জানেন কি শরীরের পক্ষে কোনটা উপযোগী? চা না কফি?

1026

সকালে ব্রেকফাস্টই হোক বা বিকেলের টিফিন অনেকে পছন্দ করে ঘন দুধের চা, অনেকে আবার পছন্দ করেন ফোম দেওয়া কফি। সারা বিশ্বের মানুষের কাছে এই দুই পানীয়েরই চাহিদা রয়েছে। তবে শরীরের জন্য কোনটা উপকারী চা না কফি, এটি একটি বিতর্কিত প্রশ্ন। চা বা কফি যাই পান করা হোক না কেন এই দুই’ই কিন্তু শরীরকে অনেকটা এনার্জি প্রদান করে।

তবে যেকোনও খাবারই অতিরিক্ত খেলে যেমন ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে, চা-কফিও ঠিক সেইরকমই। এতে ক্যাফেনের পরিমাণ বেশি থাকায় আপনি যেমন  ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজে এনার্জি পান, ঠিক তেমনই  শরীরে প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত পরিমাণ ক্যাফেইন গেলে গ্যাস, পেট খারাপ, অনিদ্রা, স্নায়বিক সমস্যা, উদ্বেগ ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে যে, দিনে ৪০০ গ্রামের বেশি ক্যাফেইন গ্রহণ করা শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। সোজা কথায় বলতে গেলে চা ও কফি দুই’য়েরই নিজস্ব কিছু ভাল ও খারাপ দিক রয়েছে।

ডায়েটেশিয়ানদের কথায়, ব্ল্যাক কফিতে ক্যাফেইনের পরিমাণ চায়ের প্রায় দ্বীগুণ। তাই যদি গ্যাসট্রিকের মতো সমস্যা থাকে তাহলে ব্ল্যাক কফি এড়িয়ে চলাই ভাল। আবার পাশাপাশি অতিরিক্ত চিনি, দুধ বা ক্রিম দিয়ে চা খাওয়ার থেকে গ্যাসট্রিকের সমস্যা যদি না থাকে তাহলে কফি খাওয়াই ভাল, বলে জানান নিউট্রিশনিস্টরা। শরীরে মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে ব্ল্যাক কফি, সেইসঙ্গে শরীরে মেদ জমতেও দেয় না। এছাড়া  টাইপ টু ডায়াবেটিস, ডিমনেশিয়া বা অ্যালজাইমারস-এর হাত থেকে মুক্তি দিতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে কফি।

পাশাপাশি চায়ের মধ্যে বিশেষত গ্রীন টি শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। গ্রীন টি-তে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বক ভাল রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে স্ট্রোকের ঝুঁকি কম করে, হাড়ের জোড় বাড়াতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে এও বলা হয় যে, নিয়মিত গ্রীন টি পান করলে আপনার ত্বক থাকবে তারুণ্যে ভরা। তবে একটা কথা বলতেই হয় যে, ব্রেকফাস্টে চা খাবেন না কফি, তা অনেকটাই নির্ভর করবে শরীরের উপর।

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.