দেড়শো বছরের পুরনো দোকানের কাচের চুড়ির ছটায় আলোকিত চিত্রতারকা থেকে আম্বানিরা

দেড়শো বছরের পুরনো দোকানের কাচের চুড়ির ছটায় আলোকিত চিত্রতারকা থেকে আম্বানিরা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

যে কোনও উৎসব অনুষ্ঠান হোক বা বিয়েবাড়ি । সাজগোজের মধ্যে বাহুডোর ভরে রঙবেরঙের চুড়ি না পরলে সাজ যেন সম্পূর্ণ হয় না । কিন্তু জানেন কি এই চুড়ির পীঠস্থান কোথায় ? কে বা কারা তৈরি করে ? জানলে বিস্মিত হবেন।

ভারতের সংস্কৃতি ও শিল্পকলার অন্যতম পীঠস্থান হল রাজস্থান । ভারতীর শিল্পকলার নিদর্শন ফুটে ওঠে রাজস্থানী শিল্পীদের নিপুণ হাতের কাজে । রাজস্থানের অন্যতম বিখ্যাত হল চুড়ি বা ব্যাঙ্গল, যা সারা ভারতবর্ষে জনপ্রিয় । এখানকার শিল্পীরা বংশ পরম্পরায় এই চুড়ি তৈরির কাজ করে আসছেন এবং এই ব্যবসায় তারা যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছে।

এমনই এক বিখ্যাত চুড়ির ব্যবসায়ী বিবাজী ব্যাঙ্গল, যিনি মূলত কাচের চুড়ি বানান । তাঁর এই চুড়ির ব্যবসা প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো । শৌখিন রেশমি চুড়ির খরিদ্দারের তালিকাটি কিন্তু বেশ তারকা-খচিত। যোধপুরের রাজপরিবার থেকে শুরু করে আম্বানিদের পরিবার, চিত্রতারকা কবীর বেদী থেকে শুরু করে জুহি চাওলা- সকলের কাছেই বিবাজী ব্যাঙ্গল একটি সুপরিচিত নাম।

বর্তমানে আব্দুল সাত্তার এই দোকানের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন । তিনি জানিয়েছেন, তাঁর ঠাকুমা ‘বিবিজি’ নামে পরিচিত ছিলেন । তিনি সেই সময়কার রাজা-রানিদের জন্য কিছু গয়না বানাতে শুরু করেন,  এইভাবেই ব্যবসার শুরু, তারপরে আর পিছন দিকে ফিরে তাকাতে হয়নি । ‘বিবিজী’র বয়স বাড়লে তাঁর পক্ষে আর ব্যবসা চালিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না । তারপর তাঁর ছেলে ব্যবসার দায়িত্ব নেন। তিনি সাইকেলে ঘুরে ঘুরে চুড়ি বিক্রি করতেন। কয়েক বছর পরে তিনি নিজে একটি স্থায়ী দোকান শুরু করেন।

আব্দুল সাত্তার বর্তমানে ‘বিবাজী’ নামে পরিচিত। তিনি এই ব্যবসার হাল ধরেছিলেন ১৯৭০ সালে । তাঁর দাবি বর্তমানে এই যে রঙবেরঙের এত কাচের চুরির রমরমা, তা তাঁরই সৃষ্টি। তাঁর কাছে এই মুহূর্তে সবরকম চুড়ির সম্ভার রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে মিনাকারী চুড়ি, কাচের টুকরো সাজিয়ে নকশা কাটা চুড়ি, সাধারণ কাচের চুড়ি আর বিভিন্ন দামী পাথর বসানো চুড়ি।

প্রতিদিন নিত্যনতুন নকশা তোলা খুবই সময়সাধ্য ব্যপার । আপাতভাবে কাজটি সহজ বলে মনে হলেও আদতে তা নয়। এর জন্য চাই ধৈর্য ও একাগ্রতা, যার জন্য আর পাঁচটা ব্যবসার তুলনায় এর অগ্রগতি অনেকটাই ধীর । বিবাজী চান তাঁর এই ব্যবসা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে বাঁচিয়ে রাখতে ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