উত্তর চিনের হেবেই প্রদেশের থিমপার্ক । প্রায় বছর পাঁচেক আগে তৈরি করার কাজ শুরু হয় । থিম হিসেবে বেছে নেওয়া হয় মিশর , অর্থাৎ থিমপার্ক তৈরি শুরু হয় আরব দেশের আদলে । আরব্যরজনীর অনুকরণে সাজিয়ে তোলা শুরু হয় গোটা পার্কটি । তৈরি হয় মিশরের সুদৃশ্য রাজভবন , মসজিদ , ইসলামিক বিভিন্ন স্থাপত্য । মিশরের অন্যান্য স্থাপত্যের মত পিরামিডের অনুকৃতিও তুলে আনা হয় এই থিমপার্কে।তৈরি হয় বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্য মিশরের বিখ্যাত স্ফিঙ্কস পিরামিডের আদলে তৈরি পিরামিড । দি গ্রেট স্ফিঙ্কস অব গিজা । সিংহের শরীরে মানুষের মস্তকসহ এক ঐতিহাসিক মূর্তি । তফাত বলতে মিশরের পিরামিড পাথর সাজিয়ে সাজিয়ে তৈরি আর এই পিরামিড সিমেন্ট ও কংক্রিটের তৈরি । 

Banglalive

পিরামিডের অনুকৃতি কিনা অন্যদেশে , খবর প্রচারিত হতেই বাধ সাধে ইজিপ্ট শহরের ঐতিহাসিক স্থাপত্য বিভাগ । দাবি তোলা হয় থিমপার্কের ওই স্ট্যাচু মিশরের পর্যটন শিল্পের উপর প্রভাব ফেলতে পারে  । মিশর ও UNESCO (The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization)’র তরফে ২০১৪ তে ওই মূর্তি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয় । চিনের তরফে জানানো হয় ভেঙে ফেলা হয়েছে ওই মূর্তি ।

মাঝে কেটে গিয়েছে দুবছর । সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় আবার চিনের ওই পিরামিডের ছবি দেখা যায় । তাতেই আবার বিতর্কের সৃষ্টি হয় । খোঁজ নিতেই জানা যায় আদৌ তখন ভাঙা হয়নি ওই পিরামিড । স্ফিঙ্কস’র শরীরের টুকরোগুলো শুধু আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল মাত্র । ইদানিং নাকি আবার স্ফিঙ্কস-এর মাথাটি জুড়ে দেওয়া হয়েছে । প্রথমত মূর্তি নকল , উপরন্তু মিথ্যা প্রতারণায় ক্ষুব্ধ হন মিশরের জনগণ । আবারও মূর্তিটি ভেঙে দেওয়ার দাবি তোলা হয় । গিজা পিরামিডের জেনারেল ম্যানেজার আরশফ মোহি আল দিনের তরফে জানানো হয় , ওই অনুকৃত মূর্তি ইজিপ্টের স্থাপত্যের অবমাননা করছে।অবিলম্বে চিনের ওই মূর্তি ভেঙে ফেলা উচিত ।

আরও পড়ুন:  বিদেশির কন্ঠে উঠে এলো সোমবতী দেবীর ভাইরাল মিম 'চায় পি লো'

প্রসঙ্গত, এর আগেও একটি ছবি তৈরির কারণে মিশরের স্ফিঙ্কস পিরামিড তৈরি করা হয়। ওই প্রযোজনা সংস্থা একই সঙ্গে ফ্রান্সের লাভ্রে গ্লাস পিরামিডও তৈরি করেন।যদিও প্রযোজনা সংস্থার তরফে শুটিং শেষ হতেই ওই পিরামিড ভেঙে ফেলা হয়।

NO COMMENTS