শহিদ হলেও দলিত তো ! নিহত সেনার অন্ত্যেষ্টি হয়নি গ্রামের শ্মশানে

২০১৬ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের পেম্পোরে জঙ্গি হামলায় নিহত সিআরপিএফ জওয়ানদের মধ্যে একজন ছিলেন বীর সিং।  শহিদ এই জওয়ান ছিলেন নট সম্প্রদায়ের। বীর সিং ছিলেন তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য । ১৯৮১ সালে সিআরপিএফ-তে যোগদান করেছিলেন তিনি।

দেশের স্বার্থে শহিদ হওয়া জওয়ান, দলিত সম্প্রদায়ের বলে অন্তিম সৎকারের জন্য সামান্য জায়গা দেয়নি স্থানীয় উচ্চবর্ণের মানুষরা। গ্রামের শ্মশানে তাঁর অন্ত্যেষ্টির জন্য আপত্তি উঠেছিল । শেষে ফিরোজাবাদ এর ডিএম এর হস্তক্ষেপে সরকারি জায়গায় বীর সিং-এর অন্তিম সৎকার করা হয়।

সমাজের জাতিভেদ প্রথা এতটাই মুখ্য ছিল যে শহিদকে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি অবধি জানাতে আসেননি কোনও গ্রামবাসী। পরবর্তী সময়ে শহিদ কনস্টেবল বীর সিং-এর মূর্তি গড়ে তোলার দাবিতেও আপত্তি জানানো হয় কিন্তু সরকারি হস্তক্ষেপে দীর্ঘকালের আলোচনার পর গ্রামবাসীরা রাজি হয়েছিলেন এবং গ্রামে শহিদ কনস্টেবল বীর সিং-এর মূর্তি গড়ে তোলা হয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।