বিস্ময়কর ! বিয়েতে ১০০১ টি এই জিনিস বরপণ চাইলেন এক শিক্ষক !

বিস্ময়কর ! বিয়েতে ১০০১ টি এই জিনিস বরপণ চাইলেন এক শিক্ষক !

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

তিনি আদর্শবান শিক্ষক | পণ করেছেন বিয়ের সময় পণ নেবেন না | কেউ তাঁকে টলাতে পারছে না এই ধনুর্ভঙ্গ পণ থেকে | এদিকে তাঁর এই মনোভাবের জন্য বিয়েই হচ্ছে না | কারণ পাত্রীপক্ষের ধারণা‚ বিয়ের সময় পণ না দিলে শ্বশুরবাড়িতে মেয়ের যথাযোগ্য সম্মান থাকবে না | ফলে দেওয়া-নেওয়ার টানাপোড়েনে আটকে যাচ্ছে বিয়ে |

শেষমেশ একটা উপায় বের করলেন শিক্ষক | বললেন তিনি নেবেন পণ | কিন্তু সেটা টাকা বা অন্য কোনও সম্পত্তি নয় | বলে এক অভিনব পণের প্রস্তাব দিয়ে বসলেন তিনি | শুনে তো মেয়ের বাড়ি হতবাক |

হবু শ্বশুরবাড়িকে বললেন সরোজকান্ত বিশ্বল | ওড়িশার কেন্দ্রপাড়ার এই স্কুল শিক্ষক জানালেন তাঁর ১০০১ টি চারাগাছ চাই | এটাই তাঁর বরপণ | আশৈশব ভালবাসেন অরণ্য | তাই পণের বদলে চেয়েছেন চারাগাছ | বিয়ের এই যৌতুকেই তিনি সাজাবেন প্রকৃতিকে |  

পাত্রীপক্ষ ভাবী জামাইয়ের আব্দারে একইসঙ্গে বিস্মিত এবং গর্বিত | প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষক সরোজের গ্রামের বাসিন্দারাও | পাত্রের এই অভিনব শর্ত খুশি-খুশি মেনে নেন পাত্রীর পরিবার । সেই মতো, পাত্রীপক্ষের তরফে হবু জামাইকে এক হাজার এক ফলগাছের চারা দেওয়া হয়।

গত সপ্তাহেই বিয়ে হয়েছে সরোজ এবং রশ্মিরেখার | ছিল না ব্যান্ড পার্টি বা চোখ ঝলসানো আতসবাজি | খুবই অনাড়ম্বর বিয়ের অনুষ্ঠান | কিন্তু তাতেই গ্রামবাসীরা খুঁজে পেয়েছেন আন্তরিকতার স্পর্শ | সর্বোপরি সরোজের মহৎ উদ্দেশ্য প্রকৃতপক্ষে উদ্ভাসিত করেছে তাঁর শিক্ষক-ভূমিকা | 

দিনকয়েক আগে পুণার এক দম্পতি বিয়ের উপহার স্বরূপ চেয়ে নেন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বই | সব বই দিয়ে তাঁরা একটা লাইব্রেরি বানিয়েছেন | যেখানে চাকরির প্রস্তুতি নিতে পারবেন পিছিয়ে পড়া পরিবারের ছেলেমেয়েরা | 

মহারাষ্ট্রের পুণার পরে ওড়িশার কেন্দ্রপাড়া | নতুন প্রজন্মের নতুন দিশায় আলোকিত সমাজ |  

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।