হোটেলের বিশেষ অতিথি দুই সফ্ট টয়েজ ! খাতির যত্নে কার্পণ্য করলেন না কর্মীরা

96

ছোট্ট ছেলে ডুজেরকে নিয়ে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের হায়াত কাউই রিসর্ট-এ ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন মা অ্যানা পিচার্ড । আর হাওয়াই থেকে ফিরে ছোট্ট ছেলে ডুজের-এর খাওয়া, ঘুম সব বন্ধ। কোনও ভাবেই তাকে শান্ত করতে পারছে না মা অ্যানা। ঘুরে আসার পর থেকেই ছেলের স্নান-খাওয়া-ঘুম মাথায় উঠেছে । ছেলের কাছে জিজ্ঞাসা করে অ্যানা জানতে পারেন ডুজের তার পছন্দের দুটো সফ্ট টয়েজ (,যার মধ্যে একটি টেডি বিয়ার, যার নাম সুত্রো ও অপরটি ছোট্ট একটি শিল মাছ, যার নাম কাউয়াই,) হাওয়াই-এর হোটেলে ফেলে এসেছে । আর বাড়ি ফিরতেই তাদের কথা মনে পড়ে প্রবল কান্নাকাটি জুড়ে দেয় ছোট্ট ডুজের ।

ছেলের এমন বেগতিক দেখে হোটেল কর্তৃপক্ষকে মেল করতে বাধ্য হন অ্যানা । মেলে তিনি জানান যে, প্রিয় সেই সফ্ট টয়েজদের কে ছেড়ে ডুজের খুবই কষ্টে আছে। তার কান্না কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না। ঠিক মতো খাওয়া ঘুম কিছুই করছে না সে । অ্যানা-র করা মেল-এর এক অভিনব রিপ্লাই দেয় সেই হোটেল কর্তৃপক্ষ। যা মন কেড়ে নিয়েছে সকলের। কারণ হোটেলের করা রিপ্লাইটি অ্যানা পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় । আর সঙ্গে সঙ্গেই তা ভাইরাল হয়ে যায় ।

হোটেল কর্তৃপক্ষের তরফে করা মেল-এ জানানো হয়েছে যে, তারা ডুজের-এর প্রিয় সুত্রো ও কাউয়াই-এর যথাযথ যত্ন করবে যতক্ষণ না তারা বাড়ি পৌঁছচ্ছে । ডুজের যেন কোনও চিন্তা না করে এখানে তার সুত্রো ও কাউয়াই-এর আদর-যত্নের কোনও অভাব হবে না । রীতিমতো হোটেলের নিয়ম মেনে চেক-আউট করেই সুত্রো ও কাউয়াই বাড়ি ফিরবে ।

শুধু এই নয় ছোট্ট ডুজেরকে শান্ত করতে হোটেল কর্তৃপক্ষ একের পর এক ছবি দেখাতে থাকেন। তার মধ্যে রয়েছে সুত্রো-কে পার্কে খেলতে নিয়ে যাওয়ার ছবি । আবার কোনটায় কাউয়াই-এর ব্রেকফাস্ট করার ছবি ইত্যাদি । এই সমস্ত ছবিগুলোও অ্যানা পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় । যা স্বাভাবিক ভাবেই জনপ্রিয় হয়ে যায় । অ্যানা-র সেই পোস্টে কমেন্ট করে হোটেল কর্তৃপক্ষকেও প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন সকলেই ।

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.