সাগর আই লাভ ইউ (পর্ব ৩০)

345
ছবি - দেবব্রত ঘোষ

আমি যা ভেবেছিলাম তাই। মোবাইল তুলে কানে দিতেই ঝলমলে এক তরুণীকণ্ঠ। 
তরুণীকণ্ঠ বলল,‘‌সাগরদা, কেমন আছেন?’‌
আমি অবাক হলাম। ফোন তুলতেই নারুম আমাকে চিনে ফেলল!‌ 
তরুণীকণ্ঠ এবার বলল,‌‘‌আপনি কি অবাক হলেন সাগরদা ‌?‌’‌
আমি বললাম,‘তা একটু হলাম বৈকি। নারুম, তুমি কীভাবে বুঝলে শশার মোবাইল আমার কাছে আছে?‌’‌
নারুম মনে হয় হাসল। বলল‌, ‘‌শসা বলেছে। বলেছে, আমার ফোন অন্য কোন লোকে ধরলে বুঝবে সেই লোক আর কেউ নয়, সাগরদা। আর আপনিও তো জানেন, এখন নারুমই ফোন করবে। তাই নাম বলবার আগেই আমার নাম বললেন।’‌
আমি লজ্জা পেলাম। এটা বোঝা উচিত ছিল। সাধারণ বুদ্ধির ব্যাপার। এই মেয়ে কি জানে তার প্রেমিক এখন থানার লকাপে বসে আছে?‌ 
পরিস্থিতি সহজ করবার জন্য বললাম, ‘‌নারুম, তুমি কেমন আছো?‌’‌
‘‌সাগরদা, এতদিন ভাল ছিলাম না, আজ খুব ভাল আছি। কেন আছি আপনি নিশ্চয় জানেন।’‌
আবার নিজেকে বোকা মনে হল। আমার কাছে মোবাইল ফোন রেখে শসা কোথায় যেতে পারে, এটা তার প্রেমিকা জানবে না তা কখনও হতে পারে?‌ যদি না জানত তাহলে তো ওর প্রথম প্রশ্নটাই হত—‘‌শসা কোথায়?‌’‌ আমি কি দিন দিন বোকা হয়ে যাচ্ছি?‌ মনে হয় তাই। 
আমি যখন স্কুলে পড়তাম, আমার অঙ্কের টিচার মধুময়বাবু বলতেন,‘‌বুদ্ধির সবথেকে বড় পরীক্ষা হল অঙ্ক। বুদ্ধি কম নিয়ে চিন্তা করবি না, বুদ্ধি কম হওয়াটাই তোদের জন্য স্বাভাবিক। চিন্তা করবি, যদি ্কখনও মনে হয়, ফট্‌ করে বুদ্ধি বেড়ে গেছে। যখনই এমন সন্দেহ হবে, খানকতক সহজ অ্যারেথমেটিক নিয়ে বসে যাবি। যদি দেখিস টকাটক পারছিস, তাহলে ভয়ের ব্যাপার। ডাক্তার দেখাতে হবে। আর যদি দেখিস আগের মতোই ধেড়াচ্ছিস, তাহলে নিশ্চিন্তি। স্নান করে দুটি ঝোলভাত খেয়ে স্কুলে চলে আসবি।’‌
একটা সময় ছিল যখন সুস্থ–‌স্বাভাবিক, নিরাপদ, নিশ্চিন্ত থাকবার লক্ষণ ছিল স্নান করে দুটি ঝোলভাত খাওয়া। স্নান করে ঝোলভাত খাওয়া মানে সবাই ধরে নিত বিপদ কেটে গেছে। সে শরীরেরই হোক আর মনেরই হোক।
যাই গোক, মধুময় স্যারের কথাটা আমি ভেবেছি। সত্যি কি বুদ্ধির সঙ্গে অঙ্কের সম্পর্ক আছে?‌  এ প্রসঙ্গে একটা গল্প বলি। তারপরে না হয় আবার শসা–‌নারুমের প্রসঙ্গে ফিরে আসব।
আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসি থেকে বারবারা নামে বারো বছরের এক বালিকা একবার অ্যালবার্ট আইনস্টাইনকে চিঠি লিখেছিল। এই চিঠিটি আছে চমৎকার এক বইতে। বইয়ের নাম ‘ডিয়ার প্রফেসর আইনস্টাইন—অ্যালবার্ট আইনস্টাইনস্‌ টু এণ্ড ফ্রম চিলড্রেন’‌। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এটি একটি চিঠিপত্রের সংকলন। ছোটো ছেলেমেয়েরা আইনস্টাইনকে যেসব চিঠি লিখত, তার সংকলন। সংকলনে আইনসস্টাইনের কিছু উত্তরও রয়েছে। বইটি আমি উতীয়ার কাছ থেকে জন্মদিনে পেয়েছিলাম। আমার জন্মদিনে নয়, উতীয়ার জন্মদিনে। ওই মেয়ের এই এক সুন্দর স্বভাব। জন্মদিনে প্রিয় মানুষদের কাছ থেকে উপহার নেয় না। উপহার দেয়। এই বই আমাকে দিয়েছিল। পাতলা এই বইটি এত ভাল যে আমার মন খারাপ হলে আমি খুলে বসি। 
যাই হোক বারবারা নামের বালিকার চিঠির কথা বলি। ১৯৪৩ সালের ৩ জানুয়ারি লেখা সেই চিঠি বাংলা করলে এরকম—
স্যার,
