এই স্কুলে ছাত্রদের বাধ্যতামূলকভাবে শিখতেই হবে ঘর গৃহস্থালির কাজ

এই স্কুলে ছাত্রদের বাধ্যতামূলকভাবে শিখতেই হবে ঘর গৃহস্থালির কাজ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ভারতীয় পাঠ্যক্রমে হোমসায়েন্স বিষয়টি বরাবরই মেয়েদের জন্যই প্রযোজ্য। তবে বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার ফলে মানসিকতা বদলাচ্ছে। শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের নয়, বদলাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর। তার ফলেই, স্পেনের একটি স্কুল এবারে হোমসায়েন্সের পাঠ দিতে শুরু করেছে ছেলেদের। নর্থ ওয়েস্টার্ন স্পেনের ভিগো শহরের কলেজিয়া মন্টেক্যাস্টেলো নামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্য সব বিষয়ের পাশাপাশি ছেলেদের জন্য “হোম ইকোনমিকস” নামক বিষয়টিকে কম্পালসরি বা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


সমাজ এবং সময় এগিয়ে গিয়ে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই গৃহস্থালির সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিতে হয় মেয়েদেরই। লিঙ্গভেদ মুক্ত সভ্য সমাজে গড়ে তুলতে তাই এই অভিনব পদক্ষেপ নিয়েছে কলেজিয়া মন্টেক্যাস্টেলো। “হোম ইকোনমিকস” -এর সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইস্ত্রি করা, ঘর পরিষ্কার, রান্না করা, খাট পাতা এবং কাপড় কাচার মতন নানা বিষয়। আনন্দের বিষয় শুধু স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা নন, ছাত্রদের বাবারাও, ছেলেদের এই সব বিষয়গুলি শেখানোর ক্ষেত্রে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করছেন।

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, “আমরা যখন রান্না শেখানোর কথা বলি সেটা সকলে স্বাভাবিক ভাবেই নেয় কিন্তু বাড়ির অন্যান্য কাজ শেখানোর বিষয়টা বোঝাতে বেগ পেতে হয়েছে।” তবে, ধীরে ধীরে পিতৃতান্ত্রিক সমাজ পেরিয়ে এখন স্পেনের অন্যান্য কিছু স্কুলেও শুরু হয়েছে “হোম ইকোনমিকস”-এর ক্লাস। কলেজিয়া মন্টেক্যাস্টেলো-এর শিক্ষকদের ধারণা, “এভাবেই হয়তো এক সময় পৃথিবীর সব প্রান্তে ছড়িয়ে পড়বে এই প্রয়োজনীয় বার্তা। গৃহকর্ম শুধুমাত্র নারীর নয়, পুরুষেরও দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালনের পাঠ যদি শুরু হয় স্কুল থেকে তবেই সেই প্রভাব বিস্তার করবে সমাজে।”

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