তার নামেই ২০ কেজি বিস্ফোরক ঠাসা পুলওয়ামার ঘাতক গাড়ি‚ জৈশে যোগ পলাতক তরুণের ?

294

পুলওয়ামা জঙ্গিহামলায় ব্যবহৃত বিস্ফোরক বহনকারী গাড়িটি ছিল একটি মিনি ভ্যান। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামাতে সিআরপিএফ জওয়ানদের ওপর হামলার সময়ে এই গাড়িটিই ব্যবহার করেছিল পাক জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদ। সূত্রের খবর সেই গাড়ির চালককে চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও চালক এখনও পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলেই খবর।

ফরেনসিক এবং অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে ওই গাড়িটিকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ২০১১ সালে প্রথম কেনা হয় ওই মারুতি সুজুকি ইকো গাড়িটি। জম্মু ও কাশ্মীরের হেভেন কলোনির এক বাসিন্দা কেনেন সেটি। তারপর থেকে মোট সাতবার হাত বদল হয়ে এসে ওই গাড়িটি সর্বশেষ আসে দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগের সাজ্জাদ ভাটের কাছে আসে। পুলওয়ামা আক্রমণের মাত্র দশ দিন আগে কেনা হয় গাড়িটি | কিন্তু গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তার বাড়িতে তল্লাশির সময় সাজ্জাদকে পাওয়া যায়নি |

এখানেই শেষ নয়, সূত্রের খবর ওই অভিযুক্ত জৈশ-ই-মহম্মদেও যোগ দিয়েছে । উনিশ বছর বয়সী সাজ্জাদ ভাট সিরাজ-উল-উল্লম মাদ্রাসার ছাত্র ছিল । সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে তার হাতে অস্ত্র নেওয়া ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। সাজ্জাদ ভাটকে জইশ সংগঠন আন্ডারগ্রাউন্ড লিঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করত। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সংঘর্ষে কাশ্মীরে জৈশের নেতৃত্ব স্থানীয় সংগঠন মুখ থুবড়ে পড়েছে বলে ধারণা ছিল গোয়েন্দাদের | সেই অবস্থায় এত বড় হামলার শুধু দায় নেয়নি জৈশ‚ বরং আত্মঘাতী জঙ্গি হিসেবে উঠে এসেছে উনিশ বছর বয়সী আদিল আহমেদ দারের নাম | সেখানেই বিভ্রান্ত তদন্তকারী গোয়েন্দারা | একজন যুবককে প্রশিক্ষণ দিয়ে‚ মগজধোলাই করে আত্মঘাতী জঙ্গি বা ফিদায়েঁ তৈরি করা বহু সময়সাপেক্ষ কাজ | ফলত স্থানীয়দের পূর্ণ মদত ছাড়া জৈশের এত বড় হামলা সম্ভব নয়‚ নিশ্চিত ভারতীয় গোয়েন্দারা |

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.