ফ্যারাও তুতানখামুনের কোমরে ঝুলতে থাকা সোনা-স্ফটিকে সাজানো ৩৩০০ বছরের প্রাচীন ছোরা আসলে মহাকাশের উল্কাখণ্ড !

ফ্যারাও তুতানখামুনের কোমরে ঝুলতে থাকা সোনা-স্ফটিকে সাজানো ৩৩০০ বছরের প্রাচীন ছোরা আসলে মহাকাশের উল্কাখণ্ড !

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

অপূর্ব কারুকাজ করা সোনা আর স্ফটিকের হাতল | তার আশ্রয়েই শোভা পাচ্ছিল সে | তিন হাজার বছর ধরে চলে আসা এক অপার রহস্যের অংশ হয়ে | সেটি হল একটি ছোরা | একসময়ে যা নাকি দুলত প্রাচীন মিশরীয় ফ্যারাও তুতানখামুনের কোমরে | কিশোর বয়সেই প্রাণ হারান এই সম্রাট | সমাধান হয়নি তাঁর মৃত্যুরহস্য |  বছর তিনেক আগে জানা গিয়েছে তাঁর ছোরা আসলে আর কিছু নয় | বরং একটি উল্কার অংশ | যা খসে পড়েছিল আকাশ থেকে প্রাচীন মিশরের প্রান্তরে |

১৯২২ সালে মিশরবিদ হাওয়ার্ড কার্টারের অভিযানে আবিষ্কৃত হওয়া তুতানখামুনের সমাধি এখনও অপার বিস্ময় বিশেষজ্ঞদের কাছে | ১৯২৫ সালে তুতের মামি থেকে পাওয়া যায় ছোরাটি | তার ধারালো অংশটি আদপে লোহা নিকেল আর কোবাল্টের সংমিশ্রণ | আধুনিক প্রযুক্তিতে করা এক্স-রের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞরা এবার নিশ্চিত ওটা আসলে উল্কাপাতের অংশ | সম্ভবত এই উল্কা কয়েক হাজার বছর আগে পড়েছিল উত্তর মিশরের মারসা মাহরুহতে | আলেকজান্দ্রিয়া থেকে ১৪০ মাইল দূরে ভূমধ্যসাগরের উপকূলীয় শহর ছিল এই মাহরুহ |

মিশরীয় লিপি বিশেষজ্ঞদের দাবি‚ প্রাচীন হিয়েরোগ্লিফিকে বারবার বলা হয়েছে এমন লোহার কথা যা আকাশ থেকে পড়েছে | এতদিনে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত এই সেই লৌহ‚ যা আদপে আকাশ থেকে পড়া উল্কাখণ্ড | প্রাচীন মিশরে লোহা ছিল দুর্লভ | নীলনদের সভ্যতায় লোহার কাজ বিশেষ দেখা যায় না | তাই‚ আকাশ থেকে খসে পড়া লোহা বা উল্কা আসলে তাঁদের কাছে ছিল দেবতাদের দান | এর জায়গা সর্বশক্তিমান ফ্যারাওয়ের কোমর ছাড়া আর কোথায় হতে পারে !

ভাবা যায় ! মহাকাশের মহাজাগতিক বস্তুকে কিনা রূপান্তর করা হল মানুষের প্রাণহরণের কাজে | এই না হলে ক্ষুরধার মিশরীয় সভ্যতা ! এর রহস্য বোধহয় অধরা থেকে যাবে আরও কয়েক শতাব্দ ধরে |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।