে হাততালি দিয়ে ওঠা সব কিছুর মধ্যে এক ধরনের উচ্ছ্বল ছেলেমানুষি আনন্দ রয়েছে। প্রেমে পড়লেও এমন হয়। তাছাড়া আমাকে সে বলেছিল যা এই বাড়িতে এক সময় শেষ করেছে,এই বাড়ি থেকেই সে আবার শুরু করবে। এই বাড়ি থেকেই সে ফের শুরু করতে চায়।

প্রেম তো সে এ বাড়িতে এসেই শেষ করেছিল। সেই যে আমেরিকাবাসী যুবাকে চড় মারার ঘটনা।

আমি মিটিমিটি হেসে বললাম,‌ ‘‌ঠিক ধরেছি তো?‌’‌

সৃজনীর গাল লাল করে হাসল। বলল,‘‌কিন্তু কার সঙ্গে আমার প্রেম হয়েছে শুনলে তুমি মোড়া থেকে পড়ে যাবে সাগরদা।’‌

আমি মন শক্ত করলাম। 

চলবে…

গত পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-14/

১৩পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-13/

১২ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-12/

১১ পর্বের লিংক –  https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-11/

১০ পর্বের লিংক –  https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-10/

৯ম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-9/

৮ম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-8/

৭ম পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-7/

৬ পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-6/

 
৪র্থ পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-4/

৩য় পর্বের লিঙ্ক –https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-3/

২য় পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta-2/

প্রথম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta/

Advertisements
Previous articleপাশ করা প্রশিক্ষিত ডাক্তারের দিন গুজরান জুতো বিক্রি করে
Next articleআড়াই লক্ষ টাকা মন্দিরে দান করলেন অশীতিপর ভিখারিণী
প্রচেত গুপ্ত
জন্ম : ১৪ অক্টোবর, কলকাতায়, ১৯৬২ সালে | কলকাতার গায়ে বেড়ে ওঠে শহরতলি বাঙুর এভিনিউতে স্কুলের পড়াশোনা, বড় হওয়া | স্কুলজীবন থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে লেখালেখির নেশা | প্রথম লেখা মাত্র ১২ বছর বয়সে আনন্দমেলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় | তারপর বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লেখা চলতে থাকে | গোড়ার দিকে ছোটদের জন্য লেখাতেই বিশেষ ঝোঁক ছিল | স্কুল শেষ হলে স্কটিশ চার্চ কলেজ | এরপরই একটা দুটো করে বড়দের জন্য লেখার শুরু | অর্থনীতিতে স্নাতক হয়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়া | বিভিন্ন পত্রিকায় গল্প প্রকাশিত হতে থাকে নিয়মিত | প্রথম উপন্যাস 'আমার যা আছে' প্রকাশিত হয় আনন্দলোক পত্রিকায়, ২০০৪ সালের পূজাবার্ষিকীতে |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.