বিরল প্রতিভার ক্ষণজন্মাদের জন্য কোনও পুরস্কারই যথেষ্ট নয় | তাঁদের আবদ্ধও করা যায় না কোনও ভূষণ-শংসাপত্রের নিগড়ে | তবুও প্রশ্ন জাগে কেন নোবেল পুরস্কার পাননি স্টিফেন হকিং ? যদিও পাওয়া না পাওয়ায় কিছুই এসে যায়নি পৃথিবীর সর্বকালের সেরা তাত্ত্বিক পদার্থবিদের মধ্যে অন্যতম এই বিজ্ঞানসাধকের |

Banglalive

তাঁর শ্রেষ্ঠ কাজ বা গবেষণা হল‚ কৃষ্ণ গহ্বরেরও শেষ আছে | তাদেরও মৃত্যু হয় | তারাও নশ্বর নয় | কিন্তু মরণশীল কৃষ্ণ গহ্বর তত্ত্বও তাঁর হাতে তুলে দিতে পারেনি নোবেল পুরস্কার | কেন ? কারণ‚ তাঁর আবিষ্কার যুগান্তকারী হলেও প্রমাণসাপেক্ষ নয় | অথচ হকিং-এর মত মেনে নেওয়া হয়েছে আধুনিক ও বর্তমান থিওরেটিক্যাল ফিজিক্সে | কিন্তু কেউ তো এই তত্ত্ব পরীক্ষা করতে পারেননি | ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকায় লিখেছেন টিমোথি ফেরিস | 

যাচাই করা সম্ভবও নয় | কৃষ্ণ গহ্বরের শেষ দিন দেখার জন্য কোন মানবসন্তান অপেক্ষা করে থাকবে ? কত কোটি বছর পরে কৃষ্ণ গহ্বরের মৃত্যু হবে ? কে যাচাই করে দেখবে ব্ল্যাক হোল নশ্বর নাকি অবিনশ্বর ? ফলে পরীক্ষায় প্রমাণ করার যখন উপায় নেই তখন নোবেল পুরস্কার কমিটির নিয়ম অনুযায়ী পুরস্কারও অধরাই থেকে গেল বিজ্ঞান তপস্বী স্টিফেন হকিং-এর |

আরও পড়ুন:  বাবার ওপর অভিমানে পালিয়ে যাওয়া ছেলে ঘরে ফিরে এলো ১০ বছর পরে

NO COMMENTS