অবিশ্বাস্য ! ন্যাপি পরে একাই সুইমিং পুল মাতাচ্ছে এক বছরের জলকন্যা

সুইমিং পুলে খুদের কীর্তি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ছোট্ট কাসিয়ার ব্যাক স্ট্রোক, স্পিন কিংবা ফ্রন্ট ক্রল দেখে কে বলবে সে একরত্তি শিশু ! তার দক্ষতা চমকে দেবে যে কোনও পেশাদার সাঁতারুকেও। এমন ভিডিও যে ভাইরাল হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু কাসিয়ার মা গ্রেস ফনেলির আসল উদ্দেশ্য অন্য। তিনি সকলের কাছে এই ভিডিওর মাধ্যমে এই বার্তাই দিতে চান যে, আপনার ছোট্ট শিশুটিকেও যত দ্রুত সম্ভব সাঁতার শিখিয়ে দিন, যাতে জলের থেকে সে নিজেকে রক্ষা করতে পারে।

ফ্লোরিডার বাসিন্দা গ্রেস ফনেলির দুই সন্তান। দু’জনকেই তিনি ন’মাস বয়স হতে না হতেই নিয়ে গিয়েছিলেন সাঁতার শেখাতে। জলে ডুবে শিশুমৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনা মোটেই বিরল নয়। বরং এমন ঘটনা বেশ নিয়মিতই নজরে আসে। গ্রেস কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। তাঁর বাচ্চারা যেন জলে কোনও বিপদে না পড়ে, তা নিশ্চিত একেবারে খুদে অবস্থাতেই তাদের জলের সঙ্গে বন্ধুত্ব করানোর বন্দোবস্ত করে ফেলেছেন তিনি। আর বাচ্চারাও চমকে দিয়েছে তাদের সাঁতারের দক্ষতা দেখিয়ে।

গ্রেসের দুই কন্যার একটি এখন তিন। অন্যটি এক। শিশুদের বয়স ছ’মাস হলেই তারা সাঁতার শিখতে পারে, একথা জানতেন গ্রেস। তাই নিজের মেয়েদের সাঁতার শেখাতে আর দেরি করেননি। এক বছরের কাসিয়ার কীর্তি দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি মেল’-এর ফেসবুক পেজে ভিডিওটি দেখেছেন এক কোটিরও ঢের বেশি মানুষ। বহু মানুষ শেয়ার করেছেন ভিডিওটি। আর নিজেদের মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন ভিডিওর তলায় কমেন্ট করে। ছোট্ট কাসিয়া এখন সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Illustration by Suvamoy Mitra for Editorial বিয়েবাড়ির ভোজ পংক্তিভোজ সম্পাদকীয়

একা কুম্ভ রক্ষা করে…

আগের কালে বিয়েবাড়ির ভাঁড়ার ঘরের এক জন জবরদস্ত ম্যানেজার থাকতেন। সাধারণত, মেসোমশাই, বয়সে অনেক বড় জামাইবাবু, সেজ কাকু, পাড়াতুতো দাদা