হলুদ না কমলা, কোন ডিমের কুসুম বেশি পুষ্টিকর?

সারা বছর ধরে যে কোনও সময় তা সকালের জলখাবার হোক বা ডিনার যে কোনও সময়েই খাবারের টেবিলে এই একটা পদের অবাধ যাতায়াত রয়েছে। ছোট থেকে বড় সকলেই কমবেশি ডিম পছন্দ করে। ডিমে থাকা ভিটামিন বি শিশুর মস্তিষ্ক উন্নত করতে সাহায্য করে। ডিমে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ডি, ফোলেট, জিঙ্ক, আয়রন এবং সেলিয়াম শিশুর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তবে কখনও কি ভেবে দেখেছেন ঠিক কোন ধরনের ডিম বেশি স্বাস্থ্যকর, হালকা রঙের কুসুমের ডিম না কি গাঢ় কুসুমের ডিম! আবার কোন ডিম বেশি পুষ্টিকর সাদা না লালচে!

বিশ্বের নানা গবেষণায় ইতিমধ্যেই প্রমাণ হয়েছে, যে সাদা খোলা হোক বা লালচে, দুই ধরনের ডিমেরই পুষ্টিগুণ প্রায় এক। ৫০ গ্রাম ওজনের ডিমে ৭২ ক্যালোরি ও ৪.৭৫ গ্রাম ফ্যাট থাকে। তাই ডিমের খোলার রং যা-ই হোক না কেন, এই মাপে খুব একটা হেরফের হয় না।

ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার সম্প্রতি এই বিষয়ে একটি গবেষণা করেন। গবেষকদের মতে, কুসুমের রঙের এই তারতম্যের অন্যতম কারণ হল, মুরগির খাবার ও মুরগি কত ক্ষণ খোলা জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পায়, তার উপর নির্ভর করে। মার্কিন গবেষকরা জানিয়েছেন, ফার্মের মুরগির চেয়ে সাধারণ গৃহপালিত মুরগির ডিমে ভিটামিন ই, ভিটামিন এ আর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। কারণ কুসুমের রং গাড় হলুদ বা কমলা করতে অনেক খামারের মালিক মুরগিকে ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ খাবার যেমন লাল ক্যাপসিকাম খাওয়ান। এতে শুধু কুসুমের রং-এর ফারাক ঘটে কিন্তু কুসুমের খাদ্যগুণ বা পুষ্টিগুণে কোনও পরিবর্তন হয় না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here