দীর্ঘ ধারাস্নান থেকে ডায়েটে শশা-টক দই‚ তীব্র গরমে চিড়িয়াখানার বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

তীব্র গরমে নাভিশ্বাস ওদেরও | চিড়িয়াখানার অসহায় বাসিন্দাদের | দর্শক নেই | কিন্তু ওদের তো থাকতে হবে খাঁচাবন্দি হয়েই | এই প্রচণ্ড গরমে যাতে কিছুটা হলেও রেহাই পাওয়া যায়‚ তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ | 

বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে জীবজন্তুদের ডায়েটে | মাংসাশী প্রাণী‚ মূলত বাঘ ও সিংহর ডায়েট থেকে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে মাংসের পরিমাণ | অন্যদিকে ক্যাঙারু‚ শিম্পাঞ্জি‚  মার্মোসেট ও পাখিদের ডায়েটে বেশি করে ফল রাখা হয়েছে | রোজ প্রচুর পরিমাণে থাকছে শশা আর তরমুজ | হাতিদের স্নানের সময় বেড়ে গেছে | দিনে অন্তত ছ থেকে সাত বার স্নান করছে মা হাতি ও তার শাবক | দেহের সঙ্গে যাতে সুশীতল থাকে মাথাও | পাখিদের খাঁচায় এসেছে কচি ঘাস আর বালি | যাতে তাপমাত্রা কম থাকে | কিছু স্তন্যপায়ী প্রাণীর খাঁচার সামনে বসেছে ফ্যান |

ফি বছরই গরমে এইরকম পদক্ষেপ নেওয়া হয় | অন্যবার মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয় | এবার তা এগিয়ে এসেছে এপ্রিলের গোড়ায় | পাখিদের আকার আয়তন বুঝে তাদের খাঁচায় জল বর্ষণ করা হচ্ছে | কোথাও জলের ছিটে | কোথাও পাইপে ধারাস্নান | জাগুয়ার আর ক্যাঙারুদের খাঁচার সমানে চলছে পাখা | ফল‚ টক দই‚ ভিটামিন আর অ্যান্টি স্ট্রেস ওষুধ থাকছে ডায়েট বুঝে | 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

pakhi

ওরে বিহঙ্গ

বাঙালির কাছে পাখি মানে টুনটুনি, শ্রীকাক্কেশ্বর কুচ্‌কুচে, বড়িয়া ‘পখ্শি’ জটায়ু। এরা বাঙালির আইকন। নিছক পাখি নয়। অবশ্য আরও কেউ কেউ