কাঞ্চনতপ্ত আলো মেখে স্বপ্নপূরণের পরে আর ফেরা হল না‚ অসহ্য যন্ত্রণায় ঘুমিয়ে পড়লেন শৃঙ্গের অদূরেই

“পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট এর শীর্ষবিন্দু স্পর্শ করার পরে আগামীকাল রওনা দিচ্ছি পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ ও ভারতের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার শিখর স্পর্শ করতে … আপনাদের অফুরান ভালোবাসা, শুভেচ্ছা ও কল্যাণশ্বর ঈশ্বরের আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই, যাতে আমি সুস্থ শরীরে কাঞ্চনজঙ্ঘার শিখর ছুঁয়ে কাঞ্চনআলো গায়ে মেখে আবার ফিরে আসতে পারি সকলের মাঝে |” ফেসবুকে লিখেছিলেন কুন্তল কাঁড়ার | তাঁর স্বপ্নপূর্ণ হয়েছে | কাঞ্চনতপ্ত আলো মেখে পা রাখতে পেরেছিলেন শৃঙ্গে | কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে আর ফিরে আসতে পারলেন না | অসহ্য যন্ত্রণায় ঘুমিয়ে পড়লেন বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম শৃঙ্গের শীর্ষবিন্দুর অদূরে |

বুধবার বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার (৮,৫৮৬ মিটার) উদ্দেশে ক্যাম্প-৪ থেকে রওনা দেন বাংলার পাঁচ অভিযাত্রী | তাঁরা হলেন রুদ্রপ্রসাদ হালদার, বিপ্লব বৈদ্য, রমেশ রায়, কুন্তল কাঁড়ার এবং শেখ সাহাবুদ্দিন। ফেরার সময়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন সকলেই। কিন্তু রুদ্রপ্রসাদ, রমেশ এবং সাহাবুদ্দিনকে কাঞ্চনজঙ্ঘার ক্যাম্প-৪ এ নামিয়ে আনা গেলেও বিপ্লব এবং কুন্তলকে নামানো সম্ভব হয়নি। 

উদ্ধারকারী দলও ফিরিয়ে আনতে পারেনি দুই পর্বতারোহীকে | শুধু ফিরে এসেছে তাঁদের মৃত্যুসংবাদ | যে সংস্থার উদ্যোগে এই অভিযান‚ তারা জানিয়েছে‚ অত্যধিক উচ্চতা ও প্রবল ঠান্ডার কারণেই মৃত্যু হয়েছে দুই অভিযাত্রীর | বাকি অভিযাত্রীরাও অসুস্থ | এর মধ্যে তুষার-অন্ধত্বের শিকার রমেশের অবস্থা গুরুতর |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here