বিজ্ঞানীকে খুবলে খেল তাঁর দৈত্যাকার পোষ্য কুমির

1049

পোষ্য কুমিরদের দেখতে গিয়েই বিপদ ঘটালেন  বিজ্ঞানী।  ১৪ ফুট লম্বা পোষ্য কুমিরের কামড়ে মারা যান ডেসি তুউও। তিনি ছিলেন উত্তর সুলভেসির মিনাহাসার ফার্মের পরীক্ষাগারের প্রধান। ৪৪ বছরের ডেসি টুয়ো কুমিরদের উপর গবেষণা চালাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরেই।

ডেসি-র সতীর্থ হেনড্রিক জানিয়েছেন, বুধবার রাতেও প্রতিদিনের অভ্যেস মত ডেসি কুমিরদের ছেড়ে রাখা জায়গায় যান। সম্প্রতি মেরি নামক কুমিরটির উপর অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। আর বাকি সব কুমিরদের মধ্যে মরি-ই ছিল ডেসি-র সবথেকে পছন্দের পোষ্য। তাকে দিবারাত্র পর্যবেক্ষণে রাখছিলেন ডেসি। এমনকি মেরি-কে নিজের হাতে খাইয়েও দিতেন।

হেনড্রিক জানান, “এত নির্মম মৃত্যু হবে ভাবতে পারিনি। ডেসির দেহ যখন উদ্ধার হয় তার দু’টো হাত ছিল না, পেটের বেশ কিছুটা অংশ খুবলে খাওয়া। মুখও বিকৃত ছিল। তাকে চেনাই যাচ্ছিল না।” কুমিরটিকে আপাতত তার এনক্লোজারেই রাখা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সেটিকে অন্য কোনও সংরক্ষণ কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হেনড্রিক।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সংরক্ষণ সংস্থার সদস্য হেড্রিক রান্ডেঙ্গান জানান, ডেসি-র দেহের অংশ তাঁর সহকর্মীরা পর দিন সকালে দেখতে পান।  পোষ্য কুমিরদের দেখতে গিয়েই এই বিপদ ঘটেছে। ভুলবশত কুমিরদের ঘেরাটোপে পড়তেই মহিলার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তার মেরি (১৪ ফুট লম্বা কুমির)। বৃহস্পতিবার সকালে দেহ উদ্ধার করে তাঁর সতীর্থরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.