(Eli Cohen)
ইজরায়েলে পা দিয়ে এলি কোহেনের জীবনটাই বদলে গেল। মোসাদের ছোঁয়ায় কোহেন হলকামেল আমিন থাবেত। থাবেত হয়ে ওঠার সেই কাহিনি নিয়েই এলি কোহেন নবম পর্ব।
তেল আভিভের একটা ছোট্ট কাফে। রোস্টেড কফির গন্ধে চারিদিক ভরপুর। সব টেবিলেই চলছে হাসাহাসি, মৃদুস্বরে কথাবার্তা। কফি আর আড্ডার মৌতাঁতে কাফে রয়েছে কাফের মেজাজে। (Eli Cohen)
এই কাফেরই এক কোণে, এক টেবিলের সামনে চেয়ার পেতে বসে এলি কোহেন। সামনের টেবিলে এক গ্লাস জল আর ছড়ানো ছিটানো এক রাশ কাগজপত্র, ফটোগ্রাফ, আঁকা ছবি। কামেল আমিন থাবেত নামে এক কাল্পনিক সিরীয় ব্যবসায়ীর ঠিকুজি-কুষ্ঠী এগুলো। একটা করে নথি তুলছেন আর তার সবটা আত্মস্থ করছেন এলি। উল্টোদিকে বসে মাঝবয়সী এক লোক, নাম ডেভিড লেভি (যে আদতে ইজরায়েলি গুপ্তচরবাহিনী মোসাদের এজেন্ট)। (Eli Cohen)
আরও পড়ুন: ইতিহাসের পাতায় মিশরীয় জাতীয়তাবাদ
সে মৃদুস্বরে বলে চলেছে, ‘শোনো, তোমাকে কামেলের সঙ্গে একাত্ম হতে হবে। লোকে যেন তোমাকে কামেলই ভাবে। হাবভাবে, প্রতিটি ব্যবহারে তুমি হবে কামেল। এই আত্মবিশ্বাসই হবে পাথেয়।’ এলি নীরবে মাথা নাড়লেন। মনে মনে তিনি ইতিমধ্যেই দামাস্কাসের রাস্তায় সিরীয় বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলছেন। (Eli Cohen)
কামেল আমিন থাবেত হয়ে উঠতে এলি শুধু দিস্তা-দিস্তা নথি নিয়ে পড়ে রইলেন না, আরবি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শুরু হল। আরবি সংস্কৃতির ভিতরে গেলেন। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, নাটক পাঠ শুরু হল। সিরিয়াতে আরবি বাচনভঙ্গি কীরকম, তা হাতে কলমে অভ্যাস করা শুরু করলেন। এর জন্য বেছে বেছে সিরীয় আরবি বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া শুরু হল। একদিকে যেমন সিরীয় আরবিতে কথা বলা নিখুঁত করার চেষ্টা শুরু হল, তেমনি সিরীয় আরবির নিজস্ব রসিকতাও আত্মস্থ করার অভ্যাসও। মোসের কথাগুলো এলির কানে সবসময় বাজত, ‘মনে রেখো, ভাল গুপ্তচর সেই হয়, যে ভাল শ্রোতা। সে যত শোনে, বলে তার চেয়ে কম। যে কোনও আড্ডায় কথাবার্তার অভিমুখ ঘোরাতে হয়। লোকের পেটের কথা বার করতে হয়।’ অর্থাৎ পাক্কা সিরীয় হওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগলেন এলি কোহেন। (Eli Cohen)

এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে, মোসাদ হঠাৎ এলি কোহেনকে শিখিয়ে পড়িয়ে এই সিরীয় হওয়ার প্রচেষ্টায় লেগে পড়ল কেন? সিরিয়ায় এত আগ্রহ কেন মোসাদের? আর এর জন্য এলি কোহেনকেই বা কেন বেছে নেওয়া হল? এইসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে প্রেক্ষাপটটা জানা দরকার। (Eli Cohen)
কেন দামাস্কাসের হাঁড়ির খবর জানতে চায় তেল আভিভ
১৯৪৮-এ স্বাধীনতার পর থেকে ইজরায়েল তার চারপাশে যে সব বৈরি পড়শি পেয়েছিল, তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হল দক্ষিণের মিশর ও উত্তরের সিরিয়া। আগেই বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইহুদিদের প্যালেস্তাইনে এসে বসতি গড়ে তোলার ব্যাপারটা আরবরা কোনও দিনও সুনজরে দেখেনি। বস্তুত ১৯১৭ সালের ব্যালফুর ঘোষণায় যখন স্পষ্ট হতে লাগল যে তাদের ‘প্রমিজড ল্যান্ডে’ ইহুদিরা বহুআকাঙ্খিত ইজরায়েল পেতে চলেছে, তখন থেকে এই বিরূপতা প্রকাশ্য বৈরিতায় রূপান্তরিত হল। (Eli Cohen)
