সাগর আই লাভ ইউ (পর্ব ২৯)

357
ছবি - দেবব্রত ঘোষ

এরপর আমার সঙ্গে পকেটমার শসার বন্ধুত্ব হয়ে গেল। 
শসার সঙ্গে আমার মাঝেমধ্যেই সাক্ষাৎ হয়। আমার লেকে বসে গল্প করি। ডাল–‌ভাতের দোকানে ভাত খাই। শসা আমার ঘরে রাত পর্যন্ত কাটিয়েছে। খাটে শসা শুয়েছে, মাটিতে আমি। এক রবিবার আমরা দুজনে মিলে গেলাম সিনেমা দেখতে। আর্ট ফিল্ম। আধো অন্ধকারে তোলা। ভাল করে দেখা যায় না। ছবি শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে আমি পড়লাম ঘুমিয়ে। ঘুম ভাঙল ‘‌ফিচ্‌ ফিচ্‌’‌ আওয়াজে। চোখ খুলে দেখি, পাশে বসা শসা চোখ মুচছে।
‘‌কী হল শসা!‌ কঁাদছ নাকি?‌’‌
শসা চোখ মুছে সলজ্জ গলায় বলল,‘‌বই খুবই ভাল হচ্ছে। মানিকদার পথের পঁাচালির কথা মনে পড়ছ।’‌
ছেলে বলে কী!‌ মানিকদা!‌
অবাক হলাম, আবার মনে মনে খুশিও হলাম। শসা একজন রেয়ার ধরনের পকেটমার। দুর্লভ এবং দুষ্প্রাপ্য। যে পকেটমারির পরে টাকা ফেরচ দিয়ে দেয়, আর্ট ফিল্ম দেখে কঁাদে, সত্যজিৎ রায়কে ‘‌মানিকদা’‌ সম্মোধন করে। এর সঙ্গে মিশব না তো কার সঙ্গে মিশব?‌
লোকে একথা শুনে মুখ বেঁকাবে। বলবে, সাগরটা চিরকালই এরকম। যত সব চোর ছ্যাঁচড়, গুণ্ডা বদমাইশদের সঙ্গে তার ভাব ভালবাসা। মাঝেমাঝে আবার ভিখিরিও জোটায়। তাদের সঙ্গে ফুটপাথে বসে গল্পগুজব করে। চা–‌বিড়ি খায়। ছি ছি। অলস, অকর্মণ্য, গুড ফর নাথিংদের বেলায় এরকমই হয়। অলস মস্তিস্ক শুধু শয়তানের কারখানা নয়, অকালকুষ্মাণ্ডদের আখড়া। 
কথা ঠিক। ভদ্রলোক ছদ্মবেশে থাকা ‘‌ছোটোলোক’‌দের থেকে সরাসরি চোর পকেটমার, স্মাগলারদের আমি বেশি পছন্দ করি। তারা একদিক থেকে সৎ। নিজেদের পরিচয় নিয়ে থাকে। ভাল সেজে, ধুতি পাঞ্জাবি পরে, সভাসমিতিতে ঘুরে ঘুরে মালা নিয়ে বেড়ায় না। বড় বড় বুকনি ঝাড়ে না। ওরা বুকনি ঝাড়ে কিন্তু নিজের দায়িত্বটুকু পালন করে না। আমি এরকম অনেক চোর ছ্যঁাচড়, চিটিংবাজ চিনি যারা ‘‌ভদ্রলোক’‌ সেজে আমাদের আশপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমার কাছে উদাহরণ আছে। বাইরে থেকে দেখলে বোঝা যায়। এরাও চোর, চিটিংবাজ। কিন্তু বোঝা যায় না। যোগ্যকে অবিরত ঠকায়। ধান্দাবাজিতে চরম। এদের মধ্যে সবথেকে পাজি যারা শিক্ষিত। নামকরা এক অধ্যাপকের চিটিংবাজির কীর্তি শুনলে মাথা ঘুরে যাবে। 
