তিরুমালা তিরুপতি মন্দিরে প্রতি বছর ভক্তরা উৎসর্গ করে ১ টন সোনা

তিরুমালা তিরুপতি মন্দিরে প্রতি বছর ভক্তরা উৎসর্গ করে ১ টন সোনা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

অনাহারে মৃত্যু হয় ভারতবাসীর | আবার এই দেশেই এক মন্দিরে জমা থাকে সাড়ে পাঁচ টন সোনা ! সম্প্রদায়-সংস্কৃতির পাশাপাশি আর্থিক ক্ষেত্রেও বৈষম্যও এতটাই তীব্র এই দেশে | অর্থনীতির হাল ধরতে বিভিন্ন ধনী ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সঞ্চিত সোনা বিনিয়োগের জন্য চেয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার | এখনও তাতে সেভাবে সাড়া পড়েনি | তবে শোনা যাচ্ছে‚ এই প্রকল্পে সাড়া দিতে রাজি হতে পারে তিরুমলা তিরুপতি দেবস্থানম | অন্ধ্র প্রদেশের এই মন্দির বিশ্বের ধনীতম হিন্দু তীর্থক্ষেত্র |

সোনা ব্যবহারের দিকে বিশ্বে চিনের পরেই দ্বিতীয় স্থানে ভারতের অবস্থান | বিপুল চাহিদার সোনা যোগান দিতে নাভিশ্বাস ওঠে সরকারের | বিদেশ থেকে সোনা আমদানি কমাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার | ধনী ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের কাছে আহ্বান করা হয়েছে সরকারি গোল্ড মানিটাইজেশন স্কিম-এ সোনার রাখার জন্য | এতে সুদ দেওয়া হবে ২.% অবধি | সেই সঞ্চিত সোনা গলিয়ে ধার দেওয়া হবে অলঙ্কার ব্যবসায়ীদের |

শোনা যাচ্ছে‚ সরকারি এই প্রকল্পে সোনা দিতে পারে তিরুপতি মন্দির | ভক্তদের তরফে এই মন্দিরে প্রতি বছর গড়ে এক টন করে সোনা উৎসর্গ করা হয় | ইতিমধ্যে বিভিন্ন ফান্ডে সোনা বিনিয়োগও করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ | সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ‚ মন্দির সূত্রে জানানো হয়েছে‚ কোন প্রকল্প লাভজনক‚ তা পর্যালোচনা করা হবে | তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে | এবং সেরকম হলে মন্দিরের সঞ্চিত সব সোনাই রাখা হতে পারে সরকারি প্রকল্পে |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।