১৯৪৭ সালের ২৯শে নভেম্বর রাষ্ট্রসঙ্ঘ প্যালেস্তাইন বিভাজন করে ইজরায়েল গঠনের পক্ষে সায় দেয়। ওই অঞ্চলের আরব দেশগুলো কিছুতেই এই প্রস্তাব মানতে রাজি হল না।
১৯৪৭ সালের ২৯শে নভেম্বর রাষ্ট্রসঙ্ঘ প্যালেস্তাইন বিভাজন করে ইজরায়েল গঠনের পক্ষে সায় দেয়। ওই অঞ্চলের আরব দেশগুলো কিছুতেই এই প্রস্তাব মানতে রাজি হল না। তাই ১৯৪৮ সালের ১৪ মে প্যালেস্তাইনে ব্রিটিশ প্রোটেক্টোরেটের অবসানে ইজরায়েল স্বাধীনতা লাভের পরদিনই মিশর, সিরিয়া, ইরাক আর ইয়েমেন নবজাতক ইহুদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপায়। ‘নকভা’ (যার অর্থ সর্বনাশ) নামে খ্যাত একবছর ধরে চলা এই যুদ্ধের শেষে দেখা যায়, এই সমর সত্যিই সিরিয়ার জন্য সর্বনাশ ডেকে আনল। (Eli Cohen)
আরও পড়ুন: পশ্চিম এশিয়ার ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে এলি কোহেন- বিদ্রোহ, ধ্বংস ও আগামীর স্বপ্ন
এই যুদ্ধে সিরিয়ার উদ্দেশ্য ছিল গ্যালিলি সমুদ্র অঞ্চল (আদতে ২১ কিমি দৈর্ঘ্য ও ১৩ কিমি প্রস্থের মিষ্টি জলের হ্রদ, যার জল মূলত আসে জর্ডন নদী থেকে। এই জর্ডন নদীর পশ্চিম পাড় ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক নামে খ্যাত) দখল করে উত্তর ইজরায়েলকে বাকি ইহুদি রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। প্রথম দিকে সফল হলেও পরে ইজরায়েলি সেনার আক্রমণের মুখে পিছু হঠে সিরিয়ায় ফিরে আসতে বাধ্য হয় দামাস্কাস বাহিনী। যুদ্ধ শেষে যখন মিশর গাজা দখল করল, ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক পেল জর্ডন, সিরিয়ার প্রাপ্তি তখন শূন্যের কোঠায়। (Eli Cohen)
বস্তুত ডেগানিয়ার যুদ্ধে স্থানীয় প্রতিরোধকারীদের হাতে সিরীয় সেনাবাহিনী যেভাবে পর্যুদস্ত হয়, তাতে দামাস্কাসের সামরিক কার্যকারিতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন ওঠে।
বস্তুত ডেগানিয়ার যুদ্ধে স্থানীয় প্রতিরোধকারীদের হাতে সিরীয় সেনাবাহিনী যেভাবে পর্যুদস্ত হয়, তাতে দামাস্কাসের সামরিক কার্যকারিতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন ওঠে। ১৯০৯ সালে গড়ে ওঠা প্রথম ইহুদি বসতি (এই সব বসতি কিবুজ নামে পরিচিত) ডেগানিয়াতে ১৯৪৮ সালের ২০শে মে ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ ট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া বাহিনী নিয়ে সিরীয় সেনা হামলা চালায়। জনা সত্তর কিবুজবাসী প্রতিরোধ করে। সালোম হচবাম নামে এক স্থানীয় কিবুজবাসী মলোটভ ককটেল দিয়ে সিরীয় ট্যাঙ্ক ধ্বংস করে দিলে, যুদ্ধের মোড় ঘুরে যায়। দিনের শেষে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করে ডেগানিয়া কিবুজ থেকে সিরীয় বাহিনী সরে আসতে বাধ্য হয়। বস্তুত ডেগানিয়া পরাজয়ই সমগ্র কিরানট উপত্যকাতে ইজরায়েলি বিজয়কে তরান্বিত করে। ফলে গোলান হাইটস পেরিয়ে এসে উত্তর ইজরায়েল দখল করার সিরীয় পরিকল্পনা কার্যত জলে যায়। (Eli Cohen)
আরও পড়ুন: গণহত্যার অন্ধকার সুড়ঙ্গের শেষে আশার আলো
