Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
444 posts
বাংলালাইভ একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় ওয়েবপত্রিকা। তবে পত্রিকা প্রকাশনা ছাড়াও আরও নানাবিধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে থাকে বাংলালাইভ। বহু অনুষ্ঠানে ওয়েব পার্টনার হিসেবে কাজ করে। সেই ভিডিও পাঠক-দর্শকরা দেখতে পান বাংলালাইভের পোর্টালে,ফেসবুক পাতায় বা বাংলালাইভ ইউটিউব চ্যানেলে।
View Posts →
79 posts
আড্ডা আর একা থাকা,দুটোই খুব ভাল লাগে। লিখতে লিখতে শেখা আর ভাবতে ভাবতেই খেই হারানো।ভালোবাসি পদ্য গান আর পিছুটান। ও হ্যাঁ আর মনের মতো সাজ,অবশ্যই খোঁপায় একটা সতেজ ফুল।
View Posts →
72 posts
লিখতে শিখেই লুক থ্রু! লিখতে লিখতেই বড় হওয়া। লিখতে লিখতেই বুড়ো। গান ভালবেসে গান আর ত্বকের যত্ন মোটে নিতে পারেন না। আলুভাতে আর ডেভিলড ক্র্যাব বাঁচার রসদ। বাংলা বই, বাংলা গান আর মিঠাপাত্তি পান ছাড়া জীবন আলুনিসম বোধ হয়। ঝর্ণাকলম, ফ্রিজ ম্যাগনেট আর বেডস্যুইচ – এ তিনের লোভ ভয়ঙ্কর!!
View Posts →
68 posts
রসায়নের ছাত্রী ইন্দিরা আদ্যোপান্ত হোমমেকার। তবে গত এক দশকেরও বেশি সময় যাবৎ সাহিত্যচর্চা করছেন নিয়মিত। প্রথম গল্প দেশ পত্রিকায় এবং প্রথম উপন্যাস সানন্দায় প্রকাশিত হয়। বেশ কিছু বইও প্রকাশিত হয়েছে ইতিমধ্যেই। সব নামীদামি পত্রিকা এবং ই-ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখেন ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনি, রম্যরচনা ও প্রবন্ধ।
View Posts →
58 posts
অরিজিৎ মৈত্র পেশায় সাংবাদিক। তপন সিংহ ফাউন্ডেশনের সম্পাদক অরিজিৎ পুরনো কলকাতা নিয়ে চর্চা করতে ভালবাসেন। নিয়মিত লেখালিখি করেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। প্রকাশিত বই: অনুভবে তপন সিনহা, ছায়ালোকের নীরব পথিক বিমল রায়, চিরপথের সঙ্গী - সত্য সাই বাবা, বন্দনা, কাছে রবে ইত্যাদি।
View Posts →
54 posts
জন্ম ১৯৬৫-তে কলকাতায়। বেড়ে ওঠা চন্দননগরে। স্কুল জীবন সেখানেই। কলকাতার সিটি কলেজ থেকে স্নাতক। ছোটো থেকেই খেলাধূলার প্রতি আগ্রহ। গান শেখাও খুব ছোটো থেকেই। তালিম নিয়েছেন রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের কাছেও। দীর্ঘদিন মার্কেটিং পেশায় যুক্ত থাকার পর, গত বারো বছর ধরে পুরোপুরি লেখালেখি, সম্পাদনার কাজে যুক্ত। পুরনো বাংলা গান, সিনেমা, খেলা ইত্যাদি বিষয়ে অজস্র প্রবন্ধ লিখেছেন। আনন্দবাজার পত্রিকা, এই সময়-সহ বহু পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। সম্পাদিত বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উত্তমকুমারের "হারিয়ে যাওয়া দিনগুলি মোর", হেমন্ত মুখোপাধ‍্যায়ের "আনন্দধারা", রবি ঘোষের "আপনমনে", মতি নন্দীর "খেলা সংগ্রহ"। লিখেছেন "সংগীতময় সুভাষচন্দ্র" বইটি। সাত বছর কাজ করেছেন "মাতৃশক্তি" ও "জাগ্রত বিবেক" পত্রিকায়। বর্তমানে নিজস্ব লেখালিখি ও সম্পাদনা নিয়ে ব্যস্ত।
View Posts →
50 posts
আদতে ছিলেন সাংবাদিক, তারপর কর্পোরেট কর্তা। অবসরের পর শান্তিনিকেতনে বসে লেখাজোকায় মন দিয়েছেন। বেশ কিছু প্রবন্ধ আর গল্প লিখেছেন আজকাল, অনুষ্টুপ আর হরপ্পা-য়। প্রথম উপন্যাস 'গোলকিপার' প্রকাশিত হয়েছে বাংলালাইভে। আপাতত ডুবে রয়েছেন ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে। আজকালের রবিবাসর ক্রোড়পত্রে প্রকাশিত হচ্ছে তাঁর ধারাবাহিক রচনা - সিনেমাতলার বাঙালি।
View Posts →
48 posts
অমৃতা ভট্টাচার্য (জ.১৯৮৪-) শান্তিনিকেতনের জল হাওয়ায় বড়ো হয়েছেন। পাঠভবনে তাঁর পড়াশোনা। পরে বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগ থেকে বাংলা উপন্যাসে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে গবেষণা করেছেন। পড়িয়েছেন জগদ্বন্ধু ইনস্টিটিউশনে এবং পরে চারুচন্দ্র কলেজে। বর্তমানে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলের দেশজ রান্না নিয়ে কাজ করছেন। স্বপ্ন দেখেন পুঁজির প্রতাপের বাইরে অন্যরকম জীবনের, খানিকটা যাপনও করেন তা। যে হাতে শব্দ বোনেন সেই হাতেই বোনেন ধান, ফলান সব্‌জি। দেশ-বিদেশের নানা-মানুষের অন্যরকম জীবন দেখতে ভালোবাসেন। তাঁর লেখা স্মৃতিগ্রন্থ ‘বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ ’ এবং 'রেখেছি পত্রপুটে' পাঠকের সুসমাদর পেয়েছে।
View Posts →
47 posts
শ্রুতি অনেকদিন ধরে চক ডাস্টার নিয়ে স্কুলের ব্ল্যাকবোর্ডে ফিজিক্স লিখতেই স্বচ্ছন্দ। সামান্য ও এত ক্ষুদ্র মানুষ, যে জীবনেও কখন হাইজে়নবার্গস আনসার্টেনটি প্রিন্সিপল কাজে লেগে গেছে অজান্তে। বর্ধমানে থাকার অবস্থানটি এতটাই সুনিশ্চিত, যে পিএইচডি উত্তর, উচ্চশিক্ষার মোমেন্টাম সম্পূর্ণ অনিশ্চিত। হাজার মানুষের সঙ্গে কথা বলা শেষ হলেও বাকি থাকে নিশ্চিন্তে আকাশ নদী পাখি আর প্রজাপতির গল্প শোনা।
View Posts →
46 posts
সঞ্চারী মুখোপাধ্যায় হাসিখুশি, এমনকী যখন সেই মোড-এ থাকেন না, নিজেকে ঠেলে হিঁচড়ে হিহিহোহো’তেই ল্যান্ড করানোর চেষ্টা করেন। জাপটে ভালবাসেন আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, সিরিয়াল, গান, রাস্তায় নেড়িবাচ্চার লটরপটর কান। পড়াশোনার সময় ফিল্ড করেছেন, হাতুড়ি দিয়ে পাথর ভেঙেছেন, গ্রামবাসীদের তাড়া খেয়েছেন, এক বার পাহাড় থেকে অনেকটা হড়কে পড়ে মুচ্ছো গেছিলেন, উঠে দেখেন, কবর! এক বার ম্যানেজমেন্ট কোর্সের অঙ্গ হিসেবে চিন গেছিলেন, রাত্তির দুটোয় সাংহাইয়ের রাস্তায় হারিয়ে গিয়েও কাঁদেননি। ফিউজ সারাতে পারেন, পাখার কার্বন বদলাতে পারেন, কাগজের চোঙ পাকিয়ে গাড়িতে পেট্রল ঢালতে পারেন, চিনেবাদাম ছুড়ে দিয়ে মুখে নিপুণ লুফতে পারেন। ব্যাডমিন্টন খেলার ইচ্ছে খুব, কিন্তু জায়গা ও র‌্যাকেট নেই। অরোরা বোরিয়ালিস যারা দেখেছে, তাদের একাগ্র ভাবে হিংসে করেন। দেশের বাড়িটা উনি বড় হওয়ার পর ছোট হয়ে গেছে বলে, আর আমির খান এক বার কার্টুন এঁকে দিয়েছিলেন— সে কাগজ হারিয়ে গেছে বলে, জেনুইন কষ্ট পান। এক বার ঈগলের রাজকীয় উড়ান আগাগোড়া খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন।
View Posts →
44 posts
প্রশিক্ষিত প্রযুক্তিবিদ ও পরিচিত পরিকল্পনাবিশারদ। পড়াশোনা ও পেশাগত কারণে দেশে-বিদেশে বিস্তর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। তার ফসল বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় বই। জোয়াই, আহোম রাজের খোঁজে, প্রতিবেশীর প্রাঙ্গণে, কাবুলনামা, বিলিতি বৃত্তান্ত ইত্যাদি।
View Posts →
41 posts
জন্ম ও বেড়ে ওঠা উত্তর কলকাতার পুরোনো পাড়ায়। বহু অকাজের কাজী কিন্তু কলম ধরতে পারেন এটা নিজেরই জানা ছিল না বহুদিন। ফলে লেখালেখি শুরু করার আগেই ছাপ্পান্নটি বসন্ত পেরিয়ে গেছে। ১৪২১ সালে জীবনে প্রথম লেখা উপন্যাস 'দ্রোহজ' প্রকাশিত হয় শারদীয় 'দেশ' পত্রিকায় এবং পাঠকমহলে বিপুল সাড়া ফেলে। পরবর্তীতে আরও দুটি উপন্যাস 'জলভৈরব' (১৪২২) এবং 'বৃশ্চিককাল' (১৪২৩) প্রকাশিত হয়েছে যথাক্রমে পুজোসংখ্যা আনন্দবাজার এবং পত্রিকায়। এছাড়া বেশ কিছু প্রবন্ধ এবং দু চারটি ছোটগল্প লিখেছেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকা আর লিটিল ম্যাগাজিনে। তার আংশিক একটি সংকলন বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে 'ব্যবসা যখন নারীপাচার' শিরোনামে। ২০১৭ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি পুরস্কার।
View Posts →
39 posts
শাক্যজিৎ ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৮২ সালে কলকাতায়। প্রথম গল্প বেরিয়েছিল পরিকথা পত্রিকায়, ২০০৩ সালে। এ পর্যন্ত লিখেছেন সাতটি উপন্যাস ও প্রায় চল্লিশটি ছোটগল্প। মূলত লিটল ম্যাগাজিনই তাঁর লেখালেখির জায়গা। এ পর্যন্ত পাঁচটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
38 posts
মূলত শিল্প বাণিজ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সাংবাদিকতায় ব্যপ্ত বিগত তিন দশক। তবে সুযোগ পেলে ক্যামেরা নিয়ে বেড়িয়ে পড়া বা অন্য ধরনের লেখাতে প্রাণের আরাম খোঁজার চেষ্টাও চলে
View Posts →
37 posts
প্রাক্তন সাংবাদিক। পড়াশোনা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ষোলো বছর বয়স থেকে কলকাতার নামী পত্রপত্রিকায় লেখালেখির হাতেখড়ি। ছোটোদের জন্য রচিত বেশ কিছু বই আছে। যেমন 'বিশ্বপরিচয় এশিয়া', 'ইয়োরোপ', 'আফ্রিকা' সিরিজ ছাড়া 'দেশবিদেশের পতাকা', 'কলকাতায় মনীষীদের বাড়ি', 'ঐতিহাসিক অভিযান', 'শুভ উৎসব' ইত্যাদি। এছাড়া বর্তমানে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে নানা গবেষণার কাজে নিবেদিত। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দুটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। 'রবীন্দ্র-জীবনে শিক্ষাগুরু' এবং 'রবীন্দ্র-গানের স্বরলিপিকার'। বর্তমানে একটি বাংলা প্রকাশনা সংস্থায় সম্পাদক।
View Posts →
37 posts
সপ্তর্ষি রায় বর্ধনের জন্ম, কর্ম এবং বর্তমান ঠাঁই তার প্রাণের শহর কলকাতায়। প্রথাগত ছাত্রজীবন কেটেছে কলকাতার পাঠভবন স্কুল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ এবং যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে। লেখাজোকা, ছবি তোলা, নাট্যাভিনয় আর হেরিটেজের সুলুক সন্ধানের নেশায় মশগুল। সঙ্গে বই পড়া, গান বাজনা শোনা আর আকাশ পাতাল ভাবনার অদম্য বাসনা। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা তিন- "রূপকথার মতো- স্মৃতিকথায় প্রণতি রায়", "খেয়ালের খেরোখাতা" এবং "চব্য চোষ্য লেহ্য পেয়"।
View Posts →
35 posts
শংকরলাল ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট, কলকাতায়। ইংরেজি সাহিত্যে স্বর্ণপদক পাওয়া ছাত্র শংকরলাল সাংবাদিকতার পাঠ নিতে যান প্যারিসে। তৎপরে কালি-কলমের জীবনে প্রবেশ। সাংবাদিকতা করেছেন আনন্দবাজার গোষ্ঠীতে। লিখেছেন একশো ত্রিশের ওপর বই। গল্প উপন্যাস ছাড়াও রবিশংকরের আত্মজীবনী 'রাগ অনুরাগ', বিলায়েৎ খানের স্মৃতিকথা 'কোমল গান্ধার', হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিমালা 'আমার গানের স্বরলিপি'-র সহলেখক। অনুবাদ করেছেন শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা থেকে সত্যজিৎ রায়ের চিত্রনাট্য পর্যন্ত।
View Posts →
35 posts
পেশা শুরু হয়েছিল সাংবাদিকতা দিয়ে। পরে নামী ইস্কুলের বাচ্চাদের দিদিমণি। কিন্তু লেখা চলল। তার সঙ্গে রাঁধা আর গাড়ি চালানো, এ দুটোই আমার ভালবাসা। প্রথম ভালবাসার ফসল পাঁচটি ব‌ই। 'নানা রাজ্যের অন্নব্যঞ্জন', 'মছলিশ' আর 'ভোজনবিলাসে কলকাতা' অন্যতম।
View Posts →
33 posts
দীর্ঘকাল আমেরিকা-প্রবাসী আলোলিকা মুখোপাধ্যায়ের লেখালিখির সূচনা কলকাতার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় প‍র্বে। আমেরিকার নিউ জার্সির প্রথম বাংলা পত্রিকা "কল্লোল" সম্পাদনা করেছেন দশ বছর। গত আঠাশ বছর (১৯৯১ - ২০১৮) ধরে সাপ্তাহিক বর্তমান-এ "প্রবাসের চিঠি" কলাম লিখেছেন। প্রকাশিত গল্পসংকলনগুলির নাম 'পরবাস' এই জীবনের সত্য' ও 'মেঘবালিকার জন্য'। অন্য়ান্য় প্রকাশিত বই 'আরোহন', 'পরবাস', 'দেশান্তরের স্বজন'। বাংলা সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারের জন্য নিউইয়র্কের বঙ্গ সংস্কৃতি সঙ্ঘ থেকে ডিস্টিংগুইশড‌ সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।
View Posts →
33 posts
ঈশা আদতে অর্থনীতির ছাত্রী, শিক্ষিকা ও সমাজকর্মী। বিধাননগর কলেজের স্নাতক ঈশার পড়াশোনা ও শিক্ষকতার ক্ষেত্র ছুঁয়ে ছুঁয়ে গেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অফ ম্যাসাচুসেটস, আমহের্স্ট। ছোটবেলা কেটেছে পিতামহী শিক্ষাবিদ মৃণালিনী দাশগুপ্তের ছত্রছায়ায়, অনেক গল্প, গল্পের বইদের সঙ্গে। গল্প বলার ছায়ারা পিছু নিয়েছে তখন থেকেই। ছোটবেলার স্মৃতিদের নিয়ে লেখা 'আমার রাজার বাড়ি' প্রথম প্রকাশিত গদ্যগ্রন্থ। প্রকাশিত হয়েছে 'রাই আমাদের' নামে ছোটদের গল্পের বইও। কবিতার বই 'চাঁদের দেশে আগুন নেই' আর 'রোদের বারান্দা' আছে ঈশার ঝুলিতে। কবিতার জন্য কৃত্তিবাস পুরস্কারও পান। বড়দের গল্প লেখেন অল্পস্বল্প- 'দেশ' পত্রিকা সাক্ষী। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখেন গবেষণামূলক লেখা, যার বিষয় মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সামাজিক ঐতিহাসিক স্থানাঙ্ক। মহিলাদের প্রতিবাদের ইতিহাস তুলে আনাই এখন মূল লক্ষ্য ঈশার।
View Posts →
33 posts
হিন্দোল ভট্টাচার্যের কবিতা লেখার শুরু নয়ের দশকে। কবি ও লেখক হিসেবে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা দুইই পেয়েছেন বাংলা ভাষার পাঠকদের কাছে। মোংপো লামার গল্প, সব গল্প কাল্পনিক, রুদ্রবীণা বাজো, বিপন্ন বিস্ময়গুলি, এসো ছুঁয়ে থাকি এই লেখকের কিছু পূর্বপ্রকাশিত বই।
View Posts →
32 posts
পেশার তাগিদে সার্ভিস সেক্টর বিশেষজ্ঞ, নেশা আর বাঁচার তাগিদে বই পড়া আর আড্ডা দেওয়া। পত্রপত্রিকায় রম্যরচনা থেকে রুপোলি পর্দায় অভিনয়, ধর্মেও আছেন জিরাফেও আছেন তিনি। খেতে ভালোবাসেন বলে কি খাবারের ইতিহাস খুঁড়ে চলেন? পিনাকী ভট্টাচার্য কিন্তু সবচেয়ে ভালোবাসেন ঘুমোতে।
View Posts →
32 posts
জয় গোস্বামীর জন্ম ১৯৫৪ সালে, কলকাতায়। শৈশব কৈশোর কেটেছে রানাঘাটে। দেশ পত্রিকাতে চাকরি করেছেন বহু বছর। আনন্দ পুরস্কার পেয়েছেন দু'বার - ১৯৯০ সালে 'ঘুমিয়েছ ঝাউপাতা?' কাব্যগ্রন্থের জন্য। ১৯৯৮ সালে 'যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল' কাব্যোপন্যাসের জন্য। ১৯৯৭ সালে পেয়েছেন বাংলা আকাদেমি পুরস্কার। দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন কবিতার সাহচর্যে। ২০১৫ সালে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক ডি.লিট পেয়েছেন।
View Posts →
31 posts
অম্লানকুসুমের জন্ম‚ কর্ম‚ ধর্ম সবই এই শহরে। একেবারেই উচ্চাকাঙ্খী নয়‚ অল্প লইয়া সুখী। সাংবাদিকতা দিয়ে কেরিয়ার শুরু করলেও পরে জীবিকার খাতবদল। বর্তমানে একটি বেসরকারি সংস্থায় স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিস্ট পদে কর্মরত। বহু পোর্টাল ও পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। প্রকাশিত হয়েছে গল্প সংকলন 'আদম ইভ আর্কিমিডিস' ও কয়েকটি অন্য রকম লেখা নিয়ে 'শব্দের সার্কাস'।
View Posts →
31 posts
জন্ম ১৯৫৫ সালে উত্তর কলকাতার শ্যামবাজারে। জীবনের অর্ধেকটা প্রবাসে কাটালেও শিকড়ের টান রয়েই গেছে। অধিকাংশ স্বপ্নের ভাষা আজও বাংলা-- প্রেক্ষাপট কলকাতা। আই আই টি খড়গপুরের মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্নাতক হলেও অবসরজীবন জুড়ে আছে বাংলা সাহিত্য। আর টুকটাক কিছু লেখালেখি।
View Posts →
31 posts
কলকাতায় জন্ম, বড় হওয়া। অর্থনীতির পাঠ প্রেসিডেন্সী কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কবিতা দিয়ে লেখক জীবন আরম্ভ। সূচনা শৈশবেই। কবিতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, ভ্রমণকাহিনী, প্রবন্ধ, ছোটদের জন্য লেখায় অনায়াস সঞ্চরণ। ভারতীয় প্রশাসনিক সেবার সদস্য ছিলেন সাড়ে তিন দশকেরও বেশি সময়। মহুলডিহার দিন, মহানদী, কলকাতার প্রতিমা শিল্পীরা, ব্রেল, কবিতা সমগ্র , দেশের ভিতর দেশ ইত্যাদি চল্লিশটি বই। ইংরাজি সহ নানা ভারতীয় ভাষায়, জার্মান ও সুইডিশে অনূদিত হয়েছে অনিতা অগ্নিহোত্রীর লেখা। শরৎ পুরস্কার, সাহিত্য পরিষৎ সম্মান, প্রতিভা বসু স্মৃতি পুরস্কার, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুবন মোহিনী দাসী স্বর্ণপদকে সম্মানিত। পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমীর সোমেন চন্দ পুরস্কার ফিরিয়েছেন নন্দীগ্রামে নিরস্ত্র মানুষের হত্যার প্রতিবাদে। ভারতের নানা প্রান্তের প্রান্তিক মানুষের কন্ঠস্বর উন্মোচিত তাঁর লেখায়। ভালোবাসেন গান শুনতে, গ্রামে গঞ্জে ঘুরতে, প্রকৃতির নানা রূপ একমনে দেখতে।
View Posts →
30 posts
পেশা মূলত, লেখা-সাংবাদিকতা। তা ছাড়াও, গান লেখেন-ছবি বানান। শখ, মানুষ দেখা। শেল্ফ থেকে পুরনো বই খুঁজে বের করা। কলকাতার রাস্তা ধরে বিকেলে ঘুরে বেড়ানো।
View Posts →
30 posts
অমর মিত্রের জন্ম ১৯৫১ সালে বসিরহাটে। তবে বহুদিন কলকাতাবাসী। ১৯৭৪ সালে 'মেলার দিকে ঘর' গল্প লিখে সাহিত্যিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ। প্রথম উপন্যাস 'নদীর মানুষ' ১৯৭৮ সালে প্রকাশিত হয় অমৃত পত্রিকায়। প্রথম গল্পের বই 'মাঠ ভাঙে কালপুরুষ'-ও ওই সালেই। রাজ্য সরকারি চাকরি করেও আজীবন সাহিত্যসাধনায় ব্রতী। ২০০৬ সালে 'ধ্রুবপুত্র' উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার। ২০০১ সালে বঙ্কিম পুরস্কার পান 'অশ্বচরিত' উপন্যাসের জন্য। ২০২২ সালে গাঁওবুড়ো গল্পের ইংরেজি অনুবাদ প্রথম এশিয়ান লেখক হিসেবে ও হেনরি পুরস্কার। ২০০৪ সালে সম্মানিত হন শরৎ পুরস্কারে।
View Posts →
29 posts
নেশা ও পেশা ফটোগ্রাফি। ডকুমেন্টারি স্টোরি টেলিং, স্ট্রিট ও ট্র্যাভেল ফটোগ্রাফিতে আগ্রহী।
View Posts →
28 posts
ড. রূপক বর্ধন রায় GE Healthcare-এ বিজ্ঞানী হিসেবে কর্মরত। ফ্রান্সের নিস শহরে থাকেন। তুরস্কের সাবাঞ্চি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করেছেন। বৈজ্ঞানিক হিসেবে কর্মসূত্রে যাতায়াত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। লেখালিখির স্বভাব বহুদিনের। মূলত লেখেন বিজ্ঞান, ইতিহাস, ঘোরাঘুরি নিয়েই। এ ছাড়াও গানবাজনা, নোটাফিলি, নিউমিসম্যাটিক্সের মত একাধিক বিষয়ে আগ্রহ অসীম।
View Posts →
28 posts
দীর্ঘদিন ধরে ভ্রমণ সংক্রান্ত লেখালিখির সঙ্গে যুক্ত। ভ্রমণ, আনন্দবাজার ই-পেপার, ভ্রমী পত্রিকার নিয়মিত লেখক। এছাড়া যারা-যাযাবর, তথ্যকেন্দ্র, লেটস্‌-গো, আজকাল, প্রতিদিন, গণশক্তি প্রভৃতি পত্র-পত্রিকায় ভ্রমণকাহিনি প্রকাশিত। ট্র্যাভেল রাইটার্স ফোরাম ইন্ডিয়ার সদস্য। প্রধান শখ ও নেশা বেড়ানো আর ট্র্যাভেল ফটোগ্রাফি।
View Posts →
27 posts
মধুময়ের জন্ম ১৯৫২ সালে পূর্ববঙ্গের ময়মনসিংহে, কিশোরগঞ্জে। লেখাপড়া কলকাতায়। শৈশব-যৌবন কেটেছে স্টেশনে, ক‍্যাম্পে, বস্তিতে। গল্প লিখে লেখালেখি শুরু। পরে উপন‍্যাস। বই আখ‍্যান পঞ্চাশ, আলিঙ্গন দাও রানি, রূপকাঠের নৌকা। অনুসন্ধানমূলক কাজে আগ্রহী। পঞ্চাশের মন্বন্তর, দাঙ্গা-দেশভাগ, নকশালবাড়ি আন্দোলন নিয়ে কাজ করেছেন। কেয়া চক্রবর্তী, গণেশ পাইন তাঁর প্রিয় সম্পাদনা। প্রতিমা বড়ুয়াকে নিয়ে গ্রন্থের কাজ করছেন চার বছর। মূলত পাঠক ও শ্রোতা।
View Posts →
26 posts
বিতস্তা ঘোষাল ঔপন্যাসিক, গল্পকার, কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। আধুনিক ইতিহাসে এম এ, লাইব্রেরি সায়েন্সে বিলিস। কলেজে সাময়িক অধ্যাপনা। প্রকাশনা সংস্থা ভাষা সংসদের কর্ণধার। ও অনুবাদ সাহিত্যের একমাত্র পত্রিকা ‘অনুবাদ পত্রিকা’-র সম্পাদক। 'বাংলা আকাডেমি', 'সারস্বত সম্মান', 'বিবেকানন্দ যুব সম্মান', ‘একান্তর কথাসাহিত্যিক পুরস্কার', 'কেতকী' কবি সম্মান, ‘চলন্তিকা’, 'দুই বাংলা সেরা কবি সম্মান', 'বিজয়া সর্বজয়া', 'মদন মোহন তর্কালঙ্কার সম্মান', 'বই বন্ধু সেরা লেখক ২০২৪' সহ একাধিক পুরস্কার ও সম্মান প্রাপ্ত। বিতস্তার প্রকাশিত বই ৩৪টি। তাঁর কবিতা ও গল্প হিন্দি, ওড়িয়া, অসমিয়া ও ইংরেজি,ইতালি, গ্রীক ও স্প্যানিশে অনুবাদ হয়েছে। সম্প্রতি ওড়িয়া ভাষায় প্রকাশিত তার গল্প সংকলন রূপকথার রাজকন্যারা। দেশ বিদেশে কবিতা ও গল্প পড়ার ডাক পেয়েছেন একাধিকবার।বাংলা সবকটি জনপ্রিয় পত্রিকা ও সংবাদপত্রে তার লেখা নিয়মিত প্রকাশিত। নিজের কাজের গণ্ডীর বাইরে অফিস ও পরিবারেই স্বচ্ছন্দ বিতস্তা কাজের ফাঁকে অবসর সময় কাটান নানান সামাজিক কাজে। ভালোবাসা ছাড়া বাকি সব কাজ গুরুত্বপূর্ণহীন। তার নিজের কথায় ভালোবাসা ছাড়া কেউ কি বাঁচে?
View Posts →
25 posts
এক সর্বগ্রাসী হাঁ-করা চোখ নিয়ে, কলকাতা ও সংলগ্ন শহরতলিতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা সৌরভের। যা দেখেন, তাই মনে হয় ছুঁয়ে দেখলে ভালো হয়। কিছুটা প্রকৌশল, কিছুটা ছবি আঁকা, ভাষা শিক্ষা, থিয়েটার এমন আরও অনেক কিছু। এভাবেই ভেসে চলা। শৈশবে স্কুল পত্রিকায় হাত পাকিয়ে রেল স্টেশনে দেওয়াল পত্রিকা, লিটল ম্যাগাজিনের পাতা থেকে প্রাতিষ্ঠানিক বাণিজ্যিক পত্রিকায় পৌঁছনো। জীবিকার তাগিদে কম্পিউটারের সাথে সখ্য। পাশাপাশি কয়েক মাইল ‘কোড’লেখা চলে সমান্তরাল। কর্পোরেটের হাত ধরে পৃথিবীর কয়েক প্রান্ত দেখে ফেলার অভিজ্ঞতা। সবই উঠে আসে লেখায়। আপাততঃ কলকাতা ও ঢাকা মিলিয়ে প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা নয়।
View Posts →
25 posts
অপরাজিতা দাশগুপ্ত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদের মুখ্য নির্বাহী আধিকারিক। আগে ইতিহাসের অধ্যাপনা করতেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট মেরিজ কলেজে ইতিহাস ও মানবীচর্চা বিভাগের ফুলব্রাইট ভিজিটিং অধ্যাপকও ছিলেন। প্রেসিডেন্সির ছাত্রী অপরাজিতার গবেষণা ও লেখালিখির বিষয় উনিশ শতকের শেষে ও বিশ শতকের গোড়ায় বাঙালি হিন্দু ভদ্রলোকের চিন্তাচেতনায় এবং বাংলার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে নারী। অধ্যাপনা, গবেষণা, ও পেশা সামলে অপরাজিতা সোৎসাহে সাহিত্যচর্চাও করেন। তিনটি প্রকাশিত গ্রন্থ - সুরের স্মৃতি, স্মৃতির সুর, ইচ্ছের গাছ ও অন্যান্য, ছায়াপথ। নিয়মিত লেখালিখি করেন আনন্দবাজার-সহ নানা প্রথম সারির পত্রপত্রিকায়।
View Posts →
24 posts
বিখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও দূরদর্শন ব্যক্তিত্ব
View Posts →
23 posts
অর্ক পৈতণ্ডীর জন্ম ১৯৮৫-তে বীরভূমের সিউড়িতে। পড়াশোনা, বেড়ে ওঠা বোলপুর, শান্তিনিকেতনে। বিজ্ঞানের স্নাতক। পেশাদার শিল্পী। 'মায়াকানন' পত্রিকা ও প্রকাশনার প্রতিষ্ঠাতা ও কর্ণধার। অবসরে লেখালিখি করেন। অলঙ্করণ শুরু ষোলো বছর বয়সে শুকতারা পত্রিকায়। পরবর্তীকালে আনন্দমেলা, সন্দেশ, এবেলা, এই সময়, উনিশ-কুড়ির মতো একাধিক পত্রপত্রিকার জন্য ছবি এঁকেছেন। কমিক্স আঁকার জন্য ২০১৪ সালে নারায়ণ দেবনাথ পুরস্কার পেয়েছেন।
View Posts →
23 posts
মহুয়া সেন মুখোপাধ্যায় বস্টন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। মূলতঃ ছোট গল্প এবং আর্টিকেল লেখেন। ছোট গল্প সংকলন ক্যালাইডোস্কোপ এবং অপরাজিতা প্রকাশিত হয়েছে, কমলিনী,দেজ পাবলিকেশন থেকে।একটি ছোট গল্পের অনুবাদ শর্টলিস্টেড হয়েছে, ‘Armory Square Prize for women writers in South Asian literature’ এ। অনুদিত গল্পটি প্রকাশিত হয়েছে বিখ্যাত Words Without Borders এর পাতায় ।আনন্দবাজারের বিদেশ পাতার নিয়মিত লেখেন তাছাড়া রোববার-সংবাদ প্রতিদিন, বাংলা লাইভ, গুরুচণ্ডালী এবং আরো কিছু ম্যাগাজিনে গল্প এবং ছোট বড় প্রবন্ধ নিয়মিত লেখেন।
View Posts →
22 posts
বিশিষ্ট সাংবাদিক। এই সময় সংবাদপত্রের প্রাক্তন সম্পাদক ও ক্রীড়া সম্পাদক। উত্তরবঙ্গ সংবাদের প্রাক্তন কার্যনির্বাহী সম্পাদক। আনন্দবাজার পত্রিকার বিশেষ সংবাদদাতা হিসেবে কভার করেছেন একাধিক বিশ্বকাপ ফুটবল ও অলিম্পিক গেমস। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, খেলা, গান, সিনেমা, ভ্রমণ, খাবারদাবার, মুক্তগদ্য— বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখতে ভালবাসেন।
View Posts →
21 posts
বিশিষ্ট গ্রামোফোন রেকর্ড সংগ্রাহক সঞ্জয় সেনগুপ্ত, গান বাজনা-র জগতে এক বিস্ময়কর নাম। কলকাতায় জন্ম হলেও ছেলেবেলা কেটেছে ওড়িশায়। দীর্ঘদিন এইচ.এম.ভি-র মতো ঐতিহ্যশালী সাঙ্গীতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন কৃতিত্বের সঙ্গে। তাঁর অনবদ্য কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে আছে প্রায় ১২০০ বই ও পত্র-পত্রিকায়, দেশ বিদেশ জুড়ে। সঙ্গীত ছাড়াও আগ্রহ নানা বিষয়ে। খেলাধূলা, মূলত ক্রিকেট ও সিনেমা সংক্রান্ত লেখায় তাঁর পান্ডিত্য ঈর্ষণীয়।
View Posts →
21 posts
স্বনামধন্য এই অঙ্কনশিল্পী নিজেই এক সম্পূর্ন প্রতিষ্ঠান | তাঁর হাত ধরে নতুন করে প্রাণ পেয়েছে বাংলার কার্টুন শিল্প | সিগনেচার বেড়াল আর স্ব-নেচারটি কোমল, আত্মবিশ্বাসী, রসিক | বেড়ানো তাঁর নেশা | তাই ঝুলিতে রয়েছে বহু গল্প, সঙ্গে অসাধারণ সব স্কেচ | সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর নিরলস সাধনার অমর ফসল ‘রঙ তুলির সত্যজিৎ’ |
View Posts →
20 posts
যাদবপুর বিশববিদ্যালয় থেকে বি.ই‚ এম.টেক । সরকারি মুদ্রণসংস্থায় প্রশাসনিক পদ‚ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিদর্শী অধ্যাপনা তাঁর লেখনীকে বিশেষ স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে।গল্প‚ উপন্যাস, কবিতার পাশাপাশি ছোটদের জন্য কল্পবিজ্ঞান লিখে থাকেন নিয়মিত। প্রকাশিত হয়েছে বহু বই। নামজাদা পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখেন উত্তর-সম্পাদকীয়। সাম্প্রতিকতম কাব্যগ্রন্থ: 'লাইব্রেরি শার্ট খোলো'।
View Posts →
20 posts
বর্তমান বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদী মুখ তসলিমা নাসরিন। বাঙালি হয়েও তিনি আন্তর্জাতিক। গদ্য ও কবিতার সব শাখাতেই অনায়াস বিচরণ তসলিমার। সাহিত্য-সাধনার পাশাপাশি তাঁকে আমরা চিনি ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদী ও নারীবাদী একজন চিন্তাশীল হিসেবেও। নারীর অধিকার, মানবাধিকার, বাক-স্বাধীনতা, মানববাদ, বিজ্ঞান ও সহনশীলতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে চলেছেন তিনি। লেখালিখির পাশাপাশি তাঁর বিশ্বব্যাপী উদার ও মুক্তচিন্তার জন্য দেশে-বিদেশে তিনি সম্মানিত হয়েছেন একগুচ্ছ পুরস্কার ও সম্মাননায়। 'নির্বাচিত কলাম' ও আত্মজীবনী গ্রন্থের জন্য পেয়েছেন দু'দুবার আনন্দ পুরস্কার। পেয়েছেন ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের শাখারভ পুরস্কার। ফ্রান্স সরকারের মানবাধিকার পুরস্কার, কার্ট টুকোলস্কি পুরস্কার সহ একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা। লিখেছেন 'ফেরা', 'লজ্জা', 'ফরাসি প্রেমিক'-এর মতো অসামান্য উপন্যাস; বেশ কিছু ছোটগল্প, আত্মজীবনীমূলক রচনা, ব্যক্তিগত ও সামাজিক নানা বিষয়ে অসংখ্য প্রবন্ধ।
View Posts →
20 posts
পল্লবী বন্দ্যোপাধ্যায় আকারে স্থূল, প্রকারে কুল এবং জোকার-এ মশগুল। ভালোবাসেন মার্ভেল, ডিসি, আর যা কিছু ফিশি। পূর্বজন্মে ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী ছিলেন। বর্তমানে বাংলার নেশায় বুঁদ। পরজন্মে গল-দের গ্রামে খোলা আকাশের নীচে গোল টেবিলে নৈশভোজের আসরে বসে বুনো শূকরের রোস্ট খেতে চান।
View Posts →
19 posts
বিশ্বজিৎ রায়ের জন্ম ১৯৭৮-এ, কলকাতায়। রামকৃষ্ণ মিশন পুরুলিয়ায় স্কুলজীবন কাটিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পড়াশুনো। উভয় পর্যায়েই প্রথম শ্রেণীতে প্রথম। বর্তমানে বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন। এবং বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যজগতে সুপরিচিত। রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গসংস্কৃতি বিষয়ে তাঁর প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘রবীন্দ্রনাথ ও বিবেকানন্দ: স্বদেশে সমকালে’, ‘সচলতার গান’, ‘সব প্রবন্ধ রাজনৈতিক’। এর বাইরে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর মুক্তগদ্যের বই ‘ঘটিপুরুষ’, ‘অন্দরবেলা’ ও ‘ইস্কুলগাথা’ এবং পদ্যের বই ‘বিচ্ছেদ প্রস্তাব’ ও ‘গেরস্থালির পদ্য’। ‘ঘটিপুরুষ’ গ্রন্থের জন্য পেয়েছেন নীলাঞ্জনা সেন স্মৃতি পুরস্কার।
View Posts →
19 posts
দু’দশক ইংরেজি সংবাদপত্রের কর্তার টেবিলে কাটিয়ে কলমচির শখ হল বাংলায় লেখালেখি করার। তাঁকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন কয়েকজন ডাকসাইটে সাংবাদিক। লেখার বাইরে সময় কাটে বই পড়ে, গান শুনে, সিনেমা দেখে। রবীন্দ্রসঙ্গীতটাও নেহাত মন্দ গান না।
View Posts →
19 posts
পড়াশোনা করেছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিয়ো ফিজিক্স বিভাগে। পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন তথ্য প্রযুক্তিকে। প্রায় এগারো বছর নানা বহুজাতিক সংস্থার সাথে যুক্ত থাকার পর উনিশশো সাতানব্বইতে তৈরি করেন নিজের তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা। বর্তমানেও যুক্ত রয়েছেন সেই সংস্থার পরিচালনার দায়িত্বে। কাজের জগতের ব্যস্ততার ফাঁকে ভালবাসেন গান-বাজনা শুনতে এবং নানা বিষয়ে পড়াশোনা করতে। সুযোগ পেলেই বেড়াতে বেরিয়ে পড়েন আর সেই অভিজ্ঞতা ধরে রাখেন ক্যামেরায়।
View Posts →
18 posts
জন্ম ১৯৯৪, বেলঘরিয়ায়। কবি, প্রাবন্ধিক ও স্বাধীন গবেষক। প্রকাশিত বই: বেলঘরিয়ার ইতিহাস সন্ধানে (২০১৬), আত্মানং বিদ্ধি (২০১৮), বাংলার ব্রত (২০২২), অবাঙ্‌মনসগোচর (২০২৩), বাংলার কাব্য ও মানচিত্রে উত্তর চব্বিশ পরগনা ও হুগলি জেলার গঙ্গা-তীরবর্তী জনপদ (২০২৩) ইত্যাদি। সম্পাদিত বই: না যাইয়ো যমের দুয়ার (ভ্রাতৃদ্বিতীয়া-বিষয়ক প্রথম বাংলা গ্রন্থ), দেশভাগ এবং (নির্বাচিত কবিতা ও গানের সংকলন), সুবিমল বসাক রচনাসংগ্রহ (২ খণ্ড)।
View Posts →
18 posts
সুভদ্রকল্যাণ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের স্নাতকোত্তর। বর্তমানে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর করছেন। স্তরের ছাত্র। বাংলা ও ইংরাজি উভয় ভাষাতেই তাঁর লেখা সংগীত ও সাহিত্য বিষয়ক বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ প্রকাশ পেয়েছে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। বহু বিশিষ্টজনের সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করেছেন, সেগুলিও প্রকাশিত ও সমাদৃত। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তাঁর লেখা কবিতা প্রকাশ পেয়েছে। মূলত ইংরাজি ভাষায় কবিতা লেখেন সুভদ্রকল্যাণ। তাঁর আরেকটি পরিচয় রাগসঙ্গীতশিল্পী হিসেবে। সংগীতশিক্ষা করেছেন আচার্য শঙ্কর ঘোষ, পণ্ডিত বিক্রম ঘোষ, পণ্ডিত উদয় ভাওয়ালকর, ডঃ রাজিব চক্রবর্তী প্রমুখ গুরুর কাছে। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা।
View Posts →
18 posts
মৌলিক‚ ভিন্নধর্মী ও সময়োপযোগী - এমনই নানা স্বাদের নিবন্ধ পরিবেশনের চেষ্টায় আমরা। প্রতিবেদন বিষয়ে আপনাদের মতামত জানান 'কমেন্ট' বক্সে | নিয়মিত আপডেট পেতে ফলো করুন - https://www.facebook.com/banglaliveofficial
View Posts →
18 posts
জন্ম ১৯৮১-তে কলকাতায়। স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি-তে স্বর্ণপদক। নতুন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার আবিষ্কারক। ধান্য গবেষণা কেন্দ্র, চুঁচুড়ায় বৈজ্ঞানিক পদে কর্মরত। জার্মানি থেকে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর লেখা গবেষণাগ্রন্থ Discovering Friendly Bacteria: A Quest (২০১২)। তাঁর লেখা ‘কমিকস ইতিবৃত্ত’ (২০১৫), 'হোমসনামা' (২০১৮),'মগজাস্ত্র' (২০১৮), ' জেমস বন্ড জমজমাট'(২০১৯), ' তোপসের নোটবুক' (২০১৯), 'কুড়িয়ে বাড়িয়ে' (২০১৯) 'নোলা' (২০২০) এবং সূর্যতামসী (২০২০) সুধীজনের প্রশংসাধন্য। সম্পাদনা করেছেন ‘সিদ্ধার্থ ঘোষ প্রবন্ধ সংগ্রহ’ (২০১৭, ২০১৮)'ফুড কাহিনি '(২০১৯) ও 'কলকাতার রাত্রি রহস্য' (২০২০)।
View Posts →
18 posts
সুদীপ্ত ভৌমিক একজন প্রতিষ্ঠিত নাট্যকার, নির্দেশক ও অভিনেতা। ওঁর নাটক অভিবাসী জীবনের নানা দ্বন্দ ও সংগ্রামের কথা বলে। সুদীপ্তর নাট্যদল একতা (ECTA) উত্তর আমেরিকা ও পশ্চিমবঙ্গের নাট্যপ্রেমীদের কাছে এক পরিচিত নাম। ভাষানগর পুরস্কার, নিউ জার্সি পেরি এওয়ার্ড নমিনেশন, সিএবি ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস এওয়ার্ড ইত্যাদি সম্মানে ভূষিত সুদীপ্ত ড্রামাটিস্ট গিল্ড অফ আমেরিকার পূর্ণ সদস্য। ওঁর পডকাস্ট স্টোরিজ অফ মহাভারত অ্যাপল আইটিউনস-এ শ্রেষ্ঠ পডকাস্টের স্বীকৃতি পেয়েছে।
View Posts →
18 posts
জন্ম ১৭ জুন ১৯৮৬। জে.বি.রায় স্টেট আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হসপিটাল থেকে আয়ুর্বেদ চিকিৎসাশাস্ত্রে স্নাতক। মানসিক স্বাস্থ্যে স্নাতকোত্তর। কবিতা, সংগীত ও নাট্যচর্চার সঙ্গে নৈকট্য আশৈশব। জনস্বাস্থ্য, সমাজবিজ্ঞান, মানবাধিকার প্রভৃতি বিষয়ে প্রবন্ধচর্চা করেন নিয়মিতভাবে৷ তাঁর 'অরুণা শানবাগ নিষ্কৃতিমৃত্যু ও ভারত' (২০১৭) বইটি এদ্যবধি ইউথেনেসিয়া প্রসঙ্গে লেখা একমাত্র পূর্ণাঙ্গ বাংলা বই যা মনোজ্ঞ পাঠকমহলে প্রশংসিত। সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের সময়ে কবি ফৈজ আহমেদ ফৈজ-এর সর্বজনবিদিত 'হম দেখেঙ্গে' (দেখে নেবো আমরাই) কবিতাটির বাংলা অনুবাদ করে অবন্তিকা জাতীয় স্তরেও জায়গা করে নিয়েছেন।
View Posts →
17 posts
এই সময়ে যাঁরা বাংলা কবিতা লিখছেন , তাঁদের মধ্যে সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যতম। সৌভিকের কাব্যভাষা স্বকীয় ও স্বতন্ত্র - নাগরিক বিষন্নতা , সমাজসচেতনতা , মাঝে মাঝে কালো ঠাট্টা বা শ্লেষ ও নস্টালজিয়া তাঁর কবিতায় নানাভাবে ফিরে ফিরে আসে। লিখেছেন ছোট-বড় প্রায় সমস্ত বাণিজ্যিক ও লিটল ম্যাগাজিনে। এ পর্যন্ত প্রকাশিত কবিতার বইয়ের সংখ্যা তেরো, ২০২২ সালে প্রকাশিত হয়েছে 'কবিতাসমগ্র ১'। কবিতার জন্যে ভাষানগর-মল্লিকা সেনগুপ্ত পুরস্কার, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পুরস্কার সহ পেয়েছেন আরও একাধিক পুরস্কার ও স্বীকৃতি। গদ্যকার হিসেবেও উজ্জ্বল, এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত গদ্যের বইয়ের সংখ্যা তিন । বড় পর্দাতে অভিনেতা হিসেবেও তাঁকে মাঝে মাঝে দেখা যায়।
View Posts →
16 posts
পেশায় ডাক্তার দোলনচাঁপা নতুন প্রজন্মের লেখকদের মধ্যে পরিচিত নাম। মূলত গল্প এবং উপন্যাস লেখেন বিভিন্ন ছোটবড় পত্রপত্রিকায়। 'চন্দ্রতালের পরীরা' এবং 'ঝুকুমুকু' তাঁর লেখা জনপ্রিয় কিশোরসাহিত্যের বই।
View Posts →
15 posts
সেবন্তী ঘোষের জন্ম শিলিগুড়িতে, উচ্চশিক্ষা বিশ্বভারতী বিদ্যালয়ে। নব্বই দশকের গুরুত্বপূর্ণ বাংলা কবি ও লেখকদের মধ্যে সেবন্তী নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। পেয়েছেন কৃত্তিবাস পুরষ্কার ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা একাডেমি পুরস্কার। সেবন্তীর পেশা শিক্ষকতা। নিয়মিত লেখালেখি করেন বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এবং পোর্টালে। ওঁর প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে 'আমাদের কথা', 'যে থাকে অন্ধকারে', 'ফুর্তি ও বিষাদ কাব্য', 'ফুল ও সুগন্ধ', 'দিল-দরিয়া' উল্লেখযোগ্য।
View Posts →
15 posts
প্রাবন্ধিক ঔপন্যাসিক অশোককুমার মুখোপাধ্যায়ের ঝোঁক বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি। তাঁর তিনটি তথ্য-উপন্যাস-- অগ্নিপুরুষ, আটটা-ন’টার সূর্য এবং অবিরাম জ্বরের রূপকথা--তিনটি বিভিন্ন সময় নিয়ে। প্রবন্ধের জন্য দু’বার পেয়েছেন আনন্দ-স্নোসেম পুরস্কার। শেষোক্ত উপন্যাসটি ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে নামী পুরস্কারের বিচার তালিকায় স্থান পেয়েছিল।
View Posts →
15 posts
আশিস পাঠক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগের প্রকাশনা ও বিপণন আধিকারিক। আনন্দবাজার পত্রিকায় সাংবাদিকতার পাশাপাশি নানা সময়ে যুক্ত থেকেছেন সাহিত্য অকাদেমি, বাংলা আকাদেমি, কেন্দ্রীয় বৈজ্ঞানিক পরিভাষা বিভাগের নানা প্রকল্পে, নানা পুরস্কারের বিচারক হিসেবে। সংস্কৃতির নানা মহলে তাঁর আগ্রহ, বিশেষ আগ্রহ রবীন্দ্রনাথ ও গ্রন্থবিদ্যায়।
View Posts →
15 posts
সত্তরের দশকের শেষের দিকে কলকাতায় জন্ম অভিরূপের। স্কুলজীবন থেকেই বাংলা সাহিত্যের প্রতি ঝোঁক। কলেজে বাংলা অনার্স নিয়ে পড়ার পাশাপাশি পুরোপুরি সাহিত্যে মনোনিবেশ। কিছুদিন ফ্রিলান্স সাংবাদিকতাও করেছেন। এরপরেই ঢুকে পড়া টেলিভিশনের জন্য স্ক্রিপ্ট লেখার আঙিনায়। সম্পূর্ণ আলাদা এক পরিবেশ এবং প্রস্তুতির সঙ্গে পরিচয়। একইসাথে চলতে থাকে গল্প-কবিতার পালা। দেশ, এই সময়, আজকের সম্পূর্ণা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে বেশ কিছু লেখা।
View Posts →
15 posts
পেশায় শিক্ষক দিলীপকুমার ঘোষের জন্ম হাওড়ার ডোমজুড় ব্লকের দফরপুর গ্রামে। নরসিংহ দত্ত কলেজের স্নাতক, রবীন্দ্রভারতী থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। নেশা ক্রিকেট, সিনেমা, ক্যুইজ, রাজনীতি। নিমগ্ন পাঠক, সাহিত্যচর্চায় নিয়োজিত সৈনিক। কয়েকটি ছোটবড় পত্রিকা এবং ওয়েবজিনে অণুগল্প, ছোটগল্প এবং রম্যরচনা প্রকাশিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে 'সুখপাঠ' এবং 'উদ্ভাস' পত্রিকায় রম্যরচনা এবং দ্বিভাষীয় আন্তর্জালিক 'থার্ড লেন'-এ ছোটগল্প প্রকাশ পেয়েছে।
View Posts →
15 posts
জন্ম কলকাতায় ১৯৫০ সালে। নিজে শিল্পী, বহু শিল্প বিষয়ক ইতিহাস ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। দীর্ঘ বছর যাবত উনিশ শতকের কলকাতার কাঠ খোদাই নিয়ে গবেষণা করে চলেছেন। তার উল্লেখযোগ্য বই Woodcut prints of nineteenth century Calcutta (১৯৮২), উনিশ শতকের কলকাতার কাঠ খোদাই শিল্পী প্রিয় গোপাল দাস (২০১৩), আদি পঞ্জিকা দর্পণ (২০১৮, বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত), কলকাতার কাঠ খোদাই ( ২০২২) রাজ্য সরকারের বিনোদ বিহারী মুখোপাধ্যায় স্মৃতি পুরস্কার ২০২২।
View Posts →
14 posts
কর্মসূত্রে কলকাতায় দীর্ঘদিন বসবাসের পর থিতু শিলিগুড়ি শহরে। নিজেকে ডুয়ার্সের সন্তান বলতে ভালোবাসেন। গ্রামের আদি বাড়ির একপাশে বোড়ো আদিবাসী বসত, অন্যপাশে সাঁওতাল মহল্লা। বক্সার রায়ডাক জঙ্গল গ্রামের কাছেই। শৈশব, কৈশোরে বাড়ির উঠোনে চলে আসতে দেখেছেন হাতি, চিতাবাঘ, হরিণ। জঙ্গলে কুল কুড়োতে কুড়োতে আর নদীতে ঝাঁপিয়ে বড় হওয়া। প্রকৃতি আর উপজাতিরাই প্রতিবেশী। যৌবনে এই পরিবেশে কিছুকাল বাউন্ডুলে জীবনের পর সিদ্ধান্ত, সাংবাদিকতা ছাড়া আর কোন কাজ নয়।
View Posts →
14 posts
শুভময় মিত্র আদতে ক্যামেরার লোক, কিন্তু ছবিও আঁকেন। লিখতে বললে একটু লেখেন। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে অনেকরকম খামখেয়ালিপনায় সময় নষ্ট করে মূল কাজে গাফিলতির অভিযোগে দুষ্ট হন। বাড়িতে ওয়াইন তৈরি করা, মিনিয়েচার রেলগাড়ি নিয়ে খেলা করা, বিজাতীয় খাদ্য নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করা ওঁর বাতিক। একদা পাহাড়ে, সমুদ্রে, যত্রতত্র ঘুরে বেড়াতেন। এখন দৌড় বোলপুর পর্যন্ত।
View Posts →
14 posts
পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। তিতিবিরক্ত হতে হতেও আইটি শিল্পতালুকে মজদুরি করতে বাধ্য হন। কিন্তু সবচেয়ে পছন্দের কাজ হাতে মোবাইলটি নিয়ে আলসেমি করে শুয়ে থাকা। চেহারাছবি নিরীহ হলেও হেব্বি ভালোবাসেন অ্যাকশন ফিলিম, সুপারহিরো আর সাই ফাই। সঙ্গে চাই সুরেশের রাবড়ি, চিত্তরঞ্জনের রসগোল্লা-পান্তুয়া, কেষ্টনগরের সরভাজা ইত্যাদি নানাবিধ মিষ্টান্ন।
View Posts →
14 posts
শামিম আহমেদ বাংলা সাহিত্যের এক পরিচিত নাম। লেখালেখি ছাড়াও পেশাগতভাবে তিনি অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত। সাত আসমান, মহাভারতে যৌনতা, ফেয়ারলনে মধুবালা, ওঁর কিছু জনপ্রিয় বই। ভালোবাসেন রান্না করতে এবং ইতিহাসের অলিগলিতে ঘুরে বেড়াতে।
View Posts →
14 posts
‘কুহকী’ তাঁর ছদ্মনাম। এই নামে লেখক এর আগে প্রকাশ করেছেন 'একলব্য অতঃপর ও অন্যান্য গল্প' বইটি যা পাঠকমহলে যথেষ্ঠ প্রশংসা লাভ করেছে । এছাড়াও দুই বাংলার লেখকদের নিয়ে অভিযান পাবলিশারের 'থ্রীলার অভিযান' সংখাতেও কুহকীর লেখা স্থান পেয়েছে । নবকল্লোল, আনন্দমেলা ও অন্যান্য পত্রিকাতেও গল্প লিখছেন। কুহকীর জন্ম ১৯৭৫-এ কলকাতায়। আইআইটি থেকে ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার, বর্তমানে একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত। বিজনেস ম্যানেজমেন্ট পেশা হলেও দেশবিদেশের সিনেমার বিশেষ অনুরাগী। নেশা, সাহিত্যচর্চা ও ছবি আঁকা।
View Posts →
13 posts
জন্ম ১৯৬৯, ২৫ সেপ্টেম্বর, মেদিনীপুর। পূর্বতন প্রেসিডেন্সি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। পরবর্তীতে সিটি কলেজে অধ্যাপনা। নাটককার, পরিচালক, অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক, চলচ্চিত্রাভিনেতা, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক, গীতিকার সম্পাদক। 'কালিন্দী ব্রাত্যজন' নাট্যগোষ্ঠীর কর্ণধার ও 'ব্রাত্যজন নাট্যপত্রের' প্রধান সম্পাদক। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের মন্ত্রী। পেয়েছেন বহু পুরস্কার ও স্বীকৃতি। উল্লেখ্য সত্যেন মিত্র পুরস্কার, শ্যামল সেন স্মৃতি পুরস্কার, দিশারী পুরস্কার, রমাপ্রসাদ বণিক স্মৃতি পুরস্কার, খালেদ চৌধুরী স্মারক সম্মান, অন্য থিয়েটারের শ্রেষ্ঠ নাট্য নির্মাণ সম্মান। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য পেয়েছেন গজেন্দ্র কুমার মিত্র-সুমথনাথ ঘোষ স্মৃতি সম্মান। তাঁর সম্পাদনায় 'গিরিশ কথা' ও 'শিশির কথা' দু'টি বই তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ, প: ব: সরকার কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে। পেয়েছেন এবিপি আনন্দ 'সেরা বাঙালি ২০১৯' সম্মান। পেয়েছেন বাংলার নাট্যশিল্প জগতের সর্বোচ্চ সম্মান 'দীনবন্ধু মিত্র পুরস্কার'।
View Posts →
13 posts
অভিষেক পেশায় সফটঅয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। খুব ছোটবেলা থেকেই কার্টুন-প্রেম। সেই ভালোবাসার টানেই প্রিয় কার্টুনিস্টদের আঁকা খবরের কাগজ থেকে কেটে নকল করতেন। এইভাবেই নিজের ইচ্ছে, উৎসাহ আর অনুসন্ধিৎসা সঙ্গী করেই কার্টুন আঁকা শেখা। ২০১৫ সাল থেকে কলকাতার কার্টুনদলের একনিষ্ঠ সদস্য।
View Posts →
13 posts
স্বতন্ত্র‚ চমকপ্রদ ও মন ভালো করা খবর পেশ করার চেষ্টা করি আমরা | প্রতিবেদন বিষয়ে আপনাদের মতামত জানান 'কমেন্ট' বক্সে | আপডেট পেতে ফলো করুন https://www.facebook.com/banglaliveofficial/
View Posts →
13 posts
স্বপন সোম এ কালের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও সংগীত গবেষক। গান শিখেছেন মোহন সোম, মায়া সেন ও সুভাষ চৌধুরীর মতো কিংবদন্তীদের কাছে। দীর্ঘদিন ধরে 'দেশ' পত্রিকায় সংগীত সমালোচনা করেছেনl গান নিয়ে প্রবন্ধ লিখেছেন 'আনন্দবাজার পত্রিকা', 'দেশ', 'আনন্দলোক', 'সানন্দা', 'আজকাল', 'এই সময়', 'প্রতিদিন' প্রভৃতি পত্রপত্রিকায়l
View Posts →
13 posts
অপূর্ব দাশগুপ্ত 'পুরোগামী' পত্রিকার অন্যতম সম্পাদক। প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমি ও ভূমি সংস্কার বিভাগের অবসরপাপ্ত বিশেষ রাজস্ব আধিকারিক।
View Posts →
13 posts
অংশুমান ভৌমিকের জন্ম ১৯৭৫-এ কলকাতায়। ছেলেবেলা কাটিয়েছেন মামারবাড়ি নবদ্বীপে। গত চার দশক কলকাতার বাসিন্দা বা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরিজির এমএ হলেও বাবার 'দেশ' বরিশাল আর মায়ের 'দেশ' নদিয়ার মধ্যে দোদুল্যমান তাঁর অস্তিত্ব। পেশায় শিক্ষক, নেশায় কালচারাল কমেন্টেটর। বাংলা ও ইংরেজিতে লেখালেখি করছেন দু'দশকের বেশি। দেশবিদেশ থেকে প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা বারো। 'দ্য টেলিগ্রাফ' ও কৃত্তিবাস-এর নাট্যসমালোচক হিসেবে ইদানীং থিতু।
View Posts →
13 posts
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির স্নাতকোত্তর।পেশায় শিক্ষক। বেলুড় বিদ্যামন্দিরের ফোটোগ্রাফির ডিপ্লোমা। ভালোবাসেন বেড়াতে, ছবি তুলতে আর পুরোনো বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে।
View Posts →
12 posts
স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, পাহাড়িয়া এবং ভ্রামণিক, আলোকচিত্র শিল্পী (জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত), ললিত কলা একাডেমী পুরস্কার প্রাপ্ত (অনার মেন্সান), ‘Federation International de la Arte Photograhoque’ থেকে Excellence Honors প্রাপ্ত (EFIAP)। এছাড়াও তিনি একজন প্রকৃতি প্রেমিক ও পুষ্পপ্রেমিক। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের পুষ্প প্রদর্শনীর বিচারক। ওঁর লেখা প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়।
View Posts →
12 posts
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি নিয়ে গবেষণা করছেন। অনর্থনীতির উপাসক। নিবাস কোন্নগর। হাজরাতে দোল খেলার সুযোগ ঘটেনি, তবে পাঁজরাতে চোরা মফস্বল পুষে রাখার বদভ্যাস আছে। কবিতা ও কুকুরের সঙ্গে কোন নগরে সময় কাটান তা কেউ জানে না। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'ভাঙা বিকেলের টুকরো'।
View Posts →
12 posts
গৌতম বসুমল্লিকের জন্ম ১৯৬৪ সালে, কলকাতায়। আজন্ম কলকাতাবাসী এই সাংবাদিকের গ্রামে গ্রামে ঘুরে-বেড়ানো আঞ্চলিক ইতিহাস-চর্চার সুবাদে। মূলত কলকাতার ইতিহাস নিয়ে কাজ করলেও, এখনও বাংলার বিভিন্ন জেলায় ঘুরে বেড়ান ইতিহাস, স্থাপত্য বিষয়ক তথ্য সংগ্রহের জন্য। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন’ [UGC, Human Resource Development Centre (HRDC)]-র আমন্ত্রিত অতিথি শিক্ষক হিসেবে পড়াচ্ছেন দীর্ঘকাল। প্রকাশিত গ্রন্থ ‘কলকাতার পারিবারিক দুর্গাপুজো’।
View Posts →
12 posts
পেশায় সাংবাদিক প্রসেনজিতের জন্ম ১৯৮১-তে। লেখালেখির শুরু কবিতা দিয়েই। ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের ফেলো, প্রসেনজিতের গবেষণার বিষয় রাজনীতি, ধর্মতত্ত্ব ও সঙ্গীততত্ত্ব। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ছয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে লেখা। অবসরে ভালোবাসেন সরোদ বাজাতে, পুরনো চিঠি ও বই পড়তে।
View Posts →
12 posts
দুই পুরুষের সাংবাদিক দীপংকর চক্রবর্তীর চার দশকের পেশাগত জীবনের শুরু ও শেষ আনন্দবাজার পত্রিকায়। মাঝে এক দশক বেতার সাংবাদিকতা জার্মানিতে ডয়চে ভেলে, আর ওয়াশিংটন ডিসিতে ভয়েস অফ আমেরিকায়। প্রিন্ট মিডিয়া থেকে অবসর নিলেও মাল্টিমিডিয়ায় এখনও পুরোপুরি সক্রিয়। করেছেন বই সম্পাদনার কাজও। দেশে বিদেশে তাঁর অভিজ্ঞতার ভাণ্ডারও বিচিত্র ও চিত্তাকর্ষক।
View Posts →
12 posts
চাকরিজীবনের শুরুতে লেডি ব্রাবোর্ন কলেজের অধ্যাপিকা ছিলেন এবং পরবর্তীকালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান হয়ে অবসরগ্রহণ করেন। গৌড় বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্বও সামলেছেন। গল্প ও প্রবন্ধ লিখছেন কয়েক দশক। নারী ও সমাজ বিষয়ে ওঁর প্রবন্ধের সংকলন প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
12 posts
যূথিকা উত্তরবঙ্গের মেয়ে। পেশায় রেস্তোরাঁ ম্যানেজার। ভারতবর্ষের পাঁচটি শহরে বড় কিছু গ্রুপের সঙ্গে কাজ করার পর অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি দেন। ঘুরতে ঘুরতেই লেখালিখির সূত্রপাত। আপাতত মেলবোর্নে একটি নামী রেস্তোরাঁর দায়িত্বে আছেন। যূথিকা বিভিন্ন দেশের খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রা নিয়ে দুই বাংলার বেশ কিছু পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। প্রথম বই "আশাবরী" দুই বছর আগে প্রকাশ পেয়েছে। ভ্রমণ সম্পর্কিত লেখা ছাড়াও মুক্ত গদ্য এবং গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ লিখতে ভালোবাসেন।
View Posts →
12 posts
বিতান দে, বাংলা সাহিত্যের ছাত্র, অনুরাগী ও পাঠক। খাদ্য সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি ভালোবাসেন সিনেমা দেখতে ও খেলাধূলার চর্চা করতে। প্রকাশনা এবং কপি এডিটের নেশাকে পেশায় রূপদানের চেষ্টায় আছেন।
View Posts →
11 posts
রেবতীভূষণের স্নেহধন্য কার্টুনিস্ট তমাল ভট্টাচার্যের প্রথাগত শিক্ষা গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজে। তবে কার্টুনের প্রতি ভালবাসা অনেক শিশু বয়স থেকে। কলেজে পড়াকালীনই তাঁর কার্টুন ও অলঙ্করণ প্রকাশিত হয় নানা পত্রপত্রিকায়। সোনার বাংলা, গণশক্তি, কালান্তর প্রভৃতি সংবাদপত্র ছাড়াও কলকাতা দূরদর্শনের 'রঙ্গব্যঙ্গ' বিভাগে তাঁর কার্টুন ছিল নিয়মিত। প্রচ্ছদশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন নির্মল বুক এজেন্সি, নিউ বেঙ্গল প্রেস, ন্যাশনাল বুক এজেন্সি, উজ্জ্বল সাহিত্য মন্দির প্রভৃতি প্রকাশনা সংস্থার সঙ্গে।
View Posts →
11 posts
জন্ম ১৯৭৭। লেখা শুরু নব্বইয়ের দশকে। পঞ্চাশের বাংলা কবিতার আতিশয্যর বিরুদ্ধে এযাবৎ কিছু কথা বলেছেন। ভ্রমণে তীব্র অনীহা। কিংবদন্তি কবির বৈঠকখানা এড়িয়ে চলেন। এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - বিষণ্ণ দূরের মাঠ চার ফর্মার সামান্য জীবন, উদাসীন পাঠকের ঘর, লালার বিগ্রহ, নিরক্ষর ছায়ার পেনসিল, নাবালক খিদের প্রতিভা।  গদ্যের বই- নিজের ছায়ার দিকে, মধ্যম পুরুষের ঠোঁট। মঞ্চ সফলতা কিংবা নির্জন সাধনাকে সন্দেহ করার মতো নাবালক আজও।
View Posts →
11 posts
প্রেমেন্দু বিকাশ চাকী বাংলা সিনেমা জগতে একজন দক্ষ চিত্রগ্রাহক হিসেবে বহু কালজয়ী এবং সমাদৃত ছবিতে কাজ করেছেন। তাঁর সিনেমাটোগ্রাফি, ছবির নান্দনিকতাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁর বহু ছবিই সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। ভূষিত হয়েছে বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে। পরবর্তীকালে, তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনায় পদার্পণ করেন। পরিচালক হিসেবে মূলত পারিবারিক গল্প এবং মিষ্টি সম্পর্কের রসায়ন পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে ভালোবাসেন। পরিচালনার পাশাপাশি চলচ্চিত্র জগতের সাংগঠনিক ক্ষেত্রেও তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বর্ণময় কর্মজীবনে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ইস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনেমাটোগ্রাফার্স অ্যাসোসিয়েশনের (EICA) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (KIFF)-এর টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সুদীর্ঘ সময়। চলচ্চিত্রের কারিগরি বিষয়ে তাঁর ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার আলোকে সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন চলচ্চিত্র শিক্ষাকেন্দ্রে একজন অতিথি অধ্যাপক (Guest Lecturer) হিসেবে আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের সমৃদ্ধ করে চলেছেন তিনি।
View Posts →
11 posts
ইলেকট্রনিক্সের ছাত্রী ঈশানী রায়চৌধুরী তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ভাষান্তরের কাজে যুক্ত। নিজস্ব লেখালেখির মাধ্যম হিসেবে সবচেয়ে পছন্দ রম্য গদ্য আর ছোট গল্প | আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, ফ্রিডা কাহলো, খলিল জিব্রান, আর কে নারায়ণ প্রমুখ লেখকদের কাজ ভাষান্তর করেছেন। 'কৃষ্ণচূড়া আর পুটুস ফুল', 'আবছা অ্য়ালবাম', 'বাবু-টাবুর মা', ওঁর কয়েকটি প্রকাশিত বই।
View Posts →
11 posts
জন্ম জুলাই, ১৯৭১, কলকাতায়। ২০০৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূবিদ্যায় পিএইচডি। গল্প, কবিতা লেখালেখি ছাড়াও ইংরেজি এবং জার্মান ভাষা থেকে অনুবাদের কাজ বিশেষ পছন্দের। ২০১৬ সালে প্রকাশিত প্রথম কবিতার বই ‘অরণ্যমেঘবন্ধুর দল’ বিশেষ সমাদৃত হয়েছে।
View Posts →
11 posts
পেশায় ডাক্তার। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি বিষয়ে গবেষণায় নিযুক্ত। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখি করেন। বর্তমান ঠিকানা রায়গঞ্জ।
View Posts →
11 posts
ডঃ অমিতরঞ্জন বিশ্বাসের জন্ম, বেড়ে ওঠা কলকাতায়। ১৯৯৭ সাল থেকে লন্ডনের বাসিন্দা। পেশায় চাইল্ড নিউরো সায়কায়াট্রিস্ট এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। কিন্তু প্রবাসযাপন বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি শেকড়ের টান। ছেলেবেলা থেকেই নিয়মিত বাংলা নাটক, নাচ, সিনেমা, সাহিত্যের সঙ্গে বসবাস। হোমাপাখি নাটকের রচয়িতা যার মঞ্চায়ন করেছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় স্বয়ং। সৌমিত্রর সঙ্গে তৈরি করেছেন 'ব্রিজ' নামে চলচ্চিত্র যা একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কারে সম্মানিত। প্রকাশিত হয়েছে দুটি কবিতার বই।
View Posts →
10 posts
বিশিষ্ট চিত্রগ্রাহক অতনু পাল 'থার্ড আই ফটোগ্রাফি'-র কর্ণধার
View Posts →
10 posts
শেখর গুহ পেশায় আলোকবিজ্ঞানী। তাঁর শখ কলকাতা ও বাংলার ইতিহাস ঘাঁটা।
View Posts →
10 posts
আলোকময় দত্ত ২০১৭ সালে সিনিয়র প্রফেসর পদে সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স থেকে অবসর নেওয়ার পর রাজা রামান্না ফেলো হিসাবে সেন্ট্রাল গ্লাস অ্যান্ড সেরামিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটে তিন বছর অতিবাহিত করেন। বর্তমানে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক।
View Posts →
10 posts
অনুব্রত নামী বহুজাতিক সংস্থায় অতি উচ্চপদে আসীন ছিলেন। কিন্তু মনে মনে এখনও স্কটিশের সেই লেখা-পাগল ছাত্রটি। লেখালিখি তাঁর হাড়ে-মজ্জায়। নিয়মিত লেখেন পত্রপত্রিকায়। শখ, সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়ানো আর ইতিহাস ঘাঁটাঘাঁটি।
View Posts →
10 posts
ছাত্রী ইতিহাসের আর চাকরি গণমাধ্যমে। তাতে কী! নেশা কিন্তু আঁকা এবং লেখা। বিশেষত নকশা। নোটবুক ভর্তি তার প্রতিটি ছবিই গল্প বলে চলে। গুছিয়ে বসে বা দফতরের মিটিংয়ের ফাঁকে - রং কাগজ এবং কলম সবসময় মজুত।
View Posts →
10 posts
প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্রিটেনের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সের অধ্যাপক। অর্থনীতি ও রাজনীতি নিয়ে বিশেষ আগ্রহ। বাংলা ও ভারতের বিভিন্ন সংবাপত্রে অর্থনীতি, রাজনীতি ও বিজ্ঞান বিষয়ক একাধিক প্রবন্ধ লিখেছেন প্রবীরেন্দ্র। এছাড়াও লিখেছেন একাধিক কল্পবিজ্ঞান ও রহস্যকাহিনী। তাঁর প্রকাশিত বইগুলি হল 'বাইট বিলাস', 'ক্যুইজ্ঝটিকা', 'পরিচয়ের আড্ডায়', 'আবার ফেলুদা, আবার ব্যোমকেশ', এবং 'চার'।
View Posts →
10 posts
তুষ্টি হুগলি জেলার শেওড়াফুলির বাসিন্দা এবং বোটানিতে স্নাতক। গদ্য ও কবিতা লেখায় সমান আগ্রহ। প্রকাশিত কবিতার বইয়ের সংখ্যা তিন - ভিজে যাওয়া গাছ, ব্ল্যাক ফরেস্ট ও এরিসেডের আয়না। গদ্যের বইয়ের নাম পদাবলি।
View Posts →
10 posts
অরিজিৎ মৈত্র পেশায় সাংবাদিক। দৈনিক যুগশঙ্খ পত্রিকায় সিনিয়র সাব-এডিটার পদে কর্মরত। তপন সিংহ ফাউন্ডেশনের সম্পাদক অরিজিৎ পুরনো কলকাতা নিয়ে চর্চা করতে ভালবাসেন। নিয়মিত লেখালিখি করেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। প্রকাশিত বই: অনুভবে তপন সিনহা, ছায়ালোকের নীরব পথিক বিমল রায়, চিরপথের সঙ্গী - সত্য সাঁই বাবা, বন্দনা, কাছে রবে ইত্যাদি।
View Posts →
9 posts
ডাঃ ভাস্কর দাস পেশায় অস্থিশল্য চিকিৎসক। নেশা ফোটোগ্রাফি, লেখালেখি। ভ্রমণ ও বাংলার অতীত কৃষ্টি ও সংস্কৃতির খোঁজ প্রিয় বিষয়। লেখা প্রকাশিত দেশ, হরপ্পা, কৃত্তিবাস, সাপ্তাহিক বর্তমান, ইত্যাদি পত্রিকায়। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা পাঁচ। ২০২২ সালে ভ্রমণআড্ডা সংস্থার 'কলম' সম্মান প্রাপক।
View Posts →
9 posts
মৌসুমীর জন্ম কলকাতায় হলেও গত তিন দশক ধরে নিউ ইয়র্কই তাঁর বাসস্থান এবং কর্মস্থান। এক্কেবারে বিশুদ্ধ ক্যালইয়র্কার। শুঁটকি মাছ থেকে চন্ডীপাঠ, Grateful Deads থেকে সুপ্রীতি ঘোষ আর এই diasporic dichotomy-র জাগলিংয়ে হাত পাকাতে পাকাতেই দিন কাবার। ভালোবাসেন বই পড়তে, ছবি আঁকতে, রান্না করতে, আড্ডা মারতে আর ক্যামেরা হাতে ছবি তুলতে। তবে সবচেয়ে ভালোবাসেন সক্কলকে নিয়ে জমিয়ে বাঁচতে!
