আকাশবাণীর ঘোষক ছিলেন প্রথম বয়সে…স্ক্রিন টেস্টে খারিজ করেন এক পরিচালক…বাকিটা ইতিহাস

আকাশবাণীর ঘোষক ছিলেন প্রথম বয়সে…স্ক্রিন টেস্টে খারিজ করেন এক পরিচালক…বাকিটা ইতিহাস

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

৮৩ তম বর্ষপূর্তিতে সহস্র কুর্নিশ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে | এই কিংবদন্তিসম মহাজীবনকে নিয়ে কিছু তথ্য |

১৯৩৫ সালের ১৯ জানুয়ারি তাঁর জন্ম নদিয়ার কৃষ্ণনগরে | পরে তাঁর পরিবার চলে আসে হাওড়ায় |

সিটি কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স নিয়ে বি.এ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তরে উত্তীর্ণ হন |

বাংলা নাট্য জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব অহীন্দ্র চৌধুরীর কাছে অভিনয় শিখেছিলেন বেশ কিছুদিন | যাকে বলে অভিনয়ে হাতেখড়ি |

কলেজের শেষ জীবনে মঞ্চে শিশির ভাদুড়ীর অভিনয় দেখাটাই তাঁর জীবনের টার্নিং পয়েন্ট |

শিশির বাবুর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল বন্ধুর মা অভিনেত্রী শেফালিকার মাধ্যমে | শিশির ভাদুড়ীর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন সৌমিত্র |

বিখ্যাত থিয়েটার ব্যক্তিত্ব মৃত্যুঞ্জয় শীল ছিলেন তাঁর বন্ধু | মৃত্যুঞ্জয় তখন খ্যাতির শিখরে | পারিবারিক কারণে অভিনয় ছেড়ে দেন | নিজের পরিবর্ত হিসেবে নাম করেন বন্ধু সৌমিত্রর | বাকিটা ইতিহাস | সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের তারকা হওয়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান মৃত্যুঞ্জয় শীলের |

তবে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কেরিয়ার শুরু আকাশবাণীর ঘোষক হিসেবে |

১৯৫৬ সালে সত্যজিৎ রায় সৌমিত্রকে ভেবেছিলেন অপরাজিত-তে অপুর ভূমিকায় | কিন্তু কিশোর অপুর জন্য বেশি হয়ে গিয়েছিল সৌমিত্রর কুড়ি বছর বয়স |

১৯৫৭ সালে নীলাচলে মহাপ্রভু সিনেমার স্ক্রিনটেস্টে সৌমিত্রকে বাতিল করেন পরিচালক কার্তিক চট্টোপাধ্যায় |

১৯৫৮ সালে সত্যজিৎ রায়ের জলসাঘর সিনেমার শ্যুটিং দেখতে গিয়েছিলেন সৌমিত্র | সেখানেই সত্যজিৎ রায় তাঁকে ডেকে আলাপ করিয়ে দেন বর্ষীয়ান অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের সঙ্গে |

প্রবাদপ্রতিম পরিচালক ছবি বিশ্বাসকে বলেছিলেন‚ এর নাম সৌমিত্র | অপুর সংসার-এ অপুর ভূমিকায় অভিনয় করবে | শুনে যেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলেন তরুণ সৌমিত্র |

এর পরেই শুরু সত্যজিৎ-সৌমিত্রর যুগলবন্দি | বাংলা চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক অধ্যায় |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।