হাইওয়েতে সরসরিয়ে এগোচ্ছে ত্রিনয়ন সাপ

হাইওয়েতে সরসরিয়ে এগোচ্ছে ত্রিনয়ন সাপ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

হাইওয়ের বুকে সরসর করে চলেছে এক সাপ। যে সে সাপ নয়, একেবারে ময়াল। সবচেয়ে বড় কথা সেই সাপের রয়েছে তৃতীয় নয়ন! অস্ট্রেলিয়ার ডারবিনের কাছে দেখা মিলেছে এহেন সাপের। তার ছবি ‘ভাইরাল’ ইন্টারনেটে।

সাধারণত প্রকৃতির খেয়ালে নানা প্রাণীর দেহে অদ্ভুত পরিবর্তন দেখা যায়। যেমন দু-মুখো সাপ। গত বছরের অক্টোবরে দেখা মিলেছিল তার। কিন্তু তিন-চোখো সাপের দেখা এর আগে মেলেনি। তাই এমন সাপের দেখা পেয়ে উত্তেজিত নেটিজেনরা।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সাপের ছবিটি আসলে মার্চ মাসের। তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেটি মারাও গিয়েছে। বয়স হয়েছিল তিন মাস। উত্তর অস্ট্রেলিয়ার আর্নহেম হাইওয়েতে তাকে পথ চলতে দেখা গিয়েছিল। ডারবিনের ৪০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই হাইওয়ে।

জাতে ‘কার্পেট পাইথন’। চলতি নাম মন্টি পাইথন। সে কী করে এই শরীরী খুঁত নিয়েও জঙ্গলে তিন মাস বেঁচেছিল সে কথা ভেবে চমকে উঠছেন প্রাণীবিজ্ঞানীরা। খাদ্যগ্রহণের সমস্যা হওয়াতেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সাপটির তৃতীয় নয়নের রহস্যভেদ করতে এক্স রে প্রয়োগ করে দেখা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের সন্দেহ ছিল, তাহলে কি প্রাথমিক ভাবে দু’টো মাথা গজিয়ে উঠতে গিয়ে অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছিল? কিন্তু দেখা যায়, তা নয়। স্বাভাবিক জিনগত মিউটেশনের ফলেই তার এই অতিরিক্ত একটি নয়নপ্রাপ্তি। সবচেয়ে আশ্চর্যের তার তিনটি চোখই কর্মক্ষম ছিল!

‘নর্দার্ন টেরিটরি পার্কস অ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ’-এর ফেসবুক পেজে সাপটির তিনটি ছবি শেয়ার করা হয় ১ মে। এরই মধ্যে ১৮ হাজার শেয়ার হয়েছে পোস্টটি। লাইক পড়েছে ১২ হাজার। কমেন্ট ১০ হাজার। ‘ভাইরাল’ হয়ে গিয়েছে তিন চোখের সাপ। রূপকথার বইয়ের প্রচ্ছদে এমন সাপের ছবি দেখা যায়। কিন্তু বাস্তবের দুনিয়ায় এমন বিচিত্র সাপ দেখে সকলে বিস্মিত। প্রকৃতির খেয়াল যে কখনও রূপকথাকেও চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বসে, এই ছবি যেন তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।