View Posts →
9 posts
জন্ম কলকাতায়। কর্মও মোটের ওপর এখানেই। কারণ, সম্ভবত এ শহরের প্রতি মাত্রারিক্ত মায়া। যৌবনে পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথাগত পড়াশুনোর প্রতি দায়বদ্ধতা ক্রমক্ষীয়মান, উল্টে সিলেবাস-বহির্ভূত নানা বিষয়ে আগ্রহ, বিশেষ করে রাজনীতি, ইতিহাস, ধর্ম, মনস্তত্ত্ব, সাহিত‍্য, সঙ্গীত ও সিনেমা। কর্মজীবনে শুরুর দিকে, বিভিন্ন বিনোদনমূলক বাংলা টেলিভিশন চ‍্যানেলে বেশ কিছু জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের পরিচালক। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক সিনেমার দুনিয়ায় সম্মানিত কয়েকটি ফিল্মের সম্পাদক। এরই মধ‍্যে, প্রথম সারির কয়েকটি টেলিভিশন চ‍্যানেলে চাকরি। বর্তমানে স্বাধীন ভাবে তথ‍্যচিত্র ও প্রচারমূলক ছবি নির্মাণ, বিভিন্ন অডিও-ভিস‍্যুয়াল মাধ‍্যমে ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত। আর, ব‍্যবসা সংক্রান্ত পরামর্শদাতা একটি সংস্থার অংশীদার। প্রথম প্রকাশিত গদ‍্য ২০০৬, ঋতুপর্ণ ঘোষ সম্পাদিত ‘রোববার’ পত্রিকায় (সংবাদ প্রতিদিন)। পরে, আনন্দবাজার পত্রিকা, এই সময় ও অন‍্যত্র। প্রবন্ধ বা ফিচারধর্মী লেখার পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে কয়েকটি ছোটগল্পও।
View Posts →
9 posts
রজতেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের জন্ম কলকাতায়, পড়াশুনো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে, লেখালেখির শুরু নয়ের দশকে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক পত্রপত্রিকা, লিটল ম্যাগাজিনে ছোটগল্প, কবিতা এবং নানা বিষয়ে প্রবন্ধ লিখেছেন। কবিতার বইয়ের সংখ্যা দশ। প্রচ্ছদ এঁকেছেন তিরিশেরও বেশি বইয়ের। পেশায় চাকরিজীবী।
View Posts →
9 posts
বর্তমান সময়ে বাংলা ছায়াছবি ও বিনোদন জগতের লেখালিখিতে জনপ্রিয় নাম শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন বাংলা ছবি সংক্রান্ত গবেষণায় ব্রতী রয়েছেন শুভদীপ। তিনি নিয়মিত সাংবাদিকতা করেন। একাধিক সংবাদপত্র, অনলাইন পোর্টাল ও পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর লেখা। শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা 'সুরের জাদুকর হেমন্ত' এই সময়ের বেস্টসেলার বই। লতা মঙ্গেশকরের বাংলা গান তৈরির গল্প নিয়ে শুভদীপের লেখা 'গানে গল্পে বাঙালির লতা' বইটি প্রকাশের পথে।
View Posts →
9 posts
সঙ্গীতজ্ঞ মানস চক্রবর্তীর সুযোগ্যা কন্যা শ্রীদর্শিনী উত্তর ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে তালিম নিয়েছেন এক্কেবারে শিশুবয়স থেকে। সঙ্গীত তাঁর শিরা-ধমনীতে। টাইমস মিউজিক থেকে বেরিয়েছে গানের সিডিও। মুম্বইয়ের ইন্ডিয়ান আইডল অ্যাকাডেমিতে মেন্টরের ভূমিকা পালন করেন শ্রীদর্শিনী। লেখালিখিও তাঁর পছন্দের বিষয়।তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'শীতের অব্যর্থ ডুয়ার্স', 'এসো বৃষ্টি এসো নুন', 'রাজা সাজা হল না যাদের' এবং 'জ্বর-জ্বর ইচ্ছেগুলো' পাঠকমহলে সমাদৃত।
View Posts →
9 posts
দু দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রিটেনে প্রবাসী পাঞ্চজন্য পেশায় সাইকিয়াট্রিস্ট। অবসর সময়ে লেখালেখি করতে ভালোবাসেন।
View Posts →
9 posts
প্রান্তিক বিশ্বাসের জন্ম কলকাতায়। স্কুলে থাকতে লেখা শুরু। ১৯৯৭ থেকে ২০০০ পর্যন্ত কালান্তর সংবাদপত্র, সময় ও গ্রন্থন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় গল্প, কবিতা ও রম্যরচনা। তারপর ২০০০ সাল থেকে দীর্ঘ পনেরো বছরের বিরতি লেখায়। ফিরে আসা ছোটগল্প, অণুগল্প, নিবন্ধ ও উপন্যাসে। তথ্যপ্রযুক্তির কর্মী, বর্তমানে কর্মরত কলকাতায়। লেখা ছাড়া ঘুরতে, ছবি তুলতে আর আঁকতে ভালোবাসেন।
View Posts →
9 posts
কাকলির জন্ম এবং পড়াশুনা কলকাতায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান স্নাতকোত্তরের ছাত্রী, পেশায় রিসার্চ ফেসিলিটেটর। বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি, কলেজ, ফাউন্ডেশানে রিসার্চ স্ট্র্যাটেজি এবং গ্রান্ট ডেভালেপমেন্টের কাজ করেন। বর্তমানে তিনি কানাডার ক্যালগেরি শহরের অধিবাসী। ঘুরেছেন নানা দেশ, ভালবাসেন সৃষ্টিশীল কাজ। লেখা তাঁর বহুদিনের ভালোবাসা। তার লেখায় ছুঁয়ে থাকে প্রকৃতি, প্রেম, পূজা আর মানুষের কাহিনি; কিছু গভীর অনুভবের আর অনুপ্রেরণার উপলব্ধি। গল্প ছাড়াও লেখেন প্রবন্ধ আর ভ্রমণ কাহিনি। তাঁর বেশ কিছু লেখা দেশ, সাপ্তাহিক বর্তমানে এবং অন্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
9 posts
বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সুশোভন অধিকারী একইসঙ্গে শিল্প-ঐতিহাসিক এবং সংরক্ষক। একদা কলাভবনের ছাত্র হিসেবে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। পরে সেখানেই তত্ত্বাবধায়ক পদে কর্মরত ছিলেন দীর্ঘকাল। বর্তমানের রবীন্দ্র-গবেষকদের মধ্যে তাঁর নাম অগ্রগণ্য। রবীন্দ্র চিত্রকলা নিয়ে রয়েছে বিশেষ অধ্যয়ন ও চর্চা। মাস্টারমশাই নন্দলাল নামে তাঁর লেখা বই পাঠকমহলে বহুল সমাদর পেয়েছে।
View Posts →
9 posts
অনির্বাণ ভট্টাচার্য পেশায় প্রসারভারতীর অধীনে দিল্লি দূরদর্শন কেন্দ্রের প্রোগ্রাম একজিকিউটিভ। লিখেছেন গদ্য, কবিতা, প্রবন্ধ। বিশেষ আগ্রহ - চলচ্চিত্র, প্রাচীন স্থাপত্য, মন্দির-শিল্প এবং ক্রীড়াজগত।
View Posts →
9 posts
এক সময় বাংলা খবরের চ্যানেলে প্রোডাকশনের পেশায় যুক্ত ছিলেন। বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে লেখালেখি করে আর দুই সন্তানের দেখভাল করেই হুশ করে কেটে যায় সংযুক্তার দিন। অবসর সময়ে ভালোবাসেন পরিবারের সকলের সঙ্গে বেড়াতে যেতে।
View Posts →
9 posts
পেশায় সাংবাদিক নীলার্ণব বিভিন্ন বাংলা সংবাদপত্র ও পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করেন। গল্প কবিতা ও ফিচার লেখায় সমান আগ্রহ ও দক্ষতা রয়েছে। প্রকাশিত বই রাতের কাহিনী, অসংলগ্ন রিপোর্টাজ, হাওয়ার আওয়াজ।
View Posts →
9 posts
বিশাখা ঘোষ পেশাগত বাঁধনে বাঁধা অর্থনীতির সঙ্গে। কিন্তু মন চায় ঘুরে ঘুরে বেড়াতে, আর অজানা পৃথিবীকে চিনতে। তাতে নিজেকেও তো চেনা হয়। আপনাকে জানাতে তাঁর ভারী কৌতূহল। ছাত্রাবস্থা কেটেছে প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁটাকল ক্যাম্পাস আর আইএসআই-তে। এখন কল্যাণী বিশ্ববিদ্য়ালয়ে অধ্যাপনা করেন। ভালোবাসেন আড্ডা মারতে।
View Posts →
8 posts
জন্ম ১৯৭১ সালে কলকাতায়। বর্তমানে রাজ্য সরকারের কর্মচারী। রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প ও কবিতা দুই বাংলার একাধিক ছোট ও বড় পত্রপত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশ পায়।
View Posts →
8 posts
অভিরূপ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৯৩ সালে, নদিয়ার কৃষ্ণনগগরে। বাংলা সাহিত্যে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বিশ্বভারতী থেকে এম.ফিল। বর্তমানে এশিয়াটিক সোসাইটি-র গবেষণা-প্রকল্পে যুক্ত। ২০২০ সালের কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে অভিরূপের প্রথম কবিতার বই ‘এই মন রঙের কৌতুক’, সপ্তর্ষি প্রকাশন থেকে।
View Posts →
8 posts
আঞ্চলিক ইতিহাস ও বিস্মৃত বাঙালিরা রজত চক্রবর্তীর চর্চার প্রিয় বিষয়। বর্তমান পত্রিকা, ভ্রমণ আড্ডা, হরপ্পা, পরম্পরা, মাসিক কৃত্তিবাস, নতুন কৃত্তিবাসের মতো নানা পত্রিকায় তাঁর লেখালেখি। 'পঞ্চাননের হরফ', 'গৌরপ্রাঙ্গণের গোরা', 'আশকথা পাশকথা', 'পান্থজনকথা', 'ধুলো মাটি বাংলা', 'সাঁকোটা দুলছে' তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ।
View Posts →
8 posts
আঁকা, ফুড আর্ট ও রান্নাবান্না সৌমীর প্যাশন। গাছপালা, প্রকৃতি ভালোবাসেন। যেকোনও সৃজনশীল কাজে আনন্দ পান। বিজ্ঞাপণ ও বিপণন নিয়ে পড়াশুনা করেছেন। লেখালেখি করতে পছন্দ করেন।
View Posts →
8 posts
শৈশবের পাঠ শুরু কলকাতায়। মায়ের কর্মসূত্রে মেয়েবেলার পড়াশুনো পূর্ব মেদিনীপুরে, লেখালেখিতে হাত পাকানো। নব্বইয়ের দশকে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক। জীবনের বাঁক বদল করে সাংবাদিকতায় আসা। বিভিন্ন পত্রপত্রিকার ফিচার ও সংবাদ বিভাগে লেখালেখি। কবিতা ও গল্প নিয়ে একটু আধটু চর্চার মুক্ত বাতাস জোগাচ্ছে পেশাতেও।
View Posts →
8 posts
লেখালেখির সূত্রপাত ছোটবেলায়। বর্তমানে শিক্ষকতার পাশাপাশি নিয়মিত কবিতা ও গল্প লেখেন তথ্যকেন্দ্র, গৃহশোভা, নবকল্লোল দৈনিক স্টেটসম্যান, সুখবর, সাতসকাল, দেশ, আনন্দবাজার রবিবাসরীয়, এই সময়-সহ আরো বহু বাণিজ্যিক পত্রিকায়। এই পর্যন্ত ইংরেজিতে লিখিত কবিতা ও গল্প ভারত-সহ বহু দেশে প্রকাশিত। নিবন্ধ ও ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে বাংলালাইভ, মহানগর, দ্য ওয়াল-সহ বহু অনলাইন ম্যাগাজিনে। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা সাত।
View Posts →
8 posts
সম্রাট মৌলিক পেশাদার কর্পোরেট জগতকে বিদায় জানিয়ে কাজ করছেন নদীর সঙ্গে। জল ও নদী সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ঘুরে দেখছেন ভারত-সহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের নদীব্যবস্থা, জানছেন ব্যবহারযোগ্য জলের সুষম বন্টনের পরিস্থিতি। ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও রাশিয়া- পাঁচটি দেশে এখন পর্যন্ত প্রায় পনেরো হাজার কিলোমিটার একা ভ্রমণ করেছেন দু চাকায় সওয়ার হয়ে। এছাড়াও প্রায় দু দশক ধরে হেঁটেছেন অনেক শহর, প্রত্যন্ত গ্রাম,অজানা পাহাড় ও জঙ্গল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যায়ের স্নাতক সম্রাটের শখ প্রজাপতি ও পোকামাকড়ের ছবি তোলা। প্রথম প্রকাশিত বই 'দাগ'।
View Posts →
8 posts
পড়ানোটা জীবিকা হলেও আসল নেশা বই পড়া। প্রথম ভালোবাসা কবিতা। কবিতা লিখতেই বেশি স্বচ্ছন্দ। দু'টি ক্ষীণকায় বই তার সাক্ষ্য বহন করছে - প্রতিপক্ষ হেরে যাচ্ছে এবং টেগোর সাব অথবা ছিন্নপত্র। আড্ডা দেওয়াটাও আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে মনে করেন। অলমিতি।
View Posts →
8 posts
জীবনে সবেমাত্র পেরিয়েছেন ছাব্বিশটি বসন্ত! বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং সঙ্গীতসাধনায় রত। নেশা গ্রামোফোন রেকর্ড সংগ্রহ। পত্রপত্রিকায় সঙ্গীতবিষয়ক বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছেন বাংলা ও ইংরাজিতে৷
View Posts →
8 posts
অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। কাজের ক্ষেত্র তথ‍্যপ্রযুক্তি। কিছুদিন স্মার্ট সিটিতে কাজ করেছেন। আড্ডাবাজ মানুষ। বইপড়া আর সিনেমা দেখা নেশা। কাজের সুত্রে সলিউশন ব্লুপ্রিন্ট, স্পেক্স, প্রপোজাল ইত্যাদি অনেক লিখেছেন। ইদানিং বাংলায় প্রবন্ধ, গল্প, ফিল্ম রিভিউ লেখার একটা চেষ্টা চলছে।
View Posts →
8 posts
বইয়ের প্রতি অগাধ ভালবাসা। প্রিয় ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রিয় বিষয় বাংলার আঞ্চলিক সংস্কৃতি। সাধারণ নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষদের জীবনধারা হয়ে উঠেছে আগ্রহের কেন্দ্র। হিন্দুস্থান টাইমস বাংলা ও এবিপি আনন্দে জীবনযাপন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাংবাদিক ছিলেন। পড়াশোনা অর্থনীতি নিয়ে।
View Posts →
8 posts
শ্রীজাত জাত-কবি। লেখা শুরু করেছিলেন নব্বইয়ের দশকের শেষাশেষি। ২০০৪-এ এসেই কাব্যগ্রন্থ 'উড়ন্ত সব জোকার'-এর জন্য আনন্দ পুরস্কার। গীতিকার হিসেবেও জনপ্রিয়তার শিখরে। পাওয়া হয়ে গিয়েছে ফিল্মফেয়ারও। ২০১৯-এর বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে বই 'যে জ্যোৎস্না হরিণাতীত', গদ্যসংকলন 'যা কিছু আজ ব্যক্তিগত' এবং উপন্যাস 'যে কথা বলোনি আগে'। এ যাবৎ প্রকাশিত বাকি কাব্যগ্রন্থের তালিকা এপিকসদৃশ দীর্ঘ। ট্রোলিংয়ের তোয়াক্কা না-করেই ফেসবুকে নিয়মিত কবিতা লিখে পাঠকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পছন্দ করেন টেক স্যাভি কবি।
View Posts →
8 posts
অরিন চক্রবর্তী। উত্তর ২৪ পরগণার বারাসাতে বেড়ে ওঠা। সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা। ছোট পত্রিকা প্রিয়, শব্দের ভিতর কুণ্ডলী পাকিয়ে ঘুমিয়ে আছে এই জীবন।
View Posts →
8 posts
সৌরপ্রভর জন্ম হাওড়ায়। বর্তমানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে পাঠরত। ফলে ছাত্র হিসাবে পরিচয় দিতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। কেতাবি পড়াশোনার পাশাপাশি আকাশবাণী কলকাতায় কর্মরত। বেশ কিছু পত্রপত্রিকা ও পোর্টালে নিয়মিত লেখালিখি করে থাকেন। পছন্দের বিষয় সাংস্কৃতিক ইতিহাস। ইতোমধ্যে প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দুই।
View Posts →
8 posts
সাংবাদিক, প্রশিক্ষিত নৃত্যশিল্পী ও নৃত্যসমালোচক। দীর্ঘদিন সম্পাদনা করেছেন সানন্দা পত্রিকা। যদিও কর্মজীবনের শুরু হয়েছিল দর্শনের অধ্যাপনা দিয়ে। পরে প্রাণের তাগিদে সাংবাদিকতাকেই পাকাপাকি ভাবে বেছে নেন। অবসর নেওয়ার পরও তুমুল ব্যস্ত। রান্নাবান্না, বেড়ানো, সাজগোজ নিয়ে অবিরাম পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতেই থাকে। ভালোবাসেন বই পড়তে, ভালো সিনেমা দেখতে আর খাওয়াতে। নিবিড় ভাবে বিশ্বাস করেন ভালো থাকায়, জীবনের রোম্যান্টিকতায়।
View Posts →
8 posts
নিবাস গুরগাঁও। পেশায় বাবুর্চি। নিয়মিত রান্না বিষয়ক লেখালেখি করেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। এছাড়া স্কুলছুট বাচ্চাদের স্কুলে ফেরানোর কাজ করেন শমীতা।
View Posts →
8 posts
ভূগোলের অধ্যাপিকা। ছোটবেলা থেকেই আঁকা-লেখার সৃজনশীল জগতে আনন্দ খুঁজে পান। ২০১৯ সালে প্রকাশিত হয়েছে প্রথম বই "দাড়িওয়ালা বুড়োটার"। এডওয়ার্ড লিয়রের ননসেন্স লিমেরিক ও ছড়ার বাংলা রূপান্তরের এই সংকলনের অলংকরণও তাঁর নিজের করা।
View Posts →
8 posts
শুভেন্দু দাশমুন্সী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, স্যর গুরুদাস মহাবিদ্যালয়। বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, গবেষক, সত্যজিৎ রায় বিশেষজ্ঞ। চিত্রনাট্যকার। গুপ্তধন সিরিজের সোনাদা চরিত্রের স্রষ্টা। গীতিকার। পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রকাশিত সার্ধশতবার্ষিক রবীন্দ্র রচনাবলীর সম্পাদক।
View Posts →
8 posts
পেশায় শিক্ষক | মূলত কবি হলেও সাহিত্যের অন্যান্য ক্ষেত্রেও তাঁর স্বচ্ছন্দ পদচারণা | পেয়েছেন কৃত্তিবাস ও বাংলা আকাদেমি শক্তি চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার | ‘নেহাত গরিব নেহাত ছোটো’, ‘দাঁড়াচ্ছি দরজার বাইরে’, ‘যতটুকু মেনে নিতে পারো’, ‘পতাকা নয় দিগন্ত’ ইত্যাদি তাঁর উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি |
View Posts →
8 posts
জন্ম কোচবিহার জেলায়৷ বড় হয়ে ওঠা আলিপুরদুয়ার জেলার হ্যামিল্টনগঞ্জে৷ কলেজে পড়াকালীন লেখালেখির প্রতি আগ্রহ জন্মায় এবং লেখার হাতেখড়ি৷ স্থানীয় ছোট পত্রপত্রিকায় প্রথম লেখা প্রকাশ৷ এরপর লেখায় দীর্ঘ সময়ের ছেদ পড়ে৷ আবার গত তিনবছর ধরে লেখায় ফেরা৷ কাব্যগ্রন্থ 'কিছুক্ষণ থাকা অথবা অনন্তকাল' ২০২০ কলকাতা বইমেলায় 'শুধু বিঘে দুই' থেকে প্রকাশিত৷ মূলত কবিতা লিখতে পছন্দ করেন৷ একটু আধটু গদ্যচর্চাও হয়৷
View Posts →
8 posts
প্রপা দে গঙ্গোপাধ্যায় পেশায় ডাক্তার, নেশায় কবি-গদ্যকার-লিমেরিকার। কবি ও কবিতার পরিমন্ডলে বড় হয়ে ওঠা প্রপার লেখা শুরু কবিতার হাত ধরে। এক অন্য ধরনের শৈলী-বর্ণ-ছন্দ-ভাবনা নিয়ে পথ চলার সূচনা মায়ের আঙুল ধরে। মা প্রখ্যাত কবি চিণ্ময়ী দে। সমাজ ও সময়, কলম, ষড়রিপু আর মনস্তত্ত্ব নিয়ে জাগলিং করার সাহচর্য ও সাহস যুগিয়েছে। মোদ্দা কথা হল, ইনি জাতে কলমচি তালে ডাক্তার। বোহেমিয়ান, ব্রাউনিয়ান প্রপার বিচরণ সাহিত্যের অন্দরে, বন্দরে।
View Posts →
8 posts
অরিঞ্জয় বিশ্বাস বাসন্তীদেবী কলেজে ইতিহাসের অধ্যাপক। বইপত্তরে ডুবে থাকতে পারলে আর কিছু চান না। তবে বিশেষ শখ বলে খুব একটা কিছু নেই। কাজ অনেক। তবে মূলত অকাজে ব্যস্ত মানুষ। ঠায় চুপটি করে বসে থাকতে ভালোবাসেন।
View Posts →
8 posts
ডাঃ শুভায়ু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম আসানসোলে। সেখানে স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাশ করা। অতঃপর প্রবাসী। কর্মসূত্রে সুদূর স্কটল্যান্ডের বাসিন্দা। স্কটল্যান্ডের অন্যতম বিখ্যাত অ্যাবার্ডিন রয়্যাল ইনফার্মারি হাসপাতালে মহিলা ও শিশুবিভাগে ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর। বইপড়া, বই সংগ্রহ বাতিক! লেখার অভ্যেস ছোট থেকেই। দেশ, আনন্দবাজার, সন্দেশ, সৃষ্টির একুশ শতক, কবিতীর্থ-তে লেখালিখি করেন। বই নিয়ে লিখতে ভালবাসেন।
View Posts →
8 posts
আকাশ লিখতে ভালোবাসে, ভালোবাসে গাছপালা আর বাইক রাইড! একসময় খেলাধুলার সঙ্গে কাটিয়েছে এক দশকেরও বেশি সময়। গত বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলা পোর্টালে কর্মরত। যদিও মন থেকে ব্যবসার প্রতি এক অদ্ভুত টান আছে তার!
View Posts →
7 posts
স্নিগ্ধা সেন পারিবারিক সূত্রে ওপার বাংলার হলেও আজন্ম কলকাতারই বাসিন্দা। চল্লিশ বছরেরও বেশি ইংরাজি সাহিত্যের অধ্যাপনা করেছেন, প্রথমে ভিক্টোরিয়া ইন্সটিটিউশনে, এবং পরে একাধিক ওপেন ইউনিভারসিটিতে। সাহিত্যচর্চার শখ বহুদিনের। আশি পেরিয়েও চর্চা চলছে পূর্ণ উদ্যমে। কলকাতার অনেক পত্র পত্রিকায় লেখা বেরিয়েছে - গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ। সাম্প্রতিক প্রকাশিত দুটি বই – ‘হ্যামলেট’ এবং ‘ওদের কি খেতে দেবে’।
View Posts →
7 posts
সুমন ঘোষের বসবাস বীরভূম জেলার বাতিকার গ্রামে। পেশা শিক্ষকতা। যদিও কবিতা ও সাহিত্য নিয়েই তাঁর অবিরাম উদাসীন পথ চলা। সপ্তর্ষি থেকে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কাব্যগ্রন্থ বারোয়ারি কমিটির থিয়েটার। নিয়মিত লেখেন দেশ, কৃত্তিবাস, উনিশ কুড়ি, কবিসম্মেলন, এখন শান্তিনিকেতন-সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও পোর্টালে। ভালবাসেন নাটক, গান, চিঠি ও কলম। তিনি জানেন জীবন অরূপে গলে যাবে তথাপি তিনি আজন্ম রোমান্টিক ও স্বপ্নচারী।
View Posts →
7 posts
সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে সাম্মানিক বাংলা সহ স্নাতক, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ও এম ফিল, বর্তমানে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, কলকাতায় পিএইচডি গবেষণারত।
View Posts →
7 posts
কলকাতার বাসিন্দা | নব্বই দশকের কবি | কৃতি ছাত্রী | সরকারি আধিকারিক | একাধিক পুরস্কারপ্রাপ্ত | উল্লেখ্যোগ্য গ্রন্থের নাম পিশাচিনী কাব্য (১৯৯৮)‚ আবার প্রথম থেকে পড়ো (২০০১)‚ মেয়েদের প্রজাতন্ত্র (২০০৫) | কবিতাগদ্যে মননশীল্‚ গল্পেও স্বচ্ছন্দ |
View Posts →
7 posts
পেশায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মী। নেশা বহুল। গ্রুপ থিয়েটার, পাখির ছবি তোলা আর পাহাড়ে পাহাড়ে ভ্রমণ তার মধ্য়ে তিন। খেপে ওঠেন সহজে। হেসে ওঠেন গরজে! খেতে ও খাওয়াতে ভালোবাসেন। আর পছন্দ টেলিভিশন দেখা!
View Posts →
7 posts
উৎপল চক্রবর্তী ইংরেজি ভাষার শিক্ষক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক ও কবি। ২০১৭ সালে প্রথম দেশ পত্রিকায় ওঁর কবিতা প্রকাশিত হয়। সিগনেট থেকে প্রকাশিত কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম 'উড়ন্ত ডলফিন' এবং শাম্ভবী থেকে প্রকাশিত প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ, 'দ্যা মার্ক'। কলকাতার নবোদয় পাব্লিকেশন থেকে বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় স্তরে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে ওঁর দশটিরও বেশি বই।
View Posts →
7 posts
আকাশবাণী কলকাতার ট্রান্সমিশন এক্সিকিউটিভ। পেশাগত সূত্রে দীর্ঘদিন লেখালেখির সঙ্গে জড়িত। পরিবার আর কাজের বাইরে অক্ষর আর প্রকৃতি অবসরের সঙ্গী।
View Posts →
7 posts
কর্মসূত্রে সাংবাদিক। কিন্তু তা বাদে অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার, অডিয়ো গল্পের লেখক ও পরিচালকও। প্রকাশিত হয়েছে তিনটি গ্রন্থ। ইতিহাসের ছাত্র, তাই খুঁজে বেড়ানোর ঝোঁক সেই সব পুরনো অলিগলি। ঘোর পেসিমিস্ট, আবার জাত অপটিমিস্টও যে!
