থাইরয়েড-এর সমস্যা থাকলে দূরে থাকুন এই খাবারগুলি থেকে…

থাইরয়েডের সমস্যা ধরা পড়লে ওষুধ তো খাবেনই সেই সঙ্গে খাদ্যতালিকাতেও রাখা উচিত খানিকটা বিধিনিষেধ। কারণ, এমন কিছু খাবার রয়েছে যা থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যকে নষ্ট করে দেয়, যার ফলে ওষুধ খেলেও কোনও কাজ হয় না। জেনে নিন থাইরইয়েডের সমস্যায় কোন কোন খাবার থেকে দূরে থাকবেন।

# সয়াবিন- সয়াবিনে থাকা আইসোফ্ল্যাভিন থাইরয়েডের ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হতে পারে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সয়াবিন খেলে আপনার থাইরয়েড অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে।

# ব্রকোলি এবং ফুলকপি- থাইরয়েড থাকলে ব্রকোলি এবং ফুলকপি না খাওয়াই ভালো। কারণ ব্রকোলি এবং ফুলকপিতে থাকা ফাইবার এবং অন্যান্য নিউট্রিয়েন্টস থাইরয়েড হরমোনের সমস্যার কারণ হতে পারে।

# ফ্যাট জাতীয় খাবার- ফ্যাট জাতীয় খাবার শরীরে থাইরয়েড হরমোন রিপ্লেসমেন্ট মেডিসিনের কাজে বাধা সৃষ্টি করে। তাই ঘি, মাখন, মেয়োনিজ জাঙ্ক ফুড-এ থাকা ফ্যাট খেলে তা থাইরয়েড গ্ল্যান্ডে প্রভাব ফেলে।

# মিষ্টি জাতীয় খাবার- থাইরয়েড আপনার শরীরে মেটাবলিজম-এর প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। ফলে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। তাই মিষ্টি খেলে কোনও পুষ্টিগুণ তো শরীরে যায়ই না, উল্টে অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীরে প্রবেশ করে।

# প্যাকেটজাত খাবার- বর্তমানে প্যাকেটজাত খাবার খাওয়ার একটা প্রবণতা চোখে পড়ে। কিন্তু প্রসেসড ফুডে ব্যবহার করা হয় প্রিজারভেটিভস, যা থাইরয়েডের সমস্যাকে বাড়িয়ে দেয়। তাই সুস্থ থাকতে এড়িয়ে চলুন প্যাকেটজাত খাবার।

# কফি- কফিতে থাকা ক্যাফেইন থাইরয়েড রিপ্লেসমেন্ট হরমোন মেডিসিনের কাজে বাধা দেয়। শুধু তাই নয়, কফি অনেকসময় থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে গিয়ে সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই যারা নিয়মিত থাইরয়েডের ওষুধ খান তাঁদের উচিত কফি এড়িয়ে চলা।

# সফট ড্রিংক- মিষ্টির পাশাপাশি সফট ড্রিংক-ও শরীরের পক্ষে খুবই খারাপ। কারণ এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই বেশি, যা বিপদ ডেকে আনতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.