এই মলদাতার দানে সুস্থ হয়ে ওঠেন মুমূর্ষু রোগী

এই মলদাতার দানে সুস্থ হয়ে ওঠেন মুমূর্ষু রোগী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

মুমূর্ষু ব্যক্তিকে অঙ্গ দান করার থেকে বড় হয়তো আর কিছুই হয় না। কিন্তু কখনও কি কাউকে ‘মল’ দান করার কথা শুনেছেন ? এমনই কাজ করে বছরের পর বছর মানুষকে সেবা প্রদান করে চলেছেন ৩১ বছর বয়সী ক্লডিয়া ক্যাম্পেনেলা। পেশায় তিনি ব্রিটেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তিনি এটিকে রক্ত বা যে-কোনও অঙ্গদানের মতোই স্বাভাবিক ঘটনা বলে মনে করেন।

বিজ্ঞানীরা একে বলছেন, ‘ সুপার পু’ (Super Poo)- যার মধ্যে ভাল ব্যাকটেরিয়ার চমৎকার সমন্বয় ঘটেছে। বর্তমানে আমরা যে অ্যান্টিবায়োটিক খাই- তা অনেকসময় শরীরের ভালো এবং খারাপ দু’ধরণের ব্যাকটেরিয়াকেই মেরে ফেলে। ব্যাকটেরিয়া নির্মূল হয়ে যাওয়ায় পাকস্থলীতে ‘ক্লস্ট্রিডিয়াম ডিফিসিল’ নামে বিশেষ এক ধরণের ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধি ঘটাতে থাকে। এর ফলে হতে পারে এমন ডায়রিয়া যার সঙ্গে জ্বর, পেট ব্যথা এমনকী মলের সঙ্গে রক্তপাতও হতে পারে। অনেকক্ষেত্রে অবস্থা এমন সংকটে পৌঁছায় যার ফলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। এই পরিস্থিতিতে রোগীকে আরও অ্যান্টিবায়োটিক প্রদান করার বিকল্প হিসেবে বেরিয়ে এসেছে রোগীর শরীরে ‘মল প্রতিস্থাপনের চিকিৎসা’। অর্থাৎ একজন সুস্থ ব্যক্তির মল থেকে ভাল ব্যাকটেরিয়াগুলি সংগ্রহ করে রোগীর মলদ্বার দিয়ে তাঁর শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া। ক্লডিয়ের মলে এই ভাল ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ এত বেশি যে, তা রীতিমতো বিরল!

কাজের ফাঁকে তিনি নিজের মল অন্যদের দান করেন। কারণ চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ক্লডিয়ার মলে এমন উৎকৃষ্ট মানের ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, যা অন্যের দেহে প্রতিস্থাপন করে বিভিন্ন পেটের রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব। ক্লডিয়া বলেন, তাঁর বন্ধু-বান্ধবরা মনে করে এটা একটা জঘন্য এবং উদ্ভট বিষয়। কিন্তু তাতে তিনি একেবারেই বিচলিত নন। এটা দান করা খুবই সহজ এবং চিকিৎসা গবেষণায় নিজের অবদান রাখতে পেরে স্বভাবতই খুশি ক্লডিয়া।

ক্লডিয়া একজন নিরামিষভোজী, আর নিরামিষভোজীরা ভালো মল-দাতা হতে পারেন – এটা জানার পরই তিনি একজন ডোনার হতে আগ্রহী হন। বিশেষজ্ঞের কথায়, ‘মল প্রতিস্থাপন’ জঘন্য ব্যাপার নয়, বরং একটা জীবনদায়ী চিকিৎসার অঙ্গ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।