View Posts →
7 posts
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেমার মাস্টার মশাই ছিলেন বলে বা সরকারি প্রতিষ্ঠান 'রূপকলা কেন্দ্র'-র অধিকর্তা ছিলেন বলে তাঁর নামের পাশে 'চলচ্চিত্রবেত্তা' অভিধাটি স্বাভাবিক ভাবেই বসে যায়। আসলে কিন্তু সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় একজন চিন্ত্যক ও আমাদের সাংস্কৃতিক আধুনিকতার ভাষ্যকার। কাব্য বা উপন্যাস, চিত্রকলা বা নাটক,জনপ্রিয় ছায়াছবি বা রবীন্দ্রসংগীত-যে কোন পরিসরেই সঞ্জয় এক ধরনের মৌলিক ভাবনার বিচ্ছুরণ ঘটান। সেই মনোপ্রবণতায় আকাদেমিয়ার জীবাশ্ম নেই বরং ছড়িয়ে থাকে মেধার কারুবাসনা। আলোচনাচক্রে, দেশে ও বিদেশে,বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ভাষনে তিনি প্রতিষ্ঠিত বক্তা। ঋত্বিক ঘটকের প্রবন্ধাবলী সহ সম্পাদনা করেছেন একাধিক গ্রন্থ। অনুবাদ করেছেন ছটি বিখ্যাত সিনেমার চিত্রনাট্য। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা আট। একমাত্র উপন্যাস 'বুনো স্ট্রবেরি' ইতিমধ্যেই তরুণ মহলের নজরে। হাইকোর্টসঙ্কুল এই শহরে তিনি নিজেকে 'আমুদে বাঙাল' ভেবেই খুশি।
View Posts →
7 posts
অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জন্ম ১৯৫৮ সালে, কলকাতায়। সংগীতের শিক্ষা প্রথমে মা আরাধনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। পরে সরোদের শিক্ষা ধ্যানেশ খান, আশীষ খান,বাহাদুর খান,নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় ও আলি আকবর খানের কাছে। সংগীত পরিবেশন করেছেন দেশ ও বিদেশে। সরোদ ছাড়াও বিরল যন্ত্র 'সুরশৃঙ্গার'-এ পারদর্শী এবং ভারত সরকারের 'সিনিয়র ফেলোশিপ' অর্জন করেন ২০০১ সালে। কলকাতার দু-টি ইংরেজি দৈনিকে দীর্ঘকাল সংগীত সমালোচকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পাঁচটি তথ্যচিত্র পরিচালনাসহ চলচ্চিত্রে ও বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছেন। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখা ছাড়াও উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ— ‘আপনাদের সেবায়’, ‘আমার জীবনী’, ‘সুরের গুরু আলাউদ্দিন’, ‘প্রসঙ্গ ঠুংরি’, ‘উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্যে হিন্দুস্থানী সংগীত’, ‘সৌমিত্রদার কথা গানগপ্পো’, ‘সেতার সরোদ চর্চার ইতিহাস’। মুম্বাইয়ের 'সুরমণি', বিশাখাপত্তমের 'সরোদ বিদ্বান', কলকাতার 'চিদাকাশ' ও 'গুরুশ্রী' সম্মানে ভূষিত। ছবি সৌজন্য: সঞ্জিত চৌধুরী
View Posts →
7 posts
বাংলা সাহিত্য নিয়ে শান্তিনিকেতন ও প্রেসিডেন্সিতে পড়াশোনা। পরে শিক্ষাঙ্গনকেই বেছে নিয়েছেন কর্মজগত্‍ হিসেবে। তবে লেখালিখিই প্রথম ভালবাসা। ছোটদের ও বড়দের –-- দু'রকম লেখাতেই সমান স্বচ্ছন্দ। ছোটদের ও বড়দের গল্প-উপন্যাসের পাশাপাশি শান্তিনিকেতনের মেয়েদের হস্টেল জীবন নিয়ে তাঁর লেখা 'শ্রীসদনের শ্রীমতীরা' পাঠকসমাজে সমাদৃত। প্রিয় বিষয় সিনেমা, নাটক, রহস্য ও ইতিহাস।
View Posts →
6 posts
অনিতেশ চক্রবর্তী বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র। গবেষক। পড়ানো ছেড়ে বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কাজ। অত:পর আরও কয়েকজনের সঙ্গে মিলিতভাবে নিজস্ব সংস্থা। ভালোবাসেন তথ্যচিত্র বানাতে। বনগ্রাম ও বনাধিকার নিয়ে কাজের সূত্রে উত্তরবঙ্গ তথা ভারতের নানা বনাঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। সম্পাদনা করেছেন একাধিক পত্রিকা ও মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক দুটি বই। কবিতার বইও আছে একটি।
View Posts →
6 posts
সংগ্ৰাহক ও সুন্দরবন বিষয়ক গবেষক, ফোকলোর বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
View Posts →
6 posts
পেশায় সাংবাদিক। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপনে স্নাতকোত্তর। বাংলার পুতুল শিল্পকে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। লেখকের, ‘আমাদের কথা’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। সেখানে বাংলার বিভিন্ন জেলার মাটির পুতুল নিয়ে ১৫০ টি পর্বে ভিডিও করেছেন তিনি। শিল্পীদের ঘরে গিয়ে শুনেছেন তাঁদের মনের কথা। এছাড়া শিবের মুখোশ, চালচিত্র, লক্ষ্মী সরা, মনসা ঘট, মনসা চালি, ছলনের ঘোড়া নিয়েও তিনি পর্ব তৈরি করেছেন তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে। লেখক নিজে পুতুল সংগ্রাহক। এই লেখায় ব্যবহৃত ছবিগুলো লেখকের নিজের সংগ্রহে থাকা পুতুলের।
View Posts →
6 posts
ঝিলমের জন্ম ১৯৮৪ -তে। দর্শনের ছাত্রী ছিলেন। লেখায় প্রবেশ সাতাশ বছর বয়সে। অনুভূতির গভীরে তাঁর লেখার শিকড়। ২০১৫ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ "নিরুদ্দেশ সম্পর্কিত ঘোষণা"। ২০২০-তে দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ "বৃষ্টি পড়া বাড়ি", প্রতিভাস থেকে। ২০২১-এ প্রকাশিত হয় তৃতীয় কবিতার বই "আখরোট" এবং ওই একই বছর, কাশ্মীর থেকে তাঁর বাংলা কবিতার ইংরাজি অনূদিত কাব্যসংকলন- "Memoir Of a Girl" প্রকাশিত হয় মৌলীনাথ গোস্বামীর অনুবাদে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত লিখে চলেছেন। "দেশ" অনলাইন পত্রিকায় "নির্বাচিত কবি"-র সম্মান পেয়েছেন। লিখতেই হয় তাঁকে ঈশ্বরের অদৃশ্য নির্দেশের মতো।
View Posts →
6 posts
গৌতম গঙ্গোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক। তিনি বর্তমানে সত্যেন্দ্রনাথ বসু প্রতিষ্ঠিত বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের কর্মসচিব। বাংলায় বিজ্ঞান বিষয়ে লিখতে ভালোবাসেন। প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে আছে সত্যেন্দ্রনাথের একটি ছোট জীবনী।
View Posts →
6 posts
আইভি চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৬৩ সালে ইস্পাতনগরী জামশেদপুরে। সে শহরের সঙ্গে তাঁর নাড়ির যোগ। পরিবেশবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা। ব্যাংকে চাকরি করেছেন। নেশা বই পড়া। সর্বভূক পাঠক। দীর্ঘদিন ধরে লেখালিখির জগতে রয়েছেন। বিভিন্ন নামী পত্রপত্রিকা ও ওয়েবজিনে তাঁর গদ্য প্রকাশিত হয়। বইয়ের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত বারো।
View Posts →
6 posts
একজন কবি, গদ্যকার এবং সাংবাদিক। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘গওহর জান’, ‘উড়তে চললাম কমরেড’, ‘ঘুম হও অজস্র অপরাজিতা’, ‘বিলম্বিত দুপুর’, ‘ও ডার্লিং তুমি শুধু দৃশ্যমান হাওয়া’। দৈনিক অনলাইন মিডিয়া, বঙ্গদর্শন-এ সহযোগী সম্পাদক ও বিষয়বস্তু প্রধান।
View Posts →
6 posts
বেবী সাউ মূলত কবিতা এবং প্রবন্ধ লেখেন। জন্ম পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলায়। বর্তমানে ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর শহরে থাকেন। জামশেদপুর আকাশবাণীতে কর্মরত। কবি বেবী সাউ-এর "কাঁদনাগীত: সংগ্রহ ও ইতিবৃত্ত" বইটি 'কৃত্তিবাস মাসিক পুরস্কার ২০১৯' এবং 'বাংলা একাদেমি তাপসী বসু স্মারক সম্মান ২০২০' পুরস্কারে পেয়েছে। তাঁর কবিতার বইগুলিও একাধিক সম্মান পেয়েছে। যেমন- রাঢ় বাংলা রোদ্দুর সম্মান, বইতরণী পুরস্কার, শব্দপথ যুব সম্মান এবং 'এখন শান্তিনিকেতন' পদ্য সম্মান।
View Posts →
6 posts
আত্রেয়ী চক্রবর্তী। জন্ম ১৯৯২, হাওড়ায়। কবি, ওড়িশি নৃত্যশিল্পী। ইংরেজি সাহিত্যে এম.এ করলেও, মূলত লেখালেখি করেন বাংলা ভাষায়। প্রকাশিত কবিতার বই - আফজলকে লেখা চিঠি
View Posts →
6 posts
ড. সুমনকুমার মুখোপাধ্যায় একজন অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ। সুদীর্ঘ ৪৬ ধরে তিনি অধ্যাপক এবং গবেষক হিসেবে বিভিন্ন দেশী বিদেশি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন যার মধ্যে এক্সএলআরআই, আইআইএসডব্লুবিএম, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ কলকাতা, আইআইটি দিল্লি, উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও সুমন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের একাধিক উপদেষ্টা পর্ষদের সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি সেন্ট জেভিয়ার্স কলকাতা, সেন্ট স্টিফেনস দিল্লি ও দিল্লি স্কুল অফ ইকনমিকসের প্রাক্তনী। বর্তমানে অ্যাডভাইসরি বোর্ড অন অডুকেশন, গভর্নমেন্ট অফ ওয়েস্ট বেঙ্গলের সদস্য, চেয়ারম্যান ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং অ্যান্ড বিজনেস কমিউনিটির সদস্য, ফেডারেশন অফ স্মল অ্যান্ড মিডিয়ম ইন্ডাস্ট্রিজের সদস্য, ওয়েস্ট বেঙ্গল ইকনমিকস সাব কমিটি, বিসিসিঅ্যান্ডআই, এমসিসিঅ্যান্ডআই, অ্যাসোচ্যাম ইত্যাদি বোর্ডের সদস্য। তিনি সেনার্স-কে নামক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ের গবেষকদের সংগঠনের আজীবন সদস্য। বর্তমানে ভবানীপুর গুজরাটি এডুকেশন সোসাইটি কলেজের ডিরেক্টর জেনেরাল।
View Posts →
6 posts
অনুপ ঘোষাল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মচারী। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর করেছেন। কবিতা লেখার শুরু স্কুল ম্যাগাজিনে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা লেখালেখি করেন। তবে লেখার চেয়ে পড়ার আগ্রহ বেশি। সাহিত্য ও ইতিহাস ওঁর প্রিয় বিষয়। এর বাইরে অনুপকে সবচেয়ে আকৃষ্ট করে মানুষ আর প্রকৃতি।
View Posts →
6 posts
কস্তুরী ইতিহাসে এমএ পাশ দিয়েছেন। চাকরিও করেছেন বেশ কিছু কাল। এখন ফ্রিলান্স লেখালিখি করেন বিভিন্ন পত্রিকায়। বেশ কিছু বছর আনন্দবাজার পত্রিকার "উৎসব" পত্রিকায় নিয়মিত লিখেছেন। গান শুনতে আর সিনেমা দেখতে ভারী ভালবাসেন।
View Posts →
6 posts
সবর্ণা শূন্য দশকের কবি। জন্ম, বেড়ে ওঠা চন্দননগরে। কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে স্নাতকোত্তর। গান, নাচ, ছবি আঁকার সঙ্গে সঙ্গে গড়ে ওঠে নিজস্ব ভাবনার জগৎ। পরবর্তীতে হঠাৎই কবিতাকে আঁকড়ে ধরা। গদ্য কবিতার পাশাপাশি ছন্দে লিখতেও ভালবাসেন। ২০১৮-তে সিগনেট প্রেস থেকে প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'চারদেওয়ালি চুপকথারা'। ২০১৯-এ পেয়েছেন সোনাঝুরি সাহিত্যসম্মান। ২০২০-তে বইতরণী থেকে প্রকাশ পায় তাঁর 'সাদা হরফের হাঁসগুলি' ই-বুক। ২০২১ সালে পূর্বা থেকে প্রকাশিত হয় ' রোদসংসার ও তারামন্ডল'। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত কবিতা ও প্রবন্ধ লেখেন। কিশোর সাহিত্যেও আগ্রহী।
View Posts →
6 posts
মহুয়া এক কর্পোরেট সংস্থায় কর্মরত কাউন্সিলর। ভ্রমণ এবং নতুন নতুন খাদ্য-সংস্কৃতি সম্বন্ধে তাঁর অসীম আগ্রহ।
View Posts →
6 posts
মৈনাক বিশ্বাস যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্ম স্টাডিজ বিভাগে অধ্যাপনা করেন এবং মিডিয়া ল্যাব পরিচালনা করেন। চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ওঁর নানা প্রকাশনা রয়েছে। হেমাঙ্গ বিশ্বাসের বই 'উজান গাঙ বাইয়া' (১৯৮৯, ২০১৮) ও 'গানের বাহিরানা' (১৯৯৮) সম্পাদনা করেছেন।
View Posts →
6 posts
ছিলেন নামী কোম্পানির দামী ব্র্যান্ড ম্যানেজার। নিশ্চিত চাকরির নিরাপত্তা ছেড়ে পথের টানেই একদিন বেরিয়ে পড়া। এখন ফুলটাইম ট্র্যাভেল ফোটোগ্রাফার ও ট্র্যাভেল রাইটার আর পার্টটাইম ব্র্য্যান্ড কনসাল্টেন্ট। পেশার সঙ্গে মিশিয়ে নিয়েছেন নেশাকেও। নিয়মিত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হয় বেড়ানোর ছবি এবং রাইট আপ।
View Posts →
6 posts
তিলােত্তমা মজুমদারের জন্ম উত্তরবঙ্গে। কালচিনি চা-বাগানে ইউনিয়ন একাডেমি স্কুল, আলিপুরদুয়ার কলেজ এবং স্কটিশ চার্চ কলেজে পড়াশোনা। ১৯৯৩ থেকে লিখছেন। সাহিত্য রচনার প্রথম অনুপ্রেরণা দাদা। ভালবাসেন গান ও ভ্রমণ| ‘বসুধারা' উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং সেইসঙ্গে পেয়েছেন আরও অন্যান্য সাহিত্য পুরস্কার। ২০১৭-তে অংশ নিয়েছেন আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সাহিত্য কর্মশালায়।
View Posts →
6 posts
অনুভা পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। সরকারি চাকরি করেন। লেখালেখি প্যাশন। সানন্দা ব্লগ, শুকতারা, এখন ডুয়ার্স, অপার বাংলা, প্রসাদ-সহ প্রচুর পত্রপত্রিকা, লিটিল ম্যাগাজ়িন, ওয়েবজিন ও সংবাদপত্রে গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, রম্যরচনা প্রকাশ পেয়েছে। সন্ধ্যা ভট্টাচার্য স্মৃতি প্রতিযোগিতায় পুরষ্কার পেয়েছেন ছোটদের জন্য লিখে। কলকাতা আন্তর্জাতিক অণু চলচ্চিত্র উৎসব ২০২০-তে, অমিয়া ভৌমিক স্বর্ণকলম পুরস্কার পেয়েছেন। কলকাতা আন্তর্জাতিক অণু চলচ্চিত্র উৎসব ২০২১-এর বিচারক ও সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য।
View Posts →
5 posts
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী, মধুছন্দার পাঠকসমাজে পরিচিতি মূলত ভ্রমণকথা, গদ‍্যলিখন ও কবিতার আনুকূল‍্যে। বাংলা ও বর্হিবঙ্গের প্রায় সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক সংবাদপত্র ও ম‍্যাগাজিন, লিটল ম‍্যাগাজিনের নিয়মিত লেখক মধুছন্দার জায়মান অনুভবে ভ্রমণ আখ‍্যানের অনায়াস যাতায়াত। নিজস্ব ভ্রামণিক অভিজ্ঞতার নিরিখে উপলব্ধিগত জীবন ও অনুভবকে অক্ষরযাপনের ছত্রে ছত্রে ছড়িয়ে দেন আত্মমগ্ন উচ্চারণে।
View Posts →
5 posts
ডঃ আনন্দ সেনের জন্ম কলকাতায়। হিন্দু স্কুল ও পরে সেন্ট জেভিয়ার্সে স্কুলজীবন কাটিয়েছেন। ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিকাল ইনস্টিটিউটে স্নাতকস্তরের পড়া শেষ করেই পাড়ি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেই বাসা। পেশায় ডেটা সায়েন্টিস্ট হলেও কবিতা লেখা আজও প্যাশন। আরও এক প্যাশন বাংলা থিয়েটার। প্রবাসে থেকেও নিয়মিত থিয়েটারের কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত আনন্দ। নিয়মিত লেখেন বিভিন্ন ই-পত্রপত্রিকাতেও।
View Posts →
5 posts
খাওয়ার জন্য বাঁচেন। চোখ বেঁধে খেতে দিলেও রুই ও কাতলা মাছের পার্থক্য নিরূপণ করতে পারেন। আর চোখ খোলা থাকলে? মুখে না-তুলে রান্না করা খাবারের রং দেখেই বুঝতে পারেন, নুন বেশি হয়েছে নাকি কম।
View Posts →
5 posts
দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত সুস্নাত এখন মুদ্রণশিল্পের ওপর মনযোগ দিয়েছেন। বোধশব্দ পত্রিকা ও প্রকাশনীর সম্পাদকের দায়িত্ব সামলে সময় পেলেই লেখালেখি করেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। বই প্রকাশের নানা দিক নিয়ে ওয়র্কশপ পরিচালনা করে থাকেন।
View Posts →
5 posts
সকালে কবিতা লেখেন আর সন্ধ্যায় সংবাদ । এই স্বআরোপিত দ্বিচারিতার মধ্যেই ফ্রিস্টাইল বেঁচে থাকা । পেশার সূত্রে দেড় দশক দিল্লিতে অতিক্রান্ত। ভ্রমণ যত্রতত্র, কাব্যগ্রন্থ আপাতত পাঁচটি। জন্ম ১৯৭০, কলকাতা।
View Posts →
5 posts
অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম উত্তর চব্বিশ পরগণায় জন্ম ১৯৫৩ সালে। কলকাতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। প্রথাগত পড়াশোনা থেকে চিরকালই পলাতক। লেখালেখির সঙ্গে জড়িত প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে। ফিলহাল ডিজিটাল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় মনোনিবিষ্ট। চাকরি ঘুরে ফিরে বিভিন্ন জায়গায়।
View Posts →
5 posts
শিখা সেনগুপ্ত বিজ্ঞানের স্নাতক। ছোটবেলা থেকেই বইপড়ার নেশা, book worm বলা যায়। কলেজ জীবন থেকে লেখালেখি শুরু। অফিস জীবনেও আনন্দবাজার সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বিশেষ কলাম ও ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি ব্যাংক থেকে অবসরের পরে প্রথম শ্রেণীর বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, দেশ, ভ্রমণ ও আনন্দবাজারে তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
View Posts →
5 posts
পেশায় সাংবাদিক হলেও হৃদয়ে চিরনবীন কবি। এখনও বসন্ত এলে পলাশ ফুলের দিকে তাকাতে, কচি ঘাসের গন্ধ শুঁকতে আর সুপর্ণার বিরহে পাশ ফিরতে ভালোবাসেন। ছবি লেখেন গদ্যে। আনন্দবাজার পত্রিকার “অন্য পুজো” কলাম লিখে সুপরিচিত। পরে সেটি গাংচিল থেকে বই আকারে প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি ফেসবুক কলাম নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর বই নুনমরিচের জীবন।
View Posts →
5 posts
প্রথম ছাপার অক্ষরে লেখা প্রকাশ‌ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে। আপাতত এক কুড়ি গ্রন্থের প্রণেতা। বাংলা গ্রন্থ জগতে ভ্রমণ, রেল, রেল-ভ্রমণ, রহস্য-ভ্রমণ ও অরণ্য-ভ্রমণের ওপরে নজর কেড়েছেন । প্রণীত করেছেন ভ্রমণ কাব্যগ্রন্থও।
View Posts →
5 posts
জনপ্রিয় কবি ও গদ্যকার। ধুলোখেলা গ্রন্থের জন্য পেয়েছেন বাসুদেব দেব সংসদ সম্মান ২০১৪। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ওড়ে চিঠি তোমার শহরে, ধ্যান আর ধুলোর ভাস্কর্য, ভালোবাসা, ভালো, হে বিষাদ, ছুঁয়ে থেকো, মেহগিনি মেমরিজ।
View Posts →
5 posts
সংগ্রামী ইঞ্জিনিয়ার, পেশায় কনসালট্যান্ট। শাস্ত্রীয় সংগীত নিয়ে চর্চা। অল ইন্ডিয়া রেডিওর এ গ্রেড শিল্পী। লেখালেখির অভ্যাসও ছোট্টবেলা থেকে, বাবা-মা'র উৎসাহে। বর্তমানে কর্মসূত্রে নিউ জার্সির পার্সিপেনি শহরে বসবাস। তবে বিদেশে বসেও সাহিত্যচর্চা চলে জোর কদমে। নিউ জার্সি থেকে প্রকাশিত 'অভিব্যক্তি' ও 'অবসর' পত্রিকার সম্পাদক। এছাড়া ‘উদ্ভাস’, ‘প্রবাসবন্ধু’, টেকটাচটক, ‘গুরুচণ্ডা৯’, 'ইত্যাদি ই-ম্যাগাজিনের নিয়মিত লেখিকা।
View Posts →
5 posts
মালিপাখি ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করেন গদাধর সরকার। তাঁর জন্ম ১৯৬৭ সালে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। সেখানেই বেড়ে ওঠা। পেশায় ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের কর্মচারী। নেশায় কবি। ছোটদের কথা, নীল আকাশ, টুকলু, তিতলি, জীবনকুচি প্রভৃতি পত্রিকায় ইতিমধ্যেই তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে। ডি এম লাইব্রেরি থেকে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর বই - মালিপাখির ছড়া সংগ্রহ।
View Posts →
5 posts
রবীন্দ্রসাহিত্যের বিপুল সম্ভার থেকে কিছু মণিমুক্তো তুলে এনে সাজিয়ে দিল বাংলালাইভ। মলাট কাহিনির বিষয় হোক বা বিশেষ কোনও ঘটনা, সবক্ষেত্রেই আজও প্রাসঙ্গিক যাঁর লেখা, তাঁকেই পুনরাবিষ্কার করতে চেয়ে বাংলালাইভের এই প্রয়াস।
View Posts →
5 posts
আশির দশকে হাওড়ার বর্ধিষ্ণু যৌথ পরিবারের ঘোরাটোপ ছেড়ে বেরিয়ে বিজ্ঞান গবেষণা করতে মার্কিনদেশে চলে এসেছিলেন রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের প্রাক্তনী স্বপ্না রায়। সঙ্গী স্বামী রাহুল রায়। রবীন্দ্রসঙ্গীতের একনিষ্ঠ ভক্ত স্বপ্না তিন দশক আগে আমেরিকার বস্টন শহরে তৈরি করেন রবীন্দ্রসঙ্গীত শেখার স্কুল স্বরলিপি। আজ তাঁর ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা একশর বেশি। তার মধ্যে ভারতীয়, অভারতীয় উভয়েই আছেন।
View Posts →
5 posts
রিমি দিল্লিনিবাসী, অর্থনীতির শিক্ষক। খবরের কাগজে ফ্রিলান্স সাংবাদিকতা ছাড়াও লেখেন গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ। তাঁর প্রকাশিত বই দুটি। ‘মিথ্যে ছিল না সবটা নামে কবিতা সংকলন ও দময়ন্তীর জার্নাল নামে গল্প সংকলন। ভালবাসেন এরোপ্লেনের ডানায় ভেসে থাকা মেঘ আর সেই উথালপাতাল ঢেউ ও চাপচাপ কুয়াশায় খুঁজে পাওয়া নতুন কোনও ক্যানভাস।
View Posts →
5 posts
ভাস্কর মজুমদার লেখেন মূলত প্রবন্ধ, উত্তরসম্পাদকীয় নিবন্ধ, কলাম ও ছোটগল্প। যৌনসংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী, বয়স্ক মানুষ, স্কুলশিক্ষা, শাস্ত্রীয়সঙ্গীত, নৃত্য ও সিনেমা তাঁর বেশিরভাগ লেখার বিষয়। অনুবাদকর্মের সঙ্গেও তিনি বহু বছর যুক্ত। সম্প্রতি কলকাতা দূরদর্শনের পক্ষ থেকে তাঁর দীর্ঘ সাক্ষাৎকার গৃহীত হয়েছে।
View Posts →
5 posts
বিদ্যুৎক্ষেত্রে ১৫ বছরের ওপর কর্পোরেট কম্যুনিকেশন পেশাদার যার হৃদয় এখনও ইংরেজি সাহিত্য এবং সাংবাদিকতায় আটকে। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া এবং দ্য ডেকান ক্রনিকল-এ কাজ করা এই প্রাক্তন সাংবাদিকের প্রথম প্রেম লেখালেখি, বই পড়া ও সিনেমা নিয়ে অবিরাম কথা বলা।
View Posts →
5 posts
জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ভাটপাড়ায়, স্নাতক স্তরের পড়াশোনা কলকাতা সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। বর্তমানে বোস ইন্সটিটিউটে পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণারত। সিনেমা, গান এবং ফুটবল নিয়ে সময় কাটাতে ভালোবাসেন।
View Posts →
5 posts
পবিত্র সরকার বাংলা ভাষা ও চর্চার এক প্রতিষ্ঠানস্বরূপ। তাঁর শিক্ষা ও অধ্যাপনার উজ্জ্বল জীবন সম্পর্কে এই সামান্য পরিসরে কিছুই বলা অসম্ভব। তিনি প্রায় চারদশক অধ্যাপনা করেছেন দেশে ও বিদেশে। রবীন্দ্র-ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন সাত বছর এবং ছ'বছর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শিক্ষা সংসদের সহ-সভাপতি। লেখাতেও তিনি অক্লান্ত ও বহুমুখী। ভাষাবিজ্ঞান ও ব্যাকরণ, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, লোকসংস্কৃতি, ইংরেজি শিক্ষা, রম্যরচনা, শিশুদের জন্য ছড়া গল্প উপন্যাস রবীন্দ্রসংগীত, আত্মজীবনকথা— সব মিলিয়ে তাঁর নিজের বই সত্তরের উপর, সম্পাদিত আরও অনেক। গান তাঁর প্রিয় ব্যসন। এক সময়ে নান্দীকারে অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশনায় অভিনয়ও করেছেন।
View Posts →
5 posts
লেখক অর্পণ গুপ্তের বাড়ি হাওড়ায়। পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। শখ লেখা, বই পড়া, খেলা ও সিনেমা দেখা। একাধিক প্রথম সারির বাংলা দৈনিক ও ওয়েব পোর্টালে নিয়মিত লেখালেখি করেন।
View Posts →
5 posts
মোহনা মজুমদারের জন্ম কলকাতায়। অঙ্কে স্নাতকোত্তর। প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ শব্দলেখা থেকে ''যতোটা অপ্রকাশিত'(ই-সংস্করণ)। ২০২২ এ বইতরণী থেকে প্রকাশিত হয়েছে দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'বিহান আলোর লিপি' ও ২০২৩ আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় অক্ষর সংলাপ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ 'উৎসারিত ও সলিলোকুই'।
View Posts →
5 posts
১৯৬১ সালে কলকাতায় জন্ম। সাংবাদিকতা নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাশ করার পর লেখালিখি শুরু 'মহানগর' পত্রিকায়। পরে পিয়ারলেস সংস্থায় জনসংযোগ আধিকারিক হিসেবে যোগদান এবং দীর্ঘ দু'দশক পরে স্বেচ্ছাবসর। ১৯৭৮ সাল থেকে 'কিঞ্জল' পত্রিকা সম্পাদনা করছেন। পুরনো কলকাতা নিয়ে গবেষণাই ধ্যান জ্ঞান। 'কলকাতার কথকতা' দল তৈরি করেছেন পুরনো কলকাতার নানা হারিয়ে যাওয়া বিষয় নিয়ে চর্চার জন্য। কবিতা যখন কবিতা, হ্যাপি হোম ক্লিনিক, গণসংযোগ, বঙ্গদর্শনে রবীন্দ্রনাথ, কার্টুন ক্যালকাটা-সহ একাধিক বই লিখেছেন ও সম্পাদনা করেছেন।
View Posts →
5 posts
লেখক সরিৎ চ্যাটার্জি রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র, পেশায় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, নেশায় হিমালয়প্রেমী ও পর্যটক। বর্তমানে নিউ ইয়র্ক এ কর্মরত।
View Posts →
5 posts
পেশায় আলোকচিত্রশিল্পী এবং অধ্যাপক। প্রায় গত পনেরো বছর ধরে বিভিন্ন বিখ্যাত ইনস্টিটিউশনে অধ্যাপনা করছেন ফটোগ্রাফি, মাস কমিউনিকেশন, পাবলিক রিলেশন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে। এছাড়া, প্রায় পঁচিশ বছর ধরে ছবি তুলে বেড়াচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তাঁর ছবি জিতে নিয়েছে নানান পুরস্কার, প্রকাশিত হয়েছে জাতীয়স্তরের বিভিন্ন সংবাদপত্রে এবং ম্যাগাজিনে। তিনি কাজ করেছেন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের মতো পৃথিবী-বিখ্যাত সংস্থার সাথে।
View Posts →
5 posts
জন্ম পৌষ মাসে, রাঢ়বাংলার এক অখ্যাত মফস্সলে। মূলত গদ্য লেখেন। ২০১৬-তে প্রথম বই 'অক্ষরকলোনি' প্রকাশিত হয় নাটমন্দির থেকে। প্রথম উপন্যাসের নাম 'নয়নপথগামী'। কাব্যগ্রন্থ 'আমি শুধু পাঁচ বছর চেয়েছিলাম।' দুটিই প্রকাশিত হয় ২০১৮-তে। ২০২০-তে বেরোয় তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ 'বাসাংসি জীর্ণানি'। এই বইগুলি সবই ধানসিঁড়ি থেকে প্রকাশিত। 
View Posts →
4 posts
রসিকলাল জন্ম-অলস। ফলে চিরকালের কাঠবেকার। তবে পরনিন্দা পরচর্চায় তাঁর বিশেষ আগ্রহ ও বুৎপত্তি লক্ষণীয়। আর বাচ্চাদের সঙ্গ ভারী পছন্দ করেন।
View Posts →
4 posts
কর্পোরেট সংস্থায় এইচ আর-এর ভূমিকায় যুক্ত সিলভার পছন্দ গান, খাওয়াদাওয়া আর বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা। লেখালেখি করেন শখে আর অনুরোধে।
View Posts →
4 posts
ভ্রামণিক, আড্ডাবাজ মানুষ। বেড়াতে ভালোবাসেন, আর ভালবাসেন শব্দে গেঁথে রাখতে সেই ভ্রমণকাহিনি
View Posts →
4 posts
পেশায় বাস্তুকার। নেশায় পাহাড়ের কোলে বিচরণ কিংবা সময় পেলেই এদিক ওদিক ক্যামেরা নিয়ে বেড়িয়ে পড়া। ৩৭ বছর ধরে ফটোগ্রাফির সঙ্গে যুক্ত। ছবির জগতে শতাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ও বহু আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার বিচারক মানস দাস, ফটোগ্রাফিক এসোসিয়েশন অফ আমেরিকা,ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ফটোগ্রাফি ও ছায়াপথ কলকাতার সদস্য।
View Posts →
4 posts
সৌগত চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৬১ সালে কলকাতায়। কলকাতা বিশ্ববিধ্যলয়ের ইতিহাসের সাম্মানিক স্নাতক। কবিতা ও সাহিত্য ছাড়াও তাঁর প্রধান আকর্ষণ সঙ্গীত। রয়াল স্কুল অফ মিউজিক, লণ্ডন থেকে বেহালাবাদক হিসেবে গ্রেড ৫, ৬ ও ৭ পাস করেছেন। সাংবাদিকতার সূত্রে অমৃতবাজার পত্রিকার লেখক ছিলেন। তপন সিংহ-এর অন্তর্ধান ছবিতে সহকারি পরিচালক হিসাবে কাজ করেন। নৃপেন গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত অনিল চট্টোপাধ্যায় বিষয়ক তথ্যচিত্রেও সহকারি হিসাবে কাজ করেন। পরবর্তীকালে একটি স্কুলে কিছুদিন শিক্ষকতা করেন। বর্তমানে চাকুরীজীবি। নিয়মিত লেখালেখি করেন বেশ কিছু প্রথম সারির বাংলা পত্রিকায়। সৌগত চট্টোপাধ্যায় প্রয়াত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র।
View Posts →
4 posts
বিশিষ্ট চক্ষু চিকিত্‍সক ডা. পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার সল্টলেক আই কেয়ার ফাউণ্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা। চিকিত্‍সার সঙ্গেই চলে লেখালেখির কাজ। লিখেছেন 'চশমার হ্যান্ডবুক', 'গীতবিতান তথ্যভাণ্ডার', 'চোখের কথা' ইত্যাদি বই। এছাড়াও 'গীতবিতান আর্কাইভ' এবং 'রবীন্দ্রকবিতা আর্কাইভ' নামে দুটি মূল্যবান সংকলন তৈরি করেছেন।
View Posts →
4 posts
মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় বিশ্বভারতীতে বাংলার অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ভবনের মুখ্য সমন্বয়ক। বেজিং ফরেন স্টাডিস ইউনিভার্সিটির আমন্ত্রিত ভিজিটিং ফেলো হিসেবে ২০১৯ সালে তিনি চিন যান। বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, চিন্তাজগৎ এবং রবীন্দ্রনাথ তাঁর চর্চার বিশেষ ক্ষেত্র। 'বাকিরাত্রির ঘুম' (কাব্যগ্রন্থ), 'কোথায় আমার শেষ' (উপন্যাস), 'গোষ্ঠীজীবনের উপন্যাস' (আলোচনাগ্রন্থ ), 'উপন্যাসের যৎকিঞ্চিৎ' (প্রবন্ধ সংকলন), 'রবীন্দ্রনাথ: আশ্রয় ও আশ্রম' (প্রবন্ধ সংকলন) ইত্যাদি তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ। বেশ কয়েকটি বইয়ের সম্পাদনাও করেছেন। বিচিত্র বিষয় নিয়ে পড়াশোনা তাঁর একমাত্র প্যাশন।
View Posts →
4 posts
একের দশকের বাংলা কবিতার পরিচিত নাম। পেশায় সাংবাদিক। পেয়েছেন বাংলা আকাদেমি শক্তি চট্টোপাধ্যায় সম্মাননা সহ একাধিক পুরস্কার। আগ্রহ আছে থিয়েটার ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে।
View Posts →
4 posts
পেশায় সাংবাদিক। আনন্দবাজার পত্রিকার প্রাক্তন ডেপুটি নিউজ এডিটর। বর্তমানে খবর অনলাইন ও ভ্রমণ অনলাইনের অন্যতম কর্ণধার। ক্যালকাটা জার্নালিস্টস ক্লাবের মুখপত্র ‘সাংবাদিক’-এর মুখ্য সম্পাদক।
View Posts →
4 posts
পেশায় স্কুলশিক্ষক। বিষয় বাংলা সাহিত্য। বর্তমানে হালিশহরের বাসিন্দা। সাহিত্যের প্রতি একনিষ্ঠ দীর্ঘদিন ধরেই। ইতিমধ্যেই দুটি ছোটগল্প সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। একটির নাম তৃতীয় প্রহর। অপরটি পূর্বাপর।
View Posts →
4 posts
মুকুট তপাদার। ইন্ডিপেন্ডেন্ট রিসার্চার। ইতিহাস-শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে ফটোগ্রাফি ও লেখালেখি। গবেষণার বিষয় গঙ্গার পশ্চিম পাড়ের ইতিহাস ও শিল্পকর্ম।
View Posts →
4 posts
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াতে ভালবাসেন। খোঁজ রাখেন নিত্যনতুন বিষয়ে। সময় পেলে রান্না করেন। পড়তে ভাল লাগে বুদ্ধদেব গুহের উপন্যাস। শুনতে ভাল লাগে ফসিলস্। আঞ্চলিক ইতিহাস প্রিয় বিষয়।
View Posts →
4 posts
রোদ্দুর এমন একটা বই যার ফ্রণ্ট কাভারে সিনেমা আর ব্যাক কাভারে ঘুম। মধ্যে অনেকগুলো পাতা। লেখা ও না-লেখা। সসম্মানে অঙ্কে তৃতীয় বর্ষের পড়াশোনা শেষ করে স্নাতকোত্তরে প্রবেশ করলেও, হিসেবনিকেশ গুলিয়ে দেওয়াই রোদ্দুরের প্রধান কাজ।
View Posts →
4 posts
প্রকাশক, সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ। নানা ক্রিয়েটিভ কাজকর্মে জড়িয়ে থাকতে ভালবাসেন, আর ভালবাসেন নিজস্ব লেখালিখি।
View Posts →
4 posts
ড. সুমিত্রা চৌধুরী বিজ্ঞানমনস্ক ও শিক্ষাব্রতী মানুষ। চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলায় বিজ্ঞান চর্চা, প্রচার ও প্রসারের সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি। কর্মজীবনে ভিক্টোরিয়া ইন্সটিটিউশন কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব সামলেছেন। এছাড়া বর্তমানে তিনি বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের সভাপতি এবং প্রফেশন অসীমা চ্যাটার্জি ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি। বোর্ড মেম্বার হিসাবে যুক্ত আছেন আরও একাধিক বিজ্ঞান সংস্থার সঙ্গে...
View Posts →
4 posts
পেশায় শিক্ষিকা পূর্বা শিক্ষকতার পাশাপাশি ইতিহাস ও সংরক্ষণ বিষয়ে গবেষণায় রত। তিনি 'হুগলি রিভার অফ কালচারস পাইলট প্রজেক্টের' সঙ্গে যুক্ত ইউনিভার্সিটি অফ লিভারপুল ও ভারত সরকারের উদ্যোগে যেটার কাজ চলছে।
View Posts →
4 posts
সোমনাথ রায় 'এখন সত্যজিৎ' পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে পুরনো বাংলা ছবি নিয়ে গবেষণা করেন। বাংলা ছবির পাবলিসিটি মেটিরিয়ালস নিয়ে একটি আর্কাইভ তৈরি করেছেন। 'হাসি গল্পে সত্যজিৎ' 'A Monograph on Hiralal Sen', 'সিনেমা ধাঁধা' ইত্যাদি একাধিক সিনেমা সম্বন্ধীয় বইয়ের লেখক। এছাড়া তিনি পুরনো ছবির ফিল্ম বুকলেটের সংগ্রাহক।
View Posts →
4 posts
জন্ম নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে‚ ১৯৫৮ | ইংরাজি সাহিত্যের অধ্যাপক | পড়িয়েছেন আমেরিকার আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। 'দ্বৈপায়ন হ্রদের ধারে' এনে দিয়েছে সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার‚ ২০১৩ সালে| বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ কবিতা আকাদেমির সভাপতি। লিখেছেন পঁয়ত্রিশটি কাব্যগ্রন্থ যার মধ্যে রয়েছে একা নরকগামী (১৯৮৮), জেরুজালেম থেকে মেদিনীপুর (২০০১), মণিপুরের মা (২০০৫) ইত্যাদি। 'ভাষানগর' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে সুবিদিত।
View Posts →
4 posts
রঞ্জিতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর বাসিন্দা। পেশায় শিক্ষিকা। নেশা বই পড়া লেখালিখি।"বাতায়ন" নামের একটি আন্তর্জাতিক পত্রিকা সম্পাদনা করেন গত ছ বছর। এক দশকেরও বেশি সময় শিকাগোর "উন্মেষ সাহিত্য গোষ্ঠী"র সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। রঞ্জিতার বিশ্বাস, সাহিত্য ভৌগোলিক সীমানা পার হয়ে মানুষ, দেশ ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটায়।
View Posts →
4 posts
কর্মসূত্রে বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা বিবেক পেশাগত ভাবে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্মী। কিন্তু নেশায় আদ্যন্ত কার্টুনিস্ট এবং পর্যটক। সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালিখির অভ্যাস ও সম্পাদনা। তাঁর লেখা তিনটি বইও ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। খেলাধুলোয় তাঁর উৎসাহের কথা বেরিয়ে এসেছে সেই বইয়ের মাধ্যমেই। দ্য আমেজিং অলিম্পিকস: ডাউন দ্য সেঞ্চুরিজ়, দ্য ওয়র্ল্ড চেজ়িং দ্য কাপ এবং ফুটবল ফান বুক পাঠকমহলে খুবই সমাদৃত হয়েছে। বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান কার্টুন গ্যালারিতে তাঁর কার্টুন নিয়ে একক প্রদর্শনীও হয়েছে।
View Posts →
4 posts
জন্ম গড়শিমুলা গ্রামে (অধুনা জামতাড়া জেলা)। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে ২০০১ সাল থেকে লেখালেখির কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। ২০০৯ সালে অনুবাদের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য একাডেমি পুরষ্কার। এ ছাড়াও পেয়েছেন অন্যান্য সম্মান ও পুরষ্কার। রয়েছে বারোটির বেশি প্রকাশিত গ্রন্থ।
View Posts →
4 posts
ডাঃ শুভেন্দু বাগ সিনিয়র রেসিডেন্ট, ফিজিওলজি, MMC&H
View Posts →
4 posts
পদার্থবিদ্যার স্নাতক চৈতালির প্রথম প্রেম সাহিত্য। আশির দশক থেকেই বাংলা কবিতার জগতে পরিচিত নাম। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম বিজ্ঞাপনের মেয়ে, বিষাক্ত রেস্তোরাঁ, দেবীপক্ষে লেখা কবিতা ইত্যাদি। পেয়েছেন বিষ্ণু দে পুরস্কার, শক্তি চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার, মীরাবাই পুরস্কার-সহ একাধিক সম্মান।
View Posts →
4 posts
পেশাগতভাবে এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। নেশায় সিনেমাপ্রেমী। চলচ্চিত্র বিষয়ক একাধিক বই লিখেছেন বাংলা ও ইংরেজিতে। স্মৃতি সত্তা ও সিনেমা, কিছুটা সিঁদুর বাকিটা গোলাপ, সত্যজিত রে'জ হিরোজ অ্যান্ড হিরোইনজ, সিক্সটিন ফ্রেমজ এই লেখকের কিছু পূর্ব প্রকাশিত বই।
View Posts →
4 posts
কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক বিভাস রায়চৌধুরী দীর্ঘদিন কবিতার প্রকাশনা ও চর্চার সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। 'কবিতা আশ্রম' পত্রিকার মুখ্য পরিকল্পক। পেয়েছেন কৃত্তিবাস পুরস্কার ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার। ওঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম নষ্ট প্রজন্মের ভাসান (১৯৯৬)। এর পরে কবি পাঁচটি উপন্যাস সহ কুড়িটিরও বেশি কবিতা গদ্য ও প্রবন্ধের বই লিখেছেন।
View Posts →
4 posts
সিদ্ধার্থ পালের গল্প এবং ছবি অনেকটা গল্পের মতো। ছবি তোলার ব্যকরণ তিনি মন দিয়ে শিখেছেন, তবে তা নিয়ম ভাঙবার জন্যই। আলো-ছায়া, মানব-শরীর, নিয়ে তিনি নিরন্তর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছুদিন আগে চোখের এক মারাত্মক অসুখ তাঁর দৃষ্টিশক্তি কমিয়ে দিয়ে ছবি তোলায় বাধা হয়ে দাঁড়ালেও, তিনি কম আলোয় ছবি তোলা চালিয়ে গেছেন এবং বহু আকর্ষণীয় ছবি তুলেছেন।
View Posts →
4 posts
দেড় দশক শিক্ষকতায় যুক্ত। বিজ্ঞান নিয়ে লেখালিখি পেরিয়েছে দশ বছরের সীমানা। প্রকাশিত বই নয়টি। পড়া আর লেখাই অবসরযাপনের মুখ্য সঙ্গী।
View Posts →
4 posts
জয়া মিত্র বাংলা ভাষার এক জনপ্রিয় কবি ও গদ্যকার। সত্তরের দশকে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং রাজনৈতিক বন্দীদশাও কাটিয়েছেন। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, এই সমস্ত মাধ্যমেই তাঁর অনায়াস যাতায়াত। লেখালেখি করেন ছোটবড় একাধিক সংবাদমাধ্যম ও পত্রপত্রিকায়।জল, প্রকৃতি, পরিবেশ, নারী ও শিশু বিষয়ে ওঁর কাজ উল্লেখযোগ্য। 'হন্যমান', 'জলের নাম ভালোবাসা', 'রূপুলি বেতের ঝাঁপি', 'মাটি ও শিকড়বাকড়' জয়া মিত্রর কিছু জনপ্রিয় ও সমাদৃত বই।
View Posts →
4 posts
ফোটোগ্রাফার। লেখক। ইন্দোনেশিয়ার সালফার শ্রমিকদের ওপর ছবি তুলতে নেমেছেন আগ্নেয়গিরির মধ্যে, কাশ্মীরের মানুষের জীবনযাত্রা কাছ থেকে দেখবেন বলে বারবার ফিরে গেছেন অশান্ত উপত্যকায়, চীন-ভিয়েতনামের অচেনা জায়গায় ঘুরে বেড়ান নতুন গল্পের খোঁজে। সেইসব লেখা-ছবি নিয়মিত বেরোয় দেশবিদেশের পত্রিকা-জার্নালে। তার মধ্যে আছে আল জাজিরা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ট্রাভেলার, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স ম্যাগাজিন। প্রকাশিত কফিটেবল বই ‘অ্যান অ্যান্টিক ল্যান্ডঃ আ ভিসুয়াল মেমোয়ার অফ লাদাখ’। নির্ভেজাল আরাম পান আড্ডা দিয়ে, আর বাংলায় লেখালেখি করে। আদ্যন্ত দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা, তবে উত্তরের পুরনো বাড়ি, অলিগলি আর তার প্রাচীন কাফেগুলোর ওপর প্রবল টান।
View Posts →
4 posts
লেখক উত্তরবঙ্গের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক উত্তরবঙ্গ সংবাদের প্রাক্তন কার্যকরী সম্পাদক। এর আগে এই সময় সংবাদপত্রের সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। ছিলেন ক্রীড়া সম্পাদকও। অতীতে যুক্ত ছিলেন ক্রীড়া সাংবাদিকতার সঙ্গে। আনন্দবাজার পত্রিকায় বিশেষ সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেন দীর্ঘদিন। বাঙালির সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফুটবলের যোগসূত্র ঘটানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা তাঁর। পাঁচটি ফুটবল বিশ্বকাপ, তিনটি অলিম্পিক, একটি ইউরো কাপ ফুটবল, দুটি হকি বিশ্বকাপ, একটি ক্রিকেট বিশ্বকাপ-সহ অসংখ্য ঘরোয়া টুর্নামেন্ট কভার করলেও প্রথমদিন থেকে লিখে থাকেন নানা বিষয়ে। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, সংস্কৃতি, গানবাজনা, সিনেমা, খাবার, ভ্রমণ। এখন বলতে গেলে লেখার দুনিয়ায় খেলা বাদে সর্বত্র বিচরণ।
View Posts →
4 posts
সাধারণ জনজীবনের ফটো ও তথ্যচিত্রমূলক ছবি তোলার কাজ করে চলেছেন। উৎসব এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের ছবি ধরা পড়েছে তাঁর ক্যামেরায়। বর্তমানে নুর ফটো এজেন্সির ফটোগ্রাফার হিসেবে নিযুক্ত এবং ফটো সাংবাদিক হিসেবে কলকাতায় কর্মরত।
View Posts →
4 posts
চিকিৎসক। ফিজিওলজি বিশেষজ্ঞ।
View Posts →
4 posts
লেখকের জন্ম ১৯৮৯ সালের জানুয়ারী মাসে পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার শ্রীরামপুর শহরে। ছোটবেলা থেকেই তিনি লেখালেখির সাথে যুক্ত। বিভিন্ন নামী পত্রিকা যেমন সন্দেশ, জোয়ার, কোরক, পথ ও পাঁচালি ইত্যাদি পরিবারের তিনি নিয়মিত সদস্য ছিলেন। বহু স্বনামধন্য লেখক-লেখিকাদের সাথে তিনি বিভিন্ন পত্রিকার শারদসংখ্যায় লেখালিখি করতেন।
View Posts →
4 posts
বিদিশার জন্ম নদীয়ার হরিণঘাটায়। হরিণঘাটা মহাবিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়ে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করছেন।
View Posts →
4 posts
মীরা মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৬১ সালে কলকাতায়। শৈশবে প্রচণ্ড দারিদ্রের সঙ্গে দাঁতে নখে লড়াই করতে হয়েছে। অভাবের জন্য লেখাপড়া হয়নি বেশি দূর। শিক্ষকতার ইচ্ছেপূরণ হয়নি। ডাকবিভাগে চাকরি করেছেন। কবিতা লেখার শুরু যৌবনেই। তবে মাঝে বহু বছর লেখা বন্ধ ছিল পারিবারিক কারনে। অবসরের পর নতুন করে শুরু। প্রকাশিত হয়েছে দুটি কাব্যগ্রন্থ-- 'ছন্ন সেরেনাদ কিংবা' এবং 'অরোরা বোরিয়ালিস'।
View Posts →
4 posts
সুখে থাকতে ভূতে কিলায়-এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। সে সুখের চাকরি ছেড়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়ানো হোক কিংবা সমাজ মাধ্যমের বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়া হোক। শিক্ষায় ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। পেশায় বিয়েবাড়ির ক্যামেরাম্যান। আর নেশায় ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার।
View Posts →
4 posts
পেশায় শিক্ষক দিলীপকুমার ঘোষের জন্ম হাওড়ার ডোমজুড় ব্লকের দফরপুর গ্রামে। নরসিংহ দত্ত কলেজের স্নাতক, রবীন্দ্রভারতী থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। নেশা ক্রিকেট, সিনেমা, ক্যুইজ, রাজনীতি। নিমগ্ন পাঠক, সাহিত্যচর্চায় নিয়োজিত সৈনিক। কয়েকটি ছোটবড় পত্রিকা এবং ওয়েবজিনে অণুগল্প, ছোটগল্প এবং রম্যরচনা প্রকাশিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে 'সুখপাঠ' এবং 'উদ্ভাস' পত্রিকায় রম্যরচনা এবং দ্বিভাষীয় আন্তর্জালিক 'থার্ড লেন'-এ ছোটগল্প প্রকাশ পেয়েছে।
View Posts →
4 posts
মণীশ নন্দী দীর্ঘদিনের প্রবাসী। কর্মজীবনে মার্কিন দূতাবাস ও ওয়র্ল্ড ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অবসর গ্রহণের পর লেখালোখি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। আ স্ট্রেন্জার ইন মাই হোম ওঁর সদ্যপ্রকাশিত বই।
View Posts →
4 posts
নন্দিনী সঞ্চারী পেশায় স্কুলশিক্ষিকা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পড়াশোনা। কবিতা লিখছেন কলেজে পড়ার সময় থেকে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ও অনলাইন ম্যাগাজিনে নিয়মিত কবিতা লেখেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘শুভাশিস চেয়েছি কখনও?’ (সপ্তর্ষি প্রকাশন)।
View Posts →
3 posts
ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার। নতুন নতুন জায়গায় বেড়ানো এবং স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ভালোবাসেন। তাঁর ছবির মাধ্যমে দর্শকদের কাছে কোনও একটি বার্তা পৌঁছে দিতে চান।
View Posts →
3 posts
দীপান্বিতার পেশা শিক্ষকতা। প্রকাশিত কবিতার বই ঝিমরাতের মনোলগ, একান্ন থানের নাও, পাশের উপগ্রহ থেকে, ইতি গন্ধপুষ্পে, হিমঝুরি, কুশের আংটি। ভালোবাসেন গান ও নাটক।
View Posts →
3 posts
ইংরেজি সাহিত্যে লেডি ব্রাবোর্ন কলেজের মেধাবী ছাত্রী সুতনুকা কর্মজীবন শুরু করেছিলেন আজকাল-এ সাংবাদিকতা দিয়ে, গৌরকিশোর ঘোষের সাহচর্যে। কাজ করেছেন সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়, হামদি বে, তপেন চট্টোপাধ্যায়ের মতো কিংবদন্তীদের সঙ্গে। পরে সরকারি স্কুলে ইংরেজি সাহিত্যের মাস্টারিতে মনোনিবেশ করেন। তবে কবিতার সঙ্গে তাঁর ওঠাবসা-ভালোবাসায় ছেদ পড়েনি কখনও। কবিতা ছাড়াও লিখেছেন প্রবন্ধ, ছোটদের ইংরেজি শেখানোর কলাম, ছোটগল্প। বর্তমানে অবসর জীবন কাটাচ্ছেন দেশ-বিদেশ ঘুরে আর অজস্র বই পড়ে।
View Posts →
3 posts
অন্যমন দীর্ঘদিন সরকারি চাকরি করে আপাতত অবসর জীবন কাটাচ্ছেন। ভালবাসেন বাংলা নাটক, কবিতাও। সময় কাটাতে নানা লিটল ম্যাগাজিনে টুকটাক লেখালিখি তাঁর শখ। বই পড়া আর বন্ধুদের সঙ্গে রবিবারের আড্ডাটি ছাড়া তাঁর এক মুহূর্ত চলে না।
View Posts →
3 posts
সন্দীপন চক্রবর্তী কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলচ্চিত্র বিদ্যায় স্নাতকোত্তর। নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকেই নানা পত্রপত্রিকায় লেখা শুরু। গবেষণা করেছেন 'কৃত্তিবাস' পত্রিকার ইতিহাস নিয়ে, এ-বাংলার নব্বই দশকের কবিদের নাগরিক কাব্যভাষা নিয়ে। সম্পাদনা করেছেন 'পাঠকই কবিতা' পত্রিকা। এযাবৎ প্রকাশিত কবিতার বই 'জীয়নকাঠি মরণকাঠি', 'কারাই সময় নেই দাঁড়ানোর', 'বাতাসের দোষ নেই', 'শরণার্থী শব্দদল' ইত্যাদি। ২০১৯ সালে দেজ় থেকে প্রকাশিত হয় সন্দীপনের করা গুলজ়ারের উর্দু কাব্যগ্রন্থ 'মাশকুক নজ়মে'-র বাংলা ভাষান্তর 'সন্দেহজনক কবিতা'।
View Posts →
3 posts
নীলাঞ্জন হাজরা কবিতার তরজমা, মৌলিক কবিতা, খাদ্যের ইতিহাস, মার্কিন আদিবাসীদের ইতিহাস, ভ্রমণ ইত্যাদি বিষয়ে লেখালিখি করেন।
View Posts →
3 posts
ক্লাস এইটের তিস্তা কাশীনাথপুর বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। ভালোবাসে পাহাড়, রসগোল্লা আর রবিবার।
View Posts →
3 posts
আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগানের বায়োস্ট্যাটিসটিক্স-এর অধ্যাপক ড: মৌসুমী বন্দ্যোপাধ্যায়ের গবেষণার বিষয়বস্তু ক্যান্সার ডেটা মডেলিং। জন্ম এবং লেখাপড়া কলকাতায়। কর্মসূত্রে বিশ্বনাগরিক। লেখালেখির শুরু কলেজজীবন থেকেই। কবিতার পাশাপাশি ছোটগল্প, মুক্তগদ্য এবং প্রবন্ধ লেখেন। বাতায়ন, পরবাস, বাংলালাইভ, সুইনহো স্ট্রিট, কেয়াপাতা, গল্পপাঠ, সাহিত্য কাফে, TechTouchটক, Antonym ইত্যাদি বহু পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: একলাঘর (যাপনচিত্র প্রকাশনী)।
View Posts →
3 posts
শমীতা দাশ দাশগুপ্ত অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, লেখক, এবং নারীকল্যাণ কর্মী। পাঁচ দশকেরও বেশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। আমেরিকার প্রথম দক্ষিণ এশীয় পারিবারিক নির্যাতন বিরোধী সংস্থা, ‘মানবী’র (১৯৮৫) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ইংরেজিতে লেখা বইয়ের সংখ্যা পাঁচ। বাংলায় একটি রহস্যোপন্যাস (‘দ্বন্দ্ব,’ আনন্দ পাবলিশার্স), দু’টি রহস্য গল্প-সংকলন (‘মৃত্যুর মুখ চেনা’ ও ‘ছায়া জগতের গল্প,’ দ্য কাফে টেবিল প্রকাশনী), ও দু’টি কবিতার বই (আবর্ত প্রকাশনী) রয়েছে। এছাড়া তিনটি বই ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন। বেশ কিছু পত্র-পত্রিকায় গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা লেখেন।
View Posts →
3 posts
জহর সরকারের জন্ম ১৯৫২ সালে। সেন্ট জ়েভিয়ার্স স্কুল, প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষা। ১৯৭৫ সালে আইএএস পাশ করে প্রশাসনিক কেরিয়ারের সূচনা। দীর্ঘদিন প্রসার ভারতীর সিইও পদে আসীন ছিলেন। তার আগে ভারত সরকারের তথ্যসংস্কৃতি বিভাগের সচিব-সহ একাধিক পদ অলঙ্কৃত করেন। সংস্কৃতি সচিব হিসেবে জাদুঘর, মহাফেজখানা, গ্রন্থাগার সংস্কার ও আধুনিকীকরণের উদ্য়োগী হন এবং ব্রিটিশ মিউজ়িয়াম পদক লাভ করেন। ১৯৯৭ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত মুখ্যত তাঁরই উদ্যোগে কলকাতায় আন্তর্জাতিক ফিল্মোৎসব হয়। কাজের পাশাপাশি একনিষ্ঠভাবে চালিয়ে গিয়েছেন গবেষণা এবং লেখালিখি। ইতিহাস, সংস্কৃতি, নৃতত্ত্ব, সমাজনীতি, গণমাধ্যম এবং আরও বহুবিধ বিষয়ে অজস্র প্রবন্ধ রচনা করেছেন। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ,ভারতীয় ইতিহাস সংসদ, এশিয়াটিক সোসাইটির মতো একাধিক বিশ্রুত প্রতিষ্ঠানের আজীবন-সদস্য জহরবাবু বাংলা এবং ইংরিজি সংবাদপত্রে এখনও নিয়মিত লেখেন।
View Posts →
3 posts
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ।
View Posts →
3 posts
পেশায় সাংবাদিক। গদ্যকার ও কবি হিসেবে পরিচিত। প্রথম বই 'গদ্যলেন'। লেখালেখির পাশাপাশি একাধিক বইয়ের অলঙ্করণের কাজেও ব্যস্ত থাকেন।
View Posts →
3 posts
সৌমেন চট্টোপাধ্যায় পেশাগতভাবে অর্থায়ন ও বিনিয়োগ বিভাগের সঙ্গে জড়িত। নেশা বেড়ানো ,পাহাড়ে চড়া ও ছবি তোলা। হিমালয়ের প্রতি আকর্ষণ আশৈশব। বর্তমানে কাজের সূত্রে শিকাগোয় বসবাস।
View Posts →
3 posts
পেশায় ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষক। টেগোর রিসার্চ ইন্সটিটিউটে বর্তমানে পাঠরত। থিয়েটার, শিল্প ও কবিতা-র ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন।
View Posts →
3 posts
শুভদীপের জন্ম মফস্বল শহর বাটানগরে, ইডেন গার্ডেনসে সে বছর বিশ্বকাপ ফাইনালে ভুল রিভার্স সুইপ মারছেন মাইক গ্যাটিং। পড়াশোনা নঙ্গী হাই স্কুল, এবং পরবর্তীতে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুলে। অর্থনীতি এবং সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনার পর চাকরিসূত্রে পুরুলিয়া থেকেছেন বেশ কিছু বছর।
View Posts →
3 posts
অমৃতা ভট্টাচার্য কলকাতায় অ্যামিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক। আনন্দবাজার পত্রিকা, ইন্ডিয়ান রাইটার্স ফোরাম, কবি সম্মেলন, পোয়েট্রি আউট লাউড (লন্ডন)-সহ দেশবিদেশের বহু পত্রপত্রিকায় কবিতা, ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। এযাবৎ প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা চার। ‘আমরা সবাই পালক আঁকি’, ‘পাইন, ঘাটসিঁড়ি ও শ্রীঘরের গল্প’, ‘ভর বাড়ছে শ্বেতবামনের’ এবং ‘ও অস্পৃশ্য! ও আশ্চর্য! শখ: গান ও ছবি আঁকা।
View Posts →
3 posts
অনুপ রায় শিল্পকলা ও কার্টুনের জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যাঁর প্রভা আজও আলোকিত করে রেখেছে ভবিষ্যৎ শিল্পীদের চলবার পথ। বিদ্যাসাগর কলেজ এবং তারপর গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজ থেকে পড়া শেষ করে আনন্দবাজার পত্রিকায় আর্ট ডিরেক্টর হিসেবে কর্মজীবনের শুরু। বহু প্রদর্শনী, প্রচ্ছদ সমৃদ্ধ হয়েছে তাঁর তুলির টানে। বর্তমানে অসুস্থ হলেও তুলিকলম থামেনি। 'কার্টুন দল' নামক স্বাধীন শিল্পগোষ্ঠীর অন্যতম বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য হিসেবে কাজ করে চলেছেন তিনি।
View Posts →
3 posts
পেশায় পালমোনোলজিস্ট ডা: অর্পণ রায় চৌধুরীর মূল নেশা বেড়ানো ও ছবি তোলা। ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি লেখালিখি করতে ভালোবাসেন। ইতিমধ্যে তাঁর প্রকাশিত ভ্রমণ বইয়ের সংখ্যা ছয়। ট্রাভেল রাইটার্স ফোরামের সদস্য।
View Posts →
3 posts
সংস্কৃত অনুরাগী দীপ্তসুন্দর মুখোপাধ্যায় কয়েক বছর ফেসবুকে লিখছেন। ভালবাসেন সংস্কৃত শাস্ত্র আর সাহিত্যের অধরা তাৎপর্য খুঁজতে, তার সঙ্গে আজকের সভ্যতার যোগসূত্র নতুনভাবে ভাবতে, বিশ্বসাহিত্যে সংস্কৃতের অবস্থান নির্ণয় করতে। যেখানে যান, বই কলম হাইলাইটার আর বুকমার্ক সঙ্গে থাকে।
View Posts →
3 posts
ভূপদার্থবিদ, ২০১৩ সালে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানী (ওএনজিসি) থেকে জেনারেল ম্যানেজার পদে অবসর গ্রহণ করেছেন। ছোটবেলা থেকেই আর্ট ও ক্রাফটের প্রতি অনুরক্ত। কাঠ, কাচ, মাটি এবং ডিমের খোলা দিয়ে নানান রকমের জিনিস বানাতে ভালবাসেন। বিগত প্রায় ১০/১১ বছর "এগ শেল আর্ট" নিয়ে কাজ করছেন, বাংলা তথা ভারতে যার চল নেই বললেই চলে। কলকাতার অ্যাকাডেমিতে কয়েকবার এক্সিবিশনও হয়েছে। ডিপার্টমেন্ট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় দুবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। লেখালেখিও করেন, মূলত রম্যরচনা। দেশ প্রত্রিকা এবং সংবাদ প্রতিদিনের পূজাসংখ্যায় তাঁর রচিত রম্যরচনা প্রকাশিত। রম্যরচনা সংকলনের দুটি বইও আছে।
View Posts →
3 posts
বাংলাদেশের ঢাকার বাসিন্দা ও বাংলা সাহিত্যের নিবিড় পাঠক। তথ্য বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করেছেন বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক সংস্থায়।
View Posts →
3 posts
অমিত চক্রবর্তীর জন্ম সোনারপুর অঞ্চলের কোদালিয়া গ্রামে ১৯৫৯ সালে। কবিতা লেখার শুরু ন'বছর বয়সে, স্কুল ম্যাগাজিনে। পড়াশোনার সূত্রে আমেরিকা আসা ১৯৮২-তে। ক্যানসাস স্টেট ইউনিভারসিটিতে পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক ১৯৮৯ থেকে। ২০১৬ থেকে কলেজ অফ আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সের ডিন।
View Posts →
3 posts
সমীপেষু পেশায় বঙ্গবাসী কলেজের অধ্যাপক। টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউটে রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে গবেষণা করছেন। গবেষণা করছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও। তাঁর নেশা বাংলার ইতিহাস। কলকাতার কথকতা দলের অন্যতম সদস্য সমীপেষু ভালবাসেন এই বিষয় নিয়ে নতুন নতুন তথ্য অনুসন্ধান এবং লেখালিখি।
View Posts →
3 posts
তমোঘ্নর জন্ম ১৯৯৮ সালে হুগলির আরামবাগে। বর্তমানে তারকেশ্বরের স্থায়ী বাসিন্দা। রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে স্নাতক পাঠরত। শখ বলতে গান শোনা আর বই পড়া। 'মাসিক কবিতাপত্র', 'কবিতা আশ্রম', 'যাপনচিত্র', 'শুধু বিঘে দুই', 'তবুও প্রয়াস', 'বাক্'-সহ বিভিন্ন ওয়েবজিন ও লিটল ম্যাগাজিনে কবিতা প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
3 posts
আলোকপর্ণা পেশায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল, নেশায় ফুড ব্লগার। ভালোবাসেন বেড়াতে আর নতুন নতুন খাবার চেখে দেখতে।
View Posts →
3 posts
সুমন মল্লিকের জন্ম ১৯৮৫ সালে কোচবিহারের তুফানগঞ্জে। বর্তমানে শিলিগুড়ির বাসিন্দা। ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। পেশায় শিক্ষক। প্রকাশিত কবিতার বই আটটি৷ ‘উত্তরের কবিমন’ পত্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক। বর্তমানে ‘শিলিগুড়ি জংশন’ পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। দেশ, ভাষানগর, কৃত্তিবাস, কবি সম্মেলন, কবিতা আশ্রম-সহ বিভিন্ন পত্রিকায় এবং ওয়েবম্যাগে লেখেন।
View Posts →
3 posts
দেবাশিস বিশ্বাস আয়কর বিভাগের ডেপুটি কমিশনার পদে কর্মরত। তিনি ২৯টি পর্বতারোহণ অভিযানে অংশগ্রহণ করেছেন এবং মাউন্ট এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘা, মাকালু, অন্নপূর্ণা সহ অনেকগুলি শৃঙ্গ জয় করেছেন। ২০১৬ সালে তিনি তেনজিং নোরগে ন্যাশনাল অ্যাডভেঞ্চার অ্যাওয়ার্ড পান। তিনি প্রথম বাঙালি অসামরিক এভারেস্ট আরোহী যুগলের একজন এবং প্রথম ভারতীয় অসামরিক কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহী যুগলের একজন।
View Posts →
3 posts
কৌশিক সেন পেশায় ডাক্তার, নেশায় লেখক। তিনি সেই প্রজন্মের লোক যাঁরা টাইপরাইটার এবং আকাশবাণী থেকে শুরু করে, ইন্টারনেটের শৈশব, যৌবন দেখে ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়ার মহাসমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছেন। কলকাতা ন্যাশন্যাল মেডিক্যাল কলেজ থেকে এম-বি-বি-এস, তৎকালীন পি জি হাসপাতাল থেকে এম-ডি, তারপর অনেক মুসাফিরি, অনেক বিনিদ্র রাতের গল্প শেষ করে অবশেষে থিতু হয়েছেন আমেরিকার র‍্যালে শহরে। এই সফরের বিচিত্র সব আনন্দ-বেদনার অভিজ্ঞতা থেকেই প্রথমে ছোটোগল্প ও কবিতা, তারপর একে একে সাতটি উপন্যাস। অধিকাংশই প্রকাশিত হয়েছে দেশ, সানন্দা এবং আনন্দ পাবলশার্সের নানান পূজাবার্ষিকীতে, তার সঙ্গে রয়েছে প্রতিভাস প্রকাশনীর পত্রিকা নতুন কৃত্তিবাস এবং পরবাস আন্তর্জাল পত্রিকায় নিয়মিত উপস্থিতি। কৌশিক সেনের লেখায় প্রধানতঃ এক প্রবাসী চিকিৎসক জীবনের প্রেক্ষিত এবং অনুপুঙ্খ ফুটে ওঠে। গ্রন্থাকারে প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা মাত্র দশ কিন্তু লেখা শেষ হয়নি, এই যুগের অনেক গল্প এখনও তাঁর ঝুলিতে।
View Posts →
3 posts
প্রীতম পেশায় শিক্ষক। পড়াশোনা ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে। লেখালিখির শখ ছোটবেলা থেকেই। 'একুশ শতাব্দী' নামক একটি লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত দীর্ঘ ছয় বছর। মূলত ছোটগল্পকার হিসেবেই তাঁর পরিচিতি। বহু লিটল ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখা প্রকাশিত হয়। দেশ পত্রিকায় গল্প প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালে।
View Posts →
3 posts
রাজর্ষি ধাড়া। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। অ-মৃত লিটল ম্যাগাজ়িনের সম্পাদক। শখ ছবি আঁকা এবং থিয়েটার।
View Posts →
3 posts
পেশায় শিক্ষিকা। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে পর্বত পদযাত্রী, পর্বতারোহী ও ভ্রামণিক এবং এই বিষয়ক লেখিকা।
View Posts →
3 posts
কল্যাণী রমা-র জন্ম ঢাকায়। ছেলেবেলা কেটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। ভারতের খড়গপুর আই আই টি থেকে ইলেকট্রনিক্স এ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল কমুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ বি টেক করেছেন। বর্তমানে আমেরিকার উইস্কনসিনে থাকেন। পেশাগতভাবে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করছেন ম্যাডিসনে। প্রকাশিত বই 'আমার ঘরোয়া গল্প', 'হাতের পাতায় গল্পগুলো – ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা', 'রাত বৃষ্টি বুনোহাঁস – অ্যান সেক্সটন', 'রেশমগুটি', 'জলরঙ' 'দমবন্ধ' ও অন্যান্য।
View Posts →
3 posts
অলোকপর্ণার জন্ম ১৯৯০ সালে, কলকাতায়। উত্তর ২৪ পরগণার নববারাকপুরে স্কুলজীবন ও বেড়ে ওঠা। কলকাতা থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং শেষে কখনো ব্যাঙ্গালোর কখনো কলকাতায় বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত। লেখালেখির সূত্রপাত কৈশোরে হলেও, ২০১০ থেকে তা শখ নয়,- আসক্তিতে পরিণত হয়েছে। এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত বই- ঝিঁঝিরা (২০১৫), হাওয়াশহরের উপকথা (২০১৮), দাস্তানগো (২০১৯), রণ বিশ্বাস কারো নাম নয় (২০১৯), যাহা বলিব সত্য বলিব (২০২২), সবুজ অন্ধ করেছে (২০২৩)।
View Posts →
3 posts
টেক্সাসের হিউস্টনের বাসিন্দা! লেখালেখি ছোটবেলা থেকেই। গত দশ বছরে প্রবন্ধ , ছোট গল্প, কবিতা, রম্যরচনা প্রকাশিত হয়েছে দেশে বিদেশের বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকায়। এছাড়াও লিখেছেন নানান দৈনিক সংবাদপত্রে। লেখালিখির পাশাপাশি পড়তে, শুনতে, ভাবতে, জানতে, বেড়াতে ভালোবাসেন।
View Posts →
3 posts
আনন্দবাজার, বর্তমান, প্রতিদিন, এই সময়, আজকাল, একদিন, স্টেটসম্যান বাংলা ইত্যাদি বাংলার প্রায় প্রত্যেকটি খবরের কাগজেই নিবন্ধ লেখেন। দেশ, সানন্দা, সাপ্তাহিক বর্তমান, কৃত্তিবাস, কথাসোপান, পরিচয় ইত্যাদি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ প্রকাশিত। আনন্দমেলা, জয়ঢাক ইত্যাদি ছোটোদের পত্রিকায় গল্প ও উপন্যাস প্রকাশিত। প্রকাশিত বই সাতটি। একটি উপন্যাস, দুটিগল্পগ্রন্থ, তিনটে কবিতার বই ও একটি ছোটোদের উপন্যাস গ্রন্থাকারে প্রকাশিত। উপন্যাস- ’১৫ নিমতলা ঘাট স্ট্রিট’, ইতিকথা প্রকাশনী (২০২৩) গল্প-সংকলন- ‘ছাতা হারানোর পরে’-হাওয়াকল প্রকাশনী (২০২২) -‘দময়ন্তীর জার্ণাল, সৃষ্টিসুখ প্রকাশনী(২০১৯) কবিতার বইগুলি- ‘পরজন্মের মুদ্রণপ্রমাদ’- সিগনেটপ্রেস (২০২২) ‘মালিনীর দ্রোহকাল’- পরম্পরা প্রকাশনী(২০২০) ‘মিথ্যে ছিল না সবটা’, কলিকাতা লেটার প্রেস(২০১৮) ছোটোদের উপন্যাস- ‘বাড়ি ফেরার তাড়া’- বরানগর দর্পণ প্রকাশনী (২০২৪)
View Posts →
3 posts
শ্রীমন্তীর জন্ম আর স্কুলের পড়াশোনা কলকাতায়। স্নাতকস্তরে দিল্লি স্কুল অফ ইকনমিকসে পাড়ি। পেশায় সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক হলেও বৃষ্টিভেজা দিনে এতোল বেতোল ভাবনা ভাবতে আর সুর ভাঁজতে ভালোবাসেন। কলম ছুঁইয়ে চেনাকে অচেনা আর অচেনাকে চেনা করে তোলা তাঁর প্রিয় শখ। ভালোবাসেন ছোটদের সঙ্গে সময় কাটাতে, বই পড়তে আর বেড়াতে।
View Posts →
3 posts
বিহু পেশায় বহুজাতিক সংস্থার কর্মী। আদি নিবাস নদিয়া জেলার শান্তিপুর। কর্মসূত্রে আট বছর যাবৎ দেশের একাধিক শহরে ভ্রাম্যমাণ। সঙ্গী বলতে রঙিন মাফলার আর বেরঙিন ইনহেলার। গরিমা বলতে ঘরজোড়া বইপত্র ও একটি যুক্তাক্ষরবিহীন নাম৷ স্বপ্ন দেখেন একদা চাকরি ছেড়ে গ্লোবট্রটার হওয়ার।
View Posts →
3 posts
মণিদীপার লেখায় কল্পনা ও বাস্তব হাত ধরাধরি করে চলে। সহজ ঝরঝরে ভাষায় শিশুদের জন্যে মজাদার গল্প বোনার পাশাপাশি, তিনি তথ্যনির্ভর ভ্রমণসাহিত্য রচনায় সমান মুনশিয়ানা দেখান। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতার ছাত্রী একসময় চুটিয়ে লিখেছেন দ্য স্টেটসম্যান, সানন্দা, ভ্রমণ, Better Photography, Times Journal of Photography, The China Post এবং Travel in Taiwan-এর মতো বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। তার প্রকাশিত বইগুলির মধ্যে বিশেষ নিউল্লেখযোগ্য—ঠামমা ও গাভাস্কর, The Misadventures of Teddy Tumbledore, এবং Jungle Beats
View Posts →
3 posts
কোরক পেশায় জনসংযোগ আধিকারিক। নেশায় অনেক কিছু। বাচিক শিল্পী তো বটেই। তার পাশাপাশি নিয়মিত আকাশবাণীতে রেডিও নাটকের সঙ্গে যুক্ত। ভয়েসওভারের কাজ করেন। আবৃত্তিও করেন। পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র কোরক বহুদিনই কলকাতার বাসিন্দা। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর উচ্চশিক্ষা। বর্তমানে ওয়েব দুনিয়ায় পডকাস্টের জগতে তিনি বেশ পরিচিত নাম।
View Posts →
3 posts
দীপক রায় সত্তর দশকের কবি। তখন থেকেই নিজেকে ব্যক্ত করে চলেছেন নিরাভরণ কবিতার আঙ্গিকে। শুরুর দিনগুলোয় তাঁর পদ্য বাসা বাঁধতে চেয়েছিল রূপকথার ফুলভাসা জলের পুকুরপাড়ে। কিন্তু ক্রমাগত ভয় ও সন্তাপে শেষমেশ তাদের স্থান হয় কালো কুচ্ছিত নাগরিক ল্যাম্পপোস্টের তলায়। 'দৈনিক কবিতা' ও 'অণুমাত্রিক' নামে দুটি ছোট কাগজের সম্পাদনার কাজে নিযুক্ত রেখেছেন নিজেকে। কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও প্রকাশিত গদ্যের বইয়ের সংখ্যা চার। বাংলায় ছোট কবিতা চর্চার ইতিহাস রক্ষার কাজ তাঁর অন্যতম ব্রত।
View Posts →
3 posts
ধ্রুব মুখোপাধ্যায় পেশায় সফটঅয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। নেশা বইপড়া এবং লেখালিখি। আদি নিবাস বীরভূমের সিউড়ি। বর্তমানে কর্মসূত্রে কলকাতাবাসী। ভাললাগা বলতে, মানুষ দেখা আর আড্ডা দেওয়া। প্রথম কবিতার বই ‘চাঁদ নামার শব্দ’।
View Posts →
3 posts
অসামরিক প্রতিরক্ষা দফতরের অন্তর্গত ইছাপুর মেটাল অ্যান্ড স্টীল ফ্যাক্টরিতে কর্মরত। ছোট বেলা থেকেই ভ্রমণের নেশা। পাহাড়, কোস্টাল, মরুভূমি মিলিয়ে প্রায় ২০ বছরের ট্রেকিং জীবন। ছবি তোলার পাশাপাশি লেখালেখিতেও আগ্রহ আছে।
View Posts →
3 posts
হুগলির চুঁচুড়ার বাসিন্দা শঙ্খশুভ্র ইতিহাসের খোঁজ করতে ভালোবাসেন। হুগলি জেলার ইতিহাসের চর্চা এবং সেখানকার স্থাপত্যের সংরক্ষণের কাজে তিনি যুক্ত। বিভিন্ন সংস্থার হয়ে প্রচারমূলক শর্ট ফিল্ম তৈরি করা শঙ্খর পেশা।
View Posts →
3 posts
পড়েছেন ইঞ্জিনিয়ারিং। বিচিত্র কর্মজীবনে কখনও আইটি কোম্পানিতে চাকরি কখনও সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখা এমনকি দৈনিক কাগজে ফ্রীল্যান্সও করেন। বর্তমানে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত। প্রথম কবিতা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রের বাড়ির রথের মেলা নিয়ে মাত্র ১১বছর বয়সে। তার কথায় কবিতা কখনও অঙ্ক কখনও ডার্ক ফ্যান্টাসি। বিশ্বাস করেন নিজের দুর্বলতাকে সবলতা করাই সাফল্য।
View Posts →
3 posts
অদিতি ঘোষ দস্তিদার পেশায় গণিতের অধ্যাপিকা। নেশা লেখালিখি। নিউজার্সিতে থাকেন। সারা পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। আমেরিকা থেকে প্রকাশিত 'অভিব্যক্তি' পত্রিকার সম্পাদক। মিশিগান থেকে প্রকাশিত 'উদ্ভাস' এবং কলকাতার 'কাফে টেবিল' প্রকাশনার 'অবসর' পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীতেও রয়েছেন। ছোটগল্প ও অণুগল্প লেখা বিশেষ পছন্দের।
View Posts →
3 posts
অর্ঘ্য কমল পাত্র এই সময়ের তরুণতর কবি। জন্ম-২০০২ সালে। চন্দননগরের বাসিন্দা৷ ইঞ্জিনিয়ারিং দ্বিতীয় বর্ষে পাঠরত। বাংলা কবিতা ও সমাজতন্ত্রের থেকে অগাধ প্রত্যাশা। ২০২১ সালে প্রকাশিত একটিমাত্র ক্ষীণকায় কাব্যগ্রন্থ— ‘এখনই আত্মহত্যার সঠিক সময় নয়' বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখা প্রকাশ পায়...
