আবার পৃথিবীতে ফেরা অনিশ্চিত জেনেও লালগ্রহে যাবেন এই তরুণী

আবার পৃথিবীতে ফেরা অনিশ্চিত জেনেও লালগ্রহে যাবেন এই তরুণী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

এলিজা কার্সন, বয়স আঠারোর প্রাণবন্ত এক তরুণী । নাসার কনিষ্ঠতম সদস্য । সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এলিজা হবেন ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানুষ ।

বাবার কাছে বড় হয়েছেন এলিজা। সে এখনও জানেন না তার মা কে। ৭ বছর বয়সে ছোট্ট এলিজা-কে তাঁর বাবা প্রথম নিয়ে গিয়েছিলেন আলবামার একটি স্পেস ক্যাম্পে। সেই ক্যাম্পের অভিজ্ঞতা তাকে এমনভাবে অভিভূত করেছিল যে, শিশুমনেই তার ভাবনার জগতে ঠাঁই পেয়েছিল অন্য এক জগত। যেহেতু মঙ্গলে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম, তাই ইতিমধ্যেই নাসার কাছে বিয়ে বা সন্তানধারণের নিষেধাজ্ঞাপত্রতে স্বাক্ষর করেছেন এলিজা ।

আলবামা, কানাডার কুইবেক ও তুরস্কের ইজমিরে নাসার তিনটি ভিন্ন স্পেস ক্যাম্পে মাত্র ১২ বছর বয়সেই অংশ নেন এলিজা। সেই ক্যম্পেই নাসা’র এক মহাকাশচারী সান্ড্রা ম্যাগনাস-এর সঙ্গে পরিচয় ঘটে তাঁর। সেইখানেই প্রাথমিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নাসা-র বিভিন্ন মিশন কিভাবে পরিচালিত হয়, তা শিখে নিয়েছেন এলিজা। পাশাপাশি ভারহীন স্থানে থাকার উপায়, মহাকর্ষ-শূন্য স্থানে চলাচল করার পদ্ধতিও রপ্ত সেই সময় থেকেই। জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি নিজে একটি রকেটও বানিয়েছিলেন 
এলিজা।

নিয়ম অনুযায়ী ১৮ বছরের আগে কাউকে নভোচারী হিসেবে আবেদন করার সুযোগ দেয় না নাসা । তবে এলিজার ক্ষেত্রে মানা হয়নি সেই নিয়ম। এই সংস্থা প্রথম থেকেই এলিজাকে মঙ্গল অভিযানের জন্য চিহ্নিত করেছিল। নাসা-র তরফ থেকে একটি নামও দেওয়া হয় এলিজা-কে, “ব্লুবেরি”।

২০৩৩ সালে যখন মঙ্গল গ্রহে প্রথমবার মানুষ পাঠিয়ে অভিযান শুরু হবে, তখন এলিজার বয়স হবে ৩২, যা একজন নভোচারীর জন্য যথাযথ বয়স । সে হয়তো আর ফিরে আসবে না এই পৃথিবীতে, এটা জেনেও ভীত নয় এলিজা। বরং পরবর্তী প্রজন্মকে দিয়ে যেতে চায় বাহ্যিক জগত সম্বন্ধে অজানা তথ্য, যা হয়তো এখনও অজানা পৃথিবীবাসীর কাছে ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।