আসছে সুজয় ঘোষের গা ছমছমে নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘টাইপরাইটার’

আসছে সুজয় ঘোষের গা ছমছমে নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘টাইপরাইটার’

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে নতুন ওয়েব সিরিজ ‘টাইপরাইটার’-এর টিজার | আর তারপর থেকেই দর্শক মুখিয়ে আছেন চলতি মাসের ১৯ তারিখের জন্য | এই দিনেই মুক্তি পেতে চলেছে এই ওয়েব সিরিজ | অনেকেই হয়তো প্রশ্ন করবেন কী এমন আছে এই ওয়েব সিরিজে যার জন্য দর্শক এত উৎসুক? উত্তরটা হল এই ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করছেন থ্রিলার পারদর্শী সুজয় ঘোষ | ওঁর পরিচালিত  ‘কহানি’‚ ‘বদলা’ এবং ‘অহল্যা’ ইতিমধ্যেই সুপারহিট হয়েছে | আর ‘টাইপরাইটার’ ও যে দর্শককে হতাশ করবে না তা তার টিজার থেকেই প্রমাণিত |

টিজারে দেখা যাচ্ছে অভিনেতা পূরব কোহলি একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর | তিনি তিনটে খুনের তদন্ত করছেন | এর মাঝেই একটা পুরনো টাইপ রাইটার ও একটা ভুতুড়ে বাড়িও দেখা যাচ্ছে | টিজার শেষ হচ্ছে একটি মেয়েকে দিয়ে | সে ঘুম থেকে উঠে কিছু একটা দেখে প্রচন্ড ভয় পেয়েছে |

এই সিরিজ নিয়ে বিশদে কথা বলতে গিয়ে সুজয় ঘোষ জানিয়েছেন এই ওয়েব সিরিজের গল্প গোয়ার একটা ভূতুড়ে বাড়ি ও কয়েকজন কিশোর কিশোরীকে ঘিরে | এই কিশোর কিশোরীরা ঘোস্ট হান্টার বা ভূত ধরার ওঝা হতে চায় | এবং তারা ওই ভূতুড়ে বাড়ি থেকে ভূত তাড়ানোর জন্য বদ্ধপরিকর | এর ফলে তাদের বিপদেও পড়তে হয় | শেষ অবধি স্কুল ও পড়াশোনার ফাঁকে ওই চারজন কিশোর কিশোরী নিজেদের জীবন বিপন্ন করে কী করে বার্দেজ ভিলার ভূত তাড়াচ্ছে সেটাই হতে চলেছে এই ওয়েব সিরিজের মুখ্য আকর্ষণ |

‘টাইপরাইটার’-এর বেশির ভাগ অংশই গোয়ায় শ্যুট করা হয়েছে | মুখ্যা ভূমিকায় দেখা যাবে পালোমি ঘোষ‚ যীশু সেনগুপ্ত‚ সমীর কোচ্ছর ও পূরব কোহলিকে | এছাড়াও ঘোস্ট বাস্টারদের চরিত্রে দেখা যাবে অর্না শর্মাকে শ্যামের চরিত্রে‚ আরিয়ান্স মালব্যকে নিকের চরিত্রে‚মিখাইল গান্ধীকে গাবলুর চরিত্রে ও পলাশ কাম্বলেকে বান্টির চরিত্রে |

এই সিরিজ আসতে চলেছে নেটফ্লিক্স প্ল্যাটফর্মে |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।