View Posts →
3 posts
সুস্মিতা (চৌধুরী) দত্ত পেশাগত পরিচয়ে পোশাক পরিকল্পক। ভালবাসেন ছবি আঁকতে, চিত্রকলা বিষয়ে পড়াশোনা করতে। সিনেমা ও গ্রুপ থিয়েটার নিয়েও আগ্রহ রয়েছে। যুক্ত রয়েছেন নানা সামাজিক কল্যাণমূলক কাজকর্মের সঙ্গে। আর অবসর সময় কাটে সাহিত্যচর্চা ও বাগান করে।
View Posts →
3 posts
পেশায় চিকিৎসক। স্নাতকোত্তর শেষ করে বর্তমানে কলকাতা মেডিকেল কলেজে কর্মরত। পাশাপাশি আশৈশব ভালবাসার টানে শিল্প ও সাহিত্যচর্চায় নিমগ্ন। বেশ কিছু বছর ধরে যুক্ত রয়েছেন প্রচ্ছদ, গ্রন্থচিত্রণ ও ক্যালিগ্রাফির কাজে। এছাড়া কার্টুন আঁকিয়ে হিসেবে দীর্ঘদিন যুক্ত আছেন কার্টুনদলের সঙ্গে। লেখালিখির শুরু মূলত কবিতার হাত ধরে। প্রকাশিত কবিতার বই 'প্রচ্ছদ শ্রমিকের জার্নাল'।
View Posts →
3 posts
খ্যাতিমান সঙ্গীতশিল্পী অর্ণব রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রনাথের গান বিষয়ে গবেষণা সম্পন্ন করেছেন। প্রবাদপ্রতিম সঙ্গীতগুরু আশিস ভট্টাচার্যের সুযোগ্য ছাত্র অর্ণব রবীন্দ্রসঙ্গীতে বিশেষভাবে পারদর্শী, এ ছাড়াও অন্য ধরনের গানেও তিনি যথেষ্ট পারঙ্গম। তিনি পেশায় শিক্ষক। গান তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। তিনি ভ্রমণপিপাসু, সেই সঙ্গে উদ্যানচর্চায় আগ্রহী।
View Posts →
3 posts
পরিবেশ বিজ্ঞানী, দীর্ঘদিন ধরে জনবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের কোষাধ্যক্ষ ও প্রাক্তন সম্পাদক। পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি।
View Posts →
3 posts
অজিত বাইরীর জন্ম হুগলি জেলার কনকপুর গ্রামে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি বিভাগে আধিকারিকের পদে যোগদান ১৯৭১ সালে, অবসর গ্রহণ করেন 2008 সালে। অজিত বাইরীর কাব্য়গ্রন্থের সংখ্য়া ২৩। এর মধ্য়ে রয়েছে 'অবেলায় রোদ্দুরে তোমার মুখ', 'প্রিজন ভ্য়ান এবং কালপুরূষ', 'শব্দের টেরাকোটা', 'আগুনের চাদর', 'বিষণ্ণ অর্কিড'। তিনি একটি উপন্যাস ও একটি গল্পগ্রন্থও প্রকাশ করেছেন।
View Posts →
3 posts
কবিতা লেখার একটি চেষ্টা রয়েছে। সম্প্রতি যোগ হয়েছে কোনও একটি বিষয়ের ওপর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাবনাচিন্তা প্রকাশের একটি চেষ্টা। এর বাইরে বিশেষ কী আর পরিচিতি দেওয়া যেতে পারে, সত্যিই জানা নেই।
View Posts →
3 posts
এ যুগের অন্যতম কথাকার তমাল বন্দ্যোপাধ্যায়র জন্ম ১৯৭৮ সালে, কৃষ্ণনগরে। ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর, পেশা শিক্ষকতা। নিয়মিত গল্প-উপন্যাস লেখেন দেশ, আনন্দবাজার পত্রিকা, সানন্দা, আনন্দমেলা-সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - উত্তরপুরুষ, মর্মমেঘ, ভ্রান্তিডানা, ব্রাহ্মণী ইত্যাদি। ২০১১ সালে পেয়েছেন বর্ণপরিচয় সাহিত্য সম্মান, দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত 'মায়াকাচ' উপন্যাসের জন্য। ২০১৬-তে নতুন কৃত্তিবাস পুরস্কার ও ২০১৭-তে বাংলা অকাদেমি পুরস্কারে সম্মানিত।
View Posts →
3 posts
জন্ম ১লা জুলাই, ১৯৯৬। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে স্নাতোকত্তর পড়ছেন। নেশা আড্ডা মারা, রাস্তায় এলোমেলো ঘুরে বেড়ানো আর লিটল ম্যাগাজিন ঘাঁটা। 'দশমিক' নামে একটা ছোট কাগজ সমপাদনা করেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'খইয়ের ভিতরে ওড়ে শোক'।
View Posts →
3 posts
বিশ্বভারতী থেকে ভূগোলে স্নাতকোত্তর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট। পেশায় লেখক। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত বাংলা ও ইংরেজি পত্র পত্রিকায় নিয়মিত লেখা প্রকাশ। তা ছাড়া পনেরটি বাংলা ও একটি ইংরেজি বই প্রকাশিত। বিবেকানন্দ-নিবেদিতা গবেষক। এই বিষয়ে এবং আরো অন্যান্য বিষয়ে আমন্ত্রিত বক্তৃতা দিয়ে থাকেন।
View Posts →
3 posts
ভ্রামণিক, লেখিকা এবং ফটোগ্রাফার।
View Posts →
3 posts
পদার্থবিদ্যার স্নাতক নীলা পেশায় ছবি আঁকিয়ে। জলরং এবং অ্যাক্রিলিকে স্বচ্ছন্দ। কবিতা লেখেন নিছকই শখে, একাকিত্বের অবকাশ যাপনে। ভালোবাসেন চুপটি করে বসে বসে ভাবতে আর আধ্যাত্মচিন্তার বই পড়তে। তবে হিমালয়ে ট্রেকিং এবং জঙ্গল ভ্রমণও খুব পছন্দের।
View Posts →
3 posts
জয়িতা বাগচী বর্তমানে স্বাধীন গবেষক। সাম্প্রতিকতম বই – আমাদের বেড়াল ও অন্যান্যদের কথা।
View Posts →
3 posts
পদার্থবিদ্যার অধ্যাপনা আর গবেষণায় নিযুক্ত। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলায়, সন্দেশ পত্রিকায়। প্রকাশিত কবিতার বই পাঁচটি, জার্নালধর্মী ভ্রমণকথার বই একটি। ভারতের সাহিত্য অকাদেমি যুব পুরস্কারে সম্মানিত। এছাড়াও পেয়েছেন কৃত্তিবাস পুরস্কার, বাংলা আকাদেমি পুরস্কার, এবেলা অজেয় সম্মান।
View Posts →
3 posts
পার্থজিৎ চন্দের কবি হিসাবে আত্মপ্রকাশ শূন্য দশকের প্রথম দিকে। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ছদ্মনকশা ও প্রসাদের গান’ প্রকাশিত হয়েছিল ‘কৃত্তিবাস’ থেকে। তারপর একাদিক্রমে প্রকাশিত হয়েছে মেষপালকের ডায়েরি, বালিঝড় ও কেবিন বয়, ধান্যলক্ষ্মী, ক্যাসিনোয় লেখা কবিতা, বাংলা, পর্ণশবরী, দূরগামী আলোর শরীর, মেফিস্টফেলিস ও নরসুন্দর ইত্যাদি কাব্যগ্রন্থ। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে গল্প গ্রন্থ ‘আটলান্টিক ও অক্টোপাস’। প্রকাশিত প্রবন্ধ-গ্রন্থের সংখ্যা দুই। ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। প্রিয় বিনোদন গান শোনা ও ছবি দেখা।
View Posts →
3 posts
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক। তাঁর জন্ম নদিয়া জেলার ঘোড়াশাল গ্রামে, ১২ সেপ্টেম্বর ১৮৯৪ সালে। তিনি কলকাতার রিপন কলেজ (বর্তমানে সিটি কলেজ) থেকে পড়াশোনা করেন। জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি শিক্ষকতা, জমিদারি অফিসের কাজ, অনুবাদসহ নানা পেশায় যুক্ত ছিলেন। তাঁর সাহিত্যজীবন শুরু হয় ছোটগল্প দিয়ে। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’, যা তাঁকে সাহিত্যিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে ‘চাঁদের পাহাড়’, ‘আরণ্যক’, ‘দেবযান’, ‘অদৃষ্ট’ প্রভৃতি। তাঁর লেখায় গ্রামীণ জীবনের ছবি, প্রকৃতির বর্ণনা এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রাম উঠে এসেছে সরল ও বাস্তব ভাষায়। ১৯৫০ সালের ১ নভেম্বর ঘাটশিলায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
View Posts →
3 posts
জন্ম ১৯৫৯ | ইংরাজি ও বাংলা দুই ভাষায় লেখেন।প্রকাশিত পাঁচটি কবিতার বই | 'বরফে হলুদ ফুল'-এর জন্য ২০০৫ সালে পেয়েছেন জসীমউদ্দিন পুরস্কার | ২০০৮ সালে সুধীন্দ্রনাথ পুরস্কার "গৃহযুদ্ধের দলিল" কাব্যগ্রন্থের জন্য। ভাষানগর পুরস্কার ২০১৭ সাল। তাঁরই প্রচেষ্টার ফসল 'উড়ালপুল' |
View Posts →
3 posts
ডঃ সুমিত দাশ পেশায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। স্বাস্থ্যের বৃত্ত পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করেন। গণ স্বাস্থ্য আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। অবসর সময়ে বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন।
View Posts →
3 posts
জন্ম ইস্তক কলকাতায়। শিক্ষা দিক্ষার খতিয়ানে ঘোর বিড়ম্বনার আশঙ্কা রয়েছে বলে আপাতত উহ্য। নোলা-সর্বস্ব জীবন। যে কোনও মুলুকের হরেক কিসিম পদ চেখে দেখার নেশা আশৈশব। পাকযন্ত্র চালু রাখা বাদে আরও কিছু সযত্নলালিত বদভ্যাস - হকেনকে খুন্তিবাজিতে সহবাসীদের নাকাল করা। বাতিক - ইনসমনিয়া কাজে লাগিয়ে রাত্তির জেগে বইপত্তর ঘাঁটা। তাতে হাঁফ ধরলে তল্পিতল্পা গুটিয়ে নিরুদ্দেশ হওয়ার কুমতলব হামেশাই দেখা দেয়। জুতসই বিষয় আর দোসর জুটিয়ে কাজ ফেলে খোশগল্প আর হল্লা করার দুর্নাম বরাবর। প্রকাশিত বই - খ্যাঁটনসঙ্গী।
View Posts →
3 posts
বৈশাখের বয়স সাত। একদণ্ড স্থির হয়ে বসা তার না-পসন্দ। এই সে সাজছে পাওয়ার রেঞ্জার কিংবা স্পাইডারম্যান, পরমুহূর্তেই হয়ে যাচ্ছে সপ্তদ্বীপের রাজামশাই! এক্ষুণি পায়ে হাতে বাস্কেটবল, পাঁচ মিনিট পরেই পাজ়ল নিয়ে উপুড়। পড়াশুনো তার পোষায় না। সারাদিন ছবি আঁকা, খেলা, গল্প শোনা, লাফালাফি করাতেই তার প্রাণের আরাম। অ্যালার্জির জন্য অনেক কিছু খাওয়া তার বারণ। তা সত্ত্বেও আইসক্রিম, দইবড়া, মিষ্টি হলুদ পোলাও আর মাটন খেতে খুব ভালোবাসে বৈশাখ।
View Posts →
3 posts
সুতীর্থ দাশ জন্ম হরিয়ানার শিল্পনগরী ফরিদাবাদে। পিতার কর্মসূত্রে বাল্য-কৈশোর কেটেছে উত্তর-পশ্চিম ভারতের একাধিক শহরে। কলকাতায় এসে সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় থেকে শিল্পশিক্ষার পাঠ নেওয়ার পর বিজ্ঞাপন সংস্থায় চাকরি। দীর্ঘ ১২ বছর বিজ্ঞাপনের পেশায় থাকার পর, পেশা বদল করে আসেন বেসরকারি রেডিও প্রোগ্রামিং’য়ের চাকরিতে। সেখানে আরও ১৮ বছর কাটিয়ে বর্তমানে ভারতের এক স্বনামধন্য মিউজিক কম্পানিতে কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের কাজে যুক্ত। পেশাগত কাজকর্মের পাশাপাশি ভালোবাসেন ছবি আঁকতে এবং লিখতেও। নিজের শিল্পীমন দিয়ে তিনি লেখেন গ্রাম-শহরের নানা কাহিনি। ছোট ছোট গল্পের জাল বুনে তিনি লিখে চলেন আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা কাহিনি। অজস্র প্রবন্ধ-নিবন্ধের পাশাপাশি, ইতিমধ্যেই তিনি লিখে ফেলেছেন বেশ কয়েকটি বইও। সেগুলোর মধ্যে শহর কলকাতার বিভিন্ন আখ্যান নিয়ে লেখা ‘তিলোত্তমার গর্ভজাত’ পাঠকদের মধ্যে বেশ সাড়াও জাগিয়েছে। রেডিয়ো নিয়ে তাঁর প্রথম বই ‘তরঙ্গে অন্তরঙ্গে – কলকাতা বেতারের উপকথা’ ইতিমধ্যে খুব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
View Posts →
3 posts
মহালয়া চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক। নগর অর্থনীতি, মহিলা শ্রম এবং লিঙ্গবৈষম্য বিষয়ে ওঁর লেখা একাধিক দেশি বিদেশি জার্নালে প্রকাশ পেয়েছে। মূলত ইংরেজিতে লেখালেখি করেন। ইকোনমিকস অফ আরবান ল্যান্ড ইউজ, এনভায়রনমেন্টাল ম্যানেজমেন্ট ইন ইন্ডিয়া, ওঁর লেখা গবেষণামূলক কিছু বই।
View Posts →
3 posts
সৌভিক চক্রবর্তীর জন্ম ১৯৯০ সালে, কলকাতায়। 'গভর্মেন্ট কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সেরামিক টেকনোলজি' থেকে প্রযুক্তিবিদ্যায় স্নাতক, বর্তমানে 'স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়া'-য় কর্মরত। বিদেশি সাহিত্য, বিশেষ করে পাশ্চাত্য হরর, থ্রিলার, সায়েন্স ফিকশন ও ফ্যান্টাসির প্রতি আকর্ষণ ছেলেবেলা থেকেই। ‘আনন্দমেলা’, ‘কিশোর ভারতী’, ‘শুকতারা’, ‘চির সবুজ লেখা’, ‘নবকল্লোল’, ‘অনুবাদ পত্রিকা’-র মতো নামী পত্রিকায় মৌলিক এবং অনুবাদ কাহিনি লিখেছেন সৌভিক, নিবন্ধ লিখেছেন ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’, ‘সংবাদ প্রতিদিন’, ‘তথ্যকেন্দ্র’-র পাতায়। বিগত কয়েক বছরে ‘বি বুকস’, ‘অরণ্যমন’ ও ‘জয়ঢাক’ থেকে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর সম্পাদিত একাধিক ইংরেজি ও বাংলা গল্পসংকলন। সৌভিক ভালোবাসেন গান শুনতে এবং সিনেমা দেখতে। নেশা গিটার বাজানো।
View Posts →
3 posts
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাকোত্তর করার পর শিবু এখন ডালাসে এক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। জীবনের নানান উপাখ্যানের ওপর কল্পনার জাল বুনে বন্ধুদের শোনাতে ভালোবাসে। লেখা দেখে মনে হয়, বয়েস কয়েকবার ওঠানামা করে এখন হয়েছে তেরো!
View Posts →
3 posts
শক্তিপদ ভট্টাচার্য্য, অবসরপ্রাপ্ত ইতিহাসের শিক্ষক, ভ্রামণিক, জেলা ভ্রমণ গ্রন্থমেলা ও জেলার উৎসব ও মেলা গ্রন্থের লেখক, ভ্রমণ আড্ডা ও ভাবনায় ভদ্রেশ্বর পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ও ট্রাভেল রাইটার্স ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
View Posts →
3 posts
সংবাদিক, শিল্পী, সংগ্রাহক, সংগ্রহশালা পরামর্শদাতা। প্রকাশিত গ্রন্থ: কলকাতার সংগ্রহালয়
View Posts →
3 posts
নৃত্যশিল্পী- ছোটোবেলায় তনুশ্রী শঙ্কর ও পরে মমতা শঙ্করের কাছে তালিম নিয়েছেন। প্রধান শখ রান্নাবান্না, অন্দরসজ্জা আর পোশাক পরিকল্পনা।
View Posts →
2 posts
লেখক পরিচিতিঃ সাদিক হোসেন - ১৯৮১ সালের ১১ই ডিসেম্বর দক্ষিণ ২৪ পরগণার মহেশতলায় জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামের স্কুল থেকেই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে ইনফর্মেশন টেকনলজি নিয়ে পড়াশোনা শুরু করে ছিলেন। কিন্তু এই পড়াশোনা ব্যবহারিক অর্থে বৃথা যায়। পরবর্তীকালে মাল্টিমিডিয়া চর্চা করে বর্তমানে একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। দেবতা ও পশুপাখি (কবিতা সংকলন, ২০০৭) সম্মোহন (গল্প সংকলন, ২০১১), মোমেন ও মোমেনা (উপন্যাস, ২০১৪), গিয়াস আলির প্রেম ও তার নিজস্ব সময় (গল্প সংকলন, ২০১৪), রিফিউজি ক্যাম্প (গল্প সংকলন, ২০১৭), মোন্দেলা (উপন্যাস, ২০১৯), হারুর মহাভারত(গল্প সংকলন, ২০১৯), আনন্দধারা (গল্প সংকলন, ২০২২) – এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায়। ‘সম্মোহন’ বইটির জন্য পেয়েছেন সাহিত্য আকাদেমি যুবা পুরস্কার (২০১২) ও ডলি মিদ্যা স্মৃতি পুরস্কার। ‘গিয়াস আলির প্রেম ও তার নিজস্ব সময়’ বইটির জন্য পেয়েছেন নমিতা চট্টোপাধ্যায় স্মৃতি পুরস্কার (২০১৫)। ছোটোগল্পের জন্য পেয়েছেন বাংলা একাডেমি সোমেন চন্দ পুরস্কার(২০২৪)।
View Posts →
2 posts
সহানা নাগচৌধুরী একজন স্বতন্ত্র সাংবাদিক, লেখিকা ও সমাজকর্মী। দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে তিনি 'বর্তমান' পত্রিকার সঙ্গে রিপোর্টার, সাব-এডিটর ও সিনিয়র এডিটর হিসেবে যুক্ত ছিলেন। এই দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি নারী ও শিশু বিষয়ক সমস্যা, স্বাস্থ্য এবং বিনোদন জগতের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও ওয়েব প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
View Posts →
2 posts
পেশাগত ভাবে রাজ্য সরকারি পত্রিকার সম্পাদনার গুরুভার সামলাতে হয়। তার মধ্য়েই নিজের ভালোবাসার তাগিদে চলে কলম পেষা। এখনও পর্যন্ত দশটি কবিতার বই ও চারটি উপন্যাস বেরিয়েছে। সৃষ্টিসুখ প্রকাশনা থেকে বেরিয়েছে কবিতাসমগ্র ১।
View Posts →
2 posts
গবেষক, নারী ও শিশু অধিকারকর্মী। চার্লস ওয়ালেস ফেলোশিপ পেয়ে ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে কাজ করেছেন উনিশ শতকের কলকাতা নিয়ে। আই ভি এল পি ফেলোশিপে আমেরিকা গিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নারী ও শিশু পাচার নিয়ে দু দশক ধরে কাজ করে চলেছেন। ভ্রমণ ও কালিনারি কালচার নিয়ে লেখালেখি করতে ভালোবাসেন। প্রকাশিত দুটি বই : ড্রিমস এর চিত্রনাট্য র বাংলা অনুবাদ “ড্রিমস” ঊর্বি প্রকাশনা। “বেশ্যা পাড়ার পাঁচটি দুর্লভ সংগ্রহ”, আনন্দ পাবলিশার্স।
View Posts →
2 posts
ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার্স ডিগ্রি করে আদিতি কলেজে ও স্কুলে পড়িয়েছেন। এখন অবশ্য যুক্ত সাংবাদিকতার সঙ্গে। আদতে কবি হলেও গদ্য লেখেন প্রায়শই। প্রিয় কাজ বারান্দায় মোড়া পেতে বসে পড়াশোনা। শখ বেড়ানো। প্রকাশিত বই 'সাড়ে তিনটের উড়োজাহাজ', 'একশো সাতান্ন রকম মিথ্যে', 'অসতীপ্রবণতা' ইত্যাদি। পেয়েছেন মল্লিকা সেনগুপ্ত পুরষ্কার।
View Posts →
2 posts
অন্তরার জন্ম ১৯৮১-তে, বর্ধমানের পালসিট গ্রামে। রাজ কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়র স্নাতোকোত্তর, বর্তমানে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষিকা হিসাবে স্কুলে কর্মরত। কবিতাজ্বরের শুরু শৈশবেই। পরবর্তীতে 'আলোবাতাস', 'কয়লাকুঠি' 'শ্রুতিবাক' 'অংশুমালী' 'প্রথম আলো','রোদরঙ' 'তাঁতঘর' 'আনন্দমুখর', 'সংবাদ প্রভাতী' 'ইসক্রা' 'পৃথ্বী' প্রভৃতি অনেক পত্রপত্রিকায় কালক্রমে প্রকাশিত হয়েছে কবিতা, গদ্য, অণুগল্প, ছোটগল্প। প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'শিকড়ে শিকড়ে অস্তিত্বসুখ' প্রকাশিত হয়েছে আলোবাতাস প্রকাশনা থেকে ২০১৮ সালে। কুমুদরঞ্জন মল্লিক সম্মান পেয়েছেন ২০২০ সালে। শখ বই পড়া, গান শোনা আর ছবি তোলা।
View Posts →
2 posts
মৌমন মিত্র কবি এবং গদ্যকার। থাকেন আমেরিকার নিউ জার্সি শহরে। বিদেশে থেকেও তিনি বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। তাঁর অন্যতম নিয়ত চর্চার বিষয় রবীন্দ্রনাথ। কবিতা, গল্প ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে গদ্য লেখেন নানা পত্রপত্রিকায়। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম শ্যামকাঞ্চন।
View Posts →
2 posts
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী ছাত্র। দীর্ঘ তেইশ বছর অধ্যাপক হিসেবে রয়েছেন গোখলে মেমোরিয়াল গার্লস' কলেজের বাংলা বিভাগে। গবেষণার বিষয় ছিল: রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যতত্ত্ব। রবীন্দ্রনাথ, বাংলা ছোটোগল্প, সিনেমা আর শিশুসাহিত্য বিষয়ে লিখেছেন অজস্র প্রবন্ধ। উদয়শঙ্কর ও অমলাশঙ্করের জীবনীনির্ভর তাঁর লেখা বই: 'শঙ্করসরণি'।
View Posts →
2 posts
পেশায় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, নেশা বই-বেড়ানো-ছবি-ক্রিকেট। তবে আড্ডার অছিলায় বাকি সব কাজ শিকেয় তুলে রাখাই পছন্দ। প্রবল গেঁজুড়ে। ভালো লিকার চা সঙ্গে থাকলে আর কথা নেই। মাঝেমধ‍্যেই কীবোর্ড থেকে অবাধ্য আঙুল সফটওয়্যার আর্কিটেকচার অথবা এক্সেল শিট থেকে Alt + Tab মেরে চলে যায় লেখার পাতায়।
View Posts →
2 posts
বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত, পেশায় ম্যানেজার হলেও ম্যানেজারিটা তেমন আসে না, পরিবারের থেকেও বেশি ভালোবাসে নিজের মোটরসাইকেলটিকে। সুযোগ পেলেই ঘুরে বেড়ানো, আর সেই বেড়ানোর গল্প সবাইকে পড়ানো বিশেষ হবি। এর পরেও সময় বেঁচে গেলে ইতিহাস পড়ে। মানুষের ইতিহাস, যুদ্ধের ইতিহাস, আর ইতিহাসের ইতিহাস।
View Posts →
2 posts
সঞ্চালিকা পেশায় সিনিয়র এপিডেমিওলজিস্ট। সিঙ্গাপুরের ট্যান টক সেঙ হাসপাতালে কর্মরত। ছোটবেলা কেটেছে উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে। কিছু বছর যাবৎ কবিতাপ্রয়াসী। বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন এবং ওয়েব ম্যাগাজিনে লেখা প্রকাশিত।
View Posts →
2 posts
ই সন্তোষ কুমার মালয়ালম ভাষার এই প্রজন্মের অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য লেখক। তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা পনেরোর বেশি। সেরা গল্প সংগ্রহের জন্যে এবং উপন্যাস 'অন্ধাকরানঝি' –র জন্যে দু'বার পেয়েছেন কেরালা সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার যথাক্রমে ২০০৬ আর ২০১২ সালে। এই উপন্যাসটির ইংরেজি অনুবাদ- আইল্যান্ড অফ লস্ট শ্যাডোজ ২০১৫ সালের ক্রসওয়ার্ড পুস্কারের জন্য বাছাই হয়েছিল। তাঁর দুটি গল্প থেকে মালয়ালম সিনেমা হয়েছে। তাঁর লেখা অনুবাদ হয়েছে ইংরেজি, তামিল, হিন্দি এবং জার্মান ভাষায়। বাংলায় অনুবাদ এই প্রথম।
View Posts →
2 posts
সন্দীপ মিত্রের জন্ম ১৯৫৫ সালে কলকাতা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। ১৯৭৮ সালে বিদেশমন্ত্রকে চাকরিতে যোগ দেন। এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের ভারতীয় দূতাবাসে কাজ করেছেন দীর্ঘকাল। ২০১৫ সালে অবসর নেন। ভালোবাসেন বই পড়তে, ব্লগ লিখতে, দেশবিদেশ ঘুরে ঘুরে ছবি তুলতে। ভারতীয় রাজনীতি, বিদেশনীতি এবং ভারত-বাংলাদেশ আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ে বিশেষ আগ্রহী।
View Posts →
2 posts
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, প্যাথলজিস্ট
View Posts →
2 posts
অনিমিখ পাত্র-র জন্ম ১৯৮৩ সালে। ইংরাজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত। প্রকাশিত কবিতার বই ৮টিঃ যতদূর বৈধ বলি (২০০৯), কোনো একটা নাম (২০১৩), পতনমনের কুর্সি (২০১৬), সন্দেহপ্রসূত কবিতাগুচ্ছ (২০১৭), আলো দেখার নেশা (২০১৯), রাস্তার কোনো ছুটি নেই (২০২০), অনিমিখ পাত্র-র কবিতা (২০২২), আমি অনেকের চিৎকার (২০২৪)। কবিতা অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ ও চাইনিজ ভাষায়। অনুবাদ করেছেন বিভিন্ন ভাষার কবিতা, ইংরেজি ভাষামাধ্যমের সাহায্যে। সমকালীন ইতালীয় কবিদের কবিতা অনুবাদের কাজে রত। সম্পাদনা করেন দ্বিভাষিক সাহিত্য জার্নাল 'দুনিয়াদারি'
View Posts →
2 posts
সৌভিক কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগে স্নাতক। কবিতা লেখার শুরু ২০১২ থেকে। প্রথম বই " অলীক ভ্রমণ চিঠি " প্রকাশ পায় সোঁতা প্রকাশন থেকে ২০১৬ সালে। দ্বিতীয় বই " দুমুঠো গল্পের মতো " প্রকাশিত হয় ২০১৯ সালে "জানলা" থেকে। জানলা পত্রিকা সম্পাদনা ২০১৫ থেকে এযাবৎ পর্যন্ত।
View Posts →
2 posts
পেশায় শিক্ষিকা কস্তুরী নতুন প্রজন্মের কবিদের মধ্য়ে যথেষ্ট সাড়া ফেলেছেন। ওঁর প্রকাশিত কবিতার বই 'নাম নিচ্ছি মাস্টারমশাই' এবং 'ধীরে, বলো অকস্মাৎ'।
View Posts →
2 posts
অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৭৬ সালে। এখন রিষড়ার বাসিন্দা। মূলত কবি হলেও ছড়া এবং গদ্যসাহিত্যেও সমান আগ্রহ। প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় ১৯৯৫-তে ‘দেশ’ পত্রিকায়। প্রথম কবিতার বই ২০০০ সালে। ভারত সরকারের সংস্কৃতি-মন্ত্রকের অধীনে ‘জুনিয়ার ফেলোশিপ’ নিয়ে গবেষণা করেছেন বাংলা কবিতা নিয়ে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকার সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত, সম্পাদনাও করেছেন। কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা নয়। পেয়েছেন কৃত্তিবাস পুরস্কার, তুষার রায় সম্মাননা।
View Posts →
2 posts
কুন্তল মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৭৬৷ পেশা শিক্ষকতা। পড়াশোনা ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে। মূলত কবিতাই আগ্রহের বিষয়। ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম কবিতার বই “দুখীরামের গোপন জার্নাল” সিগনেট, আনন্দ থেকে। ২০১৮ সালে একটি কবিতাপুস্তিকা প্রকাশিত হয় তবুও প্রয়াস থেকে। নাম: অন্য এক অন্ধকার। ২০১৯ সালে ভাষালিপি থেকে প্রকাশিত হয় “নির্জনতা, এগারো মাইল”। ২০২০ সালে একটি গদ্যের বই প্রকাশিত হয় তাঁর। নাম: এইখানে সরোজিনী শুয়ে আছে ও অন্যান্য গদ্য।
View Posts →
2 posts
শূন্য দশকের কবিতা জগতের সুপরিচিত নাম। কবিতা লেখার পাশাপাশি লিখেছেন নানা বিষয়ে প্রবন্ধ। জন্ম হাওড়ার শিল্পাঞ্চলে, পেশায় শিক্ষক। প্রকাশিত কবিতার বই- যদি না পুনর্জন্ম হয়(২০১২), ধানদূর্বার দেশ(২০১৪), জন্মান্ধের আলো(২০১৬), সূর্যের বিষাদ(২০১৬), বিশল্যকরণী(২০১৯), রামকৃষ্ণের মুখে গল্প(২০২১)। প্রকাশিতব্য সম্পাদিত বই: ফুল,পুতুল আর আগুন।দেবারতি মিত্র: নির্বাচিত সাক্ষাৎকার ও অগ্রন্থিত গদ্য সংকলন।
View Posts →
2 posts
জন্ম সিলেটে এবং বড় হওয়া বাংলাদেশে। ১৯৮৬ সাল থেকে ভারতের বাসিন্দা। হেঁশেলই তাঁর হাতিয়ার, আশ্রয়। হেঁশেল ঘিরেই তাঁর লেখালেখি। 'অতঃপর অন্তঃপুরে' এবং 'স্বাদ সঞ্চয়িতা' তাঁর প্রকাশিত বই।
View Posts →
2 posts
পণ্ডিত সুদীপ চট্টোপাধ্যায়, পণ্ডিত পান্নালাল ঘোষের ঘরানার অনুসারী একজন বাঁশি বাদক। বর্তমানে আকাশবাণী কলকাতায় কর্মরত।
View Posts →
2 posts
একযুগ সাংবাদিকতায় কাটিয়েছেন। কলম তাঁর হাতিয়ার। বই তাঁর বন্ধু। তাই সাদা পাতায় কলমের আঁচড় কেটে মনের কথা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন মুখে না বলে। ভালো লাগে গান, আবৃত্তি-সহ সমস্ত শিল্পকলা। বোধহয় নিজে ষোলকলায় পূর্ণ নন বলেই...।
View Posts →
2 posts
শ্রাবণী খাঁ -এর জন্ম ১৯৯২ সালে। তাঁর লেখা কবিতা দেশ, কৃত্তিবাস, বসুমতী, সম্পূর্ণা, মথ-এর মতো বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশিত হয়েছে। পেশায় শ্রাবণী একজন ভয়েস আর্টিস্ট।
View Posts →
2 posts
শৈবাল মিত্র এ কালের একজন গুরুত্বপূর্ণ চিত্রপরিচালক। পড়াশোনা শান্তিনিকেতনে। চলচ্চিত্রের একাধিক ধারায় কাজ করে আসা শৈবাল প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি বানান ২০০৭ সালে, 'সংশয়' নামে। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়েন্দাকাহিনি অবলম্বনে ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা চট্টোপাধ্যায় ও কঙ্কণা সেনশর্মাকে নিয়ে ২০১৫ সালে বানান 'সজারুর কাঁটা'। বিএফজেএ সেরা পরিচালকের সম্মান রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। ইন্ডিয়ান প্যানোরামাতেও দু'বার নির্বাচিত হয়েছে তাঁর ছবি। ঘুরেছে দেশবিদেশের ফিল্মোৎসবে।
View Posts →
2 posts
ড. রতন সিদ্দিকী স্বনামখ্যাত অধ্যাপক, নাট্যকার ও নাট্যগবেষক। তাঁর জন্ম ১৯৬৩ সালের ২২ অক্টোবর। পৈতৃক নিবাস নরসিংদীর সদর উপজেলার মুরাদনগর গ্রাম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) ১৯৮৫ ও স্নাতকোত্তর ১৯৮৬। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন নাটক ও লোকসংস্কৃতি বিষয়ে। ড. রতন সিদ্দিকী নাট্যগবেষণা ও নাট্যরচনাসহ সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য লাভ করেছেন অতীশ দীপঙ্কর পুরষ্কার-২০১৫, মাদার তেরেসা পুরষ্কার ২০১৬, হিউমেনিটোরিয়াল এওয়ার্ড-২০১৯। উল্লেখ্য, নাটকে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নাট্যশিক্ষক ড. রতন সিদ্দিকীকে ২০১৯ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
View Posts →
2 posts
বুদ্ধদেব গুহ এই সময়ের একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। ১৯৩৬ সালে কলকাতায় জন্ম হলেও শৈশব-কৈশোর কেটেছে বাংলাদেশে। পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হলেও সাহিত্যই তাঁর আদত বিচরণক্ষেত্র। রবীন্দ্রসংগীত, পুরাতনী ও টপ্পার আঙিনাতেও তাঁর সাবলীল যাতায়াত। প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'জঙ্গলমহল।' তাঁর রচিত 'হলুদ বসন্ত', 'মাধুকরী', 'কোয়েলের কাছে', 'কোজাগর', 'একটু উষ্ণতার জন্য' দীর্ঘদিন ধরে বেস্টসেলার। পেয়েছেন আনন্দ ও বিদ্যাসাগর পুরস্কার। তাঁর চোখে সব বনই সুন্দর, সুন্দর বন।
View Posts →
2 posts
দেবর্ষির জন্ম ১৯৮৮ সালে উত্তর কলকাতায়। পেশায় ফটোগ্রাফার। কর্মক্ষেত্রে ফ্যাশন, লাইফস্টাইল ও বিজ্ঞাপনের ছবি তোলেন। প্রথম ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী হয় ২০১৪ সালে দিল্লির স্প্যানিশ দূতাবাসের এডুকেশনাল সেন্টারে (ইন্সতিতুতো সারভান্তেস)। লেখালিখির শুরু কলেজ জীবনে। মূলত কবি। প্রথম প্রকাশিত বই ২০০৯ সালে। এখনও পর্যন্ত চারটি বই প্রকাশিত। ২০২০ সালে কৃ্ত্তিবাস পুরস্কার পেয়েছেন “নিজস্ব উপকথা” বইটির জন্য।
View Posts →
2 posts
লেখক ও নাট্যকার অসীম চট্টরাজের জন্ম ১৯৬৪। প্রতিষ্ঠিত বাংলা সংবাদপত্র ও পত্রিকার পাঠকদের কাছে তিনি এক পরিচিত নাম। পেশায় অধ্যাপক অসীম চট্টরাজের লেখালেখির শুরু নাটক দিয়ে এবং গল্প উপন্যাসের জগতে প্রবেশ নব্বই-এর দশকে। প্রকাশিত কিছু গ্রন্থ 'হারাধন মণ্ডলের গল্প', 'কিছুতো নেপথ্যে থাক', 'অলৌকিক তীর্থযাত্রা', 'টিলা'।
View Posts →
2 posts
দেব লাহিড়ী কলকাতার প্রতিভাবান স্ট্রিট এন্ড ট্রাভেল ফটোগ্রাফার
View Posts →
2 posts
অবসর প্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মচারী। ভ্রমণ এবং ছবি তোলায় আগ্রহী। " ট্রাভেল রাইটার্স ফোরাম " - এর সদস্য।
View Posts →
2 posts
জন্ম : ১৩৯২ বঙ্গাব্দের ১২ আষাঢ়। আপাতত তিনটি উপন্যাস ও চারটি গল্পসংকলন প্রকাশিত হয়েছে। সম্পাদিত গ্রন্থ দু’টি। ‘এখানে যত্নসহকারে চক্ষু পরীক্ষা করা হয়’ গল্পগ্রন্থের জন্য ২০১৮ সালে রবিশংকর বল স্মারক সম্মান। ২০২৩ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ প্রদত্ত ইলা চন্দ স্মৃতি পুরস্কার।
View Posts →
2 posts
তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী | মন তথ্য-ভারাক্রান্ত হলেই, ‘আপন হতে বাহির হয়ে’ বাইরে দাঁড়ানো | লৌকিক পৃথিবী, অলৌকিক প্রকৃতির সান্নিধ্যে পুনরাবিস্কার – দিনগত পাপক্ষয়, রাজনীতি আর যুদ্ধের বালখিল্যপনাটাই শেষ সত্য নয় | শেষমেশ ঘুরে ফিরে আসে তিনটি শব্দ –‘ভালোবাসা, পৃথিবী, ঈশ্বর’ |
View Posts →
2 posts
দেবলীনার জন্ম রানাঘাটে এবং কর্মস্থল মুম্বই। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নোতকোত্তর করেছেন। বর্তমানে এক বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত। ভালোবাসেন গান গাইতে এবং পেটপুজো করতে।
View Posts →
2 posts
শঙ্খ ঘোষ বলেছিলেন, 'আমরা যখন সত্যিকারের সংযোগ চাই, আমরা যখন কথা বলি, আমরা ঠিক এমনই কিছু শব্দ খুঁজে নিতে চাই, এমনই কিছু কথা, যা অন্ধের স্পর্শের মতো একেবারে বুকের ভিতরে গিয়ে পৌঁছয়। পারি না হয়তো, কিন্তু খুঁজতে তবু হয়, সবসময়েই খুঁজে যেতে হয় শব্দের সেই অভ্যন্তরীণ স্পর্শ।" ইন্দ্রাণী খুঁজে চলেছেন । এ'যাবৎ প্রকাশিত দশটি গল্পের সংকলন-'পাড়াতুতো চাঁদ'।
View Posts →
2 posts
পেশায় ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। লেখক, প্রবন্ধকার ও অনুবাদক হিসেবে খ্যাত। 'ঘুমের দরজা ঠেলে' বইয়ের জন্য পেয়েছেন অ্যাকাডেমি পুরস্কার। ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যচর্চায় ওঁর পাণ্ডিত্য সুবিদিত। 'হে অনন্ত নক্ষত্রবীথি', 'গাঢ় শঙ্খের খোঁজে', 'অন্য জলবাতাস অন্য ঢেউ' ওঁর কিছু প্রকাশিত বাংলা বই। ইংরেজি ভাষাতেও লিখেছেন একাধিক বই। বিশিষ্ট ফরাসিবিদ হিসেবে তিনবার ফরাসি সরকারের কাছ থেকে নাইটহুড পেয়েছেন।
View Posts →
2 posts
ঐতিহ্যময় শহর চন্দননগরের স্থায়ী বাসিন্দা সর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির স্নাতক।১৯৯৬ সালে প্রথম গল্প প্রকাশিত হয়’দিবারাত্রির কাব্য’ পত্রিকায়।২০০১ সালে ‘দেশ’ পত্রিকায় প্রথমে কবিতা পরে গল্প প্রকাশিত হয়।‘আনন্দবাজার’ ও ‘বর্তমান’ পত্রিকার প্রায় সব বিভাগে, ‘আজকাল’, ‘প্রতিদিন’, ‘তথ্যকেন্দ্র’, ‘উত্তরবঙ্গ সংবাদ’ ছাড়াও, ‘অনুষ্টুপ’, ‘কুঠার’, ‘এবং মুশায়ারা’-র মতো বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনেও তার কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ প্রকাশের ধারা অব্যাহত। প্রকাশিত উপন্যাস নটি , গল্পগ্রন্থ চারটি, এবং কবিতার বই দুটি। কর্মজীবনে তিনি অর্থনীতির শিক্ষিকা হিসাবে চন্দননগরের একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।অবসরের পরে পুরো সময়টাই লেখালেখিতে মগ্ন থাকেন।এখন দেশ বিদেশের বিভিন্ন আন্তর্জালিক পত্রিকাতেও তার লেখা প্রকাশিত হচ্ছে।আপাততঃ অনলাইনে একটি পত্রিকায় একটি উপন্যাস প্রকাশিত হচ্ছে।
View Posts →
2 posts
প্রাক্তন গ্রন্থাগারিক, ভ্রামণিক, পর্বত-পদযাত্রী, ভ্রমণ লেখক, ট্রাভেল রাইটার্স ফোরামের সদস্য...
View Posts →
2 posts
পেশায় জৈব-প্রযুক্তিবিদ। শখ বই ও শাস্ত্রীয় নৃত্য। চেনা অচেনা জায়গায় বেড়াতে যেতে এবং স্থানীয় খাবার চেখে দেখতে ভালোবাসেন। ছুটি, রংরুট, চল যাই, ভ্রমণপিপাসু ইত্যাদি বিভিন্ন ছোট-বড় পত্রিকা, ওয়েবজিন ও ব্লগে ভ্রমণকাহিনি লিখেছেন। এছাড়াও লিখেছেন ব্যক্তিগত গদ্য, রম্যরচনা এবং ছোট গল্প।
View Posts →
2 posts
বিগত ১২ বছর সময় ধরে একজন স্বাধীন আলোকচিত্র শিল্পী হিসেবে কাজ করছেন। ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ফটোগ্রাফি থেকে AFIP ডিসটিংশান অর্জন করেছেন ২০২০ সালে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে পুরস্কার অর্জন করেছেন। মূলত একজন ডকুমেন্টারি ও ফটো জার্নালিসম্ বিষয়ে কাজ করেন।
View Posts →
2 posts
সৌমনা দাশগুপ্ত শূন্য দশকের কবি। এ যাবৎ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর ছটি কবিতাগ্রন্থ। ২০০৮ সালে "কৃত্তিবাস" পুরস্কার পেয়েছেন "বেদ পয়স্বিনী" বইটির জন্য। এছাড়া উল্লেখযোগ্য বই: দ্রাক্ষাফলের গান, ঢেউ এবং সংকেত, অন্ধ আমার আলোপোকা ইত্যাদি। ২০২০ সালে প্রতাশিত হয়েছে উপন্যাস 'মাশান রহস্য।'
View Posts →
2 posts
সঞ্জিত চৌধুরীর জন্ম কলতাতায় এবং লেখাপড়া সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। পেশায় আলোকচিত্রী এবং পরিচালক সঞ্জীত একজন প্রিন্ট ও গ্লাস নেগেটিভ সংগ্রাহকও। ওঁর ছবি দেশে বিদেশে একাধিক প্রদর্শনীতে জায়গা করে নিয়েছে। তিনি একজন বিশিষ্ট খাদ্যবিশারদ ও রন্ধন ইতিহাসবিদ হিসেবেও সুবিদিত।
View Posts →
2 posts
লেখক, পেশায় বিদ্যালয় শিক্ষক। ভালবাসেন পাহাড়ে ঘুরতে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালিখি করেন জীববৈচিত্র, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ইকোট্যুরিজম বিষয়ে। লেখকের প্রকাশিত বই – ‘বাংলার উভচর’।
View Posts →
2 posts
রানা রায়চৌধুরীর জন্ম ষাটের দশকে উত্তর ২৪ পরগনায়। সুরেন্দ্রনাথ কলেজের স্নাতক রানা পেশায় স্কুলশিক্ষক। তবে প্যাশন বলতে মূলত লেখালিখি। এ যাবৎ প্রকাশিত বারোটি কাব্যগ্রন্থ ও তিনটি গদ্যগ্রন্থ। লিখেছেন একটি উপন্যাসও। তাঁর কবিতার বই লাল পিঁপড়ের বাসা, অগাস্ট মাসের রাস্তা, একটি অল্পবয়সী ঘুম পাঠকমহলে সমাদৃত। লেখকের সদ্য প্রকাশিত গল্পের বই দ্রাবিড়ের ভাঙা উইকেট।
View Posts →
2 posts
প্রখ্যাত সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের জন্ম অধুনা বাংলাদেশের ময়মনসিংহে। ওঁর প্রথম উপন্যাস 'ঘুণপোকা' প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ সালে দেশ পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে। পরবর্তীতে অসংখ্য গল্প ও উপন্যাস লিখেছেন। শিশুকিশোর সাহিত্য ও গোয়েন্দা ভিত্তিক সাহিত্যেও ওঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার, বঙ্গবিভূষণ, আনন্দ পুরস্কার সহ অগুনতি সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। প্রায় ছয় দশক ধরে তাঁর সৃষ্টি বাংলার পাঠকদের মন জয় করে চলেছে।
View Posts →
2 posts
হৈমন্তী ভট্টাচার্য পেশায় শিক্ষিকা। নিবাস দমদম। মূলত নিবিড় পাঠক। রঙের বাহারে প্রকৃতির ছবি আঁকা এবং কলমে ভাবনাকে রূপ দেওয়া তাঁর প্যাশন। শারদীয়া সহজিয়া, বিষাণ শারদীয়া, ঋত্বিক, অভিব্যক্তি, কাশফুলের বার্তা, পাঁচ মাথার মোড়, শনিবারের আসর, দক্ষিণের জানালা ই-ম্যাগ ইত্যাদি বিভিন্ন জায়গায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
2 posts
শান্তনু দে, পেশায় একাউন্টট্যান্ট। একটি বহুজাতিক সংস্থার সাথে বিগত ১৬ বছর ধরে যুক্ত। নেশা স্ট্রিট ফোটোগ্রাফি. লোকজনের মাঝে মিশে তাদের জীবনের খুব মূল্যবান মুহূর্ত তুলে ধরাই আমার নেশা. রোজকার জীবন ও সেই জীবনে ঘটে চলা অগুনতি সুন্দর সুন্দর মুহূর্তের সাক্ষী থাকাটা ফটোগ্রাফার হিসেবে আমার সর্বশ্রেষ্ঠ পাওনা.
