শহিদ হলেও দলিত তো ! নিহত সেনার অন্ত্যেষ্টি হয়নি গ্রামের শ্মশানে

শহিদ হলেও দলিত তো ! নিহত সেনার অন্ত্যেষ্টি হয়নি গ্রামের শ্মশানে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

২০১৬ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের পেম্পোরে জঙ্গি হামলায় নিহত সিআরপিএফ জওয়ানদের মধ্যে একজন ছিলেন বীর সিং।  শহিদ এই জওয়ান ছিলেন নট সম্প্রদায়ের। বীর সিং ছিলেন তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য । ১৯৮১ সালে সিআরপিএফ-তে যোগদান করেছিলেন তিনি।

দেশের স্বার্থে শহিদ হওয়া জওয়ান, দলিত সম্প্রদায়ের বলে অন্তিম সৎকারের জন্য সামান্য জায়গা দেয়নি স্থানীয় উচ্চবর্ণের মানুষরা। গ্রামের শ্মশানে তাঁর অন্ত্যেষ্টির জন্য আপত্তি উঠেছিল । শেষে ফিরোজাবাদ এর ডিএম এর হস্তক্ষেপে সরকারি জায়গায় বীর সিং-এর অন্তিম সৎকার করা হয়।

সমাজের জাতিভেদ প্রথা এতটাই মুখ্য ছিল যে শহিদকে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি অবধি জানাতে আসেননি কোনও গ্রামবাসী। পরবর্তী সময়ে শহিদ কনস্টেবল বীর সিং-এর মূর্তি গড়ে তোলার দাবিতেও আপত্তি জানানো হয় কিন্তু সরকারি হস্তক্ষেপে দীর্ঘকালের আলোচনার পর গ্রামবাসীরা রাজি হয়েছিলেন এবং গ্রামে শহিদ কনস্টেবল বীর সিং-এর মূর্তি গড়ে তোলা হয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Social isolation to prevent coronavirus

অসামাজিকতাই একমাত্র রক্ষাকবচ

আপনি বাঁচলে বাপের নাম— এখন আর নয়। এখন সবাই বাঁচলে নিজের বাঁচার একটা সম্ভবনা আছে। সুতরাং বাধ্য হয়ে সবার কথা ভাবতে হবে। কেবল নিজের হাত ধোওয়ার ব্যবস্থা পাকা করলেই হবে না। অন্যের জন্য হাত ধোওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। এক ডজন স্যানিটাইজ়ার কিনে ঘরে মজুত রাখলে বাঁচা যাবে না। অন্যের জন্য দোকানে স্যানিটাইজার ছাড়তে হবে। আবেগে ভেসে গিয়ে থালা বাজিয়ে মিছিল করলে হবে না। মনে রাখতে হবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জানলায় বা বারান্দায় দাঁড়িয়ে থালা বাজাতে। যে ভাবে অন্যান্য দেশ নিজের মতো করে স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্বুদ্ধ করছে। রাস্তায় বেরিয়ে নয়। ঘরে থেকে।