১৯৪৮ এর রণাঙ্গনে কয়েকশো সেনা নিহত হওয়া ছাড়াও প্রভূত সমরাস্ত্র ধ্বংস হয় সিরিয়ার। এর সরাসরি প্রভাব এসে পড়ে পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটার রাজনীতিতে। দেশে রীতিমত রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়। ১৯৪৩ সাল থেকে দামাস্কাসে ক্ষমতাসীন শুকরি অল-কোয়াতলির সরকার ১৯৪৯ সালের ২৬ জুন এক সেনা অভুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়। অগস্ট মাসে আবার এক পাল্টা সেনা অভ্যুত্থানে এই সেনা সরকার গদিচ্যুত হয়। ওই বছরের ১৯শে ডিসেম্বর কর্নেল আদিব শিশাখলির নেতৃত্বে তৃতীয় সেনা অভ্যুত্থান হয়। ১৯৫৪ সাল অবধি শিশাখলির শাসনকালে মোটামুটি স্থিতাবস্থা থাকলেও পরবর্তীকালে ফের রাজনৈতিক অসন্তোষ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ১৯৫৮ সালে মিশরের গামেল নাসেরের নেতৃত্বে দু’দেশের মধ্যে বছর তিনেকের জন্য কনফেডারেশনও গঠন করা হয়। (Eli Cohen)
অর্থাৎ শুধু সামরিক দিক থেকে নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও ৫০-এর দশকে সিরিয়া বেশ বেসামাল অবস্থায় ছিল। ঠিক এই কারণেই তেল আভিভ আগ্রহী হয়ে ওঠে সিরীয় প্রশাসন ও অন্দরমহলের খবর জানার জন্য। টালমাটাল পরিস্থিতিতে ক্ষমতার রাশ ঠিক কার হাতে রয়েছে, সেটা নির্ধারণের জন্যও। বিশেষত তেল আভিভের অন্য দুই বৈরি পড়শি, জর্ডন আর মিশরের মধ্যে তখন তুমুল টানাপোড়েন চলছে, সিরীয় ক্ষমতার অলিন্দে কায়রো না আম্মান, কার বেশি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে দামাস্কাসের উপর, তা বোঝাতে। (Eli Cohen)

এর উপর যোগ হয় দক্ষিণ সিরিয়ার গোলান হাইটস মালভূমি অঞ্চল। ১৮০০ বর্গকিলোমিটারের এই মালভূমি দিয়ে বয়ে চলা জর্ডন নদী আর গ্যালিলি সমুদ্র আদতে এই অঞ্চলের কৃষির মূল জলের উৎস। তাছাড়া লেবানন, সিরিয়া আর ইজরায়েল, এই তিন দেশের সীমানায় গোলান মালভূমি থাকায় সামরিক দিক থেকেও যে এটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বুঝতে ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী আর মোসাদের অসুবিধা হয়নি। বিশেষত এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ২৮১৪ মিটার উঁচু মাউন্ট হারমন দখল করতে পারলে যে দক্ষিণ সিরিয়ার উপর নজর রাখা যায়, তা বুঝতেও তেল আভিভের দেরি হয়নি। বস্তুত গোটা গোলান মালভূমির উপরই ইজরায়েলের নজর ছিল, কারণ এই মালভূমিকে যদি সিরিয়া-ইজরায়েলের মধ্যে বাফার জোন করা যায়, তাহলে সামরিক দিক থেকে সেটা তেল আভিভের রক্ষাকবচ হয়ে উঠবে। (Eli Cohen)
(বস্তুত এলি কোহেনের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে ১৯৬৭ সালের জুন মাসে ৬ দিনের ইজরায়েল-আরব যুদ্ধে মাউন্ট হারমনের কিছুটা অঞ্চল কব্জায় আনতে সক্ষম হয় তেল আভিভ। সেই শুরু। পরের পর যুদ্ধে গোলান মালভূমিকে করায়ত্ত করার দিকে এগোয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর বসির অল আসাদ জমানার পতনের পরে ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী ঝটিতি অভিযান চালিয়ে গোলান মালভূমির মধ্যে ইজরায়েল-সিরিয়া চুক্তি অনুযায়ী রাষ্ট্রপুঞ্জের নির্ধারিত ‘ডিমিলিটারাইজড জোন’ দখল করে নেয়। ফলে গোলান মালভূমির পুরোটাই বর্তমানে তেল আভিভের নিয়ন্ত্রণে। বস্তুত দক্ষিণ সিরিয়ায় দ্রুজ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত কিছু অঞ্চলও এখন তেল আভিভের শাসনাধীন।) (Eli Cohen)