View Posts →
2 posts
সম্বিৎ বসুর জন্ম ষাটের দশকের শেষে। জন্মসূত্রে মোহনবাগান ও উত্তর কলকাতা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার ছুতোয় ল্যাদ ও আড্ডায় পাক্কা ট্রেনিং। ১৯৯৩ সালে উচ্চশিক্ষায় বিদেশ আগমন ও ঠ্যালার নাম বাবাজি দর্শন। গ্রাসাচ্ছাদন, তথ্য-প্রযুক্তির সূতিকাগার সিলিকন ভ্যালির ছোট-বড় কোম্পানিতে। ব্যক্তিগত প্রবন্ধের সংকলন- "আপন বাপন জীবন যাপন"। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা আপাততঃ একটিই। প্রবন্ধ-টবন্ধ বেরিয়েছে এদিক-সেদিক। স্ত্রী পারমিতা ও দুই কন্যা-সহ বাস করেন ক্যালিফোর্নিয়ায় স্যান ফ্র্যানসিসকো শহরের তলিতে। স্বপ্ন দেখেন একদিন কলকাতায় ফিরে পেশাদার আড্ডাবাজের জীবন ফিরে পাবেন।
View Posts →
2 posts
'এত বুড়ো কোনোকালে হব নাকো আমি/হাসি-তামাশারে যবে কব ছ্যাব্‌লামি।' রবি ঠাকুরের এই লাইন দুটিই জীবনের মূল মন্ত্র। পুরাণ, ইতিহাস ও মধ্যযুগের বাংলাসাহিত্য নিয়ে পড়াশোনায় অগাধ আগ্রহ। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক।
View Posts →
2 posts
সাউথপয়েন্ট স্কুলের ক্লাস নাইনের ছাত্রী। গান গাইতে আর বিটিএস ব্যান্ডের গান শুনতে দারুন ভালবাসে। বড় হয়ে গায়ক হতে চায়।
View Posts →
2 posts
নাটকের জগতে দেবেশ চট্টোপাধ্যায় পরিচিত নাম। উইঙ্কল টুইঙ্কল, ব্রেন, ড্রিম ড্রিমের মতো একাধিক জনপ্রিয় ও সমাদৃত নাটকের পরিচালক। সম্প্রতি চলচ্চিত্র ও শর্ট ফিল্ম পরিচালনার কাজেও হাত দিয়েছেন।
View Posts →
2 posts
শঙ্খ কর ভৌমিকের জন্ম ত্রিপুরার আগরতলায়, উচ্চশিক্ষা শিবপুর বি ই কলেজে। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে কর্মরত। প্রকাশিত বই 'সাত ঘাটের জল'। লেখালেখি ছাড়াও ছবি আঁকতে ভালবাসেন। ডিজিটাল এবং টেক্সটাইল মূলত এই দুই মাধ্যমে কাজ করতে স্বচ্ছন্দ।
View Posts →
2 posts
দ্যুতিমান দুঁদে আইপিএস অফিসার। বর্তমানে হাওড়ায় ডিসিপি সদর পদে কর্মরত। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখি ছাড়াও ওঁর স্নাতক স্তরের ভূগোলের রিমোট সেন্সিং ও ভূ-জলবিদ্যার ওপর দু'টি বই সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাদৃত। সাপ্তাহিক বর্তমান পত্রিকায় ধারাবাহিক কলাম লেখেন। এবং দ্যুতিমান শিল্পী। অ্যাক্রিলিক ও কোলাজ মাধ্যমে মূলত কাজ করেন। অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস-সহ বহু জায়গায় প্রদর্শনী হয়েছে। বই-পত্রপত্রিকায় অলঙ্করণ করেন নিয়মিত। ছবি আঁকা, বই পড়া ছাড়া শখ বেড়ানো, পাখির ছবি তোলা আর ম্যারাথন দৌড়নো।
View Posts →
2 posts
দেবজ্যোতি মুখোপাধ্যায়ের পরিচিতি এককথায় বলা প্রায় অসম্ভব। তাঁর যে পরিচয়টি সর্বজনবিদিত তা হল, তিনি 'দেবভাষা' নামক বই ও শিল্পের আধার সংস্থাটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও চালিকাশক্তি। তিনি কবি। তিনি প্রকাশক। তিনি সম্পাদক। তবে কোনও পরিচয়েই নিজেকে বেঁধে ফেলননি এখনও। মনে করেন, কুলীন বাংলা সাহিত্যক্ষেত্রে তিনি আজও বহিরাগত। যদিও তাঁর প্রকাশিত কবিতার বই 'আঙুরভাব শেয়ালভাব' বাংলা কাব্যভাষায় নতুনত্বের দিশারী।
View Posts →
2 posts
তিনি সাহিত্যসম্রাট। আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের জন্ম তাঁরই হাত ধরে। 'কপালকুণ্ডলা', 'বিষবৃক্ষ', 'কৃষ্ণকান্তের উইল', 'দেবী চৌধুরানী' provrriti তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস। লিখেছেন অসংখ্য প্রবন্ধ, সমালোচনা সাহিত্য ও 'কমলাকান্ত' ছদ্মনামে লিখেছেন একের পর এক ব্যাঙ্গাত্মক রসসাহিত্য। বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র 'বঙ্গদর্শন'-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকও ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
View Posts →
2 posts
কৃষ্ণা রায় ছোট গল্পকার ও প্রাবন্ধিক। পেশা শারীরবিদ্যায় অধ্যাপনা। বেথুন কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ্যা। গত দুই দশকের বেশি সময় সৃজনমূলক বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত। নবকল্লোল, শিলাদিত্য, সাপ্তাহিক বর্তমান, শুকতারা, প্রমা, বসুমতী, আনন্দবাজার রবিবাসরীয় সংখ্যা, চিরসবুজ লেখা, অনুবাদ পত্রিকা প্রভৃতিতে লেখা প্রকাশিত। ছোটগল্প, উপন্যাস, জীবনী গ্রন্থ, প্রবন্ধ সংকলন ইত্যাদি নিয়ে সাহিত্য বিষয়ক প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২০। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ 'উপেক্ষিত নারী বিজ্ঞানী', 'আগুন ডানার পাখি সরলা দেবী চৌধুরাণী', 'যে দিন গেছে ভেসে'।
View Posts →
2 posts
শাদা কাদামাটি ছদ্মনামে কবিতা লেখেন। জন্ম নদিয়া জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে। অনেকদিন ধরে চাকরিসূত্রে দিল্লিতে বসবাস। ছোটবেলা থেকেই শুধু কবিতার প্রতি আগ্রহ। কবিতা লেখার শুরু। “মন প্রতিভাস” নামে একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। নিয়মিত লেখেন ছোট পত্রিকায় এবং পোর্টালে।
View Posts →
2 posts
পড়েছেন তুলনামূলক সাহিত্য। বাদল সরকার ও গিরিশ কারনাডকে নিয়ে কাজ করছেন দীর্ঘদিন। দৃশ্য ফিল্ম কালেক্টিভ ও পত্রিকার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য। কাজ করেছেন কলকাতা পৌর সংস্থার মুখপত্র 'কলকাতা পুরশ্রী' সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়। মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইনস্টিটিউট ফর এশিয়ান স্টাডিজ-এর প্রাক্তন প্রজেক্ট ফেলো।
View Posts →
2 posts
শুভদীপ ঘোষাল। জন্ম বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরে। পেশায় থিয়েটার কর্মী ও সরকারী আধিকারিক। কাজ করেছেন রেডিওতেও। পড়াশোনা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ (স্নাতকোত্তর) এবং বাংলা কবিতা ও ভাষা সাহিত্য। আগ্রহের বিষয় কবিতা, কমিক্স এবং প্রবন্ধ। 'নবকল্লোল', 'কথাসাহিত্য', 'শুকতারা', 'নাটমন্দির', 'আবহমান', 'বান্ধবনগর', 'মথ' সহ বিভিন্ন ওয়েবজিন ও লিটিল ম্যাগাজিনে কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। ভাললাগা, নতুন বই, পুরনো গান পথচলতি সাইনবোর্ড।
View Posts →
2 posts
বাংলা তথা ভারতের বিজ্ঞানচর্চায় অগ্রগণ্য একটি নাম আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু। তিনি ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী, একইসঙ্গে উদ্ভিদ ও জীববিজ্ঞানী। গাছের প্রাণ আবিষ্কার করার নেপথ্যের মানুষটি আজও বিশ্ববিজ্ঞানচর্চায় সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তিনি কল্পবিজ্ঞানের গল্পও লিখতেন নিয়মিত। লিখতেন নিবন্ধও। আচার্যকৃত সাহিত্যের সম্ভার থেকে কিছু মণিমুক্তো তুলে এনে সাজিয়ে দিচ্ছে বাংলালাইভ। তাঁকে পুনরাবিষ্কার করতে চেয়ে বাংলালাইভের এই প্রয়াস।
View Posts →
2 posts
ভ্রামণিক ও আলোকচিত্রশিল্পী।
View Posts →
2 posts
হাওড়া জেলায় বাসিন্দা। পড়াশুনা লিলুয়া টি. আর. জি. আর খেমকা হাই স্কুল। কলেজ- সিটি কলেজ অফ কমার্স অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেসন, মির্জাপুর স্টিট, কলিকাতা। বি. কম গ্র্যাজুয়েট। ছোট থেকে কবিতা লিখতে ভালবাসেন। ট্রেকিং, মাউন্টেনিয়ারিং ভালোবাসেন, লেখালিখির হাতেখড়ি পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ভ্রমণ পত্রিকায়। হিমালয়াস্‌ বেকন-এর একজন অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ট্রাভেল রাইটার্স ফোরামের সদস্য।
View Posts →
2 posts
আমি রুকু বিনায়ক। সবাই বলে আমি বুদ্ধু। ভোঁদাই। মা আমাকে গাধা বলে না মুনা বলে।পাপা বলে পুচাই। আমার দুটো হাত, দশটা হাতের আঙুল,দুটো চোখ আছে,যা দিয়ে আমি ছবি আঁকা। পাপা মা বলে আমার অটিজম আছে। অটিজম কি আমি জানিনা। তবে আমি একটু কেমন যেন। আমার গাড়ির চাকা, টেবিল ফ্যান, ছোট ছোট রবারের পুতুল ,রং,তুলি পেন্সিল ভাল লাগে।আমি লাফাতে ভালোবাসি। এ দেয়াল থেকে ও দেয়াল। সব দেয়ালে হাতের চাপ,সব দেয়ালে সর্দি,নাকের পোঁটা লাগে। মা বলে যাতা। আর মোছে।।
View Posts →
2 posts
১৯৫৩ সালের ৬ নভেম্বর জন্ম চেতলায় জন্ম। কৈশোর ও প্রথম যৌবন কেটেছে বালিতে। বালির জোড়া অশত্থতলা বিদ্যালয় থেকে হায়ার সেকেন্ডারি পাশ করার আগেই থেকেই রাজনৈতিক আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছিলেন বারবার। নকশাল আন্দোলনের জন্য জেলও খেটেছেন। প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে ‘মৃত্যুকুসুম’, ‘শ্রীচৈতন্যকথা’, ‘লুপ্তজীবিকা লুপ্ত কথা’, ‘খিস্তোলজি’, 'মেক পাতাল', 'প্রকৃতি পাঠ' উল্লেখযোগ্য। ‘মৃত্যুকুসুম’ বইয়ের জন্য পেয়েছেন বঙ্কিম পুরস্কার।
View Posts →
2 posts
সৌতুমি অর্থনীতির ছাত্রী। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম ফিল করেছেন। খুব ছোটবেলা থেকেই আঁকতে ভালবাসেন। খবরের কাগজে প্রকাশিত ছবি দেখে আঁকার চেষ্টা করতেন। তাঁর খুব পছন্দের বিষয় কার্টুন ডুডল। সেই ভালবাসার টানেই তিনি কলকাতার কার্টুনদল-এ যোগ দেন ২০১৯ সালে।
View Posts →
2 posts
পেশায় চিকিৎসক। নেশা, মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করে রাখা ভবিষ্যতের জন্য। ২০০৮ সালে Sony World photography awards এ অপেশাদার বিভাগে সেরা পুরস্কার ও ২০১৪ সালে অপেশাদার পোট্রেট বিভাগে প্রথম পুরস্কার প্রাপ্তি । Fountain Ink, Jet Airways Magazine, যারা পরিযায়ী, লিপি নাগরিক, হরপ্পা প্রভৃতি পত্রিকাতে কিছু ছবি ও ছবিতে গল্প প্রকাশ পেয়েছে।
View Posts →
2 posts
পেশাগত চিত্রশিল্পকর্মের পাশাপাশি সুব্রতর গভীর আগ্রহ শিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনায়। বহু পত্র – পত্রিকায় তিনি লিখেছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিল্পের নানান দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। তার এই লেখা র চর্চাকে তিনি শিল্প কর্মের অংশ বলেই বিবেচনা করেন। শিল্পী সুব্রত অনেক দেশ – বিদেশের সম্মানে সম্মানীত হয়েছেন (UNESCO Scholarship, Vermont Studio Centre Fellowship ইত্যাদি)। শিল্পের সূত্রে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমন করেছেন। বর্তমানে বিখ্যাত শিল্পী দল ক্যালকাটা পেইন্টার্সের পরিচালনায় রয়েছেন। তিনি কলকাতায় ফরাসী সাংস্কৃতিক সংস্থা আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের পরিচালনা পর্ষদের অন্যতম সদস্য । সম্প্রতি তার লেখা ‘দৃশ্যান্তরে আইজেনস্টাইন’’ গ্রন্থটি পাঠক কূলে সমাদৃত হয়েছে।
View Posts →
2 posts
কলেজে পড়ার সময় টিউশনির টাকা জমিয়ে ভ্রমণ শুরু। তারপর ভ্রমণের নেশায় আর চাকরি করা হয়েই ওঠেনি। বর্তমানে একটি কলেজের ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি। সেই সঙ্গে চলে ভ্রমণকাহিনি লেখা, ছবি তোলা, নিজের ব্লগ চালানো আর উইকিপিডিয়া সম্পাদনার কাজ।
View Posts →
2 posts
সোহম দাসের পড়াশোনা ভূতত্ত্ব নিয়ে। পেশা গবেষণা, লেখালেখি, অনুবাদ। তথ্যচিত্র-নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত, অন্যান্য দৃশ্যশ্রাব্য মাধ্যমেও কাজ করেন। বর্তমানে বিজ্ঞান সংযোগ নিয়েও কাজ শুরু করেছেন। লেখার ক্ষেত্রে প্রিয় মাধ্যম প্রবন্ধ ও ছোটোগল্প। দুটি গল্পের অনুবাদও প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা তিন। 
View Posts →
2 posts
দুর্গাপুর নিবাসী অরণ্যা সাহিত্যানুরাগী। পড়াশোনা করেছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। একাধিক বাংলা ছোট পত্রিকা ও ওয়েবজিনে নিয়মিত লেখেন। দুর্গাপুর থেকে প্রকাশিত চর্যাপদ পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক অরণ্যা বেড়াতে এবং আড্ডা মারতে ভালোবাসেন।
View Posts →
2 posts
মেখলা সেন বর্তমানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফুড সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশন' এ এম.এস.সি পাঠরতা। মূলত বিভিন্ন ছোটো পত্রিকায় কবিতা প্রকাশিত।
View Posts →
2 posts
আল মামুনের জন্ম নবদ্বীপের তিওরখালি গ্রামে ১৯৮৫ -তে। ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতকোত্তর। বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মচারি। গবেষণার সঙ্গে ও যুক্ত। মূলত: কবি। শখ মানুষ দেখা, বইপড়া, বেহালা বাজানো, গান শোনা, বেড়াতে যাওয়া আর শিশুদের স‌ঙ্গ।
View Posts →
2 posts
সুমন চট্টোপাধ্যায় কৃষি-স্নাতক ও একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কে কর্মরত। লেখালেখির সূচনা স্কুল ম্যাগাজিনের দিনগুলি থেকে। নিবন্ধ ও পদ্যের জগতে মৃদু চলাচলে শান্তি খুঁজে পান জীবনের ক্লান্ত মুহূর্তগুলিতে। হুগলি জেলার নবগ্রামের আজন্ম বাসিন্দা এবং প্রকাশে ও প্রত্যাখ্যানে সমান অভ্যস্ত সুমনের শখ একটাই: ‘সামান্যে’-র মধ্যে ‘অসামান্যে’র অন্বেষণ।
View Posts →
2 posts
প্রণবরঞ্জন রায় বর্ষীয়ান বিশ্রুত চিত্র সমালোচক ও প্রাবন্ধিক। বিশ্বভারতী ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রণবরঞ্জন রাজ্য সরকারি কর্মচারি ছিলেন। সোসাইটি অফ কনটেমপোরারি আর্টিস্ট সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রণবরঞ্জন এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন পঁচিশ বছর ধরে। অধ্যাপনা করেছেন বরোদার এম এস বিশ্ববিদ্যালয়ে, কলাভবন, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ললিত কলা অকাদেমির এডিটোরিয়াল বোর্ডের সদস্যও ছিলেন দীর্ঘদিন। বহু সংবাদপত্রে, সাময়িকীতে চিত্র সমালোচনা করেছেন, দেশ বিদেশের জার্নালে লিখেছেন অজস্র গবেষণাপত্র, প্রবন্ধ। একাধিক তথ্যচিত্রের কাজও করেছেন।
View Posts →
2 posts
গৌতম সেনগুপ্তের লেখালেখির বয়স প্রায় ৫০ বছর। কবিতা দিয়ে শুরু, এরপর গল্প, উপন্যাস, অনুবাদ- সাহিত্যের একাধিক শাখাতেই তাঁর অবাধ বিচরণ। ৫টি স্বতন্ত্র গল্পের বই ছাড়াও রয়েছে গল্প সমগ্র ও উপন্যাস সংগ্রহ।. অনুবাদ করেছেন ২টি দলিত উপন্যাস ও কলম্বিয় সাহিত্যিক গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের ইন্টারভিউ। তাঁর গল্প অনুবাদ হয়েছে ইংরাজি, তামিল ও হিন্দি ভাষায়। সম্মাননা: কথা পুরস্কার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সোমেন চন্দ স্মৃতি পুরস্কার।
View Posts →
2 posts
স্বপ্নসোপান দত্ত এখন রসায়নে পি এইচ ডি'র জন্য গবেষণারত। কিন্তু বিজ্ঞান ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে প্রখর আগ্রহ, তার একদিকে পাশ্চাত্য ধ্রুপদী সঙ্গীত,স্বর্ণযুগের বাংলা গান ও সংস্কৃতি আর ফিল্ম, বিশেষ করে সত্যজিতের সৃষ্ট ছবি, আবার অন্যদিকে য়ুরোপের ইতিহাস ও তার বিভিন্ন দেশের রন্ধনশৈলী, আর এই দুইয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু। এইসব নিয়ে একাধিক লেখা বেরিয়েছে 'সমতট', 'জনবিজ্ঞানের ইস্তাহার', 'সাম্পান' ইত্যাদি পত্রিকায়।
View Posts →
2 posts
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবী জুড়ে মানবিক মূল্যবোধের চরম সংকটময় মুহূর্তে বাংলা কথা-সাহিত্যে যে কয়েকজন লেখকের হাতে সাহিত্য জগতে নতুন এক বৈপ্লবিক ধারা সূচিত হয় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর রচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল মধ্যবিত্ত সমাজের কৃত্রিমতা, শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম, নিয়তিবাদ ইত্যাদি। জীবনের অতি ক্ষুদ্র পরিসরে তিনি রচনা করেন চল্লিশটি উপন্যাস ও তিনশত ছোটোগল্প। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর, মাত্র আটচল্লিশ বছর বয়সে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী এই কথা সাহিত্যিকের জীবনাবসান ঘটে।
View Posts →
2 posts
নিজের লেখা শুরু দেখতে দেখতে চোদ্দ পনেরো বছর। লেখা মূলত নিজের সঙ্গে কথা বলা। পাঠক সংখ্যা হাতে গোনা। কিছু বন্ধুর প্রশ্রয় ও সহযোগিতা জুটেই যায় তবু....
View Posts →
2 posts
মন্দাক্রান্তা কবিতা লিখছেন নব্বইয়ের দশক থেকে। তাঁর জন্ম কলকাতায়। নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়েও ফাইনাল পরীক্ষা দেননি। কবিতার টানে প্রথাগত পড়া ছেড়ে মননচর্চা শুরু। প্রথম বই ১৯৯৯ সালে 'হৃদয় অবাধ্য মেয়ে।' সে বছরই এই বই আনন্দ পুরষ্কার এনে দেয় তাঁকে। এরপর 'বলো অন্যভাবে', 'ছদ্মপুরাণ', 'উৎসারিত আলো', 'এসবই রাতের চিহ্ন' প্রভৃতি একের পর এক কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। উপন্যাসও লিখেছেন তার পাশাপাশি। 'ঝাঁপতাল', 'দলছুট', 'ঋতুচক্র' পাঠকমহলে বহুল সমাদৃত হয়।
View Posts →
2 posts
মহুয়ার জন্ম উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে। বড় হয়ে ওঠা হুগলিতে। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে শারীরবিদ‍্যায় স্নাতক। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচ.ডি ডিগ্রি। পেশা অধ‍্যাপনা ও গবেষণা। বর্তমানে, শিলচরে অসম কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত। তিনটি কাব‍্যগ্রন্থ , এ আমার ছায়াজন্ম (পরম্পরা প্রকাশন, ২০০৯), চিরহরিৎ গাথা (সপ্তর্ষি প্রকাশন, ২০১৮) ও তারামাছ নাকছাবি (বইওয়ালা বুক ক‍্যাফে, ২০২০) এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত।
View Posts →
2 posts
পেশা সাংবাদিকতা, নেশা বাউন্ডুলেপনা। বাড়ি থেকে পালানো শুরু জীবন দেখার নেশায়। ডাকাত থেকে বাউল, এক জীবনে বহু সঙ্গ, আর সেই সঙ্গই ছড়িয়ে পড়ে গদ্য থেকে কবিতায়। ওহ হ্যাঁ, চা ভালবাসি, তাই আমাকে চাতালও বলা যায়
View Posts →
2 posts
জন্ম কলকাতায়, ১৯৬২ সালে। বাঙুর এভিনিউতে স্কুলের পড়াশোনা, বড় হওয়া। স্কুলজীবন থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে লেখালেখির নেশা। প্রথম লেখা মাত্র ১২ বছর বয়সে আনন্দমেলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তারপর বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লেখা চলতে থাকে। স্কুল শেষ হলে স্কটিশ চার্চ কলেজ। অর্থনীতিতে স্নাতক হয়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়া। তাঁর বহু জনপ্রিয় বইয়ের কয়েকটি, 'ধুলোবালির জীবন', 'মাটির দেওয়াল', 'সাগর হইতে সাবধান', 'গোপন বাক্স খুলতে নেই', 'দোষী ধরা পড়বেই'।
View Posts →
2 posts
শুভাশীষ ভাদুড়ীর জন্ম কলকাতায়, পড়াশোনা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। কবিতা লেখার শুরু নয়ের দশকে। তাঁর কবিতার বই 'আশ্চর্য ভূগোলে'-এর জন্য পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার। 'ভিতর মনের দরবেশ' ও 'ঈশ্বর আমার' এই লেখকের অন্যান্য বই। লেখালেখি ছাড়া ভালোবাসেন ছবি আঁকতে।
View Posts →
2 posts
শাক্য ডন বস্কোতে ক্লাস টুয়ে পড়েন। টিনটিন আর নানা রকম অ্যানিমেশন চরিত্র নিয়ে ট্যাবের পাতায় বুঁদ হয়ে থাকতে ভালোবাসেন। আর ভালোবাসেন ছবি আঁকতে, বাবার সঙ্গে খেলতে আর দাদুমের কাছে গপ্পো শুনতে। টিনটিন, অ্যাস্টেরিক্স থেকে শঙ্কু বা পাগলা দাশু সবই তার প্রিয়। তবে পিৎজ়া আর কেসাডিয়া সামনে পেলে অবশ্য আর কিছু চান না।
View Posts →
2 posts
জন্ম অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর শহরে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও পরে পি এইচ ডি ডিগ্রি করেছেন। কোনও প্রাতিষ্ঠানিক পেশার সঙ্গে যুক্ত নন। ফ্রি ল্যান্স অনুবাদকের কাজ আর সামাজিক মাধ্যম এবং ছোট পত্রিকায় লেখালিখি করেন।
View Posts →
2 posts
জগদীশ গুপ্ত বাংলাভাষার এক বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্পকার। লিখেছেন বিজলী, কালিকলম, কল্লোল প্রভৃতি পত্রিকায়। তাঁর পরিচিতি বাংলা সাহিত্যে অন্যধারার গল্পলেখক হিসাবে। জন্ম ব্রিটিশ ভারতের কুষ্টিয়ায়। সাহিত্যজীবন শুরু কবি হিসাবে। তাঁর সাহিত্যে ধরা পড়েছে মানুষের কদর্য অবচেতন ও মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা।
View Posts →
2 posts
ডক্টর শুভশ্রী নন্দী আকাশবাণীর শিল্পী। প্রতিষ্ঠিত বাচিকশিল্পী এবং আটলান্টার প্রথম বাচিকশিল্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘শব্দকল্পদ্রুম’-এর শিক্ষয়িত্রী এবং ‘আটলান্টা আবৃত্তি ও ভাষাশিক্ষাকেন্দ্র’-এর প্রতিষ্ঠাত্রী। উত্তর আমেরিকার বঙ্গসম্মেলন ও বাংলা পডকাস্টের উপস্থাপিকা। ‘দেশ’, ‘আনন্দবাজার’, ‘এইসময়’, ‘এবেলা’, রোববার, ও ‘আজকাল’ পত্রিকার নিয়মিত লেখিকা। কলকাতার ‘তারা টিভি’ ও ‘রূপসী বাংলা’-ইত্যাদি নানা চ্যানেলে অনুষ্ঠান করেছেন। সুদূর বিদেশে বাংলা সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে, নানা কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত।
View Posts →
2 posts
প্রমথ চৌধুরী বা প্রমথনাথ চৌধুরী : (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক যিনি বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে সক্রিয় ছিলেন। তিনি ছিলেন একাধারে প্রাবন্ধিক, কবি ও ছোটগল্পকার। বীরবল ছদ্মনামও তিনি ব্যবহার করেছেন। তার পৈতৃক নিবাস বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার অন্তর্গত চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসাবে প্রসিদ্ধ। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন।এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। ছোটগল্প ও সনেট রচনাতেও হিসেবেও তার বিশিষ্ট অবদান রয়েছে। তিনি সবুজপত্র এবং বিশ্বভারতী পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
View Posts →
2 posts
ইন্ডিয়ান আর্ট কলেজে পেইন্টিং বিভাগে পাঠরত। আধুনিক বাংলা কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ পড়তে ভালোবাসেন। এ ছাড়া দেশবিদেশের সিনেমা দেখার নেশা। রবীন্দ্রনাথের গানগুলো আরো গভীর ভাবে জানার চেষ্টা। রোজকার জীবনের ছোটো ছোটো টুকরো বিষয় নিয়ে লেখালিখি। কিন্তু এগুলো কোনওটাই অবসরযাপন হিসেবে নয়, রোজকার কাজ ভেবেই ধরি। তাই অবসরের শখ বলতে বন্ধুমহলে তর্ক-বিতর্ক-আড্ডা দেওয়া।
View Posts →
2 posts
দুর্জয় আশরাফুল ইসলাম। জন্ম, বেড়ে ওঠা তিতাস পাড়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। কর্মসূত্রে ঢাকায় বাস, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। সামাজিক ব্লগে লেখার থেকে শুরু করে পরবর্তীতে লিটলম্যাগ হয়ে এখন অবধি কবিতার বই দুটি। ২০১৯ তে 'সমুদ্রের ব্যাকরণ' প্রকাশ করেছে ঢাকার 'বোধি'। ২০২০ তে 'বিস্ময়, তুমি বৃষ্টিফুল' প্রকাশিত হয়েছে কলকাতার 'একলব্য' থেকে।
View Posts →
2 posts
কবি ও সাহিত্য়িক কাবেরী রায়চৌধুরীর জন্ম ও বেড়ে ওঠা কলকাতায়। লেখালেখির শুরু প্রবন্ধ প্রকাশ দিয়ে। সাত পুতুলের সাত কথা‚ চাতক জল‚ নদীটি আজও কথা বলে, যে যেখানে দাঁড়িয়ে‚ ঠাকুরবাড়ির সারদাসুন্দরী, অর্ধেক আকাশ‚ শরীরী ওঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, শিশুসাহিত্য, এই সবকটি মাধ্যমেই কাবেরী নিজেকে প্রকাশ করেছেন।
View Posts →
2 posts
বিষ্ণুপুর ঘরানার শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের কণ্ঠশিল্পী। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সঙ্গীতে স্নাতোকত্তর। বর্তমানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। সম্বুদ্ধ বেতার, দূরদর্শন ছাড়াও দেশে ও বিদেশে অসংখ্য সঙ্গীত সম্মেলন ও অনুষ্ঠানে নিয়মিত সঙ্গীত পরিবেশন করেন। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার ও সম্মান।
View Posts →
2 posts
হাওড়া জেলার শিবপুরবাসী সৌমেন পালের জন্ম ১৯৬৭ সালে। শিল্পমনস্ক সৌমেনের গভীর উৎসাহ সৃষ্টিশীলতার নানান বিষয়ে। তিনি পরম মমতায় সংগ্রহ করেন লুপ্তপ্রায় গ্রন্থ ও গ্রন্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কত রকমের অমূল্য সম্পদ। তাঁর চর্চার পরিধি মুদ্রণ ভাবনা থেকে শুরু করে অঙ্ক, জাদুবিদ্যা, কালীঘাটের পট, চলচ্চিত্রতত্ত্ব এবং ফটোগ্রাফি পর্যন্ত বিসতৃত। সত্যজিৎ রায়ের পোর্ট্রেট-স্কেচ দিয়ে তৈরী করেছেন প্রতিকৃতি নামে একটি বই। সুকুমার রায়ের আবোল তাবোল হযবরল বইয়ের প্রামাণিক সংস্করণের সহসম্পাদক হিসেবে সৌমেনের কৃতি স্মরণীয়। বাংলা বইয়ের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ রচনার জন্য ২০০৭ সালের সৃজন সম্মান এবং দিল্লির FIP থেকে ২০০৭ ও ২০০৮ সালের Award for Excellence in Book Production - সৌমেনের অনবদ্যতার জন্য দুটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি।
View Posts →
2 posts
লেখক দীর্ঘদিনের প্রাক্তন সাংবাদিক এবং বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সহ-তথ্য আধিকারিক ও সরকারি মুখপত্র ‘পশ্চিমবঙ্গ’-এর সহ-সম্পাদক। সেইসঙ্গে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগের ডক্টরেট। লেখকের অন্যতম আকর্ষণের বিষয় ‘বিজ্ঞান সাংবাদিকতা’। এই বিষয়ে বিভিন্ন বই এবং বহু গবেষণাপত্রের লেখক। অল ইন্ডিয়া রেডিওতেও ধারাবাহিক বহু কথিকা ইতিমধ্যেই সম্প্রচারিত।
View Posts →
2 posts
স্বনামধন্য চিকিৎসক | তবে সাহিত্যের জগতেও অতি পরিচিত নাম | লেখা প্রকাশিত হয়েছে বহু অগ্রণী পত্র পত্রিকায় |
View Posts →
2 posts
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড ও মাইক্রোবায়োলজি নিয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনার শেষে কিছুদিনের শিক্ষকতা-জীবন। তারপরেই প্রবাসে পাড়ি। গত বাইশ বছর যাবৎ ঠিকানা নিউ জার্সি। পেশায় মন্তেসরি শিক্ষিকা। ২০০৮ সাল থেকে ছদ্মনামে ব্লগ লেখা শুরু। ২০১০ থেকে অন্য নিষাদ, প্রেরণা, সৌকর্য্য, ক্ষেপচুরিয়াস, প্যাপিরাস, মধ্যবর্তী, রেওয়া, কেতকী, উত্তর ভাষা-সহ বহু বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও শারদীয়াতে নিজের নামে কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ লেখা চলতে থাকে।
View Posts →
2 posts
কর্মক্ষেত্রের দাবি এবং প্রকাশের জড়তা কাটিয়ে প্রথম আত্মপ্রকাশ ২০১৪ সালে। মানসের এযাবৎ প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ দু'টি বিদগ্ধমহলে সমাদৃত। এছাড়া একাধিক পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গেও তিনি যুক্ত। সমকালের সামাজিক, রাজনৈতিক ঘটনার অভিঘাত তাঁকে বিচলিত করে, কবিতায় উঠে আসে তার বেদনা, প্রতিবাদ। বিঘ্নিত হয় কবির নিভৃতযাপন। তারই মাঝে রঙ ছড়ায় হৃদয়ের গভীরে ডুব দিয়ে তুলে আনা মণিমুক্তো।
View Posts →
2 posts
কোলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবি। পূর্বভারতের প্রথম মহিলা পর্বতাভিযাত্রী দলের সংগঠক ও দলনেত্রী। মোট বারোটি অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাড়াও ট্রেকিং, রক ক্লাইম্বি্ং ও অন্যন্য নানা এ্যডভেঞ্চারের আঙিনায় তাঁর অনায়াস বিচরণ। অর্জনে আছে প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্সও। গান, কবিতা ও নাটক তাঁর শখ। ৭২ বছর বয়সে ১৪০০০ ফুট উচ্চতার 'চন্দ্রতাল'-এ গিয়ে প্রথম অভিযানের সুবর্ণজয়ন্তী পালন করেছেন। ৭৫ বছর বয়সে দিদি নং ওয়ান হয়েছেন। যুবদপ্তরের অধীনে পর্বতারোহন ও অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের অন্যতম কার্যকরী সদস্য। তেনজিং নোরগে এওয়ার্ড সহ নানা সম্মানে ভূষিত। নিজের একটি ফাউন্ডেশন আছে যা পরিবেশ ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ করে।
View Posts →
2 posts
১৯৭৬ সালের জাতক অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী গল্প লিখছেন ছাত্রাবস্থা থেকেই। দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁর প্রথম গল্প প্রকাশ পায় আদ্রা, পুরুলিয়া থেকে প্রকাশিত "টুকলু" পত্রিকায়। পরবর্তীতে অসংখ্য গল্প অজস্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর প্রথম ছোটগল্পের বই "মশাট ইস্টিশনের মার্টিন রেল"-এর জন্য পেয়েছেন নমিতা চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য পুরস্কার। লেখক বাংলা সাহিত্যে এম.এ পাশ। জীবিকা চাকরি। তিনি ভালোবাসেন মাঠে- ঘাটে ঘুরতে ও অতি সাধারণ মানুষদের সঙ্গে মিশতে। যাদের কেউ দেখেও দেখে না, যাদের কথা কেউ বলে না, যাদের কেউ শুনেও শোনে না--অনিরুদ্ধ তাদের কথাই বলেন।
View Posts →
2 posts
সুব্রতা ঘোষ, ডাকনাম স্মৃতি। আবাসনের সকলের কাছে তাঁর পরিচয় মাসীমা নামে। ব্যক্তিত্বময়ী, হাস্যোজ্জ্বল এই মহিলা নব্বই বছর পার করেছেন। এক সময় আকাশবাণী কলকাতাতে গান গাইতেন। যেকোনও বয়সের মানুষের সঙ্গে সহজেই বন্ধুত্ব স্থাপন করার সহজাত ক্ষমতা আছে, তাই অসংখ্য তাঁর অনুরাগী। আশি বছর পার করে ফেসবুকে ঢুকে অনেকের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছেন। অবসর সময়ে নানা বিষয়ের উপর লেখালেখি করতে ভালোবাসেন।
View Posts →
2 posts
পেশা, সাংবাদিকতা। নেশা, অপরাধ জগতের ঠিকুজিকুষ্ঠির হদিশ রাখা। ৩০ বছরের বেশি সময় টিভি আর খবরের কাগজে কাজ করে আজও চিত্রদীপের পছন্দের তালিকার শীর্ষে অপরাধ আর অপরাধী-ই। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরে ডানপথ কাগজে হাতেখড়ি। এরপর ওভারল্যান্ড, আজকাল, খাসখবর, স্টেটসম্যান, স্টার আনন্দ, ২৪ ঘণ্টা হয়ে বর্তমানে ‘এই সময়’ কাগজের চিফ অফ নিউজ ব্যুরো। তাজে জঙ্গি হানা, মাওবাদী হামলা, হায়দরাবাদে বিস্ফোরণ সহ দেশের বহু উল্লেখযোগ্য ঘটনা-দুর্ঘটনা কভার করেছেন ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে। তদন্তমূলক সাংবাদিকতার জন্য অমর বসু স্মৃতি পুরস্কার, ইন্ডিউড এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড, দ্য ফেলু মিত্তির অ্যাওয়ার্ড ছাড়াও ‘গ্যাংস অফ ভরতপুর’ বইয়ের জন্য পেয়েছেন ‘রেনেসাঁস সাহিত্য সম্মান’। লকডাউনে সাইবার ক্রাইম নিয়ে একমাসে ১৫১ টি কোর্স সম্পূর্ণ করায় নাম উঠেছে ‘ইন্টারন্যাশনাল বুক অফ রেকর্ডস’-এ।
View Posts →
2 posts
বাংলার তরুণতম কবিদের অন্যতম | জন্ম ১৯৯১‚ কলকাতায় | ২০১২'য় প্রকাশ হয় প্রথম বই 'ভোর রাতের ৮বি' |
View Posts →
2 posts
নিবাস ভট্টপল্লী। পেশা ডাক্তারি। নেশা নানাবিধ। শখ ভ্রমণ। দুর্বলতা ফুটবল। ঘাঁটতে ভালোবাসেন ইতিহাস।
View Posts →
2 posts
দীর্ঘদিনের প্রবাসী কৌশিক থাকেন হিউস্টনে। কর্মসূত্রে তেল গ্যাস ও খনিজ সম্পদ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু কৌশিকের প্রথম প্রেম সঙ্গীত এবং দ্বিতীয় বই। বেশ কয়েক বছর তালিম নিয়েছেন কিংবদন্তী সরোদ শিল্পী উস্তাদ আলি আকবরের কাছে। এছাড়া ভালোবাসেন বেড়াতে আর ছবি তুলতে।
View Posts →
2 posts
আরণ্যক দোলনা ডে স্কুলের ক্লাস ওয়ানের ছাত্র। প্রিয় খেলার সঙ্গী নানারকম গাড়ি। সুযোগ পেলে ক্যারম আর কার্টুন নিয়ে কাটিয়ে দিতে পারে সারাদিন! খেতেও খুব ভালোবাসে আরণ্যক। চাইনিজ, বিরিয়ানি আর অবশ্যই মায়ের রান্না করা বাসন্তী পোলাও আর চিকেন মাটন। বড় হয়ে কখনও ডাক্তার, কখনও অ্যাস্ট্রোনট, কখনও ভলভো বাসের ড্রাইভার সবই হবার ইচ্ছে।
View Posts →
2 posts
জয়দীপ ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৭২ সালে, মুর্শিদাবাদ জেলার আমতলা গ্রামে। আমতলা হাইস্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক, নীলরতন সরকার ও রিজিওন‍্যাল ইনস্টিটিউট অফ অপথ‍্যালমোলজি মেডিক‍্যাল কলেজ কলকাতা থেকে ডাক্তারির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাঠ। পেশায় চক্ষুরেগ বিশেষজ্ঞ। শেওড়াফুলিতে গত ১৪ বছর ধরে কর্মরত। নেশা বলতে দেশবিদেশের ফুটবল খেলা, নাটক, গান, বাংলা সাহিত্যচর্চা, ছাদের ফুলবাগান, লেখালেখি এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। এবং আজন্ম আমৃত‍্যু কোহলবর্জন।
View Posts →
2 posts
শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। পরবর্তীকালে মূলত নাটক, মহাভারত ও পুরাণ বিষয়ক গবেষণার কাজে মনোনিবেশ করেছেন। লেখালেখি ও নাট্য গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষকতা করেন। ওঁর লেখা মহাভারত একাধিক খণ্ডে প্রকাশিত ও পাঠকমহলে সমাদৃত।
View Posts →
2 posts
একক নামেই যাবতীয় লেখালেখি। গল্প ও কবিতা মূল পরিসর। মিশনে ইশকুল পত্রিকার হাত ধরে লেখার শুরুয়াৎ। ২০০৬ থেকে একটি ওয়েবম্যাগাজিন ও প্রকাশনা সংস্থার সঙ্গে লেখক-সম্পাদনা সহায়ক হিসেবে যুক্ত। পেশায় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ। কাজের সুবাদে দেড় দশক নেপাল, ভূটান ও কর্ণাটক হয়ে অবশেষে কল্লোলিনীর টানে ফিরে আসা। নিজের লেখায় হরর-কে, চিরাচরিত গথিক ভঙ্গিমা থেকে সরে এসে ভারতীয় ধ্রুপদী রসের জায়গা থেকে প্রকাশে আগ্রহী। প্রিয় বিষয়: অঙ্ক। নেশা ফটোগ্রাফি। প্রিয় লেখক: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, ওসামু দাজাই, কাওয়াবাতা। প্রিয় চিন্তাবিদ: স্লটারডাইক। আপাতত হুয়েলবেক-এ নিমজ্জিত। প্রিয় অবসর: চুপ করে থাকা। ২০১৮-তে গুরুচণ্ডালী থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন 'অতিনাটকীয়'।
View Posts →
2 posts
কুন্তল মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৭৬৷ পেশা শিক্ষকতা। পড়াশোনা ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে। মূলত কবিতাই আগ্রহের বিষয়। ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম কবিতার বই “দুখীরামের গোপন জার্নাল” সিগনেট, আনন্দ থেকে। ২০১৮ সালে একটি কবিতাপুস্তিকা প্রকাশিত হয় তবুও প্রয়াস থেকে। নাম: অন্য এক অন্ধকার। ২০১৯ সালে ভাষালিপি থেকে প্রকাশিত হয় “নির্জনতা, এগারো মাইল”। ২০২০ সালে একটি গদ্যের বই প্রকাশিত হয় তাঁর। নাম: এইখানে সরোজিনী শুয়ে আছে ও অন্যান্য গদ্য।
View Posts →
2 posts
আমি, হৈমন্তী দত্ত রায়, যদিও ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশুনা করেছি, বাংলা ভাষার চর্চা আমাদের বাড়ীতে বহু যুগ ধরে। মাতৃ ভাষা না পড়লে বা না জানলে, সে যেই হোক – পুরুষ কিংবা নারী – সঠিক অর্থে মানুষ হয়ে উঠতে পারে না। বাংলা ভাষাতে লেখা বই পড়তে ভালো লাগে কেন? উত্তরে বলবো – ‘সেখানে আমি নিজের পরিচয় খুঁজে পাই।‘ আমার চারটির বেশী ইংরেজিতে লেখা বই এম্যাজনে পাওয়া যায় এখনও। বাংলায় আমি লিখতে শুরু করেছি খুবই ইদানীং। আত্মপ্রকাশ আমার লক্ষ্য এবং উপলব্ধি। পাঠক যদি আমার লেখা পড়ে আনন্দ পান, সেটাই হবে আমার সব থেকে বড়ো প্রাপ্তি।
View Posts →
2 posts
কবি ও গদ্যকার। পত্র পত্রিকার জন্য লেখালেখি ছাড়াও বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য গল্প লেখেন। ওঁর লেখা 'খেলনাবাটির দিন শেষ', 'বৃষ্টিরাশির মেয়ে', 'বেহায়া একুশি' পাঠকদের মধ্যে সমাদৃত।
View Posts →
2 posts
ভারতের প্রথম সারির অর্থনীতিবিদদের তালিকায় একেবারে উপরের দিকে যাঁর নাম থাকবে, তিনি মৈত্রীশ ঘটক। বর্তমানে লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্সে অধ্যাপনারত। মৈত্রীশের জন্ম ১৯৬৮-তে কলকাতায়। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক। দিল্লি স্কুল অফ ইকনমিক্সে স্নাতকোত্তর শেষ করেই বিলেত পাড়ি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা। শিক্ষক হিসেবে পেয়েছেন নোবেলজয়ী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বর্তমানে অ্যাপ্লায়েড মাইক্রোইকনমিক থিওরি নিয়েই তাঁর প্রধান কাজ। যুক্ত আছেন বহু অর্থনৈতিক সংস্থার সঙ্গে। ২০১৮ সালে ব্রিটিশ অ্যাকাডেমির ফেলো নির্বাচিত হন মৈত্রীশ।
View Posts →
2 posts
জন্ম ও বড় হওয়া কলকাতায়, বর্তমান ঠিকানা ইলিনয় শিকাগো। লেখালেখির অভ্য়েস দীর্ঘদিনের। প্রবাসের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। প্রকাশিত গল্প সংকলন 'যযাতির ঝুলি'।
View Posts →
2 posts
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে স্নাতকোত্তর। নিবাস কোন্নগর। পেশায় চলচ্চিত্র কারিগর। নেশা নানারকম। বিশ্বাস করেন পারমাণবিক পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে নীরবতার অনুশীলনে।
View Posts →
2 posts
সঞ্জয় চক্রবর্তীর জন্ম উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দক্ষিণ বিধাননগর অঞ্চলে। বিজ্ঞানের স্নাতক। গবেষণা শুরু করেও শেষ করতে পারেননি পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে। পরে মায়ের অনুপ্রেরণা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তাঁর হাতে কলম উঠে আসে। সঞ্জয় চক্রবর্তী "কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় স্মৃতি পুরস্কার" ও "কাব্য সাধক পুরস্কার"-এ সম্মানিত হয়েছেন । জাপানি হাইকু নিয়ে বাংলায় গবেষণার জন্য ভারত সরকার অনুমোদিত যূথিকা সাহিত্যপত্রিকা তাঁকে "হাইকু প্রভাকর" উপাধিতে সম্মানিত করেছে। এয়াবৎ চারটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
2 posts
সুমন রায় খুব সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে সাধারণ, বৈশিষ্ট্যহীন মানুষ। দু’বেলা দু’মুঠোর তাগিদে বর্তমানে হিন্দুস্তান টাইমসের বাংলা ডিজিটাল মাধ্যমে কর্মরত। এর আগে আনন্দবাজারের ডিজিটাল মাধ্যম এবং ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে খুবই সাধারণ পদে কাজ করেছেন। প্রায় কোনও বিষয়েই সুমন রায়ের কোনও জ্ঞান নেই বলে, তা আহরণের চেষ্টা করেন। সে জন্য বই পড়া, সিনেমা দেখা, গান শোনা এবং অজানা জায়গায় গিয়ে দিনযাপনের চেষ্টা করেন।প্রিয় ঋতু গ্রীষ্ম। প্রিয় খাদ্য দই-খই। ধুতি-পাঞ্জাবির সঙ্গে টুপি পরতে পছন্দ করলেও প্রিয় পোশাক মুখোশ। প্রয়োজনে স্নান করেন এবং অবসরে ভজন-কীর্তন। এভাবেই বছর চল্লিশেক কাটিয়ে ফেলেছেন। এর পরেও আক্কেল হয়নি। তা কবে হবে, তা নিয়ে চিন্তায় আছেন।
View Posts →
2 posts
কর্মসূত্রে কলকাতায় বসবাস। ছোটবেলা কেটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে। ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী। শখ - বইপড়া, রবীন্দ্রসঙ্গীত এবং ঘুরে বেড়ানো। ২০১৯ সালে 'সৃষ্টিসুখ' থেকে প্রকাশিত হয়েছে গদ্য সংকলন- 'রোজনামচা'। সম্প্রতি ভূমিকা লিখে পুনঃপ্রকাশ করেছেন ১৮৭৫-৭৬ সালে প্রকাশিত মেয়েদের দুষ্প্রাপ্য পত্রিকা 'বঙ্গমহিলা'।
View Posts →
2 posts
ভারতীয় জীবন বীমা কর্মী। দীর্ঘ ৩৪ বছর হিমালয়ের বিভিন্ন প্রান্তে ট্রেকিং, উপকূল বরাবর হাঁটা ও ফটোগ্রাফি মুখ্য নেশা। ট্রাভেল রাইটার্স ফোরামের সদস্য, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখা প্রকাশিত।
View Posts →
2 posts
অঙ্ক নিয়ে পড়াশোনা। অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককর্মী। নেশা লেখা, ভ্রমণ, নাটক পরিচালনা, নির্দেশনা, বাচিক শিল্প, অভিনয়, গান রচনা, সমাজসেবা (ভারতীয় রেডক্রস সোসাইটির আজীবন সদস্য এবং চক্ষুদানে অঙ্গীকারবদ্ধ)। শুকতারা, কিশোরভারতী , মৌচাক, প্রসাদ, জলফড়িং, কফি হাউস, গৃহশোভা, গণশক্তি, সুখবর ও বিভিন্ন ওয়েবজিনের নিয়মিত লেখক। ২০টি মঞ্চসফল নাটকের পরিচালক ও প্রযোজক ও আঠেরোটি নাটকের রচয়িতা। প্রকাশিত বই ২১টি, সম্পাদনা ৪টি। বিভিন্ন মাধ্যমে গল্প বলার জন্য ‘গল্পদিদি’ নামে জনপ্রিয়।
View Posts →
2 posts
রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইন আর্ট বিভাগে স্নাতকোত্তর পাঠরতা লাবনী পছন্দ করেন কার্টুন, ক্যারিকেচার, পোর্ট্রেট ও ইলাস্ট্রেশন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ শেষ করে লাবনী ইলাস্ট্রেশনকেই পেশা হিসেবে বেছে নিতে চান।
View Posts →
2 posts
জন্ম কলকাতায় ১৯৭১ সালে। কর্মসূত্রে ১৯৯৮ সাল থেকে আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রের এফ এম রেনবো ও এফ এম গোল্ডে উপস্থাপিকা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর এবং ‘ফ্রেশ ওয়াটার ইকোলজি’ বিষয়ে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি পেলেও একমাত্র প্যাশন লেখালিখি। ‘আজকাল’, ‘আবার যুগান্তর’, ‘খবর ৩৬৫’, ‘একদিন’ ও অন্যান্য বহু পত্র-পত্রিকা-ওয়েবজিনে লেখালিখির দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। গাংচিল প্রকাশনা থেকে তাঁর প্রথম গল্প সংকলন ‘অসমাপ্ত চিত্রনাট্য’।
View Posts →
2 posts
শীর্ষ বন্দ্যোপাধ্যায় পেশায় সাংবাদিক। একাধিক বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র, টেলিভিশন চ্যানেল এবং জার্মান রেডিওর বাংলা বিভাগে কর্মরত ছিলেন। প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস শার্দূল সুন্দরীর বিপুল জনপ্রিয়তার পর লিখেছেন একের পর এক উপন্যাস, ছোটগল্প এবং প্রবন্ধ। মোট প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা চোদ্দ। সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে শার্দূল সুন্দরীর ইংরেজি অনুবাদ।
View Posts →
2 posts
মৃত্যুঞ্জয় দেবনাথের ১৯৬৭-তে রানাঘাটে। আশৈশব কেটেছে নবদ্বীপ নিকটবর্তী বর্ধমান জেলার বেতপুকুর গ্রামে। পেশায় শিক্ষক হলেও ভালোবাসা সাহিত্যচর্চা। প্রথম ছোটগল্প প্রকাশিত হয় শুকতারা পত্রিকায়। লিখেছেন আনন্দমেলা, শুকতারা, কিশোর ভারতী, সন্দেশ, আনন্দবাজার পত্রিকা, দেশ, সানন্দা, কৃত্তিবাস, নবকল্লোল, শিলাদিত্য, সুখী গৃহকোণ প্রভৃতি পত্রিকায়। প্রকাশিত বই চোদ্দোটি, যার মধ্যে সিঁধেল চোর, মা কালীর খাঁড়া, ঝিনুক নদীর চর, মানুষ হয়ে ওঠা, বকুল ফুলের গন্ধ প্রভৃতি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ২০২০ সালে কিশোর ভারতী পত্রিকা থেকে পেয়েছেন সাধনা স্মৃতি পুরস্কার।
View Posts →
2 posts
আত্মপরিচয়ে ছাত্র, জীবিকা অধ্যাপনা। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত। ভালোবাসেন শিক্ষার্থী যৌবনকে, বই পড়তে, মূলতঃ শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, ইতিহাস আর হ্যাঁ, খেলাধুলা। অঙ্কটা কম জানেন বলে দাবি করেন, কিন্তু বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের গণিত বুঝে নেওয়ার আগ্রহ প্রবল।
View Posts →
2 posts
অস্থিশল্য চিকিৎসক
View Posts →
2 posts
পেশাগতভাবে ডাক্তার ও নেশাগতভাবে গায়ক।
View Posts →
2 posts
১৯৭৪ সালে অবিভক্ত মেদিনীপুরের প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম। পিতার কর্মসূত্রে আজীবন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুরে বড় হওয়া। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম.এ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি। নানা সরকারি কলেজে অধ্যাপনা শেষে আপাতত হিলিতে এস.বি.এস গর্ভনমেন্ট কলেজে কর্মরত। গ্রন্থকীট। গল্প লেখার সূত্রপাত মাত্র চার বছর আগে। ইতিমধ্যে বাংলা ভাষার নানা পত্রপত্রিকা, আনন্দবাজার পত্রিকা, দেশ ও ওয়েবজিনে লেখালেখি করেছেন। সব ধরনের গল্প লিখতেই স্বচ্ছন্দ। একাধিক সংকলনে লিখেছেন গল্প ও ঔপন্যাসিকা। যৌথভাবে সম্পাদনা করেছেন 'ড্রাকুলা-শিবির'। এককভাবে সম্পাদনা করেছেন একাধিক গ্রন্থ, স্মৃতিকথা। বাংলার বাবু সংস্কৃতি নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে একক বই 'সমাজ-সাহিত্য-সংস্কৃতিতে বাবু'।
View Posts →
2 posts
পেশায় সাংবাদিক ও বাচিক শিল্পী। লেখালেখি করেন একাধিক বাংলা পত্র পত্রিকায়। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'জলপাই অরণ্যের পারে'।
View Posts →
2 posts
একজন বাংলাদেশী লেখক, পর্যটক ও সমাজকর্মী। পেশায় একজন কমার্শিয়াল কনটেন্ট রাইটার। লেখালেখি করেন ছাত্রজীবন থেকে। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৬টি। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্ব উত্তর প্রান্ত থেকে সর্বদক্ষিণ প্রান্ত পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করেন। ৪৬ দিনে ১২৭৬ কিলোমিটার পদব্রজে ভ্রমণের গল্প নিয়েও রয়েছে তাঁর একটি বই। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় ২০২১ সালে বাংলাদেশের আইসিটি খাতের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার' অর্জন করেন। লেখালেখিতেও পেয়েছেন তিনটি জাতীয় পুরস্কার। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ট্রাভেল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং ই-কমসার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।
View Posts →
1 posts
বিশিষ্ট কথাকার ও কবি। লেখারম্ভ উত্তর পূর্ব ভারত থেকে, বর্তমানে কলকাতাবাসী।  প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ 'নীলাঞ্জনা' প্রকাশিত হয়েছে ২০০৩ সালে। প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা এগারোটি, তার মধ্যে গল্পগ্রন্থ ছয়টি, অণুগল্প সংকলন একটি, উপন্যাস দুইটি, উপন্যাসিকা একটি, কাব্যগ্রন্থ একটি। পেশায় ছিলেন শিলচরের পাবলিক উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরবর্তীতে অধ্যক্ষ। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত। শিলচর শিবালিক পার্ক নয়া গ্রুপ সানডে ক্লাব ও মহিলা সমিতি থেকে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্যে বিশেষ সম্মাননা, ২০১৮। অনির্বাণ সাহিত্য পত্রিকা থেকে প্রদত্ত মঁঞ্জুলিকা স্মৃতি সম্মান ২০২০। প্রতীতি সাহিত্য পত্রিকা থেকে জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি সম্মাননা ২০২৫।
View Posts →
1 posts
অন্বেষা সেনগুপ্তের জন্ম কোন্নগরে ১৯৮৪ সালে। পাঠভবন স্কুল আর প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পড়াশোনা। এখন কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে (আইডিএসকে) ইতিহাস পড়ান। ভারতীয় উপমহাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে বিশেষ আগ্রহ আছে অন্বেষার। অবসরে ভালোবাসেন বেড়াতে, আড্ডা মারতে, সিনেমা-সিরিজ দেখতে আর গল্পের বই পড়তে।
View Posts →
1 posts
সমর মিত্রের জন্ম ১৯৩৯। পূর্ব বর্ধমান জেলার আঝাপুর গ্রামে। স্কুল ওখানেই। বর্ধমান রাজ কলেজের স্নাতক। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার এম এ। পেশায় ছিলেন সাংবাদিক। প্রথমে আনন্দবাজার, অবসরান্তে বর্তমান-এ। এখন অফুরন্ত অবসর। পড়ে লিখে সময় কাটান। বড়-ছোট সকলের জন্য প্রকাশিত বই মাত্র একটি। বহু লেখা পড়ে থেকে উই কবলিত। থাকেন উত্তরপাড়ার ফ্ল্যাটে ও গাঁয়ের ভদ্রাসনে ভাগাভাগি করে স্ত্রীর তত্ত্বাবধানে। গ্রামের মানুষ তাঁর খুব প্রিয়জন। তিনিও তাঁদের তা-ই।
View Posts →
1 posts
অতনু দে পেশায় বিদ্যুৎ প্রযুক্তিবিদ – গুরগাঁওয়ে একটি বিদেশী কোম্পানিতে কাজ করেন। বাংলা ভাষায় লেখালেখি করতে ভালোবাসেন। মূলত লেখেন ছোটগল্প ও অণুগল্প, যার অনেকগুলিই ইতিপূর্বে প্রকাশিত হয়েছে একাধিক ওয়েবজিনে। সৃষ্টিসুখ প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হয়েছে ওঁর ছোট গল্পের সংকলন – নাম “শহরের সিম্ফনি”।
View Posts →
1 posts
মৌলীনাথের জন্ম আসানসোলে। মূলত কবি। তবে কবিতার পাশাপাশি গদ্যও লিখছেন। সঙ্গে আছে অনুবাদের কাজ। কবিতার অনুবাদ করতেই বেশি স্বচ্ছন্দ। ওঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয় কথা, কালের কণ্ঠ (বাংলাদেশ), পরম্পরা, কালিমাটি অনলাইন, মনন, ম্যানগ্রোভ (বাংলাদেশ), দৈনিক ইত্তেফাক (বাংলাদেশ) ও অন্যান্য পত্রপত্রিকায়। ২০২০ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘দয়াল’। প্রতিভাস থেকে। ২০২০-তেই ভারত ভবন, ভূপাল আয়োজিত ‘বহুভাষী লেখক সমাবেশ’-এ স্বরচিত বাংলা গদ্য পাঠের জন্য আমন্ত্রিত হন।
View Posts →
1 posts
আর্যনীল মুখোপাধ্যায়ের জন্ম কলকাতায়, পড়াশোনা সাউথ পয়েন্ট স্কুলে। পরে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও আইআইটি খড়গপুরে। আর্যনীল মূলত কবি। এছাড়াও তিনি প্রাবন্ধিক, অনুবাদক, সম্পাদক, তত্ত্বাবধায়ক, ও চিত্রনাট্যকার। মহাকাশ প্রযুক্তিতে পিএইচডি আর্যনীলের পেশাগত ক্ষেত্র– কারিগরি গণিত। সম্পাদনা করেন The MUD Proposal ও কৌরব অনলাইন। 'কৌরব' পত্রিকার সম্পাদনা করেছেন দীর্ঘদিন। তাঁর আটটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনসিনাটির বাসিন্দা।
View Posts →
1 posts
প্রদীপ কুমার রায় (১৯৫৬) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, বর্তমানে ওড়িশার ভুবনেশ্বর শহরের বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে বাঙালি হলেও জন্ম, শিক্ষা, চাকরি সবকিছু ওড়িশায়। ওড়িশা ভাষা সাহিত্যে এম এ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর লাভ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বর্ণপদক পেয়েছেন। দীর্ঘ ৩৭ বছর ওড়িশার বিভিন্ন কলেজে ওড়িয়া ভাষা সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা করেন এবং ২০১৬ সালে অধ্যক্ষ পদে অবসর গ্রহণ করেন। কর্মজীবনের পাশাপাশি তিনি বাংলা সাহিত্যের ১৪টি উপন্যাস, ৮টি গল্প সংকলন, ৪টি জীবনী, ৫টি প্রবন্ধ সংকলন, ১২টি কবিতা সংকলন ওড়িয়া ভাষায় অনুবাদ করেছেন। সম্প্রতি ওড়িয়া ভাষার কিছু অনবদ্য সাহিত্যের বাংলা অনুবাদের প্রয়াস শুরু করছেন তিনি। ওড়িয়া ভাষার বিখ্যাত কবি প্রদীপ কুমার পণ্ডার কবিতা সংকলন 'নির্বাচিত ৫০' এবং একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত কবি মমতা দাশের 'মায়ান্ধকার' কোলকাতার 'ভাষা সংসদ' থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
1 posts
পেশায় তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আধিকারিক, কিন্তু নেশায় ভ্রামণিক। ট্রাভেল রাইটার্স ফোরাম-এর সদস্য। জড়িয়ে আছেন ফোরামের মুখপত্র 'ভ্রমি'-র সঙ্গেও। অবসরের শখ বই পড়া, লেখালেখি, ছবি তোলা। লেখা প্রকাশিত হয়েছে দেশ, আনন্দবাজার পত্রিকা, চল যাই, ভ্রমণ আড্ডা, ভ্রমি, নীলকণ্ঠ, ভ্রমণ অনলাইন, যা ইচ্ছে তাই, কোলাজ (হায়দারাবাদ), আসমানিয়া সহ আরও অনেক পত্রপত্রিকার মুদ্রিত ও অনলাইন সংস্করণ।
View Posts →
1 posts
হলদিয়া পেট্রোক্যামিকালস লিমিটেডে কর্মরত কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। নেশা ঘুরে বেড়ানো, আর বেরিয়ে এসেই তা লিখে ফেলা খাতার পাতায়। বেড়ানোর কাহিনী প্রকাশিত হয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা, সানন্দা, আনন্দমেলা, ভ্রমণ, এই সময় পত্রিকায়।
View Posts →
1 posts
