গরমে আপনার প্রিয় পোষ্যের যত্ন নিতে মেনে চলুন এই টিপস…

গরমে হাসফাস অবস্থায় আপনি যেমন কষ্ট পান, ঠিক সেইরকমই কষ্ট পায় আপনার বাড়িতে থাকা অবলা পোষ্যগুলি। তারা মুখ ফুটে কিছু বলতে না পারলেও তাদের কাজকর্মে স্পষ্ট বোঝা যায় যে,এই গরমে তারা কতখানি কষ্ট পায়। তাই এই দাবদাহের হাত থেকে বাঁচাতে আপনার পোষ্যের যত্ন নিন ঠিক এইভাবে…

১) জল- কুকুর বা বিড়াল বা পাখী আপনার প্রিয় পোষ্যটি যাই হোক না কেন, সর্বদা খেয়াল রাখবেন তার জলের পাত্রটি খালি নেই তো। বিশেষত কুকুরদের ক্ষেত্রে প্রচন্ড গরমে বেশি পরিমাণে জল খাওয়ার একটা প্রবণতা দেখা দেয়। কিছু সময় পরপরই খেয়াল রাখতে হবে তাদের জলের পাত্রের জল ফুরিয়ে গেল কিনা। তাকে নিয়ে বাইরে হাঁটতে বেরলে অবশ্যই জলের পাত্র এবং জল নিয়ে যাওয়া উচিত।

২) শরীর ঠান্ডা রাখা- গরমে আমাদের যেমন পেট গরম থেকে সমস্যা হতে পারে ঠিক তেমনই কুকুর বা বিড়ালের এই পেট গরমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সময়ে পোষ্যরা অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা জায়গা খোঁজে। এজন্য আপনার ঘরের মেঝেতে যেখানে আপনার পোষ্যটি বসবে সেখানে ভিজে তোয়ালে বিছিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এতে ওদের আরাম হবে। তাছাড়া যদি সম্ভব হয়, তাহলে ভিজে কাপড় দিয়ে বারবার ঘর মুছে দেওয়া যেতে পারে।

৩) হাঁটা- বিশেষত কুকুরের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ভাল রাখতে এবং তাদের প্রাকৃতিক কাজকর্মগুলি সারতে তাদের প্রতিদিন বাইরে হাঁটতে নিয়ে যাওয়া উচিত। তবে গরমকালে চড়া রোদে তাদের বাইরে না বের করাই ভাল। সেক্ষেত্রে দিনের যে সময়ে সূর্য্যের আলো ততটা প্রখর হয় না। সেইসময়ে তাদের নিয়ে বেরোনো উচিত। তাছাড়া যতটা সম্ভব তাদের নিয়ে মাঠের ধারে, গাছের ছায়ায় হাঁটানো উচিত।

৪) টিকাকরণ এবং চিকিৎসা- বিশেষত, কুকুর বা বিড়ালের ক্ষেত্রে টিকাকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া কোনওরকম নতুন কিছু প্রবণতা চোখে পড়লে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অতিরিক্ত গরমে আপনার কুকুরটি হিটস্ট্রোক করে ফেলতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ব্রেইন স্ট্রোকও করতে পারে। বার বার হাঁপিয়ে যাওয়া, পিঠ গরম হয়ে যাওয়া, চোখ বুজে আসা- এগুলো ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ। এগুলি দেখলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here