আমার বয়স বারো বছর। এলিয়ট জুনিয়র হাইস্কুলের ক্লাস সেভেনে পড়ছি। ছাত্রী হিসেবে অতি সাধারন। তবে আমি আপনার একজন ভক্ত। একটু আধটু ভক্ত নয়, অতিরিক্ত ভক্ত। আপনার সম্পর্কে যত পড়াশোনা করি ততই আপনার প্রতি আমার মুগ্ধতা বাড়ছে। আপনাকে আমি অনেক চিঠি লিখেছি, কিন্তু একটাও পাঠাতে পারিনি। লেখার পর ছিঁড়ে কুচিকুচি করে ফেলেছি। অতিরিক্ত ভক্ত হওয়ার এটাই বোধহয় সমস্যা। কোন কিছুতেই মন ভরে না।
তবে আজ মন শক্ত করে এই চিঠি লিখতে বসেছি। এবং চিঠি আপানার কাছে পাঠাব বলে প্রতিজ্ঞা করেছি। কেন এমন হল বলছি—
একদিন সন্ধ্যের সময় বাড়ির সবার সঙ্গে আমি রেডিও শুনছিলাম। প্রোগ্রামটির নাম রেডিও রিডার্স ডাইজেস্ট। সেখানে একটা বাচ্চা মেয়ে আর আপনাকে নিয়ে একটা মজার গল্প শুনলাম। গল্প শুনে মাকে বললাম, স্যারকে, একটা চিঠি লিখতে চাই। আমার একটা প্রবলেম ওনাকে জানাব। মা বললেন, অবশ্যই লেখ। বলা যায় না, উনি হয়তো তোমাকে উত্তরও দেবেন।
স্যার, আমার স্কুলে সব মেয়েদেরই একজন করে হিরো আছে। তাদের ফ্যান মেল লেখে। আপনি আমার হিরো। আমার এক কাকা সমুদ্রে উপকূলে গার্ডের কাজ করেন, তিনিও আমার হিরো।
আমার প্রবলেম হল, আমি অঙ্কে খুবই কাঁচা। সাধারণ ছাত্রীরাও আমার থেকে অঙ্ক ভাল করে। অঙ্ক নিয়ে আমার খুব দুশ্চিন্তা হয়। সবাই বলে আমি নাকি বেশি ভাবি। সে যে যাই বলুক। আমি অঙ্কের পিছনে অনেক বেশি সময়ে পড়ে থাকি। এটা কি আমার বেশি দুশ্চিন্তার কারণ?‌
স্যার, আমি আপনার উত্তরের অপেক্ষায় থাকব। 
ইতি আপনার খুদে ভক্ত
বারবারা
আমাদের চেনাজানা পণ্ডিতরা কখনও এধরনের বালখিল্যদের চিঠির উত্তর দিয়ে সময় নষ্ট করেন না। সেই সময়টুকুতে তারা নানা ধরনের অনুদান পাওয়া, বিদেশ ট্যুর, পত্রপত্রিকায় লেখা, পাবলিশারের ঘরে গিয়ে তেলবাজি করা, পুরস্কার পাওয়ার জন্য লবি ধরায় ব্যস্ত থাকেন। তারা গুণী এবং ব্যস্ত মানুষ। অ্যালবার্ট আইনস্টাইন অত গুণী বা ব্যস্ত ছিলেন না। তাই বারবারকে উত্তর দিয়েছিলেন। তখন তাঁর বয়স পঁয়ষট্টি। না, চৌষট্টি। ১৯৪৩ সালের ৭ জানুয়ারি সেই চিঠি তিনি লিখেছিলেন।
স্নেহের বারবারা,
তোমার চিঠি পেয়ে ভীষন খুশি হলাম। এই ধরনের চিঠিতে হৃদয়ের ছোঁয়া থাকে। আমি কখনও নিজেকে হিরো ভাবতে পারি না। হিরোদের মতো কিছু করতে আমি  তো পারি না। স্বাপ্নেও ভাবি না হিরো হব। তবে তুমি যখন ভেবেছো, তখন নিশ্চয় আমি তেমন কেউ হয়েছি। 
বারবারা, অঙ্কে অসুবিধে হবার জন্য কোনও দুশ্চিন্তা করো না। তুমি জেনে রাখো, অঙ্ক নিয়ে আমার দুশ্চিন্তা তোমার থেকে অনেক অনেক বেশি।  
তোমার হিরো
প্রফেসর অ্যালবার্ট আইনস্টাইন।
এই চিঠির কথা জানলে আমার অঙ্কের মাস্টারমশাই মধুময়বাবু কী বলতেন?‌ আইনস্টাইন একজন বোকা মানুষ ছিলেন?‌ উনি তো গবেষনা করবার সময় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সব গণিতজ্ঞের সাহায্য নিয়েছিলেন। তবে? আসলে বুদ্ধির সঙ্গে অঙ্কেরই কেবল সম্পর্ক আছে এমনটা ভাববার কোনও কারণ নেই। বুদ্ধির সঙ্গে মাটির পুতুল বানানোরও সম্পর্ক আছে। আবার বুদ্ধির সঙ্গে আকাশের দিকে তাকিয়ে চুপ করে বসতে থাকবারও সম্পর্ক আছে। আমি মন ফোনে একবার আইনস্টাইন সাহেবের সঙ্গে কথা বলবে বলে ঠিক করেছি। খুব তাড়াতাড়িই বলব। যাই হোক, আবার শসা–‌নারুমের কথায় ফিরি। 
