এ বার বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রে ছাপাতে হবে পাত্র-পাত্রীর জন্মসাল

এ বার বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রে ছাপাতে হবে পাত্র-পাত্রীর জন্মসাল

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

গত বছরেই নতুন এই নিয়মের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই নিয়ম করা হল বাধ্যতামূলক। বাল্যবিবাহ ঠেকাতে বিয়ের কার্ডের সঙ্গে এবার দিতে হবে বয়সের প্রমাণপত্র৷ বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে যতই কড়া আইন থাক না কেন, বাল্যবিবাহে ভারত এখনও ষষ্ঠ স্থানে।

রাজস্থান সরকার এবার তাই নিয়েছে এক অভিনব পদক্ষেপ। বিয়ের কার্ডে এবার থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ছাপতে হবে বর ও বউয়ের জন্মতারিখ সহ জন্মসাল। দেশের উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় বাল্যবিবাহের সংখ্যা এখনও অনেক বেশি৷ সেখানেই এই নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে৷

নতুন এই নিয়মের কারণ হিসেবে রাজস্থান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিয়ে হলেই বিয়ের কার্ড থাকবে। সেক্ষেত্রে যদি কার্ডে পাত্র পাত্রীর বয়স উল্লেখ থাকে, তবে নথি থাকবে, কতজনের বাল্যবিবাহ হল৷ সেক্ষেত্রে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হবে৷ প্রয়োজনে বিয়ে আটকানোর প্রবল সুযোগ থাকবে প্রশাসনের কাছে৷

এছাড়াও প্রশাসনের তরফ থেকে অভিভাবকদের সচেতন হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে বন্ধ করা যায় বাল্যবিবাহ৷ এমনকি প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিয়ের কার্ড ছাপতে দেওয়ার আগে বয়সের সঠিক প্রমাণপত্র জমা না দিলে বিয়ের কার্ড ছাপাতে দেওয়া হবে না বলেও নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে৷ বাল্যবিবাহ একটি দণ্ডনীয় অপরাধ এই বিষয়েও বিশেষভাবে সচেতন করা হচ্ছে অভিভাবকদের।

প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজন বিশেষ দল গঠন করে এলাকায় এলাকায় এই বিষয়ে সাধারণ মানুষদের সচেতন করে তুলতে হবে। বিভিন্ন স্কুলের প্রিন্সিপাল ও এলাকার ল্যান্ড রেকর্ড ইন্সপেক্টরদের দায়িত্ব দেওয়া হবে এলাকার শিশুদের উপর নজর রাখার। এই পদ্ধতিতেই এই বাল্যবিবাহ কিছুটা হলেও কমানো যাবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।