এই লোক আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ান। বিশ্ববিদ্যালয়ে সময় না দিয়ে অধিকাংশ সময়টা পত্রপত্রিকা অফিস, পার্টি অফিস আর সরকারের নানা ধরনের এটা সেটা টাকা পয়সা পাওয়ার অফিসে সময় কাটান। লেখাপড়া করে বা লেখাপড়া করিয়ে সম্মান অর্জনের থেকে পত্রপত্রিকার পাতায় হালকা পলকা লিখে, নেতাদের তৈলমর্দন, গবেষনার নামে এখান থেকে ওখান থেকে টাকা হাতাতে বেশি পছন্দ। এতে চটজলদি নাম করা যায়। তাই সারাদিন ঘুর ঘুর করেন। সন্ধ্যেবেলা বাড়ি ফিরে অর্ডারমাফিক লিখতে বসেন। কখনও সস্তা ফিচার, কখনও সভার জন্য হালকা ভাষন, নয়তো টাকা হাতানোর ছক রেডি করেন। অথচ এই সময়ে পরেরদিনের ক্লাসের জন্য বইপত্র উলটে দেখবার কথা। তখন হয়তো ফিল্মস্টারের কেচ্ছা লেখেন। বৃষ্টিতে তেলেভাজা খেতে কেমন লাগে তা নিয়েও লেখেন, আবার ননদ ভাসুরপো সম্পর্ক নিয়েও লেখেন। মাঝে মাঝে পদার্থবিদ্যা বা সাহিত্য নিয়ে লিখে পণ্ডিতি দেখান। আসলে পত্রিকার পাতা ভরাট করবার জন্য যখন যেমন দরকার হয় ‘‌মাল’‌ সাপ্লাই দেন আর কী। এদিকে ক্লাসের ছেলেমেয়েরা মাস্টারমশাইকে না পেয়ে গালে হাত দিয়ে বসে থাকে। থাকতে থাকতে ক্লান্ত হয়ে একসময়ে সিনেমা হলে ‘‌হম দিল দে চুকে সনম’ দেখতে‌ চলে যায়। তবে একবারে মাস্টারকে দেখতে পায় না তা নয়, বেতনের আগে পিছে একবার করে এই লোক ঢুঁ মারে। ব্যস্‌ ওইটুকু। 
মজার কথা হল, আমাদের দেশে এইসব সাজা পণ্ডিতদের কাজের ওপরে নজরদারি কোনও নিয়ম নেই, কে কেমন পড়াচ্ছে তার বিচার নেই। পড়িয়ে ছাত্রদের কতটা উপকার হচ্ছে তার হিসেব নেই। ক্লাসে পড়াতে পড়াতে ঘুমিয়ে পড়ে হাত থেকে বই খসে গেলেও কেউ কিছু বলতে পারবে না। সিসিটিভি বসানো নেই। তাই এদের বারোআনার ওপর ষোলোআনা ফূর্তি। যা খুশি করও। মানুষের ট্যাক্সের টাকা পকেটস্থ এবং উদরস্থ করে ঘুরে বেড়াও। 
তবে একথা বলতেই হবে সকলেই এরকম নন, কেউ কেউ এরকম। আজও স্কুল, কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অনেক শিক্ষক–‌শিক্ষিকা আছেন ছেলেমেয়েরা যাদের সত্যিকারের ‘‌শিক্ষাগুরু’‌ বলে মনে করে। তাদের কাছে লেখাপড়া শিখে ছেলেমেয়েরা ‘‌বড়’‌ হচ্ছে। দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। এইসব শিক্ষক–‌শিক্ষিকারা ছেলেমেয়েদের জন্য প্রাণপাত পরিশ্রম করেন। এদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা যথার্থ পণ্ডিত। সিরিয়াস প্রবন্ধ লেখেন, গবেষনা করেন। সেসব নিয়ে মোটে প্রচার চান না। কোনওদিনই কটা ফঁাকিবাজ, চিটিংবাজের জন্য লেখাপড়া আটকায় না। এসব ভদ্রলোকদের আমি চিটিংবাজই বলি। ভদ্রতা, পণ্ডিতি দিয়ে যারা সমাজকে ঠকাচ্ছে তারা চিটিংবাজ ছাড়া আবার কী?‌
আমি যে চিটিংবাজ লোকটার কথা বলছি সে মনের পিসেমশাই। মনই আমাকে ঘটনা বলেছিল। মন একজন চমৎকার মেয়ে। দেখতে সুন্দর, আবার মনের দিক থেকেও সুন্দর। এই কম্বনিসেন রেয়ার। দেখতে সুন্দর মেয়েরা বেশিরভাগ সময়েই মনের দিক থেকে খিটকেলে হয়।  মনের ভাল ‌নাম কী যেন একটা খটমটে। শাকন্যা না শাযুজ্জ্য?‌ নাকি শাল্লিষ্য?‌ অন্য কিছুও হতে পারে। আমি সেই নামে ডাকি না। মনের মতো এরকম একটা ভাল নাম যার আছে তার আবার আরও একটা ‘‌ভাল নাম’‌ কীসের দরকার?‌ ‌