ঐতিহাসিকরা বলেন, এসব বাদ দিয়েও আরও একটা বিষয়ের কারণে সিরিয়ার হাল-হকিকৎ জানতে উদগ্রীব ছিল তেল আভিভ। সুয়েজ খালের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে ১৯৫৪ সালে মোসাদ মিশরে যে কাণ্ড ঘটায়, তা অপারেশন সুসানাহ নামে পরিচিত হলেও, জনসমক্ষে তা ইজরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিন্হাস লাভনের নামানুসারে লাভন কাণ্ড নামেও বহুলচর্চিত। বিভিন্ন সূত্র মারফৎ জানা যায়, ১৯৫৪ সালে যখন সুয়েজ খালের নিয়ন্ত্রণ ব্রিটিশদের হাত থেকে গামেল নাসেরের শাসনাধীন মিশরের হাতে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, তখন তাতে ব্যাগড়া দেওয়ার জন্য মোসাদ নেমে পড়ে। (Eli Cohen)
এই অপারেশনের উদ্দেশ্য ছিল মিশরে অস্থিরতা সৃষ্টি করে মুসলিম ব্রাদারহুডের মতো মৌলবাদী সংগঠনকে দায়ী করা, যাতে ব্রিটেন সুয়েজের নিয়ন্ত্রণ না ছাড়ে। লাভনের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেয়ে কায়রোর কয়েকটি মার্কিন ব্রিটিশ কেন্দ্রে বিস্ফোরণের জন্য কয়েকজন মিশরীয় এজেন্ট ভাড়া করা হয়। কিন্তু শেষ মুহূর্তের ভুলে চার জন মিশরীয় মারা যায়। বাকিরা ধরা পড়ে। যারা ধরা পড়ে তাদের মধ্যে দু’জন আত্মহত্যা করে, দু’জনের প্রাণদণ্ড হয়। বাকি ধৃতদের কারাদণ্ড হয়। (Eli Cohen)

এই কাণ্ডের জেরে লাভন পদত্যাগ করলেও, তেল আভিভ সরকারিভাবে এই ঘটনার সঙ্গে কোনওরকম সংযোগ থাকার কথা অস্বীকার করে। তাতে অবশ্য ইজরায়েলি রাজনীতির টালমাটাল দশা কিছু কমেনি। ১৯৫৫-এর শেষদিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোশে শ্যারেটও ইস্তফা দেন। ওয়াশিংটন আর লন্ডনের সঙ্গেও তেল আভিভের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। ফলে মোসাদেরও মুখরক্ষার জন্য কোনও বড় অপারেশনের দরকার। এলি কোহেনকে পেয়ে সিরিয়াতে সেই অপারেশনের কথা ভাবা হয়। (Eli Cohen)
মূলত চারটি কারণে এলি কোহেনকে এই সিরীয় অপারেশনের জন্য বাছা হয়। প্রথমত, এলির পরিবার এসেছে সিরিয়া থেকেই। ফলে ছোটবেলা থেকেই সিরীয় আদব কায়দার সঙ্গে এলি পরিচিত। দ্বিতীয়ত, এলি জন্মেছে আলেকজান্দ্রিয়াতে। ফলে দামাস্কাসে আগে থেকে কেউ চেনে না। এলি যখন কামেল আমিন থাবেত পরিচয়ে দামাস্কাসে পা রাখবে, তখন পূর্ব পরিচিতি না থাকায় সে নব অবতারে সিরীয় উচ্চমহলে মিশে যেতে পারবে। তৃতীয়ত, এলি বহু ভাষাবিদ হওয়ায় গুপ্তচরের কাজ সহজ হবে। চতুর্থত, এলির অসাধারণ স্মরণশক্তি গুপ্তচরবৃত্তিতে অনেক কাজে লাগতে পারে।
তাই এলি কোহেনের এবার বিদায় নেওয়ার সময় হল। তাঁর জায়গায় অন্তরাল থেকে বেরিয়ে এল কামেল আমিন থাবেত।
এবার শুরু কামেল আমিন থাবেতের পথ চলা। (Eli Cohen)
তথ্যসূত্র
(১) ড্যানিয়েল গর্ডিস- ইজরায়েল-আ কনসাইজ হিস্টরি অফ আ নেশন রিবর্ন
(২) জ্যাক্সন হ্যালে- এলি কোহেন-দ্য স্পাই হু নিয়ারলি বিকেম আ সিরিয়ান মিনিস্টার-
(৩) এলি কোহেন- আ লাইফ অফ এসপিওনাজ অ্যান্ড স্যাক্রিফাইস
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মূলত শিল্প বাণিজ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সাংবাদিকতায় ব্যপ্ত বিগত তিন দশক। তবে সুযোগ পেলে ক্যামেরা নিয়ে বেড়িয়ে পড়া বা অন্য ধরনের লেখাতে প্রাণের আরাম খোঁজার চেষ্টাও চলে
