সহজেই ভাল ঘুম আসবে এই বিশেষ উপায়ে!

1850

রাতে ভালো ঘুম না হলে পুরো দিনটাই মাটি। বিশেষজ্ঞরা তাই নিয়ম করে ৮ ঘন্টা ঘুমের কথা বলেন। সুস্থ থাকতে রাতে ভাল ঘুম ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই। তা সে ছুটির দিন হোক অথবা কাজের দিন। নিয়ম করে প্রতি রাতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান এবং সকালে ঘুম থেকে উঠুন। এমন কি যদি রাতে ঘুম ঠিকমত নাও হয়, ঘুম থেকে উঠুন ঠিক সেই একই সময়ে এবং নতুন দিন শুরু করুন। কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চললেই রাতে ভাল ঘুম হয়। চলুন জেনে নিই এমন কিছু নিয়মের কথা, যা আপনাকে রাতে ভাল করে ঘুমাতে কিছুটা হলেও সাহায্য করবে।

প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের রোজ গড়ে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমের দরকার। কিন্তু অনেক সময় নানা কারণে এর চেয়ে কম ঘুমিয়েই কাটাতে হয় দিনের পর দিন। প্রয়োজনের চেয়ে কম ঘুম আপনাকে ক্লান্ত করে দেবে। তাই রাতের বেলা ঘুমের এই ঘাটতি পূরণ করে নিতে হবে।

  • ভাল স্বাস্থ্যকর ঘুম এর জন্য মানব শরীর থেকে ‘মেলাটোনিন‘ হরমোন নিঃসরণের প্রয়োজন। আর এই হরমোন একমাত্র অন্ধকারেই নিঃসরণ হয়। আলো থাকলে ‘মেলাটোনিন‘ নিঃসরণে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। তাই ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিশেষ করে যে সকল এলইডি স্ক্রিন থেকে নীল আলো নির্গত করে যেমন মোবাইল, ট্যাব বা ল্যাপটপ এরকম কোনও ডিভাইস সঙ্গে নিয়ে শুতে যাবেন না। ভাল স্বাস্থ্যকর ঘুম এর জন্য একটি সময় ঠিক করতে এই মেলাটোনিন সহযোগিতা করে।
  • ক্যাফেইন যুক্ত পানীয় ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। কোমল পানীয়, চা, কফি ও চকলেটে ক্যাফেইন থাকে। সাধারণত মানুষের দেহে ক্যাফেইন ঢুকলে, তা তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা অবধি কার্যকর থাকে। কিন্তু কিছু মানুষের দেহে এটি ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকতে সক্ষম। সুতরাং ক্যাফেইন যুক্ত খাবারে আসক্তি থাকলে তা বুঝেশুনে খাবেন। ঘুমোতে যাওয়ার ৫-৬ ঘন্টা আগে থেকেই এই জাতিয় পানীয় খাবেন না।
  • রাতে ভাল করে ঘুমনোর জন্য দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম করলে উপকার পাবেন। তবে ঘুমানোর আগের মুহূর্তে ব্যায়াম করতে যাবেন না। সন্ধ্যায় হালকা যোগব্যায়াম চাইলে করতে পারেন। তাছাড়া রাতে খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘুমোতে যাবেন না। রাতে হালকা ধরনের খাবার খান। বেশি তেল-মসলায় রান্না করা খাবার রাতে খাবেন না। এতে করে বদহজম হয়ে ঘুমের ক্ষতি হতে পারে।

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.