কলকাতার সংস্কৃতি ও তার ইতিহাস চর্চা লেখকের অতি প্রিয় বিষয়। পুরোনো কলকাতাসহ নানা বিষয়ে অসংখ্য প্রবন্ধ লিখে তিনি বিদ্বৎসমাজে স্বপ্রতিষ্ঠিত। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত অনেক বইয়ের মধ্যে ‘সেকালের সংবাদপত্রে কলকাতা’ গ্রন্থ প্রসঙ্গে ইতিহাসবিদ নিশীথরঞ্জন রায় লিখেছিলে – ‘হরিপদ ভৌমিক গবেষণামূলক তথ্যভিত্তিক বহু প্রবন্ধ রচনা করেছেন। গভীর নিষ্ঠা নিয়ে উপাদান সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যে বিপুল শ্রম ও অধ্যাবসায়সাধ্য কর্মসূচি গ্রহণ করলেন তার ফলে গবেষণার মান উন্নীত হবে। গবেষণার দিগন্ত উজ্জ্বলতর হবে’। রসগোল্লা বিতর্ক নিয়ে তাঁর ‘রসগোল্লা-বাংলার জগৎ মাতানো আবিষ্কার’ গ্রন্থটি তাঁকে সর্বভারতীয় পরিচিতি এনে দিয়েছে। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত অনেক বইয়ের মধ্যে ‘নতুন তথ্যের আলোকে কলকাতা’, কালীক্ষেত্র কালীঘাটের ‘বিন্দু মা’, ‘বিয়ের শব্দকোষ’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
View Posts →
1 posts
পেশায় শিক্ষিকা। নেশা ও ভালোবাসা ভ্রমণ, ছবি তোলা, একটুআধটু লেখালেখি।
View Posts →
1 posts
পিতৃদত্ত নাম চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস। জন্ম ১৯৩৯-এর সেপ্টেম্বরে, পূর্ববঙ্গের খুলনা জেলায়। পিতার পুলিশের চাকরির সূত্রে ও দেশ ভাগের জেরে এ পার বাংলায় পাড়ি। সাউথ সিটি কলেজে পড়তে পড়তেই লেখালিখি শুরু। প্রথম লেখা বেরোয় ও পার বাংলার ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এ। সাংবাদিকতার চাকরি শুরু ‘জনসেবক’ পত্রিকায়। আনন্দবাজার পত্রিকায় যুক্ত হওয়ার পর চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস নামটা সন্তোষকুমার ঘোষ ও অমিতাভ চৌধুরী বদলে করে দেন চিরঞ্জীব। আনন্দবাজারে এক যুগেরও বেশি চাকরি করার পর যোগ দেন ‘ইত্যাদি প্রকাশনী’-তে, সম্পাদক হন ভারতের সর্বাধিক প্রচারিত ক্রীড়া সাপ্তাহিক ‘খেলার আসর’-এর। পরে ‘গণশক্তি’, ‘ওভারল্যান্ড’ ‘সত্যযুগ’-এ কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার সূত্রে গিয়েছেন বহু দেশে। ‘এই সময় সংবাদপত্র’ ও ‘মালয়ালা মনোরমা’ সংস্থার বাংলা প্রকাশনায় ফ্রি-ল্যান্সিং করছেন ৮৬ পার করেও।
View Posts →
1 posts
রবীন্দ্রনাট্য গবেষক। নাট্য-নির্দেশক। শান্তিনিকেতন।
View Posts →
1 posts
বাংলা সাহিত্যের 'বাংলার বায়রন' হিসেবে পরিচিত। ১৮৪৭ সালে চট্টগ্রামের নোয়াপাড়ায় জন্ম। একাধারে কবি এবং ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট)। তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব মহাকাব্যিক কাব্যগ্রন্থ 'পলাশীর যুদ্ধ'। এ ছাড়া শ্রীকৃষ্ণের মানব রূপকে উপজীব্য করে লিখেছেন বিখ্যাত কাব্যত্রয়ী— 'রৈবতক', 'কুরুক্ষেত্র' ও 'প্রভাস'। তাঁর কবিতায় প্রখরভাবে ফুটে ওঠে দেশপ্রেম, বীররস এবং গভীর মানবিকতা। লিখেছেন 'আমার জীবন' নামে পাঁচ খণ্ডের আত্মজীবনী।
View Posts →
1 posts
পেশাগত ভাবে একটি সংবাদপত্রের চাকুরে। নেশাগত ভাবে অনেক কিছু। লম্বা নাক। তাই সব বিষয়ে নাক গলানোর ভয়ানক বদ অভ্য়াস। ছোটবেলায় ভেবেছিলেন শার্লক বা এ্যরকুল পোয়ারোর মতো গোয়েন্দা হবেন। পারেননি। এমনকি ক্রিকেট খেলাও হয়ে ওঠেনি। এখন তাই টেলিভিশনে খেলা দেখে আর সিধু জ্যাঠার মতো জ্যাঠামি করে দিন কাটে। থ্রিলার ছবি আর বই পড়ার নেশায় আসক্ত।
View Posts →
1 posts
শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জগতে পরিচিত নাম তন্ময় বসু দীর্ঘ চোদ্দ বছর পণ্ডিত রবিশঙ্করকে তবলায় সঙ্গত করেছেন। কাজ করেছেন ভি জি যোগ, আমজাদ আলী খান, মুনাওয়ার আলী খানের মত শিল্পীদের সঙ্গে। সঙ্গীতচর্চা ছাড়াও ব্যস্ত থাকেন গবেষণা এবং সুরসৃষ্টির কাজে।
View Posts →
1 posts
সোহিনী হালদার খ্যাতনামা অভিনেত্রী ও নাট্যকার। পারমিতার একদিন ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। নাটকের মঞ্চের বাইরেও, ছোট এবং বড় পর্দায় ওঁর অভিনয় দর্শককে মুগ্ধ করেছে। বাবা রুদ্রপ্রসাদ ও মা স্বাতীলেখার মতোই সোহিনী নান্দীকার নাট্যদলের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
দেবাদ্রি বাল নিলয় স্কুলে নার্সারি ওয়ানের ছাত্র। বয়স চার। মায়ের সঙ্গে কাঁচি আঠা হাতে ক্রাফট করা আর ছবি আঁকা তার ভারি পছন্দ। আর পছন্দ গপ্পো শোনা। চিকেন আর 'বিরোয়ানি' খেতে খুব ভালোবাসে দেবাদ্রি। তবে তেতোও খেয়ে নেয় লক্ষ্মীছেলের মতো। বড় হয়ে কিনা তাকে আয়রন ম্যান হতে হবে! তাই সবকিছু খায়।
View Posts →
1 posts
অনিমেষ মুখোপাধ্যায় নেশায় কবি, পেশায় চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টI লেখালেখির শুরু স্কুল জীবনে I মূলত কবিতা, তবে গল্প এবং প্রবন্ধতেও যাতায়াত I এ ছাড়া তিনি আবৃত্তি ভালবাসেন।
View Posts →
1 posts
শুভময় মৈত্র ১৯৯৭ সাল থেকে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিকাল ইনস্টিটিউট কলকাতা শাখার অধ্যাপক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রনিক্স ও টেলিকমিউনিকেশন শাখায় ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে উচ্চশিক্ষার জন্য আইএসআই-তে যোগ দেন। পত্রপত্রিকায় ও টেলিভিশনে অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে সুপরিচিত।
View Posts →
1 posts
কনকজ্যোতি রায় পেশায় শিক্ষক। তবে শিক্ষকতার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চা ও অল্পবিস্তর লেখালেখির নেশা আছে। ইতিমধ্যে কিছু কবিতা ও প্রবন্ধ- তথ্যকেন্দ্র, ইরাবতী, সময়, আরম্ভ, কিশলয়,অবেক্ষণ, কবিতা লহরী, নবপ্রভাত, মাধুকরী, শিক্ষা ও সাহিত্য, বাংলার লেখা, প্রভৃতি পত্রিকায় স্থান পেয়েছে।
View Posts →
1 posts
সৌমিত্র বসুর জন্ম কলকাতায়। শিক্ষা, গবেষণা ও অধ্যাপনা বাংলা সাহিত্যে। পরবর্তীতে নাটক নিয়ে পড়িয়েছেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়েও। ভারতীয় নাট্য আকাদেমির সাধারণ পরিষদ ও পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমির সদস্যও ছিলেন। নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, কবি। অন্তর্মুখ নাট্যদলের সভাপতি, নির্দেশক ও প্রধান অভিনেতা তিনি। তাঁর নাট্যচর্চার শুরু বহুরূপীতে। তৃপ্তি মিত্র এবং কুমার রায়ের নির্দেশনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নাটক লেখার জন্য পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমি পুরস্কার-সহ বহু সম্মাননা।
View Posts →
1 posts
পেশায় ইতিহাসের অধ্যাপক। হার্দিক তাড়নায় কিছু লেখালেখি মুখ্যত লিটল ম্যাগাজিনের মননধর্মী পত্রপত্রিকায় গত এক দশকেরও বেশি সময় জুড়ে। প্রকাশিত গদ্য-সংকলনের সংখ্যা তিন এবং কবিতার বই একটি। এছাড়াও এতাবৎ সম্পাদনা করেছেন পাঁচটি গ্রন্থ। অনুদিত বই 'কয়েকটি চিঠি: মির্জা গালিব' ও 'মহাবিদ্রোহ ১৮৫৭' প্রকাশিত হয়েছে যথাক্রমে সাহিত্য একাডেমি এবং ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট থেকে। সঙ্গীতকে ভরকেন্দ্রে রেখে বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধের সমাজ-রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস আপাতত তাঁর বিষয়গত আকর্ষণের অন্যতম অভিমুখ।
View Posts →
1 posts
পেশায় ইঞ্জিনীয়ার। শখ স্ট্রীট ফটোগ্রাফি। ভালোবাসেন বেড়াতে, জীবনের ছবিকে ফ্রেমবন্দী করতে।
View Posts →
1 posts
দীনবন্ধু মিত্র (১০ এপ্রিল ১৮৩০ – ১ নভেম্বর ১৮৭৩) ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা নাটকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার। বাংলার আধুনিক নাট্যধারার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্তের সমসাময়িক দীনবন্ধু মিত্র অবশ্য মাইকেল প্রবর্তিত পৌরাণিক বা ঐতিহাসিক নাট্যরচনার পথে না গিয়ে বাস্তবধর্মী সামাজিক নাট্যরচনায় মনোনিবেশ করেন। এই ধারায় তিনিই হয়ে ওঠেন পরবর্তীকালের নাট্যকারদের আদর্শস্থানীয়।
View Posts →
1 posts
দোয়েলপাখি দাশগুপ্ত বিজ্ঞান, অ্যানিমেশন, থিয়েটার, ছোট পত্রিকা, টেলিভিশন, সিনেমা, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত এইসব করে এখন ফরাসি চর্চায় নিমগ্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ঠেঙান ফরাসিতে। একদা রসাতল নামে একটি রম্যরচনার পত্রিকা চালাতেন, যার সমাধি ঘটেছে। বই পড়তে, এদিক সেদিক বেড়াতে, গান শুনতে, শোনাতে এবং ব্যাডমিন্টন খেলতে ভালবাসেন। তিনি একটি একবছুরে বেড়ালের মা। ভাল কফি খাওয়ালে প্রচুর ভালবাসা বিলিয়ে থাকেন।
View Posts →
1 posts
পেশায় চিকিৎসক মাহবুব ময়ূখ রিশাদের জন্ম কর্ম বাংলাদেশে। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের পাঠকদের মধ্যে ময়ূখ গল্পকার হিসেবে জনপ্রিয়। 'আরিমাতানো', 'তর্কশয্যায় মৃত্ু', 'ক্রুশপথে নিখোঁজ গল্প', 'সান্ধ্যকালীন ট্রেনে গোপন যাতায়াত' ওঁর কিছু পূর্ব প্রকাশিত বই।
View Posts →
1 posts
দীর্ঘদিনের প্রবাসী শাশ্বতীর বর্তমান ঠিকানা সিডনি। পেশা ছিল অস্ট্রেলিয়ার নিউসাউথ ওয়েলসের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা। কর্মজীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর সময় কাটে বিভিন্ন ভাল লাগার চর্চা করে। তার মধ্যে বই পড়া, লেখা, আর গান শোনা প্রধান। লিখতে ভালবাসেন ছোটবেলা থেকেই। লেখার মধ্যে দিয়ে মানুষের নানান রূপ খোঁজার, ধরার চেষ্টা করেন।
View Posts →
1 posts
অনুষ্কা প্র্যাট মেমোরিয়ালের ক্লাস ফাইভের ছাত্রী। গল্পের ব‌ই পড়তে আর ছবি আঁকতে ভালবাসে। ঝকঝকে মনটার ছায়া পড়ে কখনও তার কথায়, কখনও বা টোল পড়া হাসিতে। মিষ্টি মেয়ের মিষ্টিমুখ করতে আপত্তি নেই কখনওই। তার সবচেয়ে আদরের আবার সবচেয়ে শাসনের জায়গা তার পুঁচকে বোনটি।
View Posts →
1 posts
মনোরঞ্জন নস্কর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। পেশা অধ্যাপনা। সিটি কলেজ অফ কমার্স অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে বাংলার অধ্যাপক। প্রবন্ধ এবং কবিতা লেখেন।
View Posts →
1 posts
বেড়ে ওঠা ছোটো শহরে, প্রকৃতি যেখানে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যেত। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে কলকাতায় আসা। তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে আড়াই দশকের বসত। বহুজাতিক সংস্থায় পদস্থ কর্মী। কাজের ফাঁকে যন্ত্রকে বাংলা শেখানোর গবেষণা। সে পথেই ডক্টরেট প্রাপ্তি। বাংলা আর রবি ঠাকুরের ভালোবাসায় tagoreweb.in সহসৃষ্টি। প্রকৃতির নেশায় টালমাটাল। ফাঁক পেলেই পালিয়ে যাওয়া জঙ্গল-পাহাড়-নদীর কাছে। গবেষণা, প্রযুক্তি এবং ব্যবসা নিয়ে ইংরেজিতে প্রবন্ধ লেখেন দীর্ঘদিন ধরে। ইদানীং বাংলাতেও লিখছেন।
View Posts →
1 posts
লেখক চিরঞ্জিৎ সাহা বয়সে তরুণ। উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ ও প্রশাসনিক চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিরত। উনিশ কুড়ি লাভ-স্ট্রাক ২০১৯ বিজেতা। প্রথম প্রকাশিতব্য বই 'X = প্রেম'
View Posts →
1 posts
শান্তনু ভদ্র প্রযুক্তি জগতের মানুষ। পেশাগতভাবে তিনি একজন সফল শিক্ষাবিদও। যুক্ত আছেন আই আই এম রায়পুরের সঙ্গে। পড়ানো আর গবেষণার পাশাপাশি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করতেও ভালবাসেন।
View Posts →
1 posts
পেশায় চিকিৎসক। নেশায় ভ্রমণ পিপাসু। ভালোবাসেন লেখালিখি, ছবি তোলা, গান শোনা, শিল্প চর্চা আর নিখাদ আড্ডা।
View Posts →
1 posts
ঐশী চক্রবর্তীর জন্ম কলকাতায়। ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি থেকে অ্যানথ্রোপলজি বিভাগে সাম্মানিক স্নাতক। ইতিমধ্যে কবিতা প্রকাশিত হয়েছে ‘নবকল্লোল’, ‘শিলাদিত্য’, ‘কবিতা আশ্রম’, ‘কবিপত্র’, ‘মাসিক কৃত্তিবাস’, ‘সাহিত্য এখন’ প্রভৃতি পত্র-পত্রিকায়। রহস্যময়তা, প্রেম, অভিসার দিয়ে রচনা করেন কবিতার মধুরতম ভাষা। ‘বিষাদপরির শব্দগাথা’ তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
View Posts →
1 posts
সাংবাদিক
View Posts →
1 posts
ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় (২২ জুলাই ১৮৪৭ - ৩ নভেম্বর ১৯১৯) ছিলেন একজন বাঙালি সাহিত্যিক। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ব্যঙ্গকৌতুক রসের স্রষ্টা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
View Posts →
1 posts
লেখেন কম, দেখেন বেশি। অনেকদিন ধরে দেখেন, মনে রাখেন, ভুলে যান, তারপর একদিন সবটা একজোট করে লিখতে বসেন। যে অভিজ্ঞতা তেমন মনে দাগ কাটে না, আগলে রাখতে চান তাকেও। প্রিয় বন্ধুর মতো মনে রেখে দিতে চান নানা কণ্ঠস্বর। যে কণ্ঠস্বরদের নিয়ে একদিন সাইকেল করে ইউরেনাসে চলে যাবেন তিনি।
View Posts →
1 posts
পেশায় একজন মনোবিদ | জীবনের রোজনামচায় মনের তল্লাটে ঘনিয়ে ওঠা নানান ভাবনা, দ্বন্দ্ব, ইচ্ছে, বিষাদ তাঁর লেখার রসদ |
View Posts →
1 posts
শ্রীপর্ণার জন্ম ১৯৭১-এ। ২০১০ সাল থেকে লিখছেন। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় গল্প, কবিতা, ভ্রমণকাহিনি, ছোটদের সাহিত্য, প্রবন্ধ, ফিচার, বই ও নাট্য পর্যালোচনা লেখেন নিয়মিত। কবিতা দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও শ্রীপর্ণার গদ্যসৃষ্টি বিশেষ সমাদর অর্জন করেছে। এযাবৎ সাহিত্য-স্বীকৃতিগুলি এসেছে মূলত ছোটগল্পের জন্য। পেয়েছেন বঙ্গ সংস্কৃতি পুরস্কার ২০১২, ঋতবাক ‘এসো গল্প লিখি পুরস্কার’ নবপ্রভাত সাহিত্য সম্মাননা ২০১৮ (গল্পগ্রন্থ), প্রতিলিপি প্রথম পুরস্কার ২০২০ ইত্যাদি।
View Posts →
1 posts
অতনু সঙ্গীতের নানান দিক নিয়ে লেখালেখি করে চলেছেন কয়েক দশক ধরে। বাংলা ও হিন্দি চলচিত্রের গান থেকে শুরু করে মার্গসঙ্গীতে অনায়াস যাতায়াত। 'পঞ্চম' ও 'মুখোমুখি বিলায়েৎ' ওঁর দুটি জনপ্রিয় বই। কলকাতায় মাইফেলের ইতিহাস নিয়ে ওঁর কাজ পাঠকদের মধ্যে সমাদর পেয়েছে।
View Posts →
1 posts
সাত বছরের সানভি সল্ট লোক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। বই পড়তে আর রঙ নিয়ে আঁকিবুকি কাটতে খুব ভালোবাসে ছোট্ট সানভি।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৭৭ সালে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথিতে। স্নাতকোত্তর সরকারী শিক্ষাকেন্দ্রে ও হাসপাতালে বক্ষ-রোগ বিষয়ে অধ্যাপনা ও চিকিত্‍সা। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মাটি ও মোহর, পরাশান্তি মনপ্রহরা ইত্যাদি। কবিতার পাশাপাশি চলে গদ্যচর্চা। ২০০৯ সালে কৃত্তিবাস পুরস্কারে সম্মানিত।
View Posts →
1 posts
শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৬৬ সালে কলকাতায়। পড়াশুনোয় স্নাতক। পেশায় বাংলা ফিল্ম ও টেলিভিশনের চিত্রনাট্য লেখক। মূলত টেলিভিশন ও ফিল্মের জন্য গবেষণামূলক কাহিনির রূপকার। দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন নানা পত্রিকার সম্পাদনায়। কাজ করেছেন একাধিক টেলিভিশন চ্যানেলের বিভাগীয় কর্তা হিসেবেও।
View Posts →
1 posts
কুন্তল রুদ্র পেশায় ছিলেন অধ্যাপক। বোলপুর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী কুন্তল সাহিত্যচর্চা করছেন বহুদিন যাবৎ। তাঁর একাধিক কাব্যগ্রন্থ রয়েছে। অরুণ মিত্রের কবিতা নিয়ে তাঁর গবেষণাধর্মী গ্রন্থ 'অরুণ মিত্রের কবিতা : পালক পাথর কথামালা' পাঠকমহলে সমাদর পেয়েছে।
View Posts →
1 posts
প্রাক্তন অধ্যাপক, গবেষক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদ পত্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক। ১৯৭৫ সালে অনুবাদ পত্রিকার সূচনা লগ্ন থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন।
View Posts →
1 posts
ভজন দত্ত পেশায় শিক্ষক। ১৯৯০ থেকে বাংলা সাহিত্য জগতে আছেন।বর্তমানে প্রবন্ধ,গল্প,কবিতা,নাটক, লোকসংস্কৃতি সবরকম লেখাই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লিখে থাকেন।গ্রন্থপ্রকাশে ব্যক্তিগত উদ্যোগের অভাবে,সাহিত্যের আঙিনায় আসার প্রায় আড়াই দশক পর গ্রন্থকার হিসেবে প্রথম আত্মপ্রকাশ ২০১৫ তে। সেবছরই একসঙ্গে তাঁর চারটি বই প্রকাশিত হয়। এযাবৎ প্রকাশিত গ্রন্থঃ বাঁকুড়া জেলায় স্বাধীনতা সংগ্রাম ( গবেষণা গ্রন্থ)২০১৫, তো না পা চি (ছোট গল্পের সংকলন)২০১৫, মৃত্যুকথা ও মাধবীলতা (কাব্য গ্রন্থ)২০১৫, স্বরবর্ণের চূর্ণকথা (কাব্যগ্রন্থ , তেরোজন কবির কবিতা সংকলন)২০১৫, স্পর্শজ সুখকথা (কাব্যগ্রন্থ) ২০১৬, ব্যক্তি রাষ্ট্র বিষণ্ণতা ( প্রবন্ধ সংকলন) ২০১৭, এসো রূপ তুমি কথা হয়ে ১০৮/৮ ( কাব্যগ্রন্থ) ২০১৮, টুকুস (কাব্যগ্রন্থ) ২০১৯, ৭২ দিনরাত, (কাব্যগ্রন্থ) ২০২০, ২০ বিষ (গল্প সংকলন)২০২০, রুখুডির খরকথা (মুক্তগদ্য সংকলন) ২০২২
View Posts →
1 posts
বালিগঞ্জ শিক্ষা সদন স্কুলের ছাত্রী। এই বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। প্রিয় বিষয় সাহিত্য ও ইতিহাস। বিশেষ ভালোবাসা ছবি আঁকা আর ক্রিকেটে। ইতিপূর্বে লেখা প্রকাশিত হয়েছে ভদ্রেশ্বর ভ্রমণ আড্ডায় ও বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ভ্রমণের প্রজাপতি গ্রন্থে। বারোটি দেশে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার ঝুলিতে।
View Posts →
1 posts
প্রাবন্ধিক-গবেষক, গৌতমকুমার দে পেশাগতভাবে এলআইসি-র বীমা পরামর্শদাতা ও বিক্রয় প্রতিনিধি। স্প্যানিশ পড়িয়েছেন একাধিক কলেজে। মেতে থাকেন ফিলাটেলি, ফিলুমেনি, মুদ্রা, নোটাফিলি, স্ল্যাং, বুকমার্ক, মেনুকার্ড, ট্রেকিং, বই, পত্রিকার জন্মসংখ্যা ইত্যাদি নিয়ে। প্রকাশিত বই: বাহনলিপি, সেকেলে গপ্পো, ভ্রমণ: নানা রূপে দেখা ইত্যাদি।
View Posts →
1 posts
সোদপুরে জন্ম, বর্তমানে হায়দ্রাবাদ নিবাসী। ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের স্নাতক, সাথে ফরাসি ভাষায় ডিপ্লোমা। বর্তমানে একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত। কবিতা প্রকাশিত হয়েছে আবহমান, চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম, আবার বিজল্প, কবিতাপাক্ষিক সহ বেশ কিছু পত্রিকায়। পছন্দের বিষয় গান, সিনেমা এবং ফুটবল, সবচেয়ে পছন্দের কাজ একলা ঘরে পাইচারি করা।
View Posts →
1 posts
সাত পুরুষের ভিটে কলকাতার শহরতলি বালিতে। বর্তমানে অবসর জীবন কাটাচ্ছেন সান্ ফ্রান্সিসকোর শহরতলি ওকল্যান্ডে। আইআইটি ও বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা। পোর্ট ট্রাস্টে কিছু বছর কাজ করে আমেরিকা পাড়ি। পরে জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ও এমআইটি-তে পড়াশোনা। কর্মজীবনের সিংহভাগজুড়ে ছিলেন বিমানবন্দর বিশেষজ্ঞ। সেই সুবাদে ঘুরে ফেলেছেন পৃথিবীর নানা স্থান। দেশি বিদেশি সাহিত্যকলা নিয়ে অনেকটা সময় কেটে যায়। কিছু পত্র পত্রিকায় লেখালেখির সুযোগও জুটে গিয়েছে সময়ে অসময়ে।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৭১ | লেখালিখি শুরু ২০০০ সালে | প্রথম উপন্যাস ‘প্রস্তুতিপর্ব’ | শখ –ক্রিকেট আর শস্য শ্যামল ক্ষেত | সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়েন গ্রাম বাংলার সবুজের হাতছানিতে |
View Posts →
1 posts
মল্লিকা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা ও প্রদীপ সেন্টার ফর অটিজম ম্যানেজমেন্টের মূল কর্ণধারদের একজন। প্রদীপ-এর দায়িত্ব সামলে যতটা সময় পান তা অটিজম বিষয়ের ওপর পড়াশোনা ও লেখালেখি করেই কাটে।
View Posts →
1 posts
দীর্ঘদিনের প্রবাসী উদ্দালক বর্তমানে হিউসটনের বাসিন্দা। পেশাগতভাবে তিনি মেডিকাল রিসার্চের সঙ্গে যুক্ত। সময় পেলে লেখালেখি করতে ভালোবাসেন। বিভিন্ন ব্লগ এবং ওয়েবজিনে ওঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশ পায়। মূলত কবিতা লিখতেই ভালোবাসেন।
View Posts →
1 posts
আলোকচিত্র-শিল্পী অনির্বাণ মিত্রর ক্যামেরায় ধরা থাকে বনেদি বাড়ির অন্দরমহল, রাজ-ভবন এবং ইংরেজ আমলের কলকাতা। তুলতে ভালোবাসেন পোর্ট্রেটও। দেশ বিদেশের বিখ্যাত গ্যালারিতে একাধিক প্রদর্শনী হয়েছে তাঁর। বইও প্রকাশিত হয়েছে। নিমাই ঘোষ এবং সত্যজিৎ রায়কে নিয়ে তথ্যচিত্র দিয়ে সেলুলয়েডের যাত্রা শুরু হয়েছে সাম্প্রতিক কালে। তাঁর একটি অনলাইন গ্যালারিও রয়েছে।
View Posts →
1 posts
যশোমিতার বয়স পাঁচ এবং আদরের নাম গুটুনবুড়ি। তিনি কারমেল স্কুলে লোয়ার কেজিতে পড়েন। ফুটবল খেলাটা বেশ পছন্দের। আর পছন্দ গান শুনে শুনে তালে তালে নাচ করা, ইচ্ছেমতো। চকোলেট আর আইসক্রিম পেলে সকলের সঙ্গে ভাব করে নেন চট করে।
View Posts →
1 posts
পথিক মজুমদার পেশায় সংবাদজীবী। কিছুটা পেশার সূত্রে এবং কিছুটা নেশার খাতিরে, ঘুরে বেড়ানো তাঁর রক্তেহাড়েমজ্জায়। যখন তখন যেখানে সেখানে পা বাড়াতে তাঁর জুড়ি নেই। অবসরে ভালবাসেন গান, আবৃত্তি, শ্রুতিনাটক। আর ভালবাসেন নিজের দুই সদ্য-কৈশোর টপকানো ছেলের সঙ্গে আড্ডা দিতে।
View Posts →
1 posts
সঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায় নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
View Posts →
1 posts
দেবাশিস সেন (১৯৬১)। জন্ম আসামের ডিগবয়-এ শৈশব ও কৈশোর কেটেছে আসামেরই আরেক ছোট্ট শহর দুলিয়াজানে। বাংলা থেকে দূরে থাকলেও বাংলা পত্রপত্রিকার সঙ্গে সখ্যতা জ্ঞান হবার পর থেকেই। কৈশোর পার করে কলকাতায় আসার কয়েক বছর পর যোগাযোগ সন্দেশ পত্রিকার সঙ্গে। দীর্ঘদিন যুক্ত সন্দেশ পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগের সঙ্গে। জীবনের প্রথম গল্প প্রকাশিত হয়েছিল অধুনালুপ্ত 'কিশোর মন' পত্রিকায়। সেটি ছিল একটি ভূতের গল্প। পরবর্তী দিনে প্রচুর ভূতের গল্প লিখলেও সব ধরনের গল্প, উপন্যাস ফিচারই লেখেন। পত্রিকার প্রয়োজনে স্বনামের পাশাপাশি সন্দেশের পাতায় অন্য নামেও লেখেন। বল বয় ও থার্ড আম্পায়ার নামে লেখেন খেলাধুলা সংক্রান্ত ফিচার, পুস্তক সমালোচনার সময় তাঁর ছদ্মনাম গ্রন্থবিমুখ গোস্বামী, টুকরো খবর লেখেন প্রবাল সেন বা সন্দেশী নামে। সন্দেশ-এর পাশাপাশি গল্প, ফিচার লিখেছেন 'শুকতারা', 'কিশোর ভারতী', 'চির সবুজ লেখা', 'কিশোর জ্ঞান বিজ্ঞান', 'ঝালাপালা', 'আমপাতা জামপাতা', 'রং বেরং', 'মায়াকানন' ইত্যাদি নানান পত্রপত্রিকায়। লেখার পাশাপাশি প্রবল নেশা ছবি তোলার। অবশ্য নিজেকে ফটোগ্রাফার ভাবেন না। তাঁর মতে তিনি কিছু দৃশ্য এবং মুহূর্তকে শুধু ধরে রাখেন। অনেক গ্রন্থ সংকলন এবং সম্পাদনা করেছেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য সন্দীপ রায়ের সঙ্গে সম্পাদিত 'সন্দেশ-এর কমিক্স সমগ্র', প্রসাদরঞ্জন রায়ের সঙ্গে সম্পাদিত 'সন্দেশের সত্যজিৎ' ইত্যাদি...
View Posts →
1 posts
বিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের চর্চা ও জনপ্রিয়করণের জন্য একটি অগ্রগামী সংস্থা । জাতীয় অধ্যাপক আচার্য সত্যেন্দ্র নাথ বসুর নেতৃত্বে বাংলার সমস্ত বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল 1948 সালে। আজকাল, সারাদেশে বহু গোষ্ঠীর নেতৃত্বে গণবিজ্ঞান আন্দোলন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছে। এই সংস্থার উদ্যোগে প্রকাশিত 'জ্ঞান ও বিজ্ঞান' পত্রিকার লেখাগুলিকে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে বাংলা লাইভ ও বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের একসঙ্গে পথ চলা শুরু।
View Posts →
1 posts
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক। গবেষণার ক্ষেত্র হল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তত্ত্ব, ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতি এবং নিরাপত্তা। 'India's Spatial Imaginations of South Asia' (২০১৯) এবং 'Nuclear Non-Proliferation and the Problem of Threshold States' (১৯৯৯) গ্রন্থের লেখক এবং Peace and Conflict Studies: Perspectives from South Asia (২০২০)-এর সহ-সম্পাদক। তাঁর বহু গবেষণামূলক প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে। দু’বার ফুলব্রাইট স্কলার হিসেবে ইয়েল ও ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এবং উগান্ডার মাকেরেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। এছাড়াও যুক্ত ছিলেন ম্যাকগিল, মন্ট্রিয়ল বিশ্ববিদ্যালয় ও হাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে । ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া মিলিটারি ইনস্টিটিউট, লেক্সিংটনে Eugene Lopez Chair Professor of Asian Studies হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে SYLFF প্রকল্পের পরিচালক। International Studies Quarterly, Strategic Analyses, এবং Security Dialogue প্রভৃতি আন্তর্জাতিক মানের জার্নালের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যও ছিলেন।
View Posts →
1 posts
ড. সুব্রত চক্রবর্তী এক জন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি ইন্সটিটউট অফ চাইল্ড হেল্থ-এর শিশুরোগ বিভাগের অধ্যাপক এবং একাধিক হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
প্রবীণ ক্রীড়া সাংবাদিক চিরঞ্জীবের পিতৃদত্ত নাম চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস| বয়স ৮২ পেরোল ২০২০-তে| গত শতাব্দীর ষাটের দশক থেকে কলকাতা ময়দান চষেছেন পেশাগত ভালোবাসায়| ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের নানা ঘটনা, উত্থান-পতনের সাক্ষী তিনি| চাকরি করেছেন আনন্দবাজার পত্রিকায়, তার পর সম্পাদক ছিলেন 'খেলার আসর' সাপ্তাহিকের| বছর কয়েক আগে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁকে সম্মান দেয়|
View Posts →
1 posts
কবি ও কথাকার অহনা বিশ্বাসের জন্ম ১৯৭০-এ আসানসোলে। বিদ্যাচর্চা, গবেষণা শান্তিনিকেতনে। পেশা অধ্যাপনা। নিয়মিত লেখালিখি করেন। দেশ, সানন্দা, বর্তমান, প্রতিদিন-সহ একাধিক প্রথম সারির পত্রিকার নিয়মিত লেখক। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - অষ্টাবক্ররমণীকথা, সবুজশাড়িপরাদের দেশ। গল্পগ্রন্থ - অহনার গল্প। উপন্যাস - আরশিনগরে তাঁবু, আমাদের মায়াবী সময় ইত্য়াদি। অহনার আগ্রহ মানুষ, পরিবেশ ও শিল্পকলায়।
View Posts →
1 posts
দশ বছরের অনিমান যেন ফুটফুটে এক রাজকুমার। নিজের জগতে তার সভাসদেরা হল টিনটিন, হ্যারি পটার আর আ্যভেন্জারস্। রাজপুত্রের পছন্দের প্রাণি আবার সাপ। ছোট থেকেই যে কোনও গাড়ি দেখে তার নাম বলে দিতে পারত সে। তবে রাজকুমারের মনটা যেন গলা মোম, এক্কেবারে তপতপে।
View Posts →
1 posts
জন্ম কলকাতাতে হলেও আদিবাড়ি বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের আকুই গ্রামে। বিডি মেমোরিয়াল স্কুল থেকে দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ, দীনবন্ধু অ্যানড্রুজ কলেজ থেকে স্নাতক এবং ইন্দিয়া গান্ধী জাতীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করে বর্তমানে ভ্রমণ সংক্রান্ত ব্যবসা করছেন শ্রয়ণ।
View Posts →
1 posts
রাহুল পুরকায়স্থ। জন্ম ৬ ডিসেম্বর ১৯৬৪, কলকাতায়। শৈশব থেকেই বেলঘরিয়ার বাসিন্দা। কলোনিজীবন, উত্তাল সত্তরের দশকের পরিসরে বড় হয়ে ওঠা। আশির দশক থেকে নিয়মিত কবিতা প্রকাশিত হতে থাকে। ছোটো-বড় মিলিয়ে কবিতার বইয়ের সংখ্যা কুড়ি। কবিতার সূত্রে নিত্যনতুন রহস্যের ভিতর সেঁধিয়ে যাওয়াই তাঁর প্রধান লক্ষ্য, এখনও...
View Posts →
1 posts
মাইকেল মধুসূদন দত্ত (২৫ জানুয়ারি, ১৮২৪ – ২৯ জুন, ১৮৭৩) ছিলেন উনিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার। হিন্দু কলেজে পড়াশোনা করার সময় মধুসূদন প্রথম কাব্যচর্চা শুরু করেন। তাঁকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব মনে করা হয়। ঐতিহ্যের অনুবর্তন অগ্রাহ্য করে তিনি কাব্যে নতুন রীতি প্রবর্তন করেন। বাংলা ভাষায় তিনিই অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও চতুর্দশপদী বা সনেটের প্রবর্তক।
View Posts →
1 posts
জন্ম নব্বইয়ের গোড়ায়, বেড়ে ওঠা পুরুলিয়ায়। কলেজ জীবন কেটেছে দুর্গাপুরে। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক। চাকরিসূত্রে কোলকাতার বাসিন্দা আপাতত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - “ফিরে গেছি বারান্দার কাছে” (ধানসিড়ি প্রকাশন, ২০১৭), “ব্যক্তিগত জাদুকরের কাছে” (তৃতীয় পরিসর, ২০২২), “পুরনো হাঁটার মুদ্রা” (মাস্তুল, ২০২৩) এবং “উল ও ম্যাটিনি” (বিদুর, ২০২৫)।
View Posts →
1 posts
শোভাবাজার রাজবাড়ীতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা | জার্নালিজম-এ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর | পেশা ও নেশা লেখা | বিশ্বাস করেন যুক্তির থেকে হৃদয়ের জোর বেশি | তাই লেখার মাধ্যমে হৃদয় ছুঁয়ে যাবার স্বপ্ন দেখেন নিরন্তর |
View Posts →
1 posts
একজন ফুড কলামিস্ট এবং কুকিং এক্সপার্ট | বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় তাঁর রান্না নিয়মিত প্রকাশিত হয় | বিভিন্ন চ্যানেলে রান্নার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও প্রতিযোগিতায় সাফল্য লাভ করে সুনাম অর্জন করেছেন | তাঁর রান্নার প্রণালী সহজ ও অভিনব | সম্প্রতি প্রকাশিত তাঁর রান্নার বই 'রেস্তোরাঁর রান্না বাড়িতেই" বিশেষ ভাবে সমাদৃত হয়েছে |
View Posts →
1 posts
পেশায় ফোটোগ্রাফার। ছক বেঁধে শেখেননি কারও কাছে। তবে বিখ্যাত ফোটোগ্রাফার জ্যোতিষ চক্রবর্তীকে গুরু মানেন। বাবা নিমাই ঘোষ-এর ছত্রচ্ছায়ায় শিখেছেন অনেক কিছু। পেশায় বিজ্ঞাপনের ছবি তুললেও বালবাসের মানুষের ছবি তুলতে আর সেই ছবি দিয়ে মাুষের গল্প বলতে। জগদ্বিখ্যাত ফোটোগ্রাফার অঁরি কার্তিয়ে ব্রেসোঁ-র কাছ থেকে প্রশংসা আদায় করেছেন। পেয়েছেন স্পাইডার ও পিএক্স-৩'এর মতো নামকরা সব পুরস্কার।
View Posts →
1 posts
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করে বিবাহসূত্রে মার্কিনমুলুকে পাড়ি। ৪৬ বছরের প্রবাস জীবনে নানা ভূমিকায় দেখা গেছে ধৃতি বাগচিকে। কখনও তিনি 'মৃত্তিকা'র বাংলা শিক্ষার সঞ্চালক, কখনও বঙ্গ সংস্কৃতি সম্মেলনের সক্রিয় সদস্য, কখনও শিল্পী। দীর্ঘদিন মার্কিন রিয়েল এসটেট শিল্পের সঙ্গেও যুক্ত থেকেছেন।
View Posts →
1 posts
মিতা নাগ বিষ্ণুপুর ঘরানার সেতারবাদক। তিনি পদ্মশ্রী শ্রী মণিলাল নাগের সুযোগ্য উত্তরাধিকার এবং পেশায় শিক্ষিকা। দেশে বিদেশে অসংখ্য অনুষ্ঠানে মিতা বাবার সঙ্গে এবং একক সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। নতুন প্রজন্মের সেতারীদের মধ্যে তাঁর বাজনা সমাদৃত।
View Posts →
1 posts
নন্দিনী দেব বউরানি শোভাবাজার রাজবাড়ির বউ। এবং তিনি রন্ধনশিল্পী। রাজবাড়িতে বিয়ে হয়ে এসে পর্যন্ত তিনি শিখেছেন এ বাড়ির বনেদি প্রচলিত রান্নাসমূহ। তার পাশাপাশি নিজেও রান্না নিয়ে করে চলেছেন নিরন্তর নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তাঁর রন্ধনপ্রণালীর কৌশল হাতেকলমে শিখতে বহুবার এসেছেন নামীদামি রেস্তরাঁর শেফেরা। বহু পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তাঁর রান্না ও খাওয়াদাওয়া সংক্রান্ত বহু লেখা।
View Posts →
1 posts
পেশায় দন্তচিকিৎসক।
View Posts →
1 posts
বারিদবরণ ঘোষ একজন খ্যাতনামা লেখক ও সম্পাদক। তাঁর লেখা বইয়ের সংখ্যা প্রায় ৫০; সম্পাদনা করেছেন ৯০-এর ওপর বই। শ্রীগোপাল ব্যানার্জী কলেজ ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করে অবসর নিয়েছেন।
View Posts →
1 posts
সুমন ভট্টাচার্য জন্ম, ১৯৬৯ সালে। পেশায় বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। মূলত কবি। জাতিবর্ণ-আন্দোলন ও বাংলা সাময়িকী বিষয়ে গবেষণা-উপাধি। এছাড়া গবেষণা করেছেন এবং করছেন দেশভাগ ও তার জাতিবর্ণ প্রেক্ষিত বিষয়ে। কার্টুন, সচিত্রণ, গ্রন্থচিত্রণ প্রভৃতি বিষয়েও বহু প্রবন্ধ আছে। প্রকাশিত বই: লে লে বাবু ছ'আনা (কবিতা), দশকুমারচরিত, গাথাসপ্তসতী (উপন্যাস), বই-শাখ হে (রম্যরচনা)
View Posts →
1 posts
বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রাণপুরুষ। ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্ম। বাঙালির কাছে আজও তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ বা ‘নির্জনতম কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত হন। তাঁর কবিতায় নিসর্গ প্রীতি, বিষণ্ণতা এবং আধুনিক নাগরিক জীবনের বিপন্নতা এক অনন্য রূপ পেয়েছে। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'বনলতা সেন', 'ধূসর পাণ্ডুলিপি', 'ঝরা পালক', 'মহাপৃথিবী'। দারিদ্র ছিল নিত্যসঙ্গী। জীবদ্দশায় কিছুটা অবহেলার শিকারও ছিলেন এই প্রতিভা।
View Posts →
1 posts
সার্থকের পেশা অধ্যাপনা, নেশা বিবিধ। কবিতা লেখেন, হাফ গেরস্ত, রাজনীতি করেন না, স্বেচ্ছানির্বাসিত স্বঘোষিত দার্শনিক, একটি নতুন জলপ্রপাত আবিষ্কার করতে চান। প্রকাশিত বই অন্ধকারের অনুবাদ, কলকাতা প্রকাশনী (২০০০), বিপজ্জনক ঘড়ি, দূরত্ব প্রকাশন (২০১৭), আত্মার আশ্চর্য সেল্ফি, গুরুচন্ডালী (২০১৭)
View Posts →
1 posts
পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বিভিন্ন সংবাদপত্রে এবং পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করেন। প্রকাশিত উপন্যাসের নাম খেরোবাসনা, মহেঞ্জোদারো, দিনগুলি রাতগুলি, খান্ডবদাহন, ন্যানোপুরাণ।
View Posts →
1 posts
আসল নাম সমপূরণ সিং কালরা আর কেউ মনে রাখেনি। ছদ্মনাম গুলজারই পরিচয়। কারণ এ নাম নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। কবি, সাহিত্যিক, চিত্রনাট্যকার, চিত্রপরিচালক এবং মেধাজীবী হিসেবে বিশ্ববন্দিত। গ্র্যামি থেকে অস্কার - পুরস্কারের তালিকায় রয়েছে সবই। জন্মসূত্রে অবাঙালি হলেও হৃদয়ে, মননে, লেখনে আদ্যন্ত বাঙালি। রবীন্দ্রনাথ কণ্ঠস্থ। বইয়ের সংখ্যা অজস্র। পরিচালিত বিখ্যাত সিনেমা - পরিচয়, খুশবু, মৌসম, আঁধি, মীরা, ইজাজত, কোশিশ, লেকিন-সহ অসংখ্য।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৮৫। গল্প লেখার চেষ্টা করেন। কবিতা লিখতে পারেন না একদম, তাই কবিদের প্রতি সম্ভ্রম নিয়ে দূরে-দূরে থাকেন। প্রকাশিত গল্প সংকলনের সংখ্যা দুই, উপন্যাসের সংখ্যা এক।
View Posts →
1 posts
ড: ঝুমা সান্যাল দক্ষিণ কলকাতার উইমেন্স ক্রীশ্চান কলেজে ইতিহাসের অধ্যাপিকা ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন বহু বছর। বর্তমানে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের ইতিহাস বিভাগের সঙ্গে যুক্ত। অবসরের অবকাশে নানা বিষয়ে পড়াশুনা ও লেখালেখির চর্চা করতে ভালো লাগে। সাহিত্য, সঙ্গীত ও সিনেমার একান্ত অনুরাগী। ভাল লাগে পথপশুদের দেখাশোনা করতে।
View Posts →
1 posts
আট বছরের উৎসা ঝলমলে এক গানপাগলা কুচো। নিজের দুনিয়ায় থাকতে আর অগুন্তি আজগুবি প্রশ্ন করে চারপাশে সকলকে ব্যতিব্যস্ত করতে দারুণ ভালোবাসে। কিন্তু তার কিচ্ছুটি খেতে ভালো লাগে না, এই হল মায়ের সমস্যা। কাঁড়ি কাঁড়ি গল্পের বইতেই পেট ভরে যায়। আপাতত ফ্রিডা কাহলো, রোজ়া পার্কস আর হ্যারি পটার নিয়ে ব্যস্ততার চোটে ইস্কুলের পড়াশুনো মাথায়।
View Posts →
1 posts
সাম্য সেনগুপ্ত পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, নেশা ফটোগ্রাফি। বহুজাতিক সংস্থার চাকরি ছেড়ে নিজের ব্যবসা শুরু করেছেন অনেকদিন হল। উত্তর কলকাতায় বেড়ে ওঠা সাম্য বরাবরই অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় এবং খাদ্যরসিক। পৃথিবীর নানান দেশের খাবার চেখে দেখতে ভালোবাসেন। অতল সমুদ্রের গভীরে ডুব দিয়ে ক্যামেরাবন্দি করেন ছবি। দেশের অন্যতম সফল আন্ডারওয়াটার ফোটোগ্রাফার তিনি।
View Posts →
1 posts
দিল্লির বাসিন্দা তৃণাংকুর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৮০ সালে। আদি বাড়ি ব্যারাকপুরে। পেশা এবং নেশায় শিল্পী তথা গ্রাফিক ডিজাইনার তৃণাঙ্কুর একটি পারিবারিক সাহিত্যিক ঐতিহ্য বহন করে চলেছেন নিজের নামের সঙ্গে। তিনি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৌত্র, তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র। এই ঐতিহ্য এবং স্মৃতিরক্ষায় সক্রিয় তৃণাংকুর একাধিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে একসময় কাজ করেছেন কলকাতা ও দিল্লির একাধিক নামী সংবাদপত্রে। বর্তমানে স্বাধীনভাবে কাজ করেন। নেশা বই পড়া ও দেশবিদেশ ঘুরে বেড়ানো।
View Posts →
1 posts
লেখক ব্রতীন দে পড়াশোনা করেছেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দির, পাঠভবন, শান্তিনিকেতন, বিদ্যাভবন, বিশ্বভারতীতে। অধ্যাপনা দিয়ে কর্মজীবন শুরু। কাজ করেছেন বেঙ্গল ইন্সটিটিউট অফ টেলনোলজি ও ম্যানেজমেন্ট, শ্রীনিকেতন, ইন্সটিটিউট অফ এডভান্স ম্যানেজমেন্ট, কলকাতা, ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট, কলকাতা, পূর্ণিদেবী চৌধুরী মহিলা মহাবিদ্যালয়। ২০০৬ থেকে শিক্ষা মন্ত্রকের অধীনস্ত ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট ইন্ডিয়ার বাংলা সম্পাদক। প্রকাশিত বই ও অনুদিত বই-এর সংখ্যা অর্ধশতাধিক।
View Posts →
1 posts
প্রগতি বৈরাগী একতারা পেশায় এবং প্রশিক্ষণে ফ্যাশন ডিজাইনার। বর্তমানে হায়দ্রাবাদের একটি কলেজে ফ্যাশন ডিজাইনের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত। এছাড়া ফ্রিল্যান্স স্টাইলিং করেন, ফ্যাশন কলাম লেখেন। ছবি আঁকেন, নিবিড়তা খুঁজে পান বাউল জীবন এবং বৈষ্ণব সাহিত্যে। প্রগতির অকাট্য উষ্ণতা সমুদ্র, সূর্যাস্ত, ফিনিক্স এবং ফ্রিডা কাহলোর প্রতি।
View Posts →
1 posts
অবসরপ্রাপ্ত রসায়নবিদ, ভ্রামণিক ও পর্বতপদযাত্রী। ট্রাভেল রাইটার্স ফোরামের সদস্য।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৭৬, কলকাতা। পড়াশোনা হেয়ার স্কুল যাদবপুর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তুলনামূলক সাহিত্য ও বাংলা সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন। পেশা ভাষাসাহিত্যের শিক্ষকতা। গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। ল্য পেতি প্যঁস বা লিটল প্রিন্সের অনুবাদ মহাশ্বেতা দেবী সম্পাদিত বর্তিকা পত্রিকায়, এবং পরে পরবর্তীকালে পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়। স্নাতক স্তরের ছাত্রাবস্থায় প্রমা পত্রিকায় গদ্য লেখা শুরু। এখন পরিচয়, অনুষ্টুপ, অনীক, নন্দন, কথা সোপান, আজকাল, এইসময়, সংবাদ প্রতিদিন পত্রিকায় লেখেন। প্রকাশিত গ্রন্থ ছোট্ট রাজকুমার (অনুবাদ, ২০১৫); এছাড়া তিনটি গল্প সংকলন প্রকাশিত, কৃষ্ণগহ্বরের স্মৃতিফলকেরা (২০১৬), বাংলার ত্রস্ত নীলিমায় (২০১৯), সুরবালা ও সোয়ান লেক (২০২২), অলিভের রক্ত - আক্রান্ত ফিলাস্তিন : আজকের কবিতা (২০২৪) বিভিন্ন পত্রিকায় ভারতীয় ও বিদেশি গল্প ও কবিতা অনুবাদ করেছেন।
View Posts →
1 posts
সুকুমার রায় ছিলেন একজন বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে "ননসেন্স ছড়া"র প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক।
View Posts →
1 posts
পেশায় সাংবাদিক। প্রায় চার দশক ধরে সাংবাদিকতা করছেন। আজকাল, আনন্দবাজার, বর্তমান পত্রিকায় কাজ করেছেন বিভিন্ন সময়ে। কাজ করেছেন ইটিভি বাংলা, আকাশ বাংলা, মহুয়া বাংলা, এবং কলকাতা টিভি চ্যানেলে। উল্লেখযোগ্য বই রাজনৈতিক ব্যঙ্গ রচনার সংকলন 'রাজনীতি-টাজনীতি ১' ও 'রাজনীতি-টাজনীতি ২'। সম্পাদিত বই 'শিল্পায়ন-তর্ক ও তথ্য', 'লালগড়— মতামত ও তথ্যের পূর্ণাঙ্গ দলিল', 'সাংবাদিকের চোখে জ্যোতি বসু', 'আলোকচিত্রীর চোখে সাংবাদিকের কলমে মমতা'।
View Posts →
1 posts
জলদ গুপ্ত লেখেন না, ভাবেন। নিজেকে মনে করেন মুদির দোকানের মালিক। কোথায় কোন মশলা আছে শুধু সেটুকুই উনি জানেন, খদ্দেরের চাহিদা অনুযায়ী কাগজে মুড়ে দিয়ে দেন...ব্যস। সিধুজ্যাঠার মত অনেক কিছু করার ক্ষমতা থাকলেও অন্যদের অসুবিধা হবে বলে কিছুই করেন নি। কবিতা, নাটক লিখতে পছন্দ করেন আর পাগলের মত পছন্দ করেন সঙ্গীত। পাহাড়ি জঙ্গলের টিলায় বসে হেঁড়ে গলায় গান আর দিনে ১৫ কাপ চায়ের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত। আদিখ্যেতাকে ঘেন্না করেন, তর্ক করতে ভালোবাসেন। এমন এক পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেন যেখানে কোন লেখক থাকবে না।
View Posts →
1 posts
বনানী মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৪২ সালে বাগবাজারে। বিশিষ্ট নাট্যকার বিধায়ক ভট্টাচার্যের কন্যা। আশৈশব নাটকের আবহে মানুষ। বাবার নাট্যগােষ্ঠী ‘একত্রিকা’-তে নিয়মিত অভিনয়। কলেজে পড়াকালীন তৃপ্তি মিত্র ‘বহুরূপী’-তে নিয়ে যান কাঞ্চনরঙ্গ’-তে অভিনয় করার জন্য। তারপর থেকে অসংখ্য পেশাদার নাটকে অভিনয়। নিজেও নাট্যকার। বেতারের দুনিয়ায় শ্রুতিনাট্যকার হিসেবে বিপুল খ্যাতি। বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী। তবে কলম এখনও চলছে পুরোদমে। তাঁর শ্রুতিনাটকের সংকলন বই হয়েও বেরিয়েছে।
View Posts →
1 posts
বিদিতা ভট্টাচার্য্য চক্রবর্ত্তী উত্তর আমেরিকার নিউজার্সি নিবাসী। অনেক বছর ধরে বাচিকশিল্পী, আবৃত্তিকার ও সঞ্চালিকা হিসেবে দেশে ও বিদেশে কাজ করছেন। সঙ্গে একটু আধটু লেখালিখি। যাপন কবিতা, তুলি ও কলম। দীর্ঘ ১৫ বছর বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি বিদিতার অনুরাগ সাহিত্য। আর বিশ্বাস কলমের ঠোঁটে মিথ্যে রাখা নেই।
View Posts →
1 posts
রাজেশ ধরের জন্ম ১৯৭১ সালে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। পেশায় স্কুলশিক্ষক। গল্প লেখার শুরু কৈশোর থেকে। এপার ও ওপার বাংলার বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও ওয়েব ম্যাগাজিনে বহু গল্প প্রকাশিত। গল্পের জন্য 'ইচ্ছেকথা ২০১৮' সম্মান পেয়েছেন। গল্পে বাস্তবের পর্দা পেরিয়ে আর এক জীবনের খোঁজ... এইই একমাত্র নেশা।
View Posts →
1 posts
রায়না ঘোষ, দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর দি স্টাডি অফ রিজিওনাল ডেভলপমেন্ট- এ ভূগোলের গবেষক। পড়াশোনার ফাঁকে বেড়ানো ও ফটোগ্রাফি তার প্যাশন।
View Posts →
1 posts
শুভ্রর জন্ম ১৯৯৬ সালে। মাত্র পঁচিশটি বসন্ত পার করেছেন জীবনে, কিন্তু তুলিটি তাঁর পাকা। বাড়ি বসিরহাটে। বর্তমানে ছাত্র। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাপাই চিত্র বিভাগে স্নাতকোত্তর পাঠরত। ছবি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে ভালবাসেন। অবসর সময়ে শখ গান করা, গিটার বাজানো, কবিতা আর গান লেখা।
View Posts →
1 posts
মৃন্ময় প্রামাণিক কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় অনুবাদ তত্ত্ব, দলিত সাহিত্য, মাইগ্রেশন, বিশ্বসাহিত্য, ভারতীয় আখ্যান ও সাহিত্যতত্ত্ব। বিখ্যাত মরাঠী দলিত সাহিত্যিক শরণকুমার লিম্বালের বাংলা ভাষায় প্রথম অনুবাদক। তাঁর দলিত সাহিত্যাচে সৌন্দর্য শাস্ত্র, তিনি বাংলায় দলিত নন্দনতত্ত্ব শিরোনামে অনুবাদ করেছেন। দেশ-বিদেশে বহু প্রতিষ্ঠানে গবেষণায় যুক্ত মৃন্ময় একাধিক দেশি-বিদেশি ফেলোশিপ পেয়েছেন। একাধিক বই ও পত্রিকা সম্পাদনার কাজে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
সাহানা ভুঁইয়ার জন্ম, বেড়ে ওঠা কলকাতায়। প্রেসিডেন্সির প্রাক্তনী। তবে দীর্ঘদিন আমেরিকা প্রবাসী। বাংলা না ভুললেও বানানে সমস্যা হয়। প্রিয় শখ শুধু ফুলের বাগান করা আর দেশবিদেশ ঘুরে বেড়ানো। ছোটবেলা থেকে ফুটবলের অন্ধ ভক্ত। বার্সেলোনার মাঠে গিয়ে মেসির ফ্রি কিকে গোল দেখা এ যাবৎ জীবনের সেরা পাওনা।
View Posts →
1 posts
মৌলির ইন্সটাগ্রাম বায়োতে লেখা আছে 'জ‍্যাক অফ অল ট্রেডস'! তা বটে। লেখালেখি থেকে শ‍্যুটিং ফ্লোর, এ মেয়ে থাকলে উদ্ধার হয়ে যাবে সবই! সদ‍্য সদ‍্য গোটা দেশ থেকে নির্বাচিত সেরা ৭৫ যুবলেখকদের মধ‍্যে একজন হয়েছে মৌলি। বাংলা নাটকের মঞ্চের খুব সিরিয়াস অভিনেতা। সুযোগ পেলে অডিও ভিস‍্যুয়ালে অভিনয় করতেও ছাড়ে না। বাংলা লাইভের যাবতীয় দায়িত্ব সামলে অভিনয়ের জন‍্য সময় বাঁচায় মৌলি।
View Posts →
1 posts
সুমন সরকারের জন্ম ১৯৮৭ সালে চন্দননগরে। ছোটবেলায় বাংলা পড়তে খুব একটা ভালো না লাগলেও বড় বয়সে সেই বাংলা ভাষায় লেখালিখি শুরু। পড়াশুনা স্ট্যাটিসটিক্স নিয়ে, পেশা অধ্যাপনা। শখ লেখালিখি, গিটার বাজানো, আড্ডা দেওয়া। প্রকাশিত বই "ফাজিলের স্মৃতিকথা", "কেস খাওয়ার কিসসা" ইত্যাদি।
View Posts →
1 posts
বাংলা কিশোর সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত জাদুকর। ১৮৮৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর কলকাতায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম। প্রথাগত শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়স থেকেই সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ। অ্যাডভেঞ্চার, গোয়েন্দা এবং ভৌতিক গল্পের ধারাকে জনপ্রিয় করে তোলার মূল কারিগর তিনি। তাঁর সৃষ্ট গোয়েন্দা জুটি জয়ন্ত-মানিক এবং দুঃসাহসী যুগল বিমল-কুমার আজও বাঙালি পাঠকদের হৃদয়ে অমর। 'যক্ষ্মের ধন', 'আবার যক্ষ্মের ধন', 'সোনার পাহাড়ের যাত্রী' এবং 'মেঘদূতের মর্ত্যে আগমন' তাঁর লেখা অন্যতম কালজয়ী উপন্যাস।
View Posts →
1 posts
অনুপম রায় পূর্বজন্মে মুকুল নয়, ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার। এখন প্রধান পরিচয় গায়ক। সঙ্গে গীতিকার এবং সুরকারও বটেন। তবে তাঁর সৃষ্টির বিস্তৃতি কেবল সংগীতের দুনিয়ায় থেমে থাকেনি। তিনি সমান দক্ষতায় গদ্য ও পদ্য লিখে যেতে পারেন। ভবিষ্যতে আঁকাআঁকির ইচ্ছেও আছে।
View Posts →
1 posts
সুমনের জন্ম, বেড়ে ওঠা বর্ধমানে। গ্রাম্য পরিবেশের প্রতি তাই অকপট ভালোবাসা। বোলপুর কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। পেশা সাংবাদিকতা। নেশা লেখালিখি। বহু পত্রপত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে। লিখতে ভালোবাসেন রম্যরচনা ও ছোটগল্প।
View Posts →
1 posts
পেশায় পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক, নেশায় পল্লবগ্রাহী। জন্ম ও স্কুল কলেজ স্তরের শিক্ষা কলকাতায়। পরবর্তী শিক্ষা/গবেষণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। কাজের ছুতোয় যত্রতত্র ঘোরার বদভ্যাস আছে। লেখার বিষয়ের কোনও স্থায়ী পছন্দ নেই। অবসরে কবিতা সম্পাদনা করেন। প্রকাশিত বই "কাশ্মীরঃ রাজনৈতিক অস্থিরতা, গণতন্ত্র ও জনমত"।
View Posts →
1 posts
সাহানা নাগ চৌধুরী দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। তিন দশকের কিছু বেশি সময় তিনি বর্তমান সংবাদপত্রে কর্মরত থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। কর্মসূত্রে বরুণ সেনগুপ্ত ও পারিবারিক সূত্রে গৌরকিশোর ঘোষের মতো প্রবাদপ্রতীম সাংবাদিকদের আশীর্বাদধন্য সাহানা বই পড়ে ও পছন্দের বিষয়ে লেখালেখি করে অবসর জীবন অতিবাহিত করেন।
View Posts →
1 posts
গৌতম ভরদ্বাজের ছাত্রজীবন থেকে কবিতাচর্চার শুরু। বর্তমানে রাজ্য পুলিশের অফিসার। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৫ এবং ২০১৮-তে দু'বার রাষ্ট্রপতি পদক পান। কবিতা আজও তাঁর প্রথম প্রেম। ২০০৩ বইমেলায় মডেল পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ "তুমিই সম্রাজ্ঞী পাপ ও ঈশ্বরী।" ২০১৬, ২০১৮ এবং ২০২০ সালের বইমেলায় সিগনেট প্রেস থেকে প্রকাশ পায় তিনটি কাব্যগ্রন্থ যথাক্রমে " জলরং মায়ার তালুক", "নিজস্বী উজাড়া শেষ রাত" ও "স্বপ্নাবেশ ও আত্মদ্রোহী অনর্গল ঘরোয়া ঈশ্বর।" তাছাড়া ২০১৯ বইমেলায় প্রতিভাস থেকে প্রকাশিত হয় আর একটি কাব্যগ্রন্থ "অন্য পদ্যকথা।"
View Posts →
1 posts
মেঘনা রায় সবুজ শহর কল্যাণীর বাসিন্দা। ২০০৩ সালে পিন্ডারি হিমবাহ দিয়ে ট্রেকিংয়ের হাতেখড়ি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রমণ ছাড়াও বেশ কিছু বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতা রয়েছে সঞ্চয়ের ঝুলিতে। জীবনের প্রথম প্যাশন নাচ এবং দ্বিতীয় ভ্রমণ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর। ২০১৭ সালে কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে প্রথম কাব্যগ্রন্থ"অমলতাস।"
View Posts →
1 posts
কৃষ্ণ রাস্না ঘোষের বড় হওয়া শোভাবাজার রাজবাড়ির সাংস্কৃতিক ও সাঙ্গীতিক পরিবেশে। বর্তমানে আদ্যন্ত হোমমেকার রাস্না কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী ছিলেন। কলকাতা সুচেতনা নামে একটি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে সুন্দরবনের দুঃস্থ মানুষদের নিয়ে কাজ করেন।
View Posts →
1 posts
অদিতি ভট্টাচার্যের পড়াশোনা সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে। কর্মসূত্রে বিদেশেও থেকেছেন। বই পড়া, লেখালিখি, এমব্রয়ডারি, বেড়ানো, ছবি তোলা– পছন্দের তালিকায় রয়েছে এসবই। ছোটবড়ো সবার জন্যেই লিখে চলেছেন নিয়মিত। গল্প প্রকাশিত হয়েছে দেশ, আনন্দমেলা, সানন্দা, উনিশ কুড়ি, সাপ্তাহিক বর্তমান, কিশোর ভারতী, চির সবুজ লেখা ইত্যাদি নানা পত্রিকায় এবং ওয়েবজিনেও। এযাবৎ প্রকাশিত গল্পসংকলন তিনটি। ‘চাঁদ উঠেছিল আকাশে’ নামে উপন্যাস লিখেছেন। প্রকাশিত হয়েছে ‘সর্দার’ নামে একটি অনুবাদগ্রন্থও।
View Posts →
1 posts
দিল্লি নিবাসী। মূলত অনুবাদ কর্মী। হিন্দি-ইংরাজি-বাংলা তিন ভাষাতেই পারস্পরিক অনুবাদ করেন। শিল্পের অন‍্যান‍্য মাধ‍্যম সম্পর্কেও উৎসাহী। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় হিন্দি, বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় নিয়মিত।
View Posts →
1 posts
পরিসংখ্যানবিদ, গবেষক, কবি ও নাট্যকর্মী।
View Posts →
1 posts
জন্ম এবং স্কুলজীবন রিষড়ায়। পড়াশুনো রিষড়া হাইস্কুল, শ্রীরামপুর কলেজ এবং নেদারল্যান্ডস-এর এডা ইউনিভার্সিটি অফ অ্যাপ্লায়েড সায়ান্সেস-এ। পড়াশোনা, গবেষণার জন্য একাধিক ফেলোশিপ প্রাপ্তি। আড়াই দশকের সাংবাদিকতায় কাজ করেছেন ‘এই সময়’, ‘এবিপি আনন্দ’, ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ। বর্তমানে উদ্বোধন এবং সেন্টার ফর ইন্ডোলজিক্যাল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ-এর সঙ্গে যুক্ত। নেশা দেশ দেখা, ছবি তোলা এবং বই সংগ্রহ।
View Posts →
1 posts
