আর গায়ের রঙ নয়, পুরুষাঙ্গ ফর্সা করাই এখন ট্রেন্ড

721

সম্প্রতি আর গায়ের রঙ ফর্সা করার দিকে নয়, থাইল্যান্ডের পুরুষরা ঝুঁকেছেন গোপনাঙ্গ ফর্সা করার দিকে। ভারতের মতো থাইল্যান্ডেও মহিলা এমনকী পুরুষদের মধ্যেও গায়ের রঙ ফর্সা করার একটা প্রবণতা চোখে পড়ত। কিন্তু ছেলেদের পুরুষাঙ্গ ফর্সা করার ঝোঁক এই প্রথম। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের একটি ক্লিনিকের পক্ষ থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়, যেখানে কীভাবে পুরুষাঙ্গ ফর্সা করা হয়ে থাকে সে বিষয়ে নানা তথ্য জানানো হয়েছিল ।

ভিডিওটি ভাইরাল হতেই, নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে মূলত লেজার ট্রিটমেন্টের মাধ্যমেই এই কাজ করা হয়ে থাকে। মানুষের ত্বকে যে মেলানিন থাকে, তা লেজার রশ্মি দ্বারা নষ্ট করে দেওয়া হয়, যার ফলে ত্বকের রঙ ফর্সা দেখায়। থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রক ইতিমধ্যেই জনগণের মধ্যে সতর্কবাণী প্রকাশ করেছেন যে, লেজার ট্রিটমেন্টের সাহায্যে পুরুষাঙ্গ ফর্সা করার ফল হতে পারে মারাত্মক। তাই এই পদ্ধতি অবলম্বন করা মারাত্মক বিপজ্জনক বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। তবে পুরুষদের মধ্যে কেন এই প্রবণতা বাড়ছে তা নিয়ে জাগছে প্রশ্ন। এই নিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে সমীক্ষাও চালানো হচ্ছে। লেজার ট্রিটমেন্টের সাহায্যে পুরুষাঙ্গ ফর্সা করেছেন এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, তিনি যখন সাঁতারে যান, তখন সাঁতারের পোশাক  পরে নিজেকে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী প্রমাণ করতেই তিনি এই ট্রিটমেন্ট করিয়েছেন। সেইসঙ্গে আরও অনেকে জানিয়েছেন যে, প্রেমিকা বা স্ত্রীর কাছে নিজের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতেই এই পথ বেছে নিয়েছেন অনেকেই।

অনেকেই এমন রয়েছেন যাঁরা লেজার পদ্ধতি ব্যবহার করে পুরুষাঙ্গ ফর্সা করিয়েছেন। তাঁদের কথায়, এই ট্রিটমেন্টে তাঁরা খুব ভাল ফল পেয়েছেন। যে ক্লিনিকটি লেজার পদ্ধতি প্রয়োগ করে গোপনাঙ্গের রঙ ফর্সা হচ্ছে বলে দাবি করছে তাঁদের এই পদ্ধতির নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান চিকিৎসকরা। পুরুষাঙ্গ ফর্সা করার এই ট্রেন্ডে গা ভাসাতে নিষেধ করছেন চিকিৎসকরা।

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.