অচেতন রূপান্তরকামীর গোপনাঙ্গের ছবি সোশ্যল মিডিয়ায় পোস্ট চিকিৎসকের

চিকিৎসকের কাছেই একজন রোগী সবথেকে বেশি নিরাপদ। অন্তত এমনটাই মনে করেন সকলে। ঈশ্বরের পরে যদি কেউ বাঁচাতে পারেন তবে তিনি হলেন চিকিৎসক। কিন্তু প্রায়শই রোগীর অসহায়তার সুযোগ নিয়ে চিকিৎসকের দুর্নীতির কথা প্রকাশ্যে আসে। আর এবার মায়ামির এক শল্য চিকিৎসক যা করলেন তা একজন চিকিৎসকের পক্ষে অত্যন্ত লজ্জার বলে মনে করছেন অনেকে।

এলজিবিটিকিউ সেন্টার ফর ওয়েলনেস, জেন্ডার অ্যান্ড সেক্সুয়াল হেল্থ দফতরের বিভাগীয় প্রধান ক্রিস্টোফার জন সালগাদো নামে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে উঠেছে মারাত্মক অভিযোগ। ওই শল্য চিকিৎসক নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে এক রূপান্তরকামী রোগীর গোপনাঙ্গের ছবি তুলে পোস্ট করেছেন। জানা গিয়েছে গত মাসে ভ্যালেন্টাইন্স উইকে রূপান্তরকামী এক ব্যক্তি এসেছিলেন সার্জারির জন্য। তখনই নাকি রোগীর অজান্তে ওই ছবি তোলেন তিনি, এবং পরে তা পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায় । বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে এটাই প্রথম নয়, এর আগেও ওই চিকিৎসক নিজের অ্যাকাউন্টে আরও বহু রোগীর গোপনাঙ্গের ছবি ও তথ্য প্রকাশ করেছেন। তবে চিকিৎসকের এইরূপ মানসিকতা কতখানি সুস্থ স্বাভাবিক তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। একজন চিকিৎসকের কাছে আদৌ কি একজন রোগী নিরাপদ?- তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

তবে এমন লজ্জাজনক কাজের যথাযথ শাস্তিও পেয়েছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় এবং তাঁর লাইসেন্সটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই গোপনীয়তা ভঙ্গ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসকের এইরূপ আচরণে রোগীর আস্থা এবং মনের জোর কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। আর এর পরেই ওই চিকিৎসকের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here