যাই হোক, এবার প্রফেসরমশাইয়ের চিটিংবাজিতে আসি।
পিসেমশাই গবেষনা করতে নামলেন। একে ধরে, তাকে ল্যাং মেরে, দিল্লিতে দরবার করে গ্রান্ট বের করলেন। গবেষনার বিষয় জটিল ও বিস্তৃত। এই কাজে সহায়তার জন্য তিনি কিছু ছাত্রছাত্রীকে পাকড়াও করেন। স্যারের হাতে প্রশ্ন, স্যারের হাতে খাতা, স্যারের হাতে নম্বর। না গিয়ে উপায় কী?‌ তাছাড়া স্যার পত্রপত্রিকার লেখা নিয়ে ব্যস্ত। জ্বর কাশি নিয়ে কোন এক পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে। সেখানে  ‘‌ব্যঙের সর্দি’‌ নিয়ে একটা বড়সড় লেখার ফরমায়েশ এসেছে। সত্যি কি ব্যঙের সর্দি হয়?‌ হলে সে কি হঁাচে?‌ বৈষ্ণব পদাবলীতে এর কি কোনও রেফারেন্স রয়েছে? অরুণিত চরণে রণিত মসিমঞ্জরি\‌ আধ আধ পদ চলনি রসাল। নাকি চিকিৎশাস্ত্র খুঁজতে হবে?‌ ব্যঙের নাসিকা পটহে সর্দির উৎপত্তি ও বুৎপত্তি।  ফলে এইসব নিয়ে স্যার ব্যস্ত। গবেষনার আসল কাজ ছাত্রছাত্রীদরেই করে দিতে হল। তারা করেও দিলে। গবেষনার কাজ ছাত্রছাত্রীদেরই শেষ করতে হল। একদিন মনের পিসেমশাই ধুতি পাঞ্জাবি পরে গদগদ মুখে সেই গবেষনাপত্র জমা দিয়ে এলেন। এরপরেই কেলেঙ্কারি ধরা পড়ল। মনের মুখে বাকিটা শোনা যাক। সেটা ইন্টরেস্টিং হবে।
‘‌বুঝলে  সাগরদা, পিসোর সাবজেক্ট ছিল খটমট। বাংলা‌‌ সাহিত্যে মননে, চিন্তনে প্রোটোন ও আইসোটোপের প্রভাব।’‌
একথা শুনে তো আমার বিষম খাবার জোগাড়।
‘‌বলও কী মন!‌ প্রোটোন, আইসোটোপ এসব তো সায়েন্সের ব্যাপার। সাহিত্যের মধ্যে এগুলো আসবে কীভাবে?‌’‌
মন হেসে বলল,‘পিসো ধড়িবাজ লোক। গ্রান্ট বের করবার সময়ে কোন রিস্ক নেননি। হাফ টাকা আর্টস ডিপার্টমেন্ট, বাকি হাফ সায়েন্স থেকে আদায় করেছিলেন।’‌
আমি চোখ বড় করে বললাম,‌ ‘‌লেখাপড়া জগতে এরকমও হয়!‌’‌
মন বলল,‘কোনও কোনও সময় হয়। ম্যানেজ পণ্ডিতরা করে। যারা এসব কাজ করে তাদের বলে ম্যানেজ পণ্ডিত। যাক এবার শোনও কী ঘটল। কিছুদিন যাওয়ার পর পিসোর থিসিস পেপার নিয়ে শুরু হল হইচই।’‌
আমি বললাম, ‘‌কেন পেপারে গোলমাল?‌’‌
মন হেসে বলল,‌‘‌না পেপারে গোলমাল নয়। গোলমাল পেপারের শেষে দেওয়া বইয়ের লিস্টে।’‌
আমি বললাম,‘‌বইয়ের লিস্টে!‌ কেন কী করেছেন সেখানে?‌’‌
