টেনশন হলে আমাদের হাত ঘেমে যায় কেন?

হাত ঘামার সমস্যাটা অনেকেরই দেখা যায়। মানসিক চাপে থাকলে বা দুশ্চিন্তার মুহূর্তে হাত ঘামতে শুরু করে। বড় কোনো পরীক্ষা দিতে গিয়ে, বা অফিসে মিটিং এর আগে হাত ঘামাটা খুবই বিব্রতকর। বেশি স্ট্রেসে থাকলেও ঘাম হতে পারে। কিন্তু হাতের তালুতে ঘাম হয় কেন?

টেনশনে থাকলে বা দুশ্চিন্তা হলে হাত ঘামাতে থাকে। একে ‘স্ট্রেস সোয়েট’ বলা হয়। ঘামের ফলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে৷ শরীর যখন মাত্রাতিরিক্ত গরম হয়ে যায় যেমন, জগিং করার সময় বা কোনও কাজ করার সময়৷ সে সময় শরীরের অতিরিক্ত তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য শরীর থেকে ঘাম উৎপন্ন হয়৷ এর ফলে শরীরের স্ট্রেস নিয়ন্ত্রিত হয়৷ এমনটাই জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ টেনেসি স্কুল অফ মেডিসিনের ক্লিনিকাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডারিয়া লঙ জিলেস্পি৷

তবে কিছু উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। টেনশনে বা দুশ্চিন্তা হলে লম্বা নিঃশ্বাস নিতে থাকুন। নিঃশ্বাস নিয়ে কয়েক সেকেন্ড ধরে রেখে আবার ছেড়ে দিন। এইভাবে হাত ঘামানোর সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া যায়।

অথবা, যদি লক্ষ্য করেন কোনও কারণে হাত ঘামতে শুরু করেছে, তাহলে হাতে অল্প করে অ্যান্টিপার্স্পিরেন্ট ডিওড্রেন্ট মেখে নিতে পারেন। এছাড়া স্টার্চ বা পাউডারও ব্যবহার করতে পারেন তাহলে ঘাম কম হবে।

স্ট্রেসের কারণে হাত ঘেমে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু তা যদি প্রতিনিয়ত আপনার জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। পালমার হাইপারহাইড্রোসিস সমস্যা থাকলেও অকারণেই অতিরিক্ত ঘাম হয়। তাই প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

afgan snow

সুরভিত স্নো-হোয়াইট

সব কালের জন্য তো সব জিনিস নয়। সাদা-কালোয় উত্তম-সুচিত্রা বা রাজ কপূর-নার্গিসকে দেখলে যেমন হৃদয় চলকে ওঠে, এ কালে রণবীর-দীপিকাকে দেখলেও ঠিক যেমন তেমনটা হয় না। তাই স্নো বরং তোলা থাক সে কালের আধো-স্বপ্ন, আধো-বাস্তব বেণী দোলানো সাদা-কালো সুচিত্রা সেনেদের জন্য।স্নো-মাখা প্রেমিকার গাল নিশ্চয়ই অনের বেশি স্নিগ্ধ ছিল, এ কালের বিবি-সিসি ক্রিম মাখা প্রেমিকাদের গালের চেয়ে।