এই ছবি ছেড়ে দেওয়ার জন্য আজও অনুতাপ করেন শাহিদ কপূর

এই ছবি ছেড়ে দেওয়ার জন্য আজও অনুতাপ করেন শাহিদ কপূর

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

২০০৬ এর ২৬ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল ‘রঙ্গ দে বসন্তী ‘ | ভারতের সব ওপেনিং বক্স অফিস রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল এই ছবি | ছবির চিত্রনাট্য ও সংলাপ মন ছুঁয়ে গিয়েছিল দর্শক ও সিনেমা বিশেষজ্ঞদের | ছবির গল্প ছিল পাঁচ যুবককে ঘিরে | একটা তথ্যচিত্রতে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ভূমিকায় অভিনয় করতে গিয়ে কী করে জীবন সম্পর্কে তাঁদের চিন্তাধারা বদলে যাচ্ছে তাই দেখানো হয়েছিল | ছবির প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায় আমির খান‚ সিদ্ধার্থ নারায়ণ‚ সোহা আলি খান‚ কুণাল কপূর‚ আর মাধবন‚ শর্মন জোশী ও অতুল কুলকার্নি কে | 

তবে অনেকেই জানে না এই ছবির পরিচালক‚ প্রযোজক ও চিত্রনাট্য লেখক রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার ইচ্ছা ছিল অভিনেতা শাহিদ কপূরকে এই ছবিতে অভিনয় করানোর | উনি শাহিদকে অফার করেছিলেন করণ সিংঘানিয়ার চরিত্র | কিন্তু শাহিদ এই ছবি ফিরিয়ে দেন | পরে এই চরিত্রে দেখা যায় তামিল অভিনেতা সিদ্ধার্থকে | আর এই ছবি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আজও আফসোসের শেষ নেই শাহিদের |

সম্প্রতি একটা সাক্ষাৎকারে নিজের মুখেই শাহিদ জানিয়েছেন সেই সময় ওঁর মনে হয়েছিল ‘রঙ্গ দে বসন্তী’ ছবিতে ওঁকে যা চরিত্র অফার করা হয়েছিল তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নয় | কিন্তু ছবি মুক্তির পর ওঁর সেই ভুল ভেঙে যায় | এই আইকনিক ছবির অংশ না হতে পারার জন্য আজও অনুতাপ করেন উনি, জানিয়েছেন শাহিদ |

তবে খুব তাড়াতাড়ি হয়তো শাহিদ‚ রাকেশ ওম প্রাকাশের পরবর্তী ছবিতে কাজ করবেন | সম্প্রতি একটা সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পরিচালক বলেন ‘ শাহিদ আর আমি সত্যিই কাজ করতে চাই | শাহিদ ভীষণ ভাল অভিনেতা | আমার মনে হয় ওঁর সঙ্গে কাজ করে আমারও ভাল লাগবে | আমাদের কথাবার্তা চলছে | আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারব | |’

প্রসঙ্গত ‘রঙ্গ দে বসন্তী’ ছবিতে মাধবনের চরিত্রে প্রথমে অফার করা হয়েছিল শাহরুখ খানকে | কিন্তু উনি তা ফিরিয়ে দেন | 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।