কিয়ারার মাসি ছিলেন সলমনের প্রথম গার্লফ্রেন্ড,অভিনেত্রী সম্পর্কে রইল কিছু অজানা তথ্য…

কিয়ারার মাসি ছিলেন সলমনের প্রথম গার্লফ্রেন্ড,অভিনেত্রী সম্পর্কে রইল কিছু অজানা তথ্য…

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

‘কবীর সিং’- এর সাফল্যের পর অভিনেত্রী কিয়ারা আদবানি এখন একজন পরিচিত মুখ | অবশ্য এর আগে ‘লাস্ট স্টোরিজ’-এ হস্তমৈথুন দৃশ্যের জন্যেও খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন উনি | কিয়ারার জন্ম ১৯৯২ এর ৩১ জুলাই | আজকে রইল এই সুন্দরী অভিনেত্রীকে নিয়ে কিছু অজানা তথ্য |

কিয়ারার আসল নাম আলিয়া আদবানি | সুপারস্টার সলমন খানের কথায় বলিউডে পা দেওয়ার আগে উনি নিজের নাম পাল্টে ‘কিয়ারা’ করে নেন | সলমনের সঙ্গে কিয়ারার মায়ের বহুদিনের বন্ধুত্ব | এমনকি কিয়ারার মাসি ছিলেন সলমনের প্রথম গার্লফ্রেন্ড | এই কথা অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন | ওঁর কথায় ‘আমার মা বান্দ্রাতে থাকত | তাই ছোট থেকেই সলমন খানের সঙ্গে বন্ধুত্ব আছে | মাঝে মধ্যেই ওঁরা দু’জনে একসঙ্গে সাইক্লিং করতেন | মা-ই একদিন আমার মাসি শাহীনের সঙ্গে সলমন স্যরের আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন | বহু বছর আগে ওঁরা ডেট করত | আমার মনে হয় আমার মাসি সলমন স্যরের প্রথম গার্লফ্রেন্ড ছিলেন |’

কিয়ারার বাবা জগদীপ আদবানি ও মা জেনেভিভ জাফরির সিনেমার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ না থাকলেও ওঁদের পরিবারের অনেকেই বি-টাউনের সঙ্গে যুক্ত | যেমন ধরুন কিয়ারার মা জেনেভিভের সৎ মা ছিলেন অভিনেতা অশোক কুমারের মেয়ে ভারতী | মানে কিয়ারা অশোক কুমারের প্রপৌত্রী | অন্যদিকে জেনেভিভের জেঠু ছিলেন প্রয়াত অভিনেতা সঈদ জাফরি | 

কিয়ারা বলিউডে পা রাখেন ২০১৪ সালে ‘ফাগলি’ ছবি দিয়ে | এরপর ওঁকে দেখা যায় ‘এম এস ধোনি : দ্য আনটোল্ড স্টোরি’-তে | ধোনির স্ত্রী সাক্ষীর চরিত্রে অভিনয় করে সবার মন জয় করে নিয়েছিলেন কিয়ারা |

হিন্দি ছবির পাশাপাশি তেলেগু ছবি ‘ভারত আনে নেনু’-তেও অভিনয় করেছেন কিয়ারা | এছাড়াও ‘কলঙ্ক’ ছবিতে একটা ছোট চরিত্রে দেখা যায় ওঁকে | কিয়ারার হাতে রয়েছে ‘গুড নিউজ’‚ ‘শেরশাহ’ ও ‘লক্ষ্মী বম্ব’ |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