মন এবার নিজেই নিজেই খানিকটা হাসল। বলল,‘‌গবেষনা শেষে সবসময়েই রেফারেন্স বইপত্রের নাম জানাতে হয়। বাংলায়া যাকে বলে গ্রন্থসূচী। পিসোর গ্রন্থ তালিকায় এমন সব ব‌‌ইয়ের কথা পাওয়া গেছে যেগুলো দেখে সবার আত্মারাম খঁাচাছাড়া। থিসিসের বিষয়ের সঙ্গে যার কোনও সম্পর্ক নেই। যেমন দেওয়া হয়েছে, জলবায়ু নিয়ে তিনটে বইয়ের নাম। তাও সেগুলো সবই স্কুলপাঠ্য। রয়েছে দুটো রান্নার বই। তার মধ্যে একটা শুধুই চচ্চড়ির ওপর। আর ছিল হোমপ্যাথি চিকিৎসার বই, পঞ্চায়েতে নারীর ভূমিকা নিয়ে বইয়ের নাম। এছাড়াও ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের সুফল বিষয়ে একটা বইও ঢুকেছে।’‌
কথা শেষ করে মন ‘‌খ্যাক্‌ খ্যাক্‌’‌ করে হাসতে লাগল।
আমি চোখ ছানাবড়া করে বললাম,‌‘‌এসব হল কী ভাবে?‌’‌
মন কোনওরকমে হাসি সামলে বলল,‘‌গবেষনার মতো পিসো বইয়ের তালিকাও অন্য লোককে দিয়ে করিয়েছিল। চেনাজানাদের মধ্যে। ক্লাস সেভেনে পড়া ভাইপো, রান্না–‌পাগল ছোটো পিসিমা, পাড়ার হোমিওপ্যাথি ডাক্তার নগেনদা, পোস্টাপিসের এজেন্ট বলদেব। লিস্ট তৈরিতে সবার কনট্রিবিউশন ছিল। যে যেমন পেরেছে বইয়ের নাম পাঠিয়েছে। পিসোমশাইও চোখ বুঁজে সেসব জুড়ে দিয়েছিল।’‌
মন আবার হাসতে শুরু করল। আমি বললাম, ‘‌তারপর?‌’‌
মন বলল,‘তারপর আবার কী তদন্ত কমিটি ফমিটি হল। পিসো পলিটিক্যাল নেতা ধরে ধামাচাপাও দিয়ে দিল। পরে অবশ্য তার নাম হয়েছিল জলবায়ুস্যার।’‌
এই পণ্ডিতের থেকে, শসা অনেক ভাল না?‌ অবশ্যই ভাল। সেদিন ট্রামে ওভাবে টাকাটা ফেরত দিয়ে‌‌ দেওয়া কি সহজ ব্যাপার?‌ ও তো সামান্য পকেটমার, অনেক বাঘা বাঘা সৎ লোক এই উদারতা দেখাতে পারবে না।
যাই হোক, কাল শসা আমাকে বলল,‘‌সাগরদা, এই লাইন ছেড়ে দেব ঠিক করেছি।’‌
মনে মনে খুশি হলেও আমি মুখে কোনও ভাব দেখালাম না। বললাম,‘‌কেন?‌ বেশ তো ইনকাম করছ।’
শসা বিড়িতে টান দিয়ে পা দোলাতে দোলাতে বলল,‘‌তা হোক। কাজটা 
ঠিক হচ্ছে না।’‌
আমি মুচকি হেসে বললাম,‘‌এতদিন পরে মনে হচ্ছে?‌’‌
শসা আমার দিকে ফিরে বলল,‘‌সাগরদা, কাল আমার‌ই পকেট কেটেছে। মায়ের ওষুধ কেনবার টাকা ছিল। দোকানেই কেউ একটা মেরে দিল।’‌
আমি বললাম,‘‌বলও কী!‌ পকেটমারের ওপর পকেটমারি!‌’
শসা শুকনো হেসে বলল,‘‌ওষুধ ছাড়া বাড়ি ফিরে বুঝতে পারলাম, কাজ
টা ঠিক করছি না। সাগরদা, পকেটমারি ছেড়েই দেব।’‌
আমি সহজ ভাবে বললাম, ‘‌ঠিক আছে ষখন ইচ্ছে করছে না, ছেড়ে দাও।’‌
শসা বিড়ির শেষটুকু রাস্তায় ছঁুড়ে ফেলে বলল,‘শুধু ছেড়ে দিলেই তো হবে না, যে অপরাধ করেছি তার জন্য শাস্তি পেতে হবে।’‌
আমি বললাম,‘শাস্তি!‌ সেটা ‌কীরকম?‌’
শসা হেসে বলল,‘ঠিক করেছিস পুলিসের কাছে সারেণ্ডার করব।  কদিন জেল খেটে প্রায়শ্চিত্ত করব। ফিরব একেবারে শুদ্ধ মানুষ হয়ে।’‌
আমি মুগ্ধ হয়ে শসার দিকে তাকিয়ে রইলাম। ছেলেটা বলে কী!‌ আমি ঠিক শুনছি তো? এ তো সম্রাট অশোক!‌ যুদ্ধ ছেড়ে শান্তির প্রচারে চলে যাচ্ছে।‌