মোবাইল কানে একটু চুপ করে থেকে বললাম,‘‌নারুম, মনে হচ্ছে তোমার মন ভাল হওয়ার কারণটা জানি। শসা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পন করেছে এই জন্য তোমার ভাল লাগছে। তুমি চেয়েছিলে শসা খারাপ কাজ থেকে বেরিয়ে আসুক। তাই তো?‌’‌
নারুম আবার হাসি হাসি গলায় বলল, ‘‌ঠিক বলেছেন। তবে একই সঙ্গে আমার মন খুব খারাপও হয়েছে সাগরদা।’‌
‘‌আমারও মন খারাপ।’‌
এক মুহূর্ত চুপ করে থেকে নারুম ভারি গলায় বলল,‘‌সাগরদা, শসা আপনাকে খুবই পছন্দ করে।’‌
আমি শান্ত ভাবে বললাম,‘‌আমিও করি। ও খুব ভাল ছেলে।’‌
নারুম চুপ করে রইল। ওর নাক টানার আওয়াজ পেলাম। মেয়েটা কাঁদছে। কাঁদুক। প্রেমিক হাজতে থাকলে যে কোনও মেয়ের জন্যই কাঁদা স্বাভাবিক। শসার মতো ছেলের জন্য তো বটেই। তবে এই মেয়ের মনে যে জোর আছে তা ওর সঙ্গে এইটুকু কথা বলেই বুঝতে পারছি। নইলে কে চাইবে প্রেমিক জেল খেটে নিজেকে শুদ্ধ করুক?‌ 
নারুম বলল, ‘‌শসা যে ভাল ছেলে এই কথাটা কে বিশ্বাস করবে সাগরদা ?‌ সে লোকের পকেট থেকে টাকা–‌পয়সা তুলে নেয়। একজন পকেটমার। তাকে সবাই খারাপ বলেই জানে। পরেও তাই জানবে । যতই জেল খাটুক, ওর গা থেকে কোনওদিন এই কালি মুছবে না।’‌
আমি একটু হাসি। বলি,‘‌নারুম, আমার অনেকেই এই কাজ করি। আমরা সামান্য পকেটমারের থেকেও বেশি। আমরা চোর–‌ডাকাত। তারপরেও কোট প্যান্ট পরে, ধুতি পাঞ্জাবি পরে, সাধু সেজে বড় বড় লেকচার দিই। নিজেদের নিয়ে বড়াই করি। ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দিই, মানুষকে পরমার্থের সন্ধান দিই, মানুষের কাছে ভোট চাই। ‌‌’‌
নারুম বলল,‘‌সাগরদা, আপনার কাছে একটা সাহায্য চাই।’‌
‘‌কী সাহায্য।’‌
নারুম বলল,‘‌আপনি আমাকে শসার সঙ্গে দেখা করিয়ে দিন।’
আমি বললাম,‌ ‘‌এ‌ আর এমন কী‌? এখনই থানায় চল।’‌
নারুম উৎসাহ নিয়ে বলল,‘‌সত্যি নিয়ে যাবেন।’‌
আমি বললাম,‘‌না নিয়ে যাওয়ার‌ কী আছে?‌’‌
নারুম একটু চুপ করে রইল। তারপর বলল,‘‌কী পরিচয় দেবেন?‌ থানাওলারা আমার সঙ্গে দেখা শসাকে দেখা করতে দেবে কেন?’‌ 
আমি হেসে বললাম,‘‌এত চিন্তা করো না তো।  শসা যে থানার কথা বলেছে তাই যদি হয়, তাহলে এই থানা আমার চেনা। আমি এখানে আগে গিয়েছি।’
ঘটনা সত্যি তাই।
এক গভীর রাতে লেক থেকে বনলতাকে নিয়ে এই থানাতেই এসেছিলাম। বনলতা তার স্বামীর অত্যাচারে রাতে বাড়ি থেকে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াত।  থানা চট করে এই ধরনের অভিযোগ নিতে চায় না। গরিবমানুষের বেলায় তো একেবারেই নয়। সেদিন বনলতাকে নিয়ে আমি থানায় যাই। থানার অফিসারকে ভয় দেখিয়ে বলেছিলাম, আমি মন্ত্রীকে চিনি। তার সঙ্গে একটু আগে লেকে দেখা হয়েছে। তিনিই আমাকে থানায় আসতে বলেছেন। এই পর্যন্ত শুনে থানার অফিসার অজুর্ন সেন আমার গুল ধরে ফেলেন। আমি পুলিশতে ঘাবড়ে দিতে চাইছি। অফিসার আমাকে সোজা লকাপে পাঠিয়ে দেন। এরপরেই একটা মজার কাণ্ড হয়েছিল। আমি গারদে বসেছিলাম, একজন মন্ত্রী সত্যি সত্যি থানায় এসে হাজির হয়েছিলেন। সারপ্রাইজ ভিজিট। এই ঘটনা ম্যাজিক রিয়েলিটিও হতে পারে, আবার সমাপতনও হতে পারে। পরে অফিসার তো আমাকে খাতির যত্ন করে একাকার কাণ্ড।সেই থানাতে শসা আছে। কোনও চিন্তা নেই।
চিন্তা কাকে বলে বেলা বাড়তেই বুঝতে পারলাম। বাপ্‌রে!‌

