বায়ুসেনায় যোগ দিতে চলেছেন এক চা-বিক্রেতার মেয়ে

বায়ুসেনায় যোগ দিতে চলেছেন এক চা-বিক্রেতার মেয়ে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

দ্বাদশ শ্রেণীর পড়াশোনার ফাঁকেই টিভিতে চোখ রাখত কিশোরী | তখন ২০১৩ সালে‚ উত্তরাখণ্ড বাঁধভাঙা বন্যায় বিপর্যস্ত | যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা | বিশেষ করে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন কেদারনাথে তখন বায়ুসেনাই ভরসা | ষোড়শী আঁচল অবাক চোখে দেখত | বুঝত এও এক যুদ্ধ | কখনও গোলাগুলি ছাড়া এভাবেও যুদ্ধ করতে হয় | দেশবাসীকে বাঁচাতে |

তখন থেকেই মনের মধ্যে গেঁথে যায় স্বপ্ন | একদিন যোগ দিতে হবে ভারতীয় বায়ুসেনায় | সেই অভীষ্ট এতদিনে পূর্ণ হল | ভারতীয় বায়ুসেনার ফ্লায়িং ব্রাঞ্চে নির্বাচিত হয়েছেন আঁচল গঙ্গওয়াল | এতদিন পরিচিতরা বলত সামান্য চাওয়ালার মেয়ে আঁচল | এখন সবাই বলে‚ বায়ুসেনায় যোগ দিতে যাওয়া আঁচলের বাবার দোকান এটা |

যে দোকানটা বহুদিন ধরেই ছিল মধ্যপ্রদেশের নীমাচে | এখন সবাই বিক্রেতা সুরেশ গাঙ্গওয়ালকে চেনে আঁচলের বাবা হিসেবে | যাঁর কন্যা ৩০ তারিখ হায়দরাবাদের ডুন্ডিগুল এলাকায় বায়ুসেনা অ্যাকাডেমিতে রিপোর্ট করবেন | 

আক্ষরিক অর্থেই আকাশ ছুঁয়েছে মেয়ের কৃতিত্ব | সুরেশের নামদেব টি স্টল এখন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু | শত অভাবেও তিন সন্তানের পড়াশোনায় কোনও আপস করেননি তিনি | তাঁর বড় মেয়ে আঁচল বায়ুসেনায় সুযোগ পেয়েছে, ছেলে পড়ছে ইঞ্জিনিয়ারিং, ছোট মেয়ে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী । 

লক্ষ্যপূরণের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছেন আঁচল | যখন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন তখন সাধ থাকলেও সাধ্য ছিল না | সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতা ছিল না | সেই অসুবিধে দূর করতে তাঁর বাবা টাকা ধার করতেও পিছপা হননি | এয়ার ফোর্স কমন অ্যাডমিশন টেস্টে বসেন গোটা দেশের ৬ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে যে ২২ জনকে নির্বাচিত করা হয় আঁচল তাঁদের একজন। পাঁচবার ইন্টারভিউ বোর্ডে বাদ পড়েছেন তিনি, এবার ষষ্ঠবার কৃতকার্য হয়েছেন।

নীমাচের চাওয়ালার মেয়ে এখন আকাশে ডানা মেলার অপেক্ষায় | যাতে তাঁর নিরাপত্তার আঁচলে সুরক্ষিত থাকতে পারে সারা দেশ | 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।