শসা বলল,‘তুমি আমার একটা কাজ কর সাগরদা।’‌
আমি উদ্ভাসিত মুখে বললাম, ‘‌কী কাজ?‌’‌
শসা পকেট থেকে মোবাইল ফোনটা বের করে বলল,‘‌এটা রাখ। নারুম ফোল করলে ওকে বুঝিয়ে বলবে।’‌
আমি বললাম,‘‌নারুম কে?‌’‌
শসা লজ্জা লজ্জা হেসে বলল,‘‌একটা মেয়ে। মেয়েটাকে আমি ভালবাসি।’‌
সেই নারুম মেয়েটাই কি এখন ফোন করছে?‌

চলবে…

গত পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-28/

২৭ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-27/

২৬ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-26/

২৫পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-25/

২৪ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-24/

২৩ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-23/

২২ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-22/

২১ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-21/

২০ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-20/

১৯ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-19/

১৮ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-18/

১৭ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-17/

১৬ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-16/

১৫ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-15/

১৪ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-14/

১৩পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-13/

১২ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-12/

১১ পর্বের লিংক –  https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-11/

১০ পর্বের লিংক –  https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-10/

৯ম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-9/

৮ম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-8/

৭ম পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-7/

৬ পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-6/

৫ম পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-5/
 
৪র্থ পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-4/
৩য় পর্বের লিঙ্ক –https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-3/

২য় পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta-2/

প্রথম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta/

Advertisements

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.