চলবে…

গত পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-29/

২৮ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-28/

২৭ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-27/

২৬ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-26/

২৫পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-25/

২৪ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-24/

২৩ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-23/

২২ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-22/

২১ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-21/

২০ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-20/

১৯ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-19/

১৮ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-18/

১৭ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-17/

১৬ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-16/

১৫ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-15/

১৪ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-14/

১৩পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-13/

১২ পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-12/

১১ পর্বের লিংক –  https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-11/

১০ পর্বের লিংক –  https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-10/

৯ম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-9/

৮ম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-8/

৭ম পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-7/

৬ পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-gupta-part-6/

৫ম পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-5/
 
৪র্থ পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-4/
৩য় পর্বের লিঙ্ক –https://banglalive.com/sagar-i-love-you-bengali-novel-by-prachet-guptapart-3/

২য় পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta-2/

প্রথম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta/

Advertisements
Previous articleকর্কটরোগে আক্রান্ত ভিক্ষাজীবী কেরলের বন্যাত্রাণে দান করলেন ৫ হাজার টাকা
Next articleকেতজেল পাখি (পর্ব ৯)
প্রচেত গুপ্ত
জন্ম : ১৪ অক্টোবর, কলকাতায়, ১৯৬২ সালে | কলকাতার গায়ে বেড়ে ওঠে শহরতলি বাঙুর এভিনিউতে স্কুলের পড়াশোনা, বড় হওয়া | স্কুলজীবন থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে লেখালেখির নেশা | প্রথম লেখা মাত্র ১২ বছর বয়সে আনন্দমেলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় | তারপর বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লেখা চলতে থাকে | গোড়ার দিকে ছোটদের জন্য লেখাতেই বিশেষ ঝোঁক ছিল | স্কুল শেষ হলে স্কটিশ চার্চ কলেজ | এরপরই একটা দুটো করে বড়দের জন্য লেখার শুরু | অর্থনীতিতে স্নাতক হয়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়া | বিভিন্ন পত্রিকায় গল্প প্রকাশিত হতে থাকে নিয়মিত | প্রথম উপন্যাস 'আমার যা আছে' প্রকাশিত হয় আনন্দলোক পত্রিকায়, ২০০৪ সালের পূজাবার্ষিকীতে |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.