বাচ্চাদের জন্য ব্রেকফাস্টে রাখুন এই ধরনের খাবার!

অনেক বাচ্চাই সকালে খাবার খেতে চায় না, যদিও বেশিরভাগই বাচ্চারাই খাবার খাওয়া নিয়ে অনেক বায়না করে তাই এই নিয়ে মা-বাবার চিন্তার শেষ নেই। কোন খাবার খেলে সে যেথেষ্ট পরিমাণ পুষ্টি পাবে এই নিয়েই ভাবেন অনেকে। সকালের খাবার সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সে কথা মাথায় রেখেই বাচ্চাদের দিতে হবে পুষ্টিকর ব্রেকফাস্ট।

সকালের খাবার সারাদিনের শারীরিক এবং মানসিক শক্তির যোগান দেয়। ব্রেকফাস্টে দানাদার এবং ফাইবারযুক্ত খাবারে শিশুর মনোযোগ শক্তি এবং স্মরণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় যা শিশুর সুস্থতার জন্য অতিমাত্রায় দরকারি।

সকালে চিনিযুক্ত খাবার কম খেয়ে ডিম খাওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে থাকা উপাদান মস্তিষ্ককে সচল রাখে। এছাড়াও আছে কলা ও বাদাম। তাই সকালের নাস্তায় এই উপাদানগুলোযুক্ত হলে দিনের প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টিগুণ দিনের শুরুতেই পাওয়া সম্ভব।

দুধ

শিশুর বৃদ্ধির জন্য দুধ অপরিহার্য একটি উপাদান। ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস দুধের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল যা দাঁত, হাড় এবং নখ মজবুত করতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন ডি, প্রোটিন, জিঙ্ক, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১২, নিয়াসিন এবং ভিটামিন বি৬। দুই বছর পর্যন্ত শিশুকে ফুল ক্রিম দুধ দিন। দুধ খেতে পছন্দ না করলে পুডিং, কাস্টার্ড ইত্যাদির মাধ্যমে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করুন।

ডিম

বাড়ন্ত শিশুর জন্য আরেকটি প্রয়োজনীয় উপাদান হল ডিম। ডিমে থাকা ভিটামিন বি শিশুর মস্তিষ্ক উন্নত করতে সাহায্য করে। ডিমে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ডি, ফোলেট, জিঙ্ক, আয়রন এবং সেলিয়াম শিশুর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

ওটস

ব্রেকফাস্টের জন্য ওটস-এর কোনও বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে যে সকল শিশুরা সকালের ব্রেকফাস্টে ওটস খেয়ে থাকে, তারা স্কুলে অধিক মনোযোগ দিতে পারে।

বিনস

শিশুর জন্য বিনস পুষ্টিকর একটি খাবার। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, আয়রন এবং ভিটামিন বি শিশুর ওজন ধরে রাখতে সাহায্য করে। অন্যান্য খাবারের সঙ্গে বাড়ন্ত শিশুর খাদ্য তালিকায় এই খাবারগুলো রাখুন। এগুলো খাবারগুলো শিশুর চাহিদা পূরণ করে শিশুকে সুস্থ রাখবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here