টানা ৬ ঘণ্টা ধরে বরফে বিয়ের প্রস্তাব খোদাই‚ না করতে পারলেন না প্রেয়সী

প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব কতভাবেই না দেওয়া যায়। কিন্তু শিকাগোর এই যুবক যেভাবে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন তা সত্যিই বিস্ময়কর। আর এমন অভিনব বিয়ের প্রস্তাব পেয়ে আর চুপ করে থাকতে পারলেন না তাঁর প্রেমিকা । কীভাবে বিয়ের প্রস্তাব জানিয়েছিলেন তিনি ?

শিকাগোর এক কর্মরতা তরুণী পেগি বেকার তাঁর সাইত্রিশ তলা উঁচু অফিসের জানলা থেকে যখন নীচের দিকে তাকালেন তখন দেখতে পেলেন এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য। বরফে ঢাকা ম্যাগি ডালে পার্কে কেউ বড় হরফে লিখে রেখেছেন ‘ম্যারি মি’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহু এলাকাই এখন বরফের নীচে ঢাকা পড়ে রয়েছে। শিকাগোর ম্যাগি ডালে পার্কের দিকে তাকালে মনে হবে পুরু বরফের আস্তরণে মোড়া কোনও উপত্যকা, যার চারপাশে শুধু বরফ আর বরফ, আর সেইসঙ্গে চোখে পড়বে এক ফালি সবুজের আস্তরণ। আর এই হাড়হিম করা ঠান্ডার মধ্যে বব লেমপা নামে ওই যুবক তাঁর প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার জন্য খুঁজে পেয়েছেন অভিনব এই পস্থা। প্রেমিকের এই কীর্তি ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়।

টানা ছ’ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় পার্কে ঢাকা বরফের ওপর তিনি লিখেছেন ‘ম্যারি মি’। তবে মনে হতেই পারে যে, এই সামান্য কথাটি লিখতে কি কারওর এত সময় লাগে নাকি। এই ক্ষেত্রে ঠিক এতটাই সময় লেগেছে। তার কারণ হল, এই লেখায় প্রত্যেকটি হরফের উচ্চতা ৪৫ ফুট এবং প্রস্থ ৩১ ফুট। তার ওপর আবার এত ঠান্ডা। সুতরাং খুব স্বাভাবিকভাবেই কাজটি সময় সাপেক্ষে। কিন্তু কেন এত বড় হরফে লিখলেন তিনি? বব জানিয়েছেন, তাঁর প্রেমিকা পেগির অফিস ৩৭ তলার ওপরে। সেখান থেকে নিচে উঁকি দিলে, পেগি যাতে তাঁর ওই লেখা দেখতে পান, সেইজন্যই এত সময় নিয়ে বড় হরফে লিখেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যুবকের এই কাণ্ড ভাইরাল হতেই প্রশংসায় মুখর হয়ে উঠেছেন নেটিজেনরা।

তাঁর প্রেমিকার কথায়, তাঁর সহকর্মীরা ওপর থেকে নীচে কিছু একটা দেখে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিলেন। প্রথমে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেননি। কিন্তু তারপরে তিনি নিজে তা দেখে বিস্মিত হন। তিনি আশাই করেননি, বব তাঁর জন্য এই প্রস্তাব লিখেছেন। পরে জানতে পেরে প্রেমিক-কে আর ‘না’ বলতে পারেননি তিনি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nayak 1

মুখোমুখি বসিবার

মুখোমুখি— এই শব্দটা শুনলেই একটাই ছবি মনে ঝিকিয়ে ওঠে বারবার। সারা জীবন চেয়েছি মুখোমুখি কখনও বসলে যেন সেই কাঙ্ক্ষিতকেই পাই