বৈদ্যনাথে ছিটকে এসে পড়েছিল সতীর হৃৎপিণ্ড

বৈদ্যনাথে ছিটকে এসে পড়েছিল সতীর হৃৎপিণ্ড

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

(দ্বিতীয় পর্বের পরে…)

২১. মিথিলা: সতীর বাঁ কাঁধ ছিটকে এসে পড়ে এখানে | দেবী এখানে মহাদেবী এবং শিব পূজিত হন মহোদর রূপে | বর্তমানে জনকপুর স্টেশনের কাছে এই তীর্থস্থান |

২২. চট্টগ্রাম : কথিত, সতীর ডান হাত পড়েছিল এখানে | দেবী এখানে ভবানী এবং শিব এখানে চন্দ্রশেখর | পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, কলি যুগে সীতাকুণ্ডের কাছে এখানে চন্দ্রশেখর পাহাড়ে নিয়মিত আসেন মহাদেব |

২৩.মানবক্ষেত্র : বলা হয়, সতীর ডান হাত বা হাতের তালু পড়েছিল এখানে | গুসকরা স্টেশনের কাছে কোগ্রামের এই পুণ্যভূমিতে সতীর পরিচয় দাক্ষ্যায়ণী | শিব পরিচিত সিদ্ধিদায়ক রূপে |

২৪. উজ্জয়িনী: মধ্যপ্রদেশের এই স্থানে পড়েছিল দেবীর কনুই | তিনি পূজিত হন মঙ্গলচণ্ডী এবং শিব পূজিত হন কপিলাম্বর রূপে |

২৫. পুষ্কর: দেবীর হাতের তালু থেকে কনুই অবধি অর্থাৎ মণিবন্ধ পড়েছিল এখানে | সতী এখানে পূজিত হন গায়ত্রী নামে | শিবের নাম সর্বানন্দ |

২৬. প্রয়াগ: ইলাহাবাদের ত্রিবেণী তীর্থে পড়েছিল সতীর হাতের দশ আঙুল | দেবীর নাম এখানে ললিতা এবং শিব হলেন ভবা |

২৭. বহুলা: বর্ধমানের কেতুগ্রামের কাছে বহুলায় দেবীর বাঁ হাত পড়েছিল বলে বিশ্বাস | দুর্গার নাম এখানে বহুলা | শিবের পরিচয় ভীরুক নামে |

২৮. জলন্ধর: পাঞ্জাবের এই অঞ্চলে পড়েছিল সতীর ডান স্তন | দেবী এখানে পূজিত হন ত্রিপুরমালিনী | শিবের রূপ ভীষণ |

২৯. রামগিরি: ছত্তিসগড়ে বিলাসপুর স্টেশনের কাছেই এই তীর্থক্ষেত্র | বলা হয়, দেবীর বাঁ স্তন পড়েছিল এখানে | সতীর পরিচয় এখানে শিবানী এবং শিবের পরিচয় চণ্ড হিসেবে |

৩০. বৈদ্যনাথ: জশিডির কাছেই বিখ্যাত এই শৈব তীর্থক্ষেত্র আবার সতীর ৫১ পীঠের অন্যতম | বিশ্বাস, এখানেই পড়েছিল সতীর হৃদয় | দেবীর নাম এখানে ‘জয়দুর্গা’ | শিব হলেন বৈদ্যনাথ |

(চলবে)

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।