ড. অপূর্ব ঘোষ প্রখ্যাত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ। ইনস্টিটিউট অব চাইল হেলথ-এর অধিকর্তা। সম্প্রতি মৃণালিনী ক্য়ান্সার সেন্টার তৈরি করেছেন শিশুদের ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য। বহু সামাজিক কর্মে নিযুক্ত রাখেন নিজেকে। সাহিত্য ভালবাসেন, তবে মনীষীদের জীবন তাঁকে বিশেষ উদ্বুদ্ধ করে।
View Posts →
1 posts
সামীউর রহমানের জন্ম সিলেটে। কর্মসূত্রে রয়েছেন ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। বর্তমানে ঢাকার দ্য নিউ এজ সংবাদপত্রে ক্রীড়াসাংবাদিক। এছাড়া ক্যানভাস ম্যাগাজিনে নিয়মিত রসনা-লিখন করেন।
View Posts →
1 posts
সুকুমার সমাজপতি কলকাতা ময়দানের প্রখ্যাত ফুটবলার। ১৯৫৫-তে ইয়ং বেঙ্গলে ক্রীড়াজীবন শুরু। ১৯৫৯-তে যোগ দেন এরিয়ানসে। ১৯৬০-এ এক বছরের জন্য মোহনবাগানে। ৬১ থেকে পাকাপাকি ভাবে ইস্টবেঙ্গলে। ওই বছরই ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন মারডেকা কাপে। এরপর রাজ্য এবং দেশের হয়ে বহুবার খেলেছেন যার মধ্যে রয়েছে ১৯৬৪ সালের প্রি অলিম্পিক। ১৯৬৮ সালে পায়ে আঘাতের কারণে অবসর নিতে বাধ্য হন। পারিবারিক সূত্রে সঙ্গীতের নেশা ছিল গোড়া থেকেই। অবসরের পর থেকে সঙ্গীতের জগতেই বিচরণ। তালিম নিয়েছেন মানস চক্রবর্তীর কাছে। বেতারে ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার হিসেবে দীর্ঘদিন সফলভাবে কাজ করেছেন।
View Posts →
1 posts
নীরাজনা দোলনা ডে স্কুলে ক্লাস ওয়ানে পড়ে। জগৎসংসার বিষয়ে অসীম কৌতূহল। কথা বলতে খুব ভালো লাগে তার। আর ভালো লাগে সিনেমা দেখতে, কমিক্স আঁকতে, গান গাইতে আর ঘুমোতে। নীরাজনার প্রিয় খাবার শসা, মাখন, বিটনুন আর পিৎজা। বড় হয়ে নীরাজনা মহাকাশচারী হতে চায়।
View Posts →
1 posts
লেখক, কবি ও প্রাবন্ধিক। 'অনুষ্টুপ' পত্রিকা ও প্রকাশনা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। পেশাগতভাবে ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক।
View Posts →
1 posts
অর্মিতার দুটো ডাকনাম। শাখি আর পান্তু। মা পান্তু বলে ডাকে। দোলনা ডে স্কুলে ক্লাস ওয়ানে পড়ে। ছবি আঁকতে, কার্টুন দেখতে আর রূপকথার গল্প শুনতে খুব ভালোবাসে। পুতুলের সংসারের কাজ সারতেই তার দিন কেটে যায়! খেতে খুব ভালবাসে অর্মিতা। চাইনিজ, পোলাও, বিরিয়ানি হোক বা আলুসেদ্ধ ভাত! আর ভালবাসে মিষ্টি! মাঝে মাঝে ওর ইচ্ছে করে মিষ্টির দোকানের মাছি হলে বেশ হত! তবে আসলে মায়ের মতো পড়াতে চায় অর্মিতা।
View Posts →
1 posts
সন্দীপ দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতোকত্তর ও বিএড করে সিটি কলেজ স্কুলে শিক্ষকতা করে অবসর নিয়েছেন। ১৯৭৮ সালে তিনি লিটল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন।
View Posts →
1 posts
প্রজনন বিষয়ক মেডিসিন স্পেশালিস্ট।
View Posts →
1 posts
শুভময় রায়ের জন্ম নব্বইয়ের দশকে উত্তরবঙ্গে। বেড়ে ওঠা কোচবিহার জেলার মেখলীগঞ্জে। সেখানেই কেটেছে স্কুলজীবন। কলেজ জীবনে শান্তিনিকেতনে পড়তে আসা সাঁওতালি ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে। বর্তমানে একটি সাঁওতালি মাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি স্বাধীনভাবে লেখালিখি ও গবেষণার কাজ করেন। আগ্রহের বিষয়: সাঁওতাল জনজীবন, রবীন্দ্রনাথ ও শান্তিনিকেতন-শ্রীনিকেতন, গ্রামীণ সংস্কৃতি।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৫২ সালে‚ কলকাতায় | বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম এ | কর্মজীবন শুরু দেশলাই-এর সেলসম্যান হিসেবে | দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন আকাশবাণীর সঙ্গে | 'হলদে গোলাপ' উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন ১৪২১ সালের আনন্দ পুরস্কার |
View Posts →
1 posts
কৃষ্ণেন্দু মাঝে মাঝেই হিমালয়ের কোলে গগলস চোখে ধ্যানস্থ হন। কিন্তু গড়িয়াহাটার মোড় আর কচুরি মিস করেন বলে প্রেমিকাদের তাড়নায় সমতলে ফিরতে হয়। শখের সিনেমা বানানো ছাড়া বই পড়া এবং লেখালিখি নিয়ে বেঁচে রয়েছেন। বাড়িতে বছর দু'য়েকের এক অরণ্যদেব রয়েছেন৷ আপাতত তার দুষ্টুমিতে বুঁদ হয়ে মজাসে দিন কাটাচ্ছেন।
View Posts →
1 posts
পেশায় কোন্নগর মিউনিসিপ্যালিটির কর্মী, নেশায় কবি। লিখে ফেলেছেন বেশ কটি কবিতার বই। অত্যন্ত সুবক্তা এই কবি পরিচিত মহলে দারুণ জনপ্রিয়।
View Posts →
1 posts
শিল্পী নির্মলেন্দু মণ্ডলের জন্ম ১৯৫৪ সালে। হেয়ার স্কুল থেকে পাশ করে গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজ থেকে স্নাতক। কর্মরত ছিলেন আনন্দবাজার পত্রিকার শিল্পী ও সহকারী শিল্প নির্দেশকের পদে। লীলা মজুমদার থেকে শুরু করে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, এমন অজস্র কিংবদন্তী কবি সাহিত্যিকদের বইয়ে শিল্প নির্দেশনা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
View Posts →
1 posts
লীনা চাকী সুপরিচিত লোকসংস্কৃতি গবেষক ও লেখিকা। "বাউলের চরণদাসী", "বাংলার বাউলানি", "মৃত্তিকার গান", "মহাকুম্ভে সাধুসঙ্গে" প্রভৃতি বহু বইয়ের রচয়িতা৷ একদা সাংবাদিকতাও করেছেন।
View Posts →
1 posts
কবি ও প্রাবন্ধিক। ইংরেজি ভাষা-সাহিত্যে স্নাতক। পেশা বিদ্যালয় শিক্ষকতা। বিতর্ক, ঘুরে বেড়ানো, ঘুমোনো, নৌকো বাওয়া আর রান্না করা খুবই প্ৰিয়।
View Posts →
1 posts
রবীন চক্রবর্তী পেশায় ডাক্তার। স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। ইংল্যান্ডে ছিলেন বহুদিন। কর্মসূত্রে প্রায়ই ইউরোপ, আমেরিকা, জাপান, কোরিয়াতে যাতায়াত। হার্ট স্পেশালিষ্ট হিসেবে রবীন চক্রবর্তীর অবস্থান আন্তর্জাতিক স্তরে। দ্য বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স ও ইন্ডাস্ট্রির হেলথ কমিটির অ্যাডভাইসার। ইন্ডিয়ান কলেজ অফ কার্ডিওলজির পাস্ট প্রেসিডেন্ট। দুটি মেডিক্যাল জার্নাল এবং একটি বাংলা সাহিত্য ম্যাগাজিনের সম্পাদক কমিটির সদস্য। গ্লাসগো রয়াল কলেজ অফ ফিজিসিয়ানের আন্তর্জাতিক সদস্য। দিল্লির ন্যাশনাল বোর্ড হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষক। প্রথমজীবনে একটু আধটু সাহিত্য চর্চা করতেন। নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের স্নেহ এবং আশীর্বাদ পেয়েছেন। মানুষ হিসেবে রবীন চক্রবর্তী বড় অনুভবী। সেই অনুভবের তাগিদে সৃষ্টি হয় তাঁর কবিতা, ছোট গল্প, নিবন্ধ। ভালবাসেন ফুটবল, ক্রিকেট। পড়েন নানারকম বই আর আছে অনুভবী রচনার স্বচ্ছন্দ কলমচর্চা। এছাড়া আছে চিকিৎসাশাস্ত্র বিষয়ক লেখালেখি। স্ত্রী ক্যান্সার বিশষজ্ঞ। ২০০৩-এ রবীন চক্রবর্তী রাষ্ট্রীয় রত্ন শিরোমণি পুরস্কারে ভূষিত হন এবং পরবর্তী বছর ডাঃ চক্রবর্তী চিকিৎসাশাস্ত্র এবং স্বাস্থ্য বিজ্ঞানে ম্যান অফ দি ইয়ার স্বীকৃতি লাভ করে স্বর্ণ পদক অর্জন করেন। ২০২১ -এ আইএমএ কার্ডিওলজি এক্সলেন্স অ্যাওয়ার্ড এবং ২০২২-এ ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন লিগ রবীনকে শ্রেষ্ট ক্লিনিকাল হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। সম্প্রতি বং সিনেমাটিক সংগঠন তাঁকে বঙ্গ কৃতিত্ব সম্মানে ভূষিত করেছেন।
View Posts →
1 posts
অরুন্ধতী দাশ। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের অধ্যাপক। গবেষণার বিষয় মনোভাষাবিজ্ঞান। লেখালিখি করেন মূলত ভাষা, নারীবাদ আর সাহিত্য নিয়ে।
View Posts →
1 posts
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী একাধারে সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। বাংলা সাহিত্য়ের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ-এর আবিষ্কর্তা তিনি। জন্ম বাংলাদেশের খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে। আদিনিবাস নৈহাটিতে। সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুল ও প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা। অধ্যাপনা করেন সংস্কৃত কলেজে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধানের পদও সামলেছেন বহুদিন। তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থের তালিকায় রয়েছে বাল্মীকির জয়, মেঘদূত ব্যাখ্যা, বেণের মেয়ে।
View Posts →
1 posts
ইন্দ্রাশিস আচার্য একজন বহু গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারপ্রাপ্ত সংবেদনশীল চলচ্চিত্র নির্মাতা, যিনি মানুষের সম্পর্ক, নিঃসঙ্গতা ও অন্তর্লোককে গভীরভাবে তুলে ধরেন পর্দায়। বিলু রাক্ষস, পিউপা, পার্সেল, নীহারিকা একই সাথে তিনি কর্পোরেট দুনিয়ায় কর্মরত, যেখানে পেশাগত শৃঙ্খলা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা তাঁর সৃজনশীল ভাবনাকে আরও সমৃদ্ধ করে।
View Posts →
1 posts
দেবাশিস মুখোপাধ্যায় পেশায় গ্রন্থাগারিক হলেও পরিচয়ে গবেষক, লেখক ও সত্যজিৎ রায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে খ্যাত। পড়েন বেশি, লেখেন কম। তবুও এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে 'সত্যজিৎ রায়ঃ তথ্যপঞ্জি', 'খাই কিন্তু জানি কি?', 'বাংলার খাবার বাঙালির খাবার', 'আট দেশ সাত কুঠি', 'দেমু'র নানারকম', চার খণ্ডে 'মহাজীবন' ইত্যাদি। সম্পাদিত বইয়ের মধ্যে অন্যতম 'পথের পাঁচালী: সৃজনের দুই মুখ সত্যজিৎ ও বিভূতিভূষণ', 'চিরকালের সেরা: সুকুমার রায়।' সত্যজিৎ রায়ের প্রবন্ধ সঙ্কলনের বেশ কয়েকটি গ্রন্থের সহায়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। 'দেমু' নামে সমধিক পরিচিত দেবাশিস বক্তা হিসেবেও ইদানিং সুনাম অর্জন করেছেন।
View Posts →
1 posts
কলকাতা বেতারে যোগ দেন ১৯৬৫তে। তারও আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালীনই আকাশবাণীর তালিকাভুক্ত গীতিকার। বেতারের কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে 'সবিনয়ে নিবেদন'-এর উত্তরদাতা, 'গল্পদাদুর আসর'-এর পরিচালক এবং এফএম তরঙ্গের উপস্থাপক হিসেবে সমাদৃত হয়েছে তাঁর ভূমিকা। নানা তথ্যে-সমৃদ্ধ তাঁর অনুষ্ঠান-পরিবেশনা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় বেতারের অভিজ্ঞতা বর্ণনা আকৃষ্ট করেছে সুধীজনকে। শ্রোতাদের চাহিদা পূরণে অবসরগ্রহণের পরেও টানা আট বছর এফএম-এ অনুষ্ঠান করেছেন।
View Posts →
1 posts
অভ্র পেশাগত ভাবে আইটি-র সঙ্গে যুক্ত। ইয়র্কশায়ার কাউন্টির লিডস শহরে রয়েছেন বছর দশেক। লিডস দুর্গাপুজো অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা। এছাড়া গানের প্রতি ওঁর অফুরন্ত টান ও ভালোবাসা। সংগীত শিক্ষার হাতেখড়ি মায়ের কাছে। এখন পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর কাছে হিন্দুস্থানি ক্লাসিকালের তালিম নিচ্ছেন। লিড্সে বহু অনুষ্ঠান করেছেন।
View Posts →
1 posts
নবারুণ ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৪৮ সালে। ২০১৪ সালে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারে তিনি প্রয়াত হন। বাঙালি লেখককুল তাঁকে চিরকাল প্রথাবিরোধী ছকভাঙা কবি ও কথাসাহিত্যিক হিসেবেই চিনে এসেছে। তবে বস্তুত তিনি ছিলেন একজন সক্রিয় রাজনৈতিক চিন্তক ও কর্মী। ১৯৯৬ সালে বঙ্কিম পুরস্কার ও ১৯৯৭ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারে সম্মানিত হন। যদিও পুরস্কার বা স্বীকৃতির ধার ধারেননি নবারুণ, জীবদ্দশায়।
View Posts →
1 posts
কিংশুক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকতা করছেন দীর্ঘ আড়াই দশক যাবত। মূলত অর্থনীতি ও প্রযুক্তি নির্ভর সংবাদের নিয়েই তাঁর কাজ। সময় পেলে ক্যামেরা নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়া, কফি সহযোগে বইয়ের পাতা উল্টানো কিংবা চলচ্চিত্রের স্বাদ নেওয়া, তাঁর প্রিয় অবসরযাপন।
View Posts →
1 posts
ড. স্বর্ণপালী মাইতি একজন জেনেরাল ফিজিশিয়ন। তিনি কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
পার্থ মজুমদারের জন্ম ১৯৬৯ সালে। পেশা শিক্ষকতা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরাজির স্নাতকোত্তর পার্থর পাঁচটি কাব্যগ্রন্থ ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম কাব্যগ্রন্থ সন্ধ্যার স্বরলিপি প্রকাশিত হয় ১৯৯৯ সালে। সর্বশেষ কবিতার বই ২০১৯ সালে হাওয়ার গান।
View Posts →
1 posts
ঝুমুর পান্ডের জন্ম অসমের হাইলাকান্দি জেলার কাঠলিছড়া চা বাগানে এক প্রগতিশীল সংস্কৃতিমনস্ক বামপন্থী পরিবারে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর সৃষ্টিশীল লেখালিখির শুরু এবং তখন থেকেই বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে তাঁর আখ্যান গুলো। মূলত চা বাগান ও খেটে খাওয়া নিম্নবর্গের প্রান্তিক মানুষজনদের নিয়েই তাঁর লেখালিখি। সাহিত্যের সব ক্ষেত্রেই তার অবাধ বিচরণ। তামিল, তেলেগু, ওড়িয়া, মারাঠি, ইংরেজি, হিন্দি, অসমীয়া, মনিপুরী, সাদরি ইত্যাদি ভাষায় তাঁর লেখা অনুবাদ হয়েছে। সাহিত্যের জন্য পেয়েছেন বেশ কয়েকটি পুরস্কার এবং সম্মান।
View Posts →
1 posts
বর্ণজিৎ বর্মনের জন্ম কোচবিহার জেলার গোসানিমারিতে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে পি.এইচডি গবেষক। ছোটবেলা থেকেই কবিতা লেখার হাতেখড়ি। লিখছেন দেশ ও বিদেশের একাধিক পত্র-পত্রিকায়। লিখেছেন মুক্ত গদ্য, গল্প। অনেক গবেষণামূলক প্রবন্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
1 posts
দেবাঙ্গন বসু। বিশ্বভারতী বাংলা বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র। বর্তমানে দুই দশক হুগলীর মিয়ারবেড় রামকৃষ্ণ শিক্ষানিকেতন বিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার শিক্ষক।
View Posts →
1 posts
প্রথম লেখা কিশোর ছোটগল্প প্রকাশিত 'আনন্দবাজার পত্রিকা'র স্কুলের পাতায় এবং প্রথম কিশোর উপন্যাস 'আলোর ফুলকি'র পাতায়। এছাড়াও, সানন্দা, বর্তমান, নবকল্লোল,কথাসাহিত্য, সুখী গৃহকোণ, শুকতারা, চির সবুজ লেখা, দৈনিক স্টেটসম্যান, অন্তরীপ, কৃত্তিবাস, সুখবর, যুগশঙ্খ, গৃহশোভা, আজকাল সফর এবং অসংখ্য লিটিল ম্যাগাজিন ও সংকলনে গল্প, অণুগল্প এবং ভ্রমণ কাহিনি প্রকাশিত হয়েছে এবং নিয়মিত লেখালেখি করেন। 'ছোটগল্প প্রসার আকাদেমি' থেকে পেয়েছেন ছোট গল্পের জন্য 'বিমল ঘোষ স্মৃতি সাহিত্য সম্মান' ও 'বিশেষ সাহিত্য সম্মান '।
View Posts →
1 posts
ঐন্দ্রিলা সরকার, পেশায় ওয়েব ডিজাইনিং কোম্পানীর কর্ণধার। নেশা ছবি আঁকা এবং পাখি দেখা। মুম্বইয়ের বম্বে ন্যাচারাল হিস্ট্রি সোসাইটি থেকে বেসিক অর্নিথলজি কোর্স সম্পূর্ণ করার পর বর্তমানে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিসের স্নাতকোত্তর বিভাগে পাঠরত।
View Posts →
1 posts
ডক্টর জয়ন্ত দাশের জন্ম ১৯৬২ সালে। বর্তমানে হাওড়া জেলার বাসিন্দা। পেশায় চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ। স্বাস্থা সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। নিয়মিত লেখালিখি করেন একাধিক পত্রপত্রিকায়। 'স্বাস্থ্যের বৃত্তে' পত্রিকার এক্সিকিউটিভ এডিটর পদে রয়েছেন দীর্ঘদিন।
View Posts →
1 posts
সুচন্দনা চট্টোপাধ্যায় পেশায় ইতিহাসবিদ ও গবেষক। 'রিকনসিডারিং ইনার এশিয়া', 'সোসাইটি এন্ড পলিটিকস ইন তাজিকিস্তান ইন দ্য আফটারমাথ অফ দ্য সিভিল ওয়ার', 'দ্য স্টেপ ইন হিসটরি' ওঁর লেখা কিছু উল্লেখযোগ্য বই।
View Posts →
1 posts
কলকাতায় জন্ম, শৈশব ও কৈশোর যাপন উত্তর-পূর্ব ভারতের আগরতলায়। ১৯৯০ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যাণ্ড এঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে স্নাতকোত্তর। তিরিশ বছরের কর্ম জীবন তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ও এঞ্জিনিয়ারিং ও বিজনেস স্কুল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা থেকেই লেখালেখির শুরু। তবে সেইসব লেখা সাধারণ ভাবে বন্ধুবান্ধব ও পরিচিত মানুষ জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
View Posts →
1 posts
রাজীব চক্রবর্তী পেশায় ভাষাবিজ্ঞানী। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভাষা প্রযুক্তি গবেষণা পরিষদে কর্মরত। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক। বাংলাদেশের বাংলা অ্যাকাডেমি থেকে দুই বাংলার উদ্যোগে প্রকাশিত 'প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ' (২০১১, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০১২) এবং 'প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ' (২০১৪) সম্পাদনা করেছেন। এক সময়ে উত্তর ভারতীয় মার্গ সংগীতে প্রথাগত তালিম নিয়েছেন। উৎসাহের জায়গা পুরনো বাংলা গান এবং ৭৮-আরপিএম রেকর্ড সংগ্রহ ও তার বৈদ্যুতিনীকরণ। মূলত প্রাবন্ধিক। নিয়মিত লেখেন ভাষা, সংগীত নিয়ে। রম্যগদ্য লেখায় তাঁর সপ্রশ্রয় দুর্বলতা আছে।
View Posts →
1 posts
ছ' বছরের রঞ্জাবতীর ডাকনাম তোর্সা। ফ্রিডম ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ক্লাস ওয়ানের ছাত্রী। হাসিখুশি, ঝলমলে। নিজের দুনিয়ায় মগ্ন থাকা রঞ্জা ভালোবাসে পাখি-পিঁপড়েদের সঙ্গে গল্প করতে, নানারকম হাতের কাজ করতে, গুনগুন করতে আর ব‌ই পড়তে। তার অফুরন্ত প্রশ্নের ঠ্যালায় মা বাবার অবস্থা দেখার মতো।
View Posts →
1 posts
অরিন্দমের জন্ম ১৯৮২-তে। প্রথাগত শিক্ষা শ্রীরামপুর নন্দলাল ইন্সটিটিউশনে। লেখা নয়, বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা নিয়েই দিনের অধিকাংশ সময় কাটে। ওটাই প্যাশন। পেশাগতভাবে বিখ্যাত এক বই বিপণীর সঙ্গে যুক্ত ও ব্যবসায়িকভাবে যুক্ত 'keytub' অনলাইন বুকশপের সঙ্গে। চিঠি লেখা আর ফুল সাজানো ভীষণ পছন্দের। বেড়ানো, বিশেষত হাঁটাপথে এদিক সেদিক বেরিয়ে পড়াতে আনন্দ।
View Posts →
1 posts
বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়, মূলত একজন নাট্যকর্মী, অভিনেতা ও পরিচালক। তাঁর প্রথম নাটক 'দখল', স্যাস নাট্য-পত্রিকায় ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয়। আরও দুটি নাটক- 'দ্য হাউস অফ বার্নার্ডা আলবা' অবলম্বনে খন্ডহর (বাংলা) মঞ্চস্থ হয়। ২০১৮ সালের নাট্যসৃজন শারদীয়ায় প্রকাশিত হয় সত্যজিৎ রায়ের গল্প অবলম্বনে 'সুজন হরবোলা' এবং আননায়ুধ নাট্য-পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময়ে নাটক বিষয়ে প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ব্রাত্যজন নাট্যপত্র, কৃত্তিবাস পত্রিকা, আননায়ুধ ও কলকাতা কথকতায়।
View Posts →
1 posts
খ্যাতনামা গল্পকার ও ঔপন্যাসিক আবুল বাশারের জন্ম মুর্শিদাবাদে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে প্রকাশিত হয় প্রথম গদ্যের বই 'ফুলবউ'। তারপর লিখেছেন বেশ কিছু গল্প প্রবন্ধ ও উপন্যাস। ১৯৯৪ সালে আনন্দ পুরস্কার পেয়েছেন। 'অগ্নিবলাকা', 'মরুস্বর্গ', 'আকাশলীনা' ওঁর কিছু জনপ্রিয় বই।
View Posts →
1 posts
চিকিৎসক এবং সমাজসেবক। শ্রমজীবী হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম। দীর্ঘদিন 'স্বাস্থ্যের বৃত্তে' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
পেশায় অর্থ ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগে কর্মরত। কর্মসুত্রে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ। কর্মজগতের বাইরে প্রধান শখ ভ্রমণ ও বাংলা কবিতা। এছাড়াও বাংলা ছোটগল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধে বিশেষ আগ্রহ।
View Posts →
1 posts
বোধিসত্ত্ব ভট্টাচার্য লেখক, গবেষক, অনুবাদক। পারিবারিক সূত্রে উনিশ শতকের প্রাতঃস্মরণীয় এক মনীষা প্রথিতযশা দার্শনিক অধ্যাপক ড. কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য মহাশয়ের প্রপৌত্র। রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির, বেলুড় মঠ এবং প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে যথাক্রমে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর। বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগ থেকে ২০১৭ সালে লোকনাথ ভট্টাচার্যের উপন্যাসে আখ্যানতত্ত্বের প্রয়োগ বিষয়ে গবেষণা করে এম.ফিল. ডিগ্রি পেয়েছেন। অধুনা সেখানেই তাঁর সামগ্রিক সাহিত্যকর্ম বিষয়ে পিএইচ.ডি. গবেষণারত। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক মহাবিদ্যালয়, নরেন্দ্রপুর-এর বাংলা বিভাগের সাম্মানিক অতিথি অধ্যাপক। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত পত্র-পত্রিকায় এবং দৈনিক সংবাদপত্রে তাঁর বিদ্যায়তনিক প্রবন্ধ এবং ফিচার প্রকাশিত হয়েছে বেশ কয়েকটি। ‘অনুষ্টুপ’, ‘আরেক রকম’, ‘উদ্বোধন’, ‘এবং মুশায়েরা’, ‘আজকের গাঙচিল’, ‘কলেজ স্ট্রীট’, ‘কবিতীর্থ’, ‘জিজ্ঞাসা’, ‘পরম্পরা’, ‘তবু একলব্য’, ‘বহুরূপী’, ‘সন্ধান’, ‘সৃষ্টির একুশ শতক’ প্রভৃতি পত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ এবং গ্রন্থ সমালোচনায় তিনি নিযুক্ত। ‘অনুষ্টুপ’ পত্রিকার গ্রীষ্ম, ২০১৯ (৫৩/৩) সংখ্যায় বিশ্রুত দার্শনিক ড. কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য সম্পর্কে একটি ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হয়েছে। Correction of error as a logical process শীর্ষক কৃষ্ণচন্দ্রের একটি ইংরেজি প্রবন্ধের অনুবাদ এবং তাঁর চিন্তায় হিন্দুত্বের পরিগ্রহণ বিষয়ক একটি বাংলা প্রবন্ধ, ক্রোড়পত্রের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সংবাদ প্রতিদিন নামক দৈনিক সংবাদপত্রের রোববার বিভাগে বিলীয়মান স্মার্ত মুহূর্তরা শীর্ষক একটি ফিচার প্রকাশিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বঙ্গবিদ্যা পরিষৎ সংস্থা (International Society of Bengal Studies, ISBS) কর্তৃক সম্প্রতি সম্মানিত হয়েছেন ‘বঙ্গবিদ্যা তরুণ গবেষক ২০২১’ সম্মানে। এযাবৎ প্রকাশিত গ্রন্থ চারটি, ১. ‘দিলীপকুমার রায় সমীপে জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ (দূরদর্শনে আয়োজিত সাক্ষাৎকারের অনুলিখন)’, ২. ‘গুরু-স্বামী ব্রহ্মানন্দ (স্বামী ব্রহ্মানন্দ রচিত ইংরেজি প্রবন্ধ ‘Guru’ এর অনুবাদ)’, ৩. ‘শ্রীরামকৃষ্ণানুভব-স্বামী গম্ভীরানন্দ (ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ প্রসঙ্গে প্রদত্ত স্বামী গম্ভীরানন্দজীর বক্তৃতার অনুলিখন)’ এবং ৪. ‘ভ্রম-সংশোধন: একটি যৌক্তিক প্রক্রিয়া-কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য (দার্শনিক কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য রচিত ‘Correction of an error as a logical process’ নামক ইংরেজি প্রবন্ধের বঙ্গানুবাদ এবং অনুলিখন)’। আগ্রহের বিষয়, নাটক-থিয়েটার, উনিশ শতক এবং লোকসাহিত্য। অনুবাদ চর্চায় পারঙ্গম। নেশা, পুরনো-নতুন যাবতীয় গ্রন্থ সংগ্রহ।
View Posts →
1 posts
নেশা ও পেশা লেখালিখি। প্রকাশিত উপন্যাস চারটি। বর্তমানে একটি চ্যানেলে সৃজনশীল পদে কর্মরত। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় অসংখ্য ভ্রমণ ও ছোটো গল্প প্রকাশিত।
View Posts →
1 posts
ঋতুপর্ণ বসু একজন স্বশিক্ষিত শিল্পী। ছোটবেলা থেকেই কার্টুন দেখতে ও আঁকতে ভালোবাসতেন। দেবাশীষ দেবের কলকাতা মেট্রোরেল সিরিজের কার্টুন ও ফোরাম শপিং মলের উদ্বোধনের পর অসংখ্য কার্টুন সমৃদ্ধ টেলিগ্রাফের একটি গোটা পাতা দেখে কার্টুন আঁকার ইচ্ছে আরও তীব্র হয়। রাজনৈতিক ও সামাজিক উভয় প্রকার কার্টুনেই দক্ষ তিনি। রঙ্গ ব্যঙ্গ রসিকেষু, বিষয় কার্টুন, সন্দেশ, শনিবারের চিঠি (নতুন), জলজঙ্গল, প্রতিদিন(রবিবাসরীয়), বেঙ্গল পোস্ট, একদিন, এখন বিসংবাদ, কৃষি-নির্ণয় (মারাঠি) প্রভৃতি পত্র-পত্রিকায় কার্টুন করেছেন। 'সন্দেশ' ও 'যারা পরিযায়ী' পত্রিকায় কার্টুন স্ট্রিপ করেছেন ২০১৩-১৪ নাগাদ। রুব্রিক পাবলিকেশন্স (দিল্লি)-এর হয়ে বিভিন্ন ইংরেজি ব‌ইয়ে কাজ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবেশ দপ্তরের 'প্রত্যেকে আমরা পরিবেশের তরে' বইতে কার্টুন এঁকেছেন। বর্তমানে কার্টুন দলের সদস্য ও বিশ্বদেব গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত "বিষয় কার্টুন" পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত‌। পছন্দের ব্যঙ্গচিত্রশিল্পী- দেবাশীষ দেব, ডেভিড লো, হার্জ, গাইলস, হারব্লক, সুধীর দার, মারিও মিরান্ডা, বালাসাহেব ঠাকরে, শৈল চক্রবর্তী, রেবতীভূষণ, অনুপ রায়, উদয় দেব।
View Posts →
1 posts
সৌমাল্য গরাই জন্ম ১ লা জুলাই, ১৯৯৭ বাঁকুড়া জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রাম, নাকাইজুড়ি। সেখানেই তার জন্ম, সেখানেই শিক্ষার সাথে বেড়ে ওঠা। বাঁকুড়া ক্রিশ্চান কলেজে স্নাতক এবং কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ে স্নাতকোত্তর বিভাগে উত্তীর্ণ। কবিতাই তার নিভৃত আশ্রয়, বেঁচে থাকার অক্সিজেন। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়, কবি লিখে চলেছেন। তার মধ্যে অন্যতম দেশ, কবিতা আশ্রম, কৃত্তিবাস, শ্রীময়ী, লালমাটি, রুখুডি ইত্যাদি।
View Posts →
1 posts
বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত রম্যরচনাকার রাজশেখর বসু (১৮৮০–১৯৬০) 'পরশুরাম' ছদ্মনামেই পরিচিত। পেশায় রসায়নবিদ ও বেঙ্গল কেমিক্যালসের কর্ণধার হলেও হাস্যরসের নিপুণ ক্ষমতায় বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। সমাজ জীবনের অসঙ্গতিগুলোকে ফুটিয়ে তুলেছেন অত্যন্ত পরিশীলিত ও সংক্ষিপ্ত লেখনীতে। সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য 'পদ্মভূষণ' ও 'রবীন্দ্র পুরস্কার'-এ ভূষিত হন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ 'গড্ডলিকা','কজ্জলী','চলন্তিকা'। এছাড়াও, বাল্মীকি রামায়ণ ও ব্যসদেবের মহাভারতের সারানুবাদ করেছেন।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৪১ সালে খুলনায়। বাবার বদলির চাকরি সূত্রে কখনও সুন্দরবন, কখনও মালদা হয়ে ডালখোলা, কখনও বা কাটিহার। এভাবেই উড়ুউড়ু মনের সুত্রপাত। নিজের চাকরি সামরিক বিভাগে। সেই সূত্রেই হিমালয়ের প্রেমে পড়া। একুশবার কেদারনাথ যাত্রা, ছ'বার পঞ্চকেদার, পিন্ডারি হিমবাহ, রূপকুণ্ড, ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ারস, হেমকুন্ড সাহিব, গোমুখ, তপোবন, অমরনাথ, কালিন্দীপাস, সুন্দরডুঙ্গা... পরিক্রমার তালিকা অতি দীর্ঘ। সেই সূত্রেই পরিচয় উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। ২০১১-এর পরে অবশ্য বয়সের কারণে আর পাহাড়ে যাননি। পঞ্চকেদার। জীবনের অপূরণেয় শোক - নিজের হিমালয়প্রেমী ছোটভাইকে হিমালয়েরই ফাটলে হারিয়ে ফেলা। আর সবচেয়ে বড় আনন্দ, অন্যকে হিমালয় দেখিয়ে!
View Posts →
1 posts
আবদুল্লাহ আল ফারুক বাংলাদেশের প্রবীণ বেতার কর্মী। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্থাপকদের মধ্যে তিনি একজন। জার্মানির আন্তর্জাতিক বেতার সংস্থা ডয়েচে ভেলে-এর বাংলা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন দীর্ঘ সময়।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৫৭-তে তমলুকে। আট বছর বয়সে বাবার হাত ধরে কলকাতায়। সাংবাদিকতায় প্রায় চার দশক। 'বর্তমান' খবরের কাগজে কার্যনির্বাহী সম্পাদক ছিলেন দীর্ঘদিন। পরে 'সংবাদ প্রতিদিন' ও 'উত্তরবঙ্গ সংবাদ'-এ। বেশ কিছু সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। পুরোপুরি সাংবাদিকতায় আসার আগে চলচ্চিত্র পরিচালক নব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন।
View Posts →
1 posts
সৈয়দ কওসর জামাল বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক। দীর্ঘদিন প্রসার ভারতীতে রেডিও ব্রডকাস্টারের দায়িত্ব সামলেছেন সাফল্যের সঙ্গে। সিজেএমসি, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রিত অধ্যাপক হিসেবেও কাজ করেছেন বহুদিন।
View Posts →
1 posts
কবি গৌতম বসুর জন্ম ১৯৫৫ সালে, দার্জিলিংয়ে। তিনি সেই বিরল কনিদের মধ্যে একজন যিনি নজর কেড়েছিলেন প্রথম বই 'অন্নপূর্ণা ও শুভকাল' থেকেই। সমকালীন বাংলা কবিতায় তাঁর স্থান স্বতন্ত্র। তাঁর প্রকাশিত বইগুলির মধ্যে অন্যতম: অতিশয় তৃণাঙ্কুর পথে, নয়নপথগামী, স্বর্ণগরুড়চূড়া, রসাতল ইত্যাদি। ২০০৩ সালে রসাতল কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন বীরেন্দ্র পুরস্কার। ২০১৫ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে পেয়েছেন রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার, 'স্বর্ণগরুড়চূড়া' কাব্যগ্রন্থের জন্য।
View Posts →
1 posts
উদয়ন গোস্বামীর জন্ম ১৯৮০ সালে। কলকাতায় জন্ম হলেও কর্মসূত্রে মালদহের বাসিন্দা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র উদয়ন যদিও পেশায় একজন কমপিউটার প্রশিক্ষক, তাঁর নেশা কবিতা। ২০১৫ সালে অভিযান প্রকাশনা থেকে বেরিয়েছে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঘষা কাচের জানালা'। দেশ, কবিতা পাক্ষিক, দৌড়, চাকা, চেতনা, জলফড়িং ইত্যাদি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখা প্রকাশিত। তাঁর ভাবনায় চেতন ও অবচেতনের সংযোগকারী সেতু হল কবিতা। কবি সেতুর নির্মাতা। পাঠক ব্যবহারকারী।
View Posts →
1 posts
ডঃ কঙ্কণা মিত্রের পেশা অধ্যাপনা। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কণ্ঠসঙ্গীত বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি। তবে গান তাঁর প্রাণের জিনিস। বাংলার পদাবলী কীর্তন নিয়ে গবেষণা করছেন দীর্ঘদিন ধরে। ইউজিসি-র মেডরে রিসার্চ প্রজেক্ট প্রাপ্ত কঙ্কণা বহু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে নিয়মিত লেখালিখি করেন। তিনি আকাশবাণী ও দূরদর্শনের পরিচিত শিল্পী।
View Posts →
1 posts
শমীক ঘোষ-এর জন্ম কলকাতা, ১৬ জানুয়ারি, ১৯৮৩। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক। কলেজজীবনের শুরু থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কর্মজীবনের শুরু কলকাতাতেই। পরে সরকারি ব্যাঙ্কে চাকরির সূত্রে থেকেছেন আমদাবাদ ও মুম্বাইতে। ২০১৪ সালে বাংলায় লেখালেখি ও ছবি করবার স্বপ্ন নিয়ে কর্পোরেট স্ট্র্যাটেজির চাকরি ছেড়ে কলকাতায় ফেরা। তারপর পেশার জন্য নানা কিছু--- বিজ্ঞাপনের অনুবাদ, টেলিভিশনের স্ক্রিপ্ট রাইটার। কিছুদিন সাংবাদিকের চাকরিও। বর্তমানে একটি বহুজাতিক টেলিভিশন চ্যানেলে কর্মরত। প্রথম গল্প ‘ঘোলা’ ২০০৩ সালে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত। তারপর দীর্ঘ এক দশকের ছেদ পেরিয়ে শমীকের লেখা প্রকাশ পেতে শুরু করে নামকরা বাণিজ্যিক পত্রপত্রিকার পাশাপাশি চেনা-অচেনা লিটল ম্যাগাজিনেও। প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘এলভিস ও অমলাসুন্দরী’-র জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি যুব পুরস্কার (২০১৭), বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ইলা চন্দ স্মৃতি পুরস্কার (২০১৭) এবং পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সোমেন চন্দ স্মৃতি পুরস্কার (২০১৯)। ব্রিটিশ প্রকাশনি সংস্থা Vintage, Penguin Random House, তাদের Hervill Secker Young Translator’s Prize 2018-এর জন্য তাঁর লেখা গল্প বেছে নিয়েছিল। গল্পটি পরে প্রকাশিত হয় প্রখ্যাত ব্রিটিশ সাহিত্য ম্যাগাজিন Granta-এর অনলাইন সংস্করণে। মেক্সিকোর গুয়েদালাহারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পত্রিকার লুভিনা-৯৭ এর বিশেষ ভারতীয় সাহিত্য সংখ্যায় তাঁর লেখা গল্প স্প্যানিশে অনুদিত হয়েছে। অনুবাদ হয়েছে বিভিন্ন ভারতীয় ভাষাতেও।
View Posts →
1 posts
পেশায় চক্ষুচিকিৎসক। রোগী দেখা ও অপারেশনের বাইরে সময় কাটে লেখালেখি, ফটোগ্রাফি, আবৃত্তি, জঙ্গল আর ঝর্ণাকলম নিয়ে। প্রকাশিত বইয়ের নাম 'পাঁচমিশালি আফ্রিকা'।
View Posts →
1 posts
মুন্সি প্রেমচাঁদ আধুনিক হিন্দি এবং উর্দু ভাষার অন্যতম সফল লেখক। তিনি ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য সাহিত্যিক এবং বিংশ শতাব্দীর ভারতীয় লেখকদের মধ্যে অন্যতম অগ্রগামী লেখক।
View Posts →
1 posts
অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সরকারি অফিসের গেজেটেড অফিসার।শখের সংগ্রাহক। ছোটবেলা থেকেই এই সংগ্রহের নেশা। সংগ্রহে রয়েছে প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন যুগের নানা রাজা-মহারাজা সুলতান মুঘল নবাবদের মুদ্রা। রয়েছে ঔপনিবেশিক ভারতের বিভিন্ন শাসক যেমন পর্তুগিজ, ফরাসি, ইংরেজ, দিনেমারদের মুদ্রা, ব্রিটিশ ভারত ও স্বাধীন ভারতের মুদ্রা, ডাকটিকিট, খাম, পোস্টকার্ড, মেডেল, পুরানো দেশলাই, তাসের জোকার, সিগারেটের প্যাকেট, ব্লেডের কভার, বহু পুরানো গ্রিটিংস কার্ড, পারফিউম ও টেক্সটাইল লেবেল, ব্রিটিশ আমলের রাজা-রানিদের বহু দুষ্প্রাপ্য ছবি। এছাড়াও রয়েছে ভারত ভূখণ্ডের নানা অঞ্চলের বৈচিত্রপূর্ণ নানা রঙের 'মাটির' নমুনা। ভারতের নানান সামুদ্রিক অঞ্চলের বালি, হরেক রকম সুন্দর সুন্দর নুড়ি-পাথর, অনুষ্ঠান বাড়ির নিমন্ত্রণ পত্র। বিয়ের কার্ড, বিয়ের পদ্য ইত্যাদি আরও অনেক জিনিস।
View Posts →
1 posts
একাধারে সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ| সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অনায়াস ও সাবলীল গতি এই প্রেসিডেন্সি এবং হার্ভার্ড প্রাক্তনীর| উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি ‘বামাবোধিনী’, ‘নটী নবনীতা’, ‘সীতা থেকে শুরু’, ‘ট্রাকবাহনে ম্যাকমোহনে’, ‘করুনা তোমার কোন পথ দিয়ে’| ১৯৯৯ সালে ‘সাহিত্য আকাদেমি’ এবং ২০০০-এ ভূষিত হন ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে|
View Posts →
1 posts
অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যাযের জন্ম ১৯৮৫-তে। বর্তমানে শিলিগুড়ির বাসিন্দা। একদা সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্র ও মরণ অন্তরালে নামে দুটি উপন্যাস ও ডি মেজর নামে গল্পসংকলন প্রকাশিত হয়েছে। ধ্রুপদী সঙ্গীত ও নাটক নিয়মিত চর্চায় রাখেন। ভালোবাসেন বাজার আর রান্না করতে।
View Posts →
1 posts
পেশাগতভাবে ক্লিনিকাল ফার্মাসিস্ট দেহলী দীর্ঘদিনের প্রবাসী। পড়াশোনা করেছেন কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজে। পরবর্তীকালে ডক্টরেট অফ ফার্মাসি ডিগ্রী অর্জন করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বর্তমানে নিউ জার্সির এক টিচিং হসপিটালে কর্মরত এবং ক্লিনিকাল রিসার্চের সঙ্গে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
আনন্দরূপা সাহিত্যিক মতি নন্দীর জ্যষ্ঠ কন্যা এবং জাতীয় সাঁতারু আশিস দাসের স্ত্রী। এক কন্যাসন্তানের জননী আনন্দরূপা ভালোবাসেন ঐতিহাসিক উপন্যাস পড়তে আর বেড়াতে।
View Posts →
1 posts
বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার, কবি, চিত্রশিল্পী ও পরিচালক। অভিনয় জগতের এক উজ্জ্বল তারকা, যিনি একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।
View Posts →
1 posts
পার্থ রায়ের জন্ম আসামে। সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে স্নাতক। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বেতার বিভাগে কর্মরত। বিভিন্ন লিটিল ম্যাগাজিন ছাড়াও আনন্দবাজার পত্রিকা, সানন্দা, অদ্বিতীয়া, আজকের সম্পূর্ণা, তথ্যকেন্দ্র এবং উত্তরের সারাদিনে গল্প, কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। রা-প্রকাশনী থেকে প্রথম গল্প সংগ্রহ প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
1 posts
স্বাতি নন্দী পেশায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। ভালোবাসেন ঘুরে বেড়াতে, মানুষ দেখতে। ট্রাভেলস্ রাইটার্স ফোরামের সদস্য।
View Posts →
1 posts
জন্ম: ২রা অক্টোবর, ১৯৫৬ আশুতোষ কলেজ থেকে স্নাতক। ভবন্স ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে বিজ্ঞাপন ও বিপননে ডিপ্লোমা। প্রথম জীবনে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংস্থায় কাজ করে পরবর্তী কালে নিজের ব্যাবসায় প্রতিষ্টিত। শখ: বই পড়া,গাছের পরিচর্যা ও এন্টিক কালেকশান। স্ত্রী : নিতাশা ও কন্যা : মেঘনা
View Posts →
1 posts
ডঃ রোহিণী ধৰ্মপাল। রামকৃষ্ণ সারদা মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যাভবন মহাবিদ্যালয়ে শিক্ষাবিজ্ঞান বিভাগে পড়ান। পিএইচডি করেছেন পৌরাণিক অপরাধ ও বর্তমান অপরাধ এবং তার সংশোধনী প্রক্রিয়ার তুলনা নিয়ে। লিখেছেন ছোটদের জন্য ও বড়োদের জন্য বিভিন্ন বই। মূলত পৌরাণিক ও নারী বিষয়ক লেখা লিখতে ভালোবাসেন। সামাজিক বিভিন্ন কাজের সঙ্গেও যুক্ত। পুরোনোর সঙ্গে নতুনকে মিলিয়ে বিবাহ, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রভৃতি কাজ করে থাকেন।
View Posts →
1 posts
অভ্র বসু। অধ্যাপক, বিশ্বভারতী, শান্তিনিকেতন।
View Posts →
1 posts
পেশায় অধ্যাপক, তবে গবেষক বা লেখক পরিচয়েই বেশি স্বচ্ছন্দ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে চর্চার পাঠ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে, পরে বাংলা গোয়েন্দাসাহিত্যে নারী পরিসর নিয়ে গবেষণা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সাংবাদিকতার সূত্রে লেখায় সারজল। আগ্রহের বিষয় মানবীবিদ্যা। আনন্দবাজার থেকে প্রতিদিন, পত্রপত্রিকায় লেখালিখি কিংবা বইয়ের কাজে জারি থাকে সেই চর্চাই। আর খোলা থাকে ভাবনার নিজস্ব ঘর।
View Posts →
1 posts
দেবশঙ্কর হালদার তাঁর অসাধারণ অভিনয় ক্ষমতা, বাচনভঙ্গি এবং বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর দিয়ে বাংলা থিয়েটার ও চলচ্চিত্রের দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছেন গত দু দশক। অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক পরিচালনাতে এবং লেখালেখিতেও সমান দক্ষতা দেখিয়ে বাংলা ভাষার পাঠকদের কাছে তিনি সমাদরের পাত্র হয়ে উঠেছেন।
View Posts →
1 posts
সরকারি (রেল) আবাসনে বেড়ে ওঠা। ইংলিশ কনভেন্ট আর রামকৃষ্ণ মিশনের সংমিশ্রণ। পেশায় ডাক্তার। যদিও মাউথ অরগ্যান আর ইউকেলেলে হাতেও সমান স্বচ্ছন্দ। মঞ্চে বাজাতে খুব ভালোবাসেন। লং ড্রাইভ, আড্ডা, পার্টি, হৈ হুল্লোড়.... সবই চলে। বর্তমানে দক্ষিণ পূর্ব রেল হাসপাতালে চাকরির পাশাপাশি টেরিটোরিয়াল আর্মিতেও উনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে আছেন।   লেখালেখি টা ওনার latest passion।
View Posts →
1 posts
তানিশা সরকার প্র্যাট মেমোরিয়াল স্কুলের ক্লাস টুয়ে পড়ে। গল্প বলতে, ছবি আঁকতে আর টেনিস খেলতে খুব ভালোবাসে। আর ভালোবাসে মিটিমিটি হেসে, গালে টোল ফেলে মায়ের হাতের চিকেন চাপ খেতে। তার সবচেয়ে আদরের, আবার সবচেয়ে ঝগড়ার মানুষ, তার দিদি।
View Posts →
1 posts
ঐশিক দাশগুপ্তর জন্ম ১৯৮৮ এবং বেড়ে ওঠা মেদিনীপুর শহরে৷ শিক্ষা প্রেসিডেন্সি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে৷ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর৷ সাহিত্য ও জরুরি অবস্থা নিয়ে পিএইচ ডি৷ সম্পাদিত পত্রিকা ‘হান্ড্রেড মাইলস’৷ বর্তমানে গভর্নমেন্ট জেনারেল ডিগ্রি কলেজ, নারায়ণগড়-এ অধ্যাপনারত৷ প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'কুশপাতার দেয়াল' ,'অপ্রাপণীয়'। প্রবন্ধ সংগ্রহ 'বাংলা সাহিত্যে জরুরি অবস্থার প্রতিফলন'।
View Posts →
1 posts
ডাঃ সীমন্তিনী মুখোপাধ্যায় বরাবরই কলকাতার বাসিন্দা। প্রেসিডেন্সির প্রাক্তনী। বর্তমানে অর্থনীতি পড়ান আর গবেষণা করেন ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ় কলকাতায়। গবেষণার আগে দু'বছর নানা রকম চাকরি করেছেন, এমনকী সাংবাদিকতাও। নানা রকম বই পড়তে আর লেখালেখি করতে ভালবাসেন। তবে এখন সাত বছরের মেয়ের স্কুল বন্ধ থাকায় 'সহজ পাঠ' আর 'গুড গ্রামার' ছাড়া বিশেষ কিছু পড়ার সময় পান না।
View Posts →
1 posts
পেশায় ইঞ্জিনিয়ার সব্যসাচী ব্যানার্জি কেজো জগতের বাইরে এলেই খালি খুজে বেড়ান পুরোনো মন্দির। আর ভালোবাসেন যেখানে সেখানে এমনি এমনি ছবি তুলতে।
View Posts →
1 posts
রেশমী বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ উপার্জন করতে শিক্ষকতা করেন, বেঁচে থাকাকে অর্থপূর্ণ করে তুলতে ভ্রমণ করেন। এককালে সাহিত্যের ছাত্রী ছিলেন। বর্তমানে আলপিন টু এলিফ্যান্ট যা ভালো লাগে, তাই নিয়েই চর্চা করেন। আদ্যন্ত পল্লবগ্রাহী; সে জন্য বিশেষ লজ্জিতও নন। মাঝেমধ্যে পত্রপত্রিকায় ভ্রমণকাহিনী লেখেন। এছাড়া লেখেন নিজস্ব ওয়েবসাইটে - www.comecrosstheline.com
View Posts →
1 posts
সন্দীপন ভট্টাচার্য বাংলা বই প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত। যুক্ত অর্থে বইপ্রকাশের অনেকগুলো পর্যায় তিনি নিজের হাতেই করেন। প্রুফ দেখা থেকে প্রচ্ছদ তৈরি পর্যন্ত। আর অল্পবিস্তর লেখেন, অনুবাদ করেন, ছবি আঁকেন। নিজের সম্পর্কে বলতে অস্বস্তিবোধ করেন।
View Posts →
1 posts
পেশায় স্কুল শিক্ষিকা। নেশা হিমালয়ের পথে পথে হিমালয়ের ছবি তোলা আর দু চার ছত্র লিখে ফেলা। সবটাই হিমালয়কে ভালোবেসে।
View Posts →
1 posts
টেক্সটাইল ডিজাইনার। ভালোবাসেন দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াতে এবং ফটোগ্রাফি করতে। ঐতিহাসিক স্থানের প্রতি বিশেষ আগ্রহ আছে।
View Posts →
1 posts
হৈমন্তী ভট্টাচার্য, পেশায় শিক্ষিকা। মূলত নিবিড় পাঠক। রঙের বাহারে প্রকৃতির ছবি আঁকা এবং কলমে ভাবনাকে রূপ দেওয়া তার প্যাশন। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ও বিভিন্ন সংকলনে তার লেখা প্রকাশিত।
View Posts →
1 posts
কৌশিকের অনুবাদের বিচরণক্ষেত্র গল্প ও কবিতা তো বটেই, তার সঙ্গে নন ফিকশনও। ভাষা শিক্ষার ও সাহিত্য আস্বাদনের উপকরণ হিসেবে গল্প বলা ও কবিতা লেখাকে ব্যবহার করেন। ট্রেকিং কৌশিকের কাছে অনুধ্যানের একটি অবকাশ।
View Posts →
1 posts
ভাস্কর রায় প্রায় আজন্ম বেড়ে উঠেছেন ভদ্রেশ্বরে। কর্মজীবন ছিল কলকাতার বেসরকারি বিদ্যুত সংস্থায়। খেলাধূলা, রাজনীতি এবং সংগীতে বরাবরের আকর্ষণ। গত চল্লিশ বছর মননের অনেকটা দখল করে রেখেছে ভ্রমণ। 'ভ্রমণ আড্ডা'র অন্যতম স্থপতি এবং ওই পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম একজন। একজন ব্যতিক্রমী ধারার ভ্রমণ লেখক।
View Posts →
1 posts
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলার সাংবাদিকতা জগতে সুমন চট্টোপাধ্যায় একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী নাম। ক্ষুরধার লেখনী এবং সংবাদ উপস্থাপনার নিজস্ব ভঙ্গি পাঠকদের কাছে তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। আনন্দবাজার পত্রিকা এবং এই সময় সংবাদপত্রের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন। বর্তমানে বাংলাস্ফিয়ার সংবাদ চ্যানেলের প্রধান। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সামাজিক বিষয়ে তাঁর গভীর পর্যবেক্ষণ সমাদৃত। তাঁর ঝরঝরে গদ্যশৈলী এবং জটিল বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপন করার ক্ষমতা বাংলা সংবাদপত্রে এক নতুন ঘরানা তৈরি করেছে।
View Posts →
1 posts
জন্ম বাংলাদেশের কক্সবাজারে, পড়াশোনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। লেখালেখি আর ছবি আঁকাই মূল কাজ। প্রকাশিত বই-এর সংখ্যা ষোল। জনপ্রিয় বই “পাখি ও পাপ”, “এইখানে বর্ষাকালে বৃষ্টি হয়”, “পুরুষপাখি”, “রাজহাঁস যেভাবে মাছ হয়”। নির্ঝরের সম্পাদিত ছোট কাগজের নাম “মুক্তগদ্য”।
View Posts →
1 posts
ঢাকার ধানমন্ডির মেয়ে আফরোজা নাজনীন সুমি একজন সফল রন্ধণশিল্পী। তিনি একাধারে শেফ, জনপ্রিয় রন্ধণশিল্পী ও উপস্থাপক, রেসিপি ডেভেলপার, ফুড স্টাইলিস্ট, ট্রেইনার, খন্ডকালীন শিক্ষক,মহিলা সম্পাদক,ফ্রীল্যান্স ফটোগ্রাফার,অ্যামেচার মডেল এবং শৌখিন অভিনয়শিল্পী। সবকটি ভূমিকাতেই তিনি সমান স্বচ্ছন্দ।
View Posts →
1 posts
জন্ম নদিয়া। বেড়ে ওঠা কলকাতা। আপাতত ঠিকানা দিল্লি। বিধিবদ্ধ পড়াশোনা জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়। ফরাসি ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে। পেশা লেখালিখি, ভিডিও তৈরি ও অনুবাদ।
View Posts →
1 posts
চাণক্য বশিষ্ঠ দীর্ঘদিন যাবৎ সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। বামপন্থী রাজনীতি তাঁর রক্তে। দেশ-কাল-মানুষের অবস্থা, প্রেক্ষিত ও ভবিষ্যৎ তাঁকে ভাবায়, লেখায়, পড়ায়। অবসরে ভালোবাসেন বই পড়তে, ঘুরে বেড়াতে, আড্ডা জমাতে। প্রিয় লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পওলো কোয়েলো। প্রিয় বই 'লেখা নেই স্বর্ণাক্ষরে' এবং 'ইলেভেন মিনিটস।'
View Posts →
1 posts
দেবাশিসের পড়াশোনা অর্থনীতি নিয়ে। বর্তমানে সরকারি চাকুরে। বাংলা কবিতা, উপন্যাস পড়তে ভালো লাগে। কবিতা লেখাও সেই ভাললাগা থেকেই।
View Posts →
1 posts
স্বাধীনতা পরবর্তি কথাসাহিত্যে পথিকৃৎ। তাঁর অদ্বিতীয় গদ্য স্টাইল পাঠকের কাছে খুব পরিচিত। প্রথম গল্প প্রকাশ ১৯৬২ সালে। সমালোচকেরা তাঁর লেখাকে ব্ল্যাক হিউমার, অ্যাবসার্ড, ম্যাজিক রিয়ালিজম ইত্যাদি আখ্যা দিয়েছেন। ১৯৮২ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম উপন্যাস 'ছবির সঙ্গে দেখা' -কে বাংলা সাহিত্যের প্রথম অ্যান্টি নভেল বলা হয়। ষাটের দশকে, প্রচলিত গল্পরীতির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা শাস্ত্রবিরোধী আন্দোলনের প্রবর্তক তিনি। সেই আন্দোলনের অন্যতম বক্তব্য ছিল- বহু ব্যবহারে বাস্তববাদী রীতি জীর্ণ হয়ে গেছে। পরবর্তি কালে একটি প্রবন্ধে রমানাথ লেখেন- এই সময় বাস্তববাদী রীতির চর্চা করা হল নতুন করে ইলেকট্রিক বাল্‌ব আবিষ্কারের চেষ্টা।
View Posts →
1 posts
রুচিরা পান্ডা বাংলার কোটালি ঘরানার আজকের মুখ্য প্রতিভূ। একাধারে সঙ্গীতশিল্পী, সঙ্গীতগুরু ও কম্পোজার। পন্ডিত মানস চক্রবর্তীর কাছে দীর্ঘ পঁচিশ বছরের তালিম। দেশ বিদেশের বড় আসর গুলিতে সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তীর তৈরি এই অল্পশ্রুত ঘরানার শাস্ত্রীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে আসছেন দুই দশক ধরে। তাঁর ছাত্রছাত্রীরা আসরে উঠে আসছেন একে একে। বিভিন্ন শিল্পমাধ্যম ও সাহিত্যের গবেষণাধর্মী চর্চা করতে ভালোবাসেন। বিখ্যাত রাগসঙ্গীত ও সমাজকল্যাণ সংস্থা পারম্পরিকের প্রতিষ্ঠাতা ও কর্ণধার।
View Posts →
1 posts
কনসালট্যান্ট সাইকোলজিস্ট ও স্টুডেন্ট কাউন্সিলর
View Posts →
1 posts
পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, কবি, সমালোচক
View Posts →
1 posts
মলয় রক্ষিত। গবেষক, প্রাবন্ধিক ও আখ্যানকার। পেশায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। নাটক থিয়েটার এবং উনিশ ও বিশ শতকের বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাস নিয়ে লেখালিখি করেন।
View Posts →
1 posts
সিমন অগ্নিহোত্র রায়। জন্ম ১৯৯৬, বরানগরে। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর, স্বর্ণপদক প্রাপ্ত। কবিতাই ঘিরে রেখেছে জীবন, গবেষণার তাগিদে আসে গদ্য, প্রবন্ধ। শব্দ নিয়ে খেলার শখ। তুখোড় হিসেবি। অনর্থক অর্থ অপচয় না-পসন্দ। বর্তমানে কাজের ঠিকানা আনন্দবাজার পত্রিকা।
View Posts →
1 posts
প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত ডীন অফ আর্টস, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রফেসর ও হেড। মার্কসবাদ, উত্তর আধুনিক তত্ত্ব, নকশালবাড়ি, রাজনৈতিক তত্ত্ব ইত্যাদি বহু বিষয়ে গ্রন্থের লেখক ও সম্পাদক। একদা CSSSC, ICSSR ও স্কটিশ চার্চ কলেজে যুক্ত।তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল 'নকশালবাড়ির পূর্বক্ষণ', 'Towards Naxalbari', 'উত্তর আধুনিক রাজনীতি ও মার্ক্সবাদ' এবং 'Gender and Naxalite Movement'।
View Posts →
1 posts
জাতীয় পুরস্কার জয়ী লেখক। অ্যানিমেশন ফিল্ম-এর আধুনিক কৌশল শিখেছেন  ইটালিতে। সত্যজিৎ রায় সম্পাদিত সন্দেশ-এ ছবি এঁকেছেন টানা ২০ বছর।  সত্যজিৎ স্কলার হিসেবে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃত। প্রকাশিত বই য়ের  সংখ্যা  ১০।
View Posts →
1 posts
জন্ম ও বেড়ে ওঠা উত্তর কলকাতার বনেদি ঘরানায়। সেইসূত্রেই বাংলা ও বাঙলির সাংস্কৃতিক অনুসন্ধানের সূত্রপাত। প্রাণীবিদ্যায় স্নাতকের পর সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুস্তক প্রকাশনা বিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা। ফিচার-ধর্মী প্রতিবেদন থেকে ক্রমে গবেষণায় মনোনিবেশ। বর্তমানে ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল স্টাডিজের গবেষণা সহযোগী হিসেবে কর্মরত।
View Posts →
1 posts
শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৭৮ সালে, কলকাতা। প্রকাশিত কবিতার বই ৪টি। বৌদ্ধলেখমালা ও অন্যান্য শ্রমণ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য আকাদেমির যুব পুরস্কার, পেয়েছেন মল্লিকা সেনগুপ্ত পুরস্কারও। স্পেনে পেয়েছেন আন্তোনিও মাচাদো কবিতাবৃত্তি, পোয়েতাস দে ওত্রোস মুন্দোস সম্মাননা। স্পেনে ওঁর দুটি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। মেদেইয়িন আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসব ও এক্সপোয়েসিয়া, জয়পুর লিটেরারি মিট সহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন।
View Posts →
1 posts
সঙ্গীতপ্রেমী বাঙালির কাছে শুভমিতা এক পরিচিত নাম। শুভমিতার জন্ম মালদায়। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে হাতেখড়ি বাবা যশোদা দুলাল দাসের কাছে। পরবর্তীকালে পণ্ডিত উলহাস কসলকর, বিদূষী পূর্ণিমা চৌধুরীর মতো দিকপাল গুরুদের কাছে তালিম নিয়েছেন। মঞ্চশিল্পী এবং প্লেব্য়াক শিল্পী হিসেবে সমান খ্য়াতি অর্জন করেছেন।
View Posts →
1 posts
ইভান দোলনা ডে স্কুলে পড়ে। বয়স ছয়। এবার ওয়ানে ওঠার পালা তার। লাফালাফি, দুষ্টুমি, চেঁচামিচি ইভানের না-পসন্দ। চুপচাপ নিজের মনে থাকতেই ভালবাসে। তাই বলে পড়াশুনো করতে মোটেই পছন্দ করে না। সারাদিন রেলগাড়ি, ট্রাফিক সিগনাল, গেটম্য়ান নিয়ে কল্পনার রাজ্যে ঘোরাঘুরিই ইভানের সবচেয়ে প্রিয়। ভালবাসে ছবি আঁকতে। আর সবার কাছে জানতে চায়, স্যুইচ দিলেই আলো-পাখা কী করে জ্বলে ওঠে?
