বাজারে চলতি সুগার ফ্রী ট্যাবলেট নয়, বেছে নিন চিনির এই প্রাকৃতিক বিকল্পগুলি…

বাজারে চলতি সুগার ফ্রী ট্যাবলেট নয়, বেছে নিন চিনির এই প্রাকৃতিক বিকল্পগুলি…

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

শরীর সুস্থ রাখতে চিনি না খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। অনেকে আবার ওজন বেড়ে যাবে এই ভেবেও চিনি খান না। বাজারে চলতি সুগার ফ্রি ট্যাবলেট হয়তো অনেকেই খান। কিন্তু আপনার হাতের কাছেই রয়েছ চিনির কিছু প্রাকৃতিক বিকল্প। জেনে নিন সেগুলি কি কি…

* মধু- চিনির অভাব পূরণ করতে রান্নায় ব্যবহার করুন মধু। চা অথবা কফিতে এক চামচ চিনির বদলে মেশান মধু। মধু স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি তো বটেই, কিন্তু সেইসঙ্গে ওজন কমাতেও মধু বিশেষ উপকারী।

* ব্রাউন সুগার- বাদামি চিনি বা ব্রাউন সুগার স্বাদের দিক থেকে কোনও অংশে কম নয়। কিন্তু এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও আয়রন।চিনির মতোই চিনির পরিবর্তে যেকোনও খাবারে ব্যবহার করা যেতেই পারে।

* নারকেল- নারকেল কিন্তু চিনির আদর্শ বিকল্প হিসেবে ধরা হয়। এতে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলেও, চিনির মতো ক্ষতিকর নয়। তবে চা কিংবা কফির সঙ্গে খাওয়া না গেলেও অন্যান্য মিষ্টি খাবারে অনায়াসেই ব্যবহার করা যায়। রান্নায় নারকেলের দুধ মেশালে তার স্বাদই অন্যরকম হয়ে যায়।

* গুড়- চিনির আর একটি আদর্শ বিকল্প হল আখের গুড়। চিকিৎসকরা বলেন সুস্থ শরীর গড়ে তুলতে গুড় খাওয়া জরুরী। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, চা বা কফিতে চিনির বদলে গুড় খেলে তা শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি। গুড় শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

* ফলের রস- চা, কফি কিংবা কোনও রন্ধনপ্রণালীতে নয়, শরীরে চিনির অভাব পূরণ করতে খান ফলের রস। ডায়েটেশিয়ানদের কথায়, চিনি দিয়ে বানানো কোনও স্মুদি বা সরবতের তুলনায় ফলের রস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। এক গ্লাস ফলের রসে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে যা শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী।

* খেজুর- যাঁদের রক্তে চিনি বেশি অর্থাৎ, ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খেজুর খুবই উপকারি। খেজুর খেলে ডায়াবেটিক রোগীদের কোনও ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই। তাই খাদ্যতালিকায় খেজুর রাখা ভাল।

* ম্যাপল সিরাপ- বড় বড় রেস্তোরাঁয় রান্নায় চিনির বদলে ম্যাপল সিরাপ ব্যবহার করা হয়। এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুব কম হওয়ায় শরীরের কোনও ক্ষতি হয়না। পাশপাশি খাবারে মিষ্টির পরিমাণ বজায় থাকে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।