উদ্দাম ফণীতাণ্ডবে পথভোলা‚ বিরল অতিথি বাংলায়

উদ্দাম ফণীতাণ্ডবে পথভোলা‚ বিরল অতিথি বাংলায়

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সব প্রাকৃতিক দুর্যোগই যেমন অনেক কিছু নেয়‚ আবার সামান্য হলেও ফিরিয়ে দেয় | ফণীও তার ব্যতিক্রম নয় | পড়শি রাজ্য ওড়িশা আজ বিধ্বস্ত ফণীর ধ্বংসলীলায় | আবার ওই ফণীই বাংলাকে দিয়েছে ছোট্ট অথচ দামি উপহার | সে এক সামুদ্রিক পাখির ছানা | উড়ে এসেছে ঝড়ে | লাল লেজের ট্রপিক বার্ড | ভারত মহাসাগরীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বাসিন্দা ওই পাখিকে হুগলির এক গ্রামে সম্প্রতি দেখা গিয়েছে | এই প্রথম এই প্রজাতির পাখি দেখা গেল বাংলায় | ভারতে এই নিয়ে এর দর্শন দ্বিতীয়বার পাওয়া গেল |

ডানকুনির কাছে জগদীশপুর বাইগাছি গ্রামে তাকে দেখতে পান জনৈক সান্ত্বনা আচার্য | তিনি পাখির ছানাটিকে তুলে দেন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হাতে | তারপর তার জায়গা হয় বখখালির কাছে জম্বু দ্বীপে |

জানা গিয়েছে‚ এটিকে যখন উদ্ধার করা হয় তখন কুকুরের দল ঘিরে ছিল | দীর্ঘ উড়ানে সক্ষম এই পাখি | তবে ঝড়ের মুখে পড়ে বোধহয় সব শক্তি হারিয়েছিল | তাই অশক্ত ডানা আর মেলতে পারছিল না | বিশারদরা জানাচ্ছেন‚ এই প্রথম ভারতীয় মূল ভূখণ্ডে গভীর মহাসাগরীয় পাখি দেখা গেল | এর আগে ১৯৪৭ সালে যখন প্রথম এই পাখি উড়ে এসেছিল ভারতীয় ভূমিতে‚ তা মূল ভূখণ্ডে ছিল না | তাকে দেখা গিয়েছিল নিকোবরের ২০০ কিমি দক্ষিণে | এবং তাও সমুদ্রের উপরে উড়ন্ত অবস্থায় | যেখানে সে উড়ছিল তা ছিল ভারতীয় জলসীমা | কিছুদূরেই আন্তর্জাতিক জলসীমা | সেদিক দিয়ে এবার একেবারে মূল ভূখণ্ডেই অতিথি এই পাখি | 

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন‚ এই পাখি মূলত ক্রান্তীয় অংশে দ্বীপে বাসা বানিয়ে বংশবিস্তার করে | ফণীর দাপটে পথ হারিয়েছিল সে | তার মতোই আর এক পথভোলা পাখি চলে এসেছিল নদিয়ার ফুলিয়ায় | ‘Frigatebird’ প্রজাতির সেই পাখিরও ছবি তোলা হয়েছে | এই প্রজাতিরও বাংলায় দ্বিতীয় আগমন | গত বছর একে দেখা গিয়েছিল মৌসুনি দ্বীপে |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।