View Posts →
1 posts
দীর্ঘ পনের বছর ধরে সাংবাদিকতা করছেন একাধিক সংবাদপত্র ও খবরের টেলিভিশন চ্যানেলে। এছাড়াও দোলনচাঁপা একজন ভয়েসওভার শিল্পী হিসেবে বিজ্ঞাপন ও ছবিতে কণ্ঠস্বর দিয়ে থাকেন। বর্তমান ঠিকানা দিল্লি।
View Posts →
1 posts
ডক্টর তাপস কুমার রায় আদতে চিত্রকর। কবিতা তাঁর ঘুমহীন রাতের সঙ্গী। দেশ দুকূল, ভাষানগর, বাতায়ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কবিতা। স্বপ্ন দেখেন সার্থক অভিনেতা হওয়ার। বর্তমানে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থনীতির গবেষক ও Antonym পত্রিকার আর্ট এডিটর। স্ত্রী ও কন্যার সঙ্গে আমেরিকার সিনসিনাটির বাসিন্দা।
View Posts →
1 posts
সুধীরঞ্জন মুখোপাধ্য়ায় বিশিষ্ট শিল্পী। আদতে চন্দননগরের মানুষ হলেও ছাত্রাবস্থা থেকেই শান্তিনিকেতনে। নিজে রবীন্দ্রভারতী ও কলাভবনের ছাত্র ছিলেন। পরে দীর্ঘসময় বিশ্বভারতীতে শিক্ষকতা করে অবসর গ্রহণ করেছেন। আলপনা নিয়ে তাঁর কাজ ও গবেষণা সর্বজনবিদিত। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ছোটদের ছড়া নিয়ে তাঁর বই 'পুরনো ছড়া নতুন ছবি'।
View Posts →
1 posts
পাওয়ার ইলেক্ট্রনিকস নিয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং করে একটি বিদেশি কোম্পানিতে ৫ বছর চাকরি করেছেন লেখিকা। বর্তমানে কমপিউটার অ্যাকসেসরিজের ব‍্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ভালোবাসেন ঘুরে বেড়াতে, ট্রেক করতে, ছবি তুলতে এবং রান্না করতে।
View Posts →
1 posts
জয়ন্ত ভট্টাচার্য্য জন্মসূত্রে পশ্চিমবঙ্গের চুঁচুড়ার, পড়াশুনা শিবপুর বি ই কলেজে আর কর্মসূত্রে আমেরিকায় প্রায় পঁচিশ বছরের প্রবাস জীবন। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, নেশা গান-বাজনা। নানারকম সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িয়ে রাখতে ভালোবাসেন।
View Posts →
1 posts
প্রফেসর ডক্টর দেবাশিস বসু কলকাতার বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে প্রফেসর এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
View Posts →
1 posts
গৈরিকের জন্ম গঙ্গাতীরের উত্তরপাড়া শহরে। সেতার শিখেছেন 'ইমদাদখানি' ঘরানায়। পৈতৃকসূত্রে গৈরিক পেয়েছেন বাগান করার শখ। বিশেষত কণ্টকপণী। সবুজ কোনোদিনই তাঁর পিছু ছাড়েনি, তিনিও না। কৈশোর ও যৌবনে তিরন্দাজির জাতীয় প্রতিযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বেশ কয়েকবার। ১৯৮০ সালে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলা দলের। গাছ, ফুল, বাগানের সঙ্গে গৈরিক ভালোবাসেন জীবজন্তু, পশুপাখিও। লেখেনও গাছপালা এবং জীবজন্তু নিয়ে। মূলত প্রবন্ধই। চাকরি জীবন ইস্পাত কারখানায় শুরু। পরে চলে আসেন তাঁর স্বপ্নের জীবিকা শিক্ষকতায়। সেখানেও আজ তিন দশক। শিশু মনস্তত্ত্ব ও আধুনিক সমাজে শিশুর সমস্যা নিয়ে চর্চা করেন গৈরিক।
View Posts →
1 posts
নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৮৬১ – ১৯৪০) মোতিহারী-বিহার। আদি নিবাস হালিশহর-চব্বিশ পরগনা।। মথুরানাথ। খ্যাতনামা সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। ১৮৭৮ খ্ৰী. জেনারেল অ্যাসেমব্লীজ ইনস্টিটিউট থেকে প্রবেশিকা পাশ করে লাহোরে কিছুকাল শিক্ষকতা করেছিলেন। ১৮৮৪ খ্রী. করাচীর ‘ফিনিক্স’ পত্রিকার সম্পাদক হন। ১৮৯১ খ্রী. লাহোরের ‘ট্রিবিউন’ ও ১৯০৫ খ্ৰী. এলাহাবাদের ‘ইন্ডিয়ান পিপল’ নামক সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদনা-কাৰ্য পরিচালনা করেন। ১৯০১ খ্রী. তিনি ও ব্ৰহ্মবান্ধব উপাধ্যায় ‘দি টোয়েনটিয়েথ সেঞ্চুরী’ নামে একটি ইংরেজী মাসিকপত্ৰ প্ৰকাশ করেন। ‘ইন্ডিয়ান পিপল’ পত্রিকা দৈনিক ‘লীডার’-এর সঙ্গে মিলিত হলে তিনি তার যুগ্ম-সম্পাদক হন এবং পুনর্বার ১৯১০ খ্রী. থেকে দু’বছর ‘ট্রিবিউন’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। কিছুদিন ‘প্ৰদীপ’ ও ‘প্ৰভাত’ পত্রিকারও সম্পাদক ছিলেন। প্রথম জীবনে ‘স্বপন সঙ্গীত’ গীতিকাব্য (১৮৮২) এবং পরে ‘সাহিত্য’ ও ‘ভারতী’ পত্রিকার জন্য বহু ছোট গল্প ও কয়েকটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন। বৃদ্ধ বয়সে বন্ধু রবীন্দ্রনাথের কয়েকটি কবিতার ইংরেজী তৰ্জমা গ্ৰন্থাকারে প্রকাশ করেন। তার অমর কীর্তি দ্বারভাঙ্গা মহারাজের অর্থসাহায্যে ‘বিদ্যাপতি’ ও ‘গোবিন্দদাস ঝা’র পদাবলীর সম্পাদনা ও সঙ্কলন প্ৰকাশ। রচিত উল্লেখযোগ্য গ্ৰন্থ : ‘পর্বতবাসিনী’, ‘অমরসিংহ’, ‘লীলা’ এবং ‘জীবন ও মৃত্যু’।
View Posts →
1 posts
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক, ও গল্পকার। তিনি দক্ষিণ এশিয়া এবং বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তার অনেক উপন্যাস ভারতবর্ষের প্রধান ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার জন্য তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত। শরৎচন্দ্রের অনেকগুলি উপন্যাস চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে, এবং সেগুলো প্রচুর জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
View Posts →
1 posts
জন্ম শিলিগুড়িতে হলেও বেড়ে ওঠা হাওড়ার বালিতে। মফসসলের জীবন থেকে বেঁচে থাকার সংগ্রহ করা চলত প্রতিনিয়ত। সেগুলোই এক দিন কবিতা হয়ে ওঠে। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে সংস্কৃতে স্নাতক এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। পড়া শেষ করে যোগ দেন সাংবাদিকতায়। বর্তমানে আনন্দবাজার পত্রিকায় কর্মরত। ভালবাসেন শব্দ দিয়ে মানুষের কথা লিখে রাখতে।
View Posts →
1 posts
দেবাশিস দাশগুপ্ত প্রায় সাড়ে তিন দশক সাংবাদিকতা করছেন। টানা পঁচিশ বছর কাজ করেছেন প্রবাদপ্রতিম সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্তের প্রতিষ্ঠিত 'বর্তমান' কাগজে। তাঁর কাছে কাজ শিখেছেন। বাবা প্রয়াত কুমুদ দাশগুপ্ত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক। কাকা বিরাজ দাশগুপ্তও ছিলেন এই পেশাতেই। ছোটবেলা থেকে সাংবাদিকতার পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠা। ৩৫ বছরে অনেক রাজনৈতিক ঘটনার সাক্ষী তিনি। দেখেছেন অনেক উত্থান পতন। অবসরে রবীন্দ্রসঙ্গীত আর লেখাপড়া নিয়ে থাকতেই ভালোবাসেন।
View Posts →
1 posts
রাহুল রায় পেশায় ক্যানসার বিশেষজ্ঞ, গবেষক। অসংখ্য গবেষণাপত্রে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি একজন চিত্রশিল্পী, বেহালাবাদক, গায়ক ও লেখক। কলকাতা এবং নিউ জার্সির একাধিক বাংলা পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করেন।
View Posts →
1 posts
বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ রম্য-লেখক।
View Posts →
1 posts
পেশা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে দেশের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন। বাস্তুতন্ত্র, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে রাজ্যের বনদপ্তর ছাড়াও নানান সংস্থার সাথে কর্মরত। পাহাড়ে-জঙ্গলে পাখি ও স্তন্যপায়ীদের জীবনশৈলীর ছবিতোলা হলো বিশেষ নেশা।
View Posts →
1 posts
মাউন্ট এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘা, অন্নপূর্ণা সহ অনেকগুলি শৃঙ্গ জয় করেছেন। ২০১২ সালে তিনি তেনজিং নোরগে ন্যাশনাল অ্যাডভেঞ্চার অ্যাওয়ার্ড পান। তিনি প্রথম বাঙালি অসামরিক এভারেস্ট আরোহী যুগলের একজন এবং প্রথম ভারতীয় অসামরিক কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহী যুগলের একজন।
View Posts →
1 posts
চার দশকেরও বেশি সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা। ১৯৮৪ সালে 'বর্তমান' পত্রিকায় যোগ দেন। পরবর্তীতে 'আনন্দবাজার পত্রিকা'র দিল্লির সম্পাদক ছিলেন। বার্তামন, এবিপি নিউজ, ইন্ডিয়া টিভিতে কাজ করেছেন। বর্তমানে ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপের কনসাল্টিং এডিটর।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৫৯ | ইংরাজি ও বাংলা দুই ভাষায় লেখেন।প্রকাশিত পাঁচটি কবিতার বই | 'বরফে হলুদ ফুল'-এর জন্য ২০০৫ সালে পেয়েছেন জসীমউদ্দিন পুরস্কার | ২০০৮ সালে সুধীন্দ্রনাথ পুরস্কার "গৃহযুদ্ধের দলিল" কাব্যগ্রন্থের জন্য। ভাষানগর পুরস্কার ২০১৭ সাল। তাঁরই প্রচেষ্টার ফসল 'উড়ালপুল' |
View Posts →
1 posts
ডা. সমুদ্র সেনগুপ্ত একজন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য আধিকারিক। তিনি দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
বাপ্পাদিত্যের জন্ম ১৯৭৬ সালে কলকাতায়। বর্তমানে বরানগরের বাসিন্দা। অর্থনীতির স্নাতক। ১৫ বছর ধরে দেশবিদেশে নানা সংস্থায় উচ্চপদে চাকরির পর ২০১৬ সাল থেকে সম্পূর্ণভাবে লেখালেখি এবং নিজস্ব উদ্যোগে মনোনিবেশ। নিয়মিত লেখেন কবিসম্মেলন, কৃত্তিবাস, একুশ শতক, উদ্বোধন, স্টেটসম্যান, প্রথম আলো, মালিনী প্রভৃতি পত্রপত্রিকায় । এ যাবৎ প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা পাঁচ। প্রথম বই ২০১৭ সালে 'খুঁজে যাই'। সে বছরই ধ্রুব সাহিত্য কহন পত্রিকা প্রদত্ত সবিতা চক্রবর্তী স্মৃতি পুরস্কারে সম্মানিত হন।
View Posts →
1 posts
মৈনাক দাস প্রতিশ্রুতিমান তরুণ কবি। জন্ম হাওড়ার ধূলাগড়ে। লেখালিখির শুরু এই দশকেই। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত তাঁর লেখা প্রকাশ পেয়ে চলেছে। তাঁর পাঠপ্রবণতা ও কবিতাচর্চা অল্প দিনের মধ্যেই সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
View Posts →
1 posts
পড়াশুনা উত্তর ২৪ পরগণা জেলার হাবড়া থানার রুদ্রপুর গ্রামে। প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক। কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন বেলপাহাড়ী যাপন। ওখানেই 'ডুংরি' সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদনা। বেশ কিছু ছোট ছোট পত্রিকায় গল্প ও কবিতা প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
1 posts
প্রাবন্ধিক, কথাসাহিত্যিক, কবি। আজীবন যুক্ত ছিলেন সমাজসেবায়। ভারতের প্রথম ডক্টরেট সুরমা দেবী তাঁর মা। রবীন্দ্র-ঘনিষ্ঠ পরিবারে জন্ম মৈত্রেয়ী দেবীর, পেয়েছেন কবিগুরুর স্নেহ-সান্নিধ্য। কবিতা লেখার মধ্যে দিয়ে সাহিত জগতে আসা, ১৯৩০ সালে প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থের ভূমিকা লেখেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মৈত্রেয়ী দেবীর বিখ্যাত আত্মজৈবনিক উপন্যাস: 'ন হন্যতে'। ১৯৬১ সালে সোভিয়েট ইউনিয়ন রবীন্দ্র শতবার্ষিকী পদকে ভূষিত করেন মৈত্রেয়ী দেবীকে। ১৯৭৬ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার, ১৯৭৭ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।
View Posts →
1 posts
রাজসী কুণ্ডু বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে স্নাতকোত্তর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। কবিতা এবং গদ্য লিখতে ভালোবাসেন এবং তাঁর কাব্য-গদ্যে নতুন শৈলীর সন্ধান করা তাঁর প্রিয় কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম।
View Posts →
1 posts
শর্মিষ্ঠা দত্ত, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের স্নাতকোত্তর। একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসংগীতে স্নাতকোত্তর এবং রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী। রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে গবেষণা করেন। বিভিন্ন সংবাদ ও সাময়িকপত্রের নিয়মিত লেখিকা এবং আকাশবাণী কলকাতার মহিলা মহলের উপস্থাপিকা। শখ স্বদেশী ও বিদেশী রান্নার নানা নিরীক্ষা।
View Posts →
1 posts
সুদীপ বসু। অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, বিশ্বভারতী। প্রাবন্ধিক এবং সমালোচক।
View Posts →
1 posts
স্বাধীন গবেষক ও প্রাবন্ধিক; রচনার মূল উপজীব্য বিষয় রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য, ক্রীড়া, সমাজভাবনা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নিবিড় অন্বেষণ।
View Posts →
1 posts
রূপক চক্রবর্তী দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা এবং লেখালেখি করেছেন একাধিক নামী বাংলা সংবাদপত্র ও পত্রপত্রিকায়। পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও কৃত্তিবাস পুরস্কার। 'কল্পতরু উৎসব', 'যখন মহাভারত লিখছিলাম', 'প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য' এই লেখকের কিছু জনপ্রিয় বই।
View Posts →
1 posts
পড়াশোনা করেছেন শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিদ্য়ালয়ে। দীর্ঘদিনের প্রবাসী চন্দনার বর্তমান ঠিকানা ওহায়ো।
View Posts →
1 posts
সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় বাংলার সর্বকালের সেরা অভিনেত্রীদের একজন। তিনি এক লড়াইয়ের মুখ। পূর্ববঙ্গের ঢাকা বিক্রমপুর থেকে শৈশবে কলকাতায় এসে ক্রমে নাটক ও পরে ফিল্মে অভিনয়ের মাধ্যমে খ্যাতির চূড়ায় ওঠেন। অভিনয় করেছেন অজস্র বাংলা ছবি ও নাটকে। টিভি ধারাবাহিকে এখনও দাপটের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। প্রথম জীবনের অপমান, লাঞ্ছনা, দারিদ্র উপেক্ষা করে তৈরি করেছেন নিজের অবিসংবাদী স্থান, ঘটিয়েছেন এক নিঃশব্দ মহাবিপ্লব।
View Posts →
1 posts
শ্রীমান ঐশিক ওরফে ক্যাপ্টেন নিমো মাসকয়েক আগেই ছয়ের গণ্ডি পেরিয়েছেন। এখন তিনি উইসকনসিনের ‘পিওয়াকি লেক এলিমেন্টরি স্কুল’-এর ফার্স্ট গ্রেডার। যে কাজটি তিনি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন সেটি হল অবিরাম বকমবকম করা। তিনি একজন সাচ্চা ডাইনোসরপ্রেমী, তাই বড় হয়ে প্যালিওন্টোলজিস্ট হতে চান। কিন্তু আপাতত চিন্তায় আছেন যে যতদিনে তিনি বড় হবেন, ততদিনে অন্যরা যদি ডাইনোসরদের সমস্ত ফসিল খুঁড়ে বার করে ফেলে, তাহলে কী হবে!
View Posts →
1 posts
পেশায় সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক। কর্মক্ষেত্র হলদিয়া কলেজ। এককালে সাংবাদিকতা করেছেন চুটিয়ে। এখন অবসর কাটে গান শুনে, বই পড়ে আর চার বছরের ছেলের সঙ্গে নানাবিধ গভীর পরামর্শ করে। নেশা ছিল ভ্রমণের। বর্তমানে অতিমারীর প্রকোপে গৃহবন্দি জীবন। পুরনো অ্যলবামের পাতা উল্টে স্মৃতি রোমন্থন। বাড়িতে টিভি নেই। তবে ওয়েব সিরিজের পোকা।
View Posts →
1 posts
রবীন পালের জন্ম ১৯৪২ সালে, কলকাতায়। অর্ধেক জীবন নানা বিদ্যায়তনে শিক্ষকতার পর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ। লেখালিখির চর্চা তাঁর জীবনের বিরাট অংশ জুড়ে। বহু গ্রন্থের রচয়িতা। ভারতবর্ষের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন শিক্ষা সম্মেলনে, সেমিনারে। গিয়েছেন পশ্চিম জার্মানতেও। বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা করেছেন দাঙ্গা, দেশভাগ ও ভারতীয় উপন্যাস বিষয়ে। এখন কলকাতায় ব্রহ্মপুরের বাসিন্দা।
View Posts →
1 posts
ভ্রমণ লেখক ও ফটোগ্রাফার।
View Posts →
1 posts
কলেজে পড়বার সময় থেকে অল্পস্বল্প লেখালেখি শুরু। অনুবাদক এবং প্রাক্তন সাংবাদিক। এখন একটি স্কুলের কাজে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
অলোক অধিকারী নতুনপল্লী পশ্চিম, মিডল রোড, সোনারপুর, কলকাতা ৭০০১৫০ মোবাইল ৯৮০৪৪ ৯৩৬৮৬ ইমেল: dishalok@yahoo.com
View Posts →
1 posts
লেখক পরিচিতি - কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়। জন্ম ১৯৬৪ সালে ব্যারাকপুরে। বাল্যকাল কেটেছে শ্যামনগরে। পেশা – ইঞ্জিনিয়ার, আপারেশন রিসার্চে এমবিএ। প্রথম একটি ছোট গল্প প্রকাশিত হয় উদিত পত্রিকায় ১৯৮৬ সালে। তারপর দীর্ঘ ১৯ বছর বিরতির পর ২০০৫ সাল থেকে নিয়মিত লিখছেন মুলত আনন্দবাজার পত্রিকার বিভিন্ন পত্রিকায়। প্রকাশিত গ্রন্থ ২৫। ছোট গল্প শতাধিক। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস : রাধিকা, আয় ঘুম, অন্তরাল, কালযাত্রী, শূন্যস্থান, রায়মঙ্গলপুর ব্যান্ড, অসমাপ্ত, প্রজ্ঞাসূত্র, বিস্মৃতি, স্পর্শ; ফুলমতী ইত্যাদি। ৫০টি ছোট গল্পের একটি সঙ্কলন প্রকাশ করেছেন আনন্দ পাবলিশার্স, আরেকটি গল্প ও প্রবন্ধের সঙ্কলন ‘গল্প গুজব‘ এই প্রকাশিত হয়েছে পত্রভারতী থেকে এবং ছোটদের গল্পের একটি সঙ্কলন প্রকাশ করেছেন মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স।
View Posts →
1 posts
শুভ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৪৮ সালে। পেশা: শিক্ষকতা ও প্রকাশনা শিল্প। সাতের দশকের কবি। ১৯৭০-এ অ্যাফ্রো-এশীয় লেখক সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৮৬ ও ১৯৮৮-তে সাহিত্য আকাদেমির 'ফেসটিভাল অফ লেটারস'-এ বাংলার কবি হিসাবে কবিতা ও আলোচনায় অংশ নেন। ১৯৬৭ থেকেই বাংলার প্রায় সমস্ত পত্রপত্রিকায় কবিতা ও প্রবন্ধ লিখেছেন। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা পাঁচ। প্রকাশের অপেক্ষায় একটি কবিতা ও একটি স্মৃতিকথা। সম্পাদিত পত্রিকা - শব্দপত্র, কালি ও কলম।
View Posts →
1 posts
কবি ও অনুবাদক শ্যামলী সেনগুপ্তের জন্ম, বেড়ে ওঠা ওড়িশার কটকে। এখন শিলিগুড়ির বাসিন্দা। বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করেন। এ পর্যন্ত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ দুটি-- 'ঘুঘুসই পর্যটন' এবং 'পতত্রী ও প্রাণপুরুষ।' দু'টি অনুবাদ সংকলন প্রকাশিতব্য।
View Posts →
1 posts
কলকাতায় জন্ম, পড়াশোনা, বড় হয়ে ওঠা। কর্মসূত্রে কানাডায়। ফিজিওলজিতে মাস্টার্স, পেশায় কানাডা সরকারের কর্মচারী, আদ্যন্ত প্রকৃতিবিলাসিনী স্বাতীর প্রথম প্রেম বাংলা ভাষা আর কবিতা। রকি পাহাড়ের সানুদেশে স্বাতীর ঘর, পাহাড়ের সঙ্গে তাঁর নিত্য পরকীয়া। নেশা বাগান করার আর মাঝে মাঝে দু'চার লাইন বাংলা কলমচারিতার। বই পড়তে, গান শুনতে, আড্ডা দিতে আর হাসতে বড্ড ভালোবাসেন স্বাতী।
View Posts →
1 posts
সুভাষচন্দ্র বসু ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক চিরস্মরণীয় কিংবদন্তি নেতা। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তিনি হলেন এক উজ্জ্বল ও মহান চরিত্র। উড়িষ্যার কটক শহরে বসু পরিবারে জন্মেছিলেন তিনি। বাবা জানকী নাথ বসু এবং মা প্রভাবতী দেবী। স্বামী বিবেকানন্দের চিন্তাধারায় অনুপ্রাণিত সুভাষ চন্দ্র বসু ছাত্রাবস্থা থেকে ইংরেজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করেন। দেশের স্বাধীনতার কাজে নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তিনি। দেশবাসী তাঁকে চেনে নেতাজি নামে।
View Posts →
1 posts
ড. অনির্বাণ জানা পেশায় শল্যচিকিৎসক।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৭৯ সালের ২৬ শে জানুয়ারি। পেশায় সরকারী আধিকারিক। নেশা ঘুরে বেড়ানো, ছবি তোলা ও লেখালেখি। মানুষ চিনতে ভালোবাসেন। তাঁর লেখায় বারেবারে উঠে আসে মধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক মানুষদের জীবনকথা। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১২ টি। 
View Posts →
1 posts
১৯৯৩ সালে জন্ম। লেখক হিসেবে সুপ্রিয়র এ যাবৎ দু'টি গদ্যপ্রয়াস— 'ধরে নেওয়া যাক', 'বেরিয়ে পড়ার ট্রেলার' এবং কাব্যপ্রয়াস 'এসেছ জন্ম পক্ষী দোহাই'। রসায়নে স্নাতকোত্তর। একটি বাংলা দৈনিকে সাব-এডিটর হিসেবে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
প্রাক্তন স্কুল শিক্ষক, লেখক...
View Posts →
1 posts
বন্দনা দাশগুপ্ত সেন, অবসরপ্রাপ্ত আমলা, স্ট‍্যাটিসটিসিয়ান, নেশায় বেড়ানো ও লেখালেখি । মাথায় একটুকুন ছিট আছে ।
View Posts →
1 posts
প্রিয়মের জন্ম ১৯৭৮-এ শান্তিনিকেতনে। পড়াশোনা বিশ্বভারতীতে। ইতিহাস এবং রবীন্দ্রসঙ্গীতে স্নাতকোত্তর এবং সঙ্গীতভবন থেকে এম ফিল। গানের হাতেখড়ি মাসি কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। গানই ধ্যানজ্ঞান। রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ্যালবামও রয়েছে বেশ কিছু। শখ, অভিনয় করা, ছবি তোলা আর লেখালিখি। বর্তমানে এলমহার্স্ট ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত।
View Posts →
1 posts
পেশায় ইন্টিরিয়র ভাস্কর ঘোষ দীর্ঘ ১৩ বছর এক বহুজাতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকার পর নিজের উদ্যোগ শুরু করেছেন। ভালোবাসেন গান শুনতে, বই পড়তে এবং খেলাধুলোর জগতের খবর রাখতে। অবসর সময় লেখালেখি করেন।
View Posts →
1 posts
বিশ্বজিৎ পাণ্ডার জন্ম ১৯৭৪-এ। পেশা অধ্যাপনা। পূর্ব বর্ধমানের আচার্য সুকুমার সেন মহাবিদ্যালয়ে পড়ান। মূলত আলোচক ও প্রাবন্ধিক। সমসাময়িক বাংলা সাহিত্য নিয়ে চর্চায় বিশেষ পারদর্শী। এযাবৎ প্রকাশিত গ্রন্থ : যৌনতা ও বাংলা সাহিত্যের পালাবদল, বাংলা লিটল ম্যাগাজিন, স্বাধীনতা-উত্তর ছোটগল্পে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম মানস, সাহিত্য সাধক উৎপল দত্ত, পথের পাঁচালির আঁকেবাঁকে, আরণ্যকের আলোছায়া। এছাড়াও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে শতাধিক প্রবন্ধ ও আলোচনা।
View Posts →
1 posts
জয়ন্ত চক্রবর্তীর পেশা সাংবাদিকতা। কখনও প্রথম সারির সংবাদপত্রের বার্তা সম্পাদক, কখনও টেলিভিশনে খবরের চ্যানেলের প্রধান সম্পাদক। জীবন শুরু ক্রীড়া সাংবাদিক হিসেবে। সংবাদপত্রের ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফুটবল, একটি ইউরোপিয়ান কাপ ও এশিয়ান কাপ কভার করেছেন। এছাড়া অসংখ্য টেস্ট সিরিজ, বিশ্বকাপ ক্রিকেটও রিপোর্টের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। এছাড়াও সঞ্চালনা করেছেন অসংখ্য টেলিভিশন অনুষ্ঠান। খেলার মাঠে ধারাভাষ্যকার হিসেবেও তাঁর পরিচিতি আছে।
View Posts →
1 posts
অবিন সেনের জন্ম ১৯৮৪ সালে হাওড়ার গ্রামে। স্কুলের ম্যাগাজিনের জন্য প্রথম কবিতা লেখা। পরবর্তীকালে কবিতার সঙ্গে সঙ্গে নিতান্ত আলগোছে লেখা হয়েছে কিছু গদ্য বা না-গল্প। সেই সঙ্গে ঐতিহাসিক ও গোয়েন্দা গল্প/উপন্যাস। চারটি বই প্রকাশিত হয়েছে এ পর্যন্ত। দু'টি গল্প সংকলন 'আয়নাঘর' ও 'পালকের ভার'। কবিতার বই 'গ্লোকাল দ্রাঘিমা' এবং রহস্য উপন্যাস 'বিষ কুয়াশা'।
View Posts →
1 posts
রিয়া বিশ্বাস কনকর্ড মিউজিকাল ইন্ডাসট্রিজ-এর বর্তমান কর্ণধার। পারিবারিক সূত্রে সঙ্গীত ও বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে ওঁর নিবিড় পরিচয়।
View Posts →
1 posts
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।
View Posts →
1 posts
বাংলা মিডিয়াম। মফঃস্বল। জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে নিজেকে অপদার্থ প্রমাণ করে মাধ্যমিকের বাংলার নম্বরটা মনে করে একটা শেষ হাত-পা ছোড়া। প্রায় একদশক ব্লগার থাকার সংযম দেখিয়ে অবশেষে ছিলা ছিঁড়ে গল্প লেখা। মূলতঃ ওয়েবজিনে। সাহস বাড়লে একদিন উপন্যাসও লিখে ফেলতে পারেন। কাজেই “মন ছুঁয়ে গেল” ইত্যাদি বলে সাহস দেওয়ার আগে দু’বার ভাবুন। পেশাকে ভালোবাসেন না, নেশা বলতে ফুচকা। ভূত বা ঈশ্বর কাউকেই বিশ্বাস করেন না; একজনকে মারাত্মক ভয় পান। কবীর সুমনের গান না শুনলে জীবনটা কেমন হত কল্পনা করার চেষ্টা করে রেগুলার ব্যর্থ হন। পাক্কা খবর রাখেন, মোবাইল ফোনই কল্কি অবতার।
View Posts →
1 posts
শতদ্রু মজুমদার মূলত গল্পকার। কলেজ জীবন থেকেই লেখালিখি।বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রতিটি দৈনিক সংবাদপত্রেই তিনি গল্প লিখেছেন, এছাড়াও উল্লেখযোগ্য পত্রপত্রিকা যেখানে গল্প লিখেছেন সেগুলি হল- 'অনুষ্টুপ', 'পরিচয়', 'চতুরঙ্গ', 'গল্পগুচ্ছ', 'একুশ শতক', 'এবং সায়ক', 'গোধূলি মন' প্রভৃতি। 'সানন্দা', 'সন্দেশ', 'শুকতারা', 'নবকল্লোল', 'প্রসাদ', 'শনিবারের চিঠি' ইত্যাদি অজস্র পত্রিকায় ছোটগল্প ও অনুগল্প লিখেছেন। গল্পগ্রন্থ দশটি। তার মধ্যে ছোটদের গল্পসংকলন চারটি, প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ 'আগাছার জন্ম বৃত্তান্ত'। অনুগল্প সংকলন 'নামমাত্র' মাত্র ছয় মাসেই ২০০ কপি নিঃশেষিত, দ্বিতীয় মুদ্রণ প্রকাশের অপেক্ষায়। এছাড়াও প্রবন্ধ, রম্যরচনা এবং ফিচারও লিখেছেন। তাঁর সৃষ্ট এক বিশেষ চরিত্র কাঁদন পরামানিক যাকে নিয়ে লেখা গল্পের সংখ্যা প্রায় একশো। মুদ্রিত উপন্যাসের সংখ্যা তিনটি, গ্রন্থভুক্ত হয়নি। পুরস্কার - গল্পমেলা পুরস্কার (২০০০), অন্তর্বীজ কিশোর সাহিত্য (২০০৩)
View Posts →
1 posts
স্কটিশ চার্চ কলেজে ইংরেজি-সাহিত্যের লেকচারার হিসাবে পেশাদার জীবন শুরু, পরে বাংলার প্রথম সারির দৈনিকেও নিজের প্রতিভার সাক্ষর রেখেছেন। তাঁর লেখা বইগুলির মধ্যে ‘কাদম্বরীদেবীর সুইসাইড-নোট’, ‘গিরিশ ও বিবেকানন্দ’, ‘প্রাণসখা বিবেকানন্দ’, ‘নায়ক রবি’ পাঠকদের কাছে সাদরে সমাদৃত। একেবারে সাম্প্রতিক কালে লেখা রঞ্জনের 'রোববার লাইব্রেরি খোলা', 'মায়াবী টেবিল', 'গদ্য সমগ্র(৩ খন্ড)', 'অবৈধ নিষিদ্ধ', 'উদভ্রান্ত ভালবাসার সর্বনাশ,' 'অখন্ড কাদম্বরী', 'একটি গোলাপি ও একটি বাদামি নায়িকার কাহিনি' এবং আত্মজীবনী 'আমার জীবন রঙের তাস' পাঠক মহলে সাড়া ফেলেছে।
View Posts →
1 posts
অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ , বিশ্বভারতী। চর্চার ক্ষেত্র- রবীন্দ্রসাহিত্য ও বাংলার শিল্প।
View Posts →
1 posts
গৌরব চট্টোপাধ্যায় গাবু নামেই কলকাতার সঙ্গীতপ্রেমীদের মধ্যে জনপ্রিয়। বাংলা রক ব্যান্ড লক্ষ্মীছাড়ার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য গাবুর বাবা গৌতম চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা নিউ ওয়েভ মিউজিকের পথিকৃৎ। ইন্দো-জ্যাজ ব্যান্ড কেন্দ্রাকা-র সঙ্গে যুক্ত গৌরব নিজেও বিক্রম ঘোষ, পূর্বায়ন চট্টোপাধ্যায়, দেবাশিস ভট্টাচার্যের মতো খ্যাতনামা শিল্পীদের সঙ্গে ড্রামস বাজিয়েছেন। গাবুকে বাংলা ছবির সঙ্গীত পরিচালকের ভূমিকাতেও দেখা যায়।
View Posts →
1 posts
আকাশবাণী ও দূরদর্শনের প্রাক্তন বার্তা সম্পাদক। সম্পাদনার কাজ করেছেন সংবাদ-সাপ্তাহিক ও দৈনিকেও। যাদবপুর, কলকাতা, বর্ধমান ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস কমিউনিকেশন বিভাগে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছেন। কলকাতা বেতারের ইতিহাস, সম্প্রচারের ভাষা ও বেতার সাংবাদিকতা বিষয়ে একাধিক গ্রন্থ সম্পাদনা করেছেন।বর্তমানে 'নান্দীপট' নাট্যপত্রের সম্পাদক।
View Posts →
1 posts
সুমনা নৃত্যশিল্পী। প্রথাগত কথক তালিমের পাশাপাশি আধুনিক নৃত্যশৈলি বিশেষত উদয়শংকর ঘরানা নিয়ে চর্চারত। গত সাত বছর বেইজিং ও জাপানের বিভিন্ন অঞ্চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেছেন। বর্তমানে টোকিও বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
আলোচক সায়ন কুমার দে নিজেকে শুধুমাত্র পাঠক বলতে চান। বই সম্পর্কে সামান্য কিছু কথা বলেন শুধুমাত্র অন্য গ্রন্থরসিকের সঙ্গে ভাববিনিময় হবে বলে। শিবপুর বি. ই কলেজের প্রাক্তনী। গ্রন্থসংগ্রাহক, গ্রন্থকীটও বটে। সঙ্গীত ও চিত্রপ্রেমী। বইয়ের ব্যাপারে সর্বভুক, এবং আদৌ স্বল্পাহারী নন। সায়নের ছবি: বিল্টু দে
View Posts →
1 posts
শ্রীরামপুরের বাসিন্দা মৃদুল দাশগুপ্ত এই সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ কবি। লেখালেখির শুরু সত্তরের দশকে। কলকাতার একাধিক সংবাদপত্রে সাংবাদিকতা করেছেন। ২০০০ সালে 'সূর্যাস্তে নিমিত গৃহ' কাব্য গ্রন্থের জন্য পশ্চিমবঙ্গ বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ২০১২ সালে 'সোনার বুদবুদ' কাব্যগ্রন্থের জন্য রবীন্দ্র পুরষ্কার লাভ করেন।
View Posts →
1 posts
অন্বেষা দত্ত দীর্ঘ চোদ্দো বছর সাংবাদিকতা করেছেন আনন্দবাজার পত্রিকায়। বর্তমানে কলকাতার দু'টি অন্যতম প্রধান লাইফস্টাইল পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্যের ছাত্রী অন্বেষার অবসর খুবই কম। অফিস, বাড়ি এবং আট বছরের ছেলের সব দায়দায়িত্ব সামলেও ভালবাসেন বই পড়তে, বেড়াতে যেতে, আড্ডা দিতে এবং ওয়েব সিরিজ দেখতে।
View Posts →
1 posts
শুভজিৎ রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি ফলিত কলা বিভাগে স্নাতকোত্তর পাঠরত।বিভিন্ন ধরনের ইলাস্ট্রেশন, কার্টুন, ক্যারিকেচার, পোট্রেট ও অ্যানিমেশন পছন্দ করেন। অবসরযাপনেও এসব করতেই ভালবাসেন। ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে পেশাদারিভাবে অ্যানিমেশন নিয়ে কাজ করার।
View Posts →
1 posts
দেবমাল্য সাঁই গণিত-গবেষক। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স, বেঙ্গালুরুতে তিনি পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতক দেবমাল্য জগদীশ বসু ন্যাশনাল সায়েন্স ট্যালেন্ট সার্চ প্রোগ্রামেও অংশ নিয়েছেন। গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ত লেখালেখি তাঁর পছন্দের। আর ভালোবাসেন ফুটল। মোহনবাগানের একনিষ্ঠ সমর্থক।
View Posts →
1 posts
লেখক আই আই টি খড়্গপুর থেকে এম টেক ও পরে আই আই টি দিল্লী থেকে এম বি এ করেছেন ও এম আই টি থেকে সার্টিফিকেশন কোর্স ও করেছেন। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা ও সেখানেই কর্মরত। উনি ওখানকার বাংলা সংস্কৃতি জগৎ ও বাঙালি কম্যুনিটির সক্রিয় সদস্য। লেখক ইতিমধ্যেই বেশ কিছু কবিতা, ছোট গল্প, গান, চিত্রনাট্য, ছোট নাটক লিখেছেন। ওনার লেখা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত মুখ। ইউটিউবে ওনার লেখা গান গেয়েছে সানফ্রান্সিস্কো বে এরিয়ার বিখ্যাত বাংলা ব্যান্ড - বং কানেকশন।
View Posts →
1 posts
পেশায় অর্থনীতিবিদ। প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা। দুই দশকের ওপর ধরে ইকনমিক পলিসি রিসার্চ- জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরের প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত। কর্মজীবনের শুরু কলকাতায়, তারপর কর্মসূত্রে দিল্লি, গুরগাঁও এবং বর্তমানে মুম্বই। সার্ক সদস্য দেশের মধ্যে আয়োজিত ‘দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ক প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় শীর্ষ স্থান অধিকার করে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়েছেন। অবসরের সঙ্গী লেখালেখি এবং গান। ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ইংরেজি কবিতার বই ‘Thoughts to Words’ (২০২০) এবং বাংলা কবিতার বই ‘টুকরো কথা’ (২০২৩)। কবিতা ও ছড়া লেখার সঙ্গে সঙ্গে লিখছেন গল্প। হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, রবীন্দ্রসঙ্গীত এবং অন্য ধারার বাংলা গানে দীর্ঘদিন শিক্ষা লাভ করেছেন। রবীন্দ্রসঙ্গীতের মিউজিক অ্যালবাম প্রকাশিত হয় ২০১৫ তে।
View Posts →
1 posts
ভ্রমণ ভাবনায় “বেদুইন”। দীর্ঘ ৩০ বছরের সখ্যতা সাগর, জঙ্গল, মরু ও পাহাড়ি পদাতিক পথের সাথে। কলমের যোগ বিভিন্ন ভ্রমণ মুলক পত্রিকায়। প্রিয় ফুটবলের হাত ধরে ময়দানে পা রাখা। বাংলার প্রতিনিধিত্ব করে পূর্ব রেলে পেশায় প্রবেশ। ভালবাসায় ফটোগ্রাফি, সাইক্লিং ও সঙ্গীত। ট্র্যাভেল রাইটার্স ফরামের সদস্য।
View Posts →
1 posts
ছেলেবেলা থেকেই নেশা পর্বতারোহণ। আদতে চন্দননগরের বাসিন্দা। মায়ের কাছে এডমণ্ড হিলারি আর তেনজিং নোরগের গল্প শুনে পাহাড়ে যাওয়ার বায়না। তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিযাত্রী, যিনি অক্সিজেন ছাড়াই এভারেস্টের প্রায় শীর্ষ পর্যন্ত ও বিনা অক্সিজেনে লোৎসে শৃঙ্গ আরোহণ করেন।
View Posts →
1 posts
ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার, পেশায় ফটো সাংবাদিক। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে বেশ কয়েকটি পুরষ্কার জিতছেন। ২০১৫ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ইওর শট বইতে ছবি প্রকাশিত হয়। ২০২০ সালে সিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল অসাধারণ শিল্পকর্মে পুরস্কৃত। আরবান ইন্টারন্যাশনাল প্রতিযোগিতার বই প্রকাশিত হয়েছে ২০২১ সালে। সিগমা গ্র্যান্ড কনটেস্ট স্ট্রিট ক্যাটাগরির বিজয়ী ২০২১ সালে। ২০২২ সালে আইপিওওয়াই ইন্ডিয়ান ফটো ফেস্টিভ্যাল ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার স্ট্রিট ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত।
View Posts →
1 posts
সেলিম মণ্ডল থাকেন নদিয়ার চাপড়ায়। ‘তবুও প্রয়াস’ ও ‘ফারেনহাইট' পত্রিকা সম্পাদনার পাশাপাশি কবিতা, গদ্য, গল্প লিখে থাকেন। গ্রাম-বাংলার আনাচে-কানাচে ঘুরতে ভালোবাসেন। লোকসংস্কৃতির প্রতি রয়েছে তাঁর বিশেষ আগ্রহ। লেখালেখি ও পত্রিকা সম্পাদনার জন্য কয়েকটি পত্রিকা থেকে পেয়েছেন বিশেষ সম্মাননা।
View Posts →
1 posts
খ্যাতনামা নাট্য ব্যক্তিত্ব ও অন্য থিয়েটার নাট্যদলের প্রতিষ্ঠাতা। একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। সঙ্গীত নাটক একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত। 'নাটক নিয়ে' এবং 'থিয়েটার যা দেখা তা নিয়ে লেখা' ওঁর দুটো জনপ্রিয় বই।
View Posts →
1 posts
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর্কিটেকচার নিয়ে পড়াশোনা করে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন ইন্টিরিয়র ডিজাইনিং। সর্বক্ষণের সঙ্গী ক্যামেরাটা কাঁধে ঝুলিয়ে প্রায়ই বেরিয়ে পড়েন। কখনও সেই বেরিয়ে পড়া হয় আগাম প্ল্যানমাফিক, আবার কখনও উদ্দেশ্যহীন মর্জিমাফিক। সৌরভের পছন্দ ল্যান্ডস্কেপ ও পোর্ট্রেট।
View Posts →
1 posts
সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে সমাজতত্ত্ব বিভাগে স্নাতকস্তরে পাঠরতা রুচিরা ছবি আঁকার পাশাপাশি, কবিতা ও গদ্য লেখেন। লোকসংগীত এবং নাটক নিয়ে নিয়মিত চর্চা করেন। সম্পাদনা করেছেন ছোটদের আশ্চর্য পত্রিকা ‘এলোমেলো’। শখ ট্রেক করা এবং দোতারা বাজানো।
View Posts →
1 posts
বর্ণিণী প্রেসিডেন্সীর প্রাক্তনী। তারপর সাংবাদিকতায় আসা। চাকরির ফাঁকে রবীন্দ্রসঙ্গীতে স্নাতকোত্তর। দীর্ঘ ১৪ বছর সাংবাদিকতা করছেন। বাংলার একটি অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদপত্রে বহুবছর কাজ করেছেন, কখনও ছোটদের পাতার দায়িত্বে, কখনও বা মেয়েদের বিশেষ পাতার দায়িত্বে। গান শোনা, গান গাওয়া, বই পড়া এবং নানা ধরনের মিষ্টি খাওয়াতে আগ্রহ।
View Posts →
1 posts
লেখক ও গবেষক অনিতা বসু দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াতে ভারতীয় হিন্দু সংস্কৃতির প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করছেন। এর পাশাপাশি পটচিত্র ও বয়নশিল্প নিয়েও তাঁর গভীর আগ্রহ ও চর্চা। থাইল্যান্ডে থাকাকালীন ব্যাংকক ন্যাশনাল মিউজিয়ামে তিনি একমাত্র ভারতীয় ট্যুর গাইড হিসেবে নজির গড়েছেন।
View Posts →
1 posts
ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি-র কর্মী।
View Posts →
1 posts
জন্ম- ১৯৮০, একদা পেশা ছিল যথাক্রমে শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতা। বর্তমানে মান্দাস প্রকাশনা সংস্থার প্রকাশক।
View Posts →
1 posts
গোপাল বিশ্বাস (৭৯) পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। ২০০৭-এ স্টিল অথরিটি (SAIL) থেকে অবসর নিয়েছেন। বিভিন্ন জিনিস সংগ্রহের এবং সংগৃহিত জিনিস নিয়ে লেখালেখির শখ। INTACH-এর আমন্ত্রণে ২০১৯ সালে গ্র্যান্ড হোটেলে Heritages of Calcutta Hotels and Restaurants বিষয়ে প্রেসেন্টেশন দিয়েছেন। ২০০৮ -২০১৭ বেশ কয়েকবার ন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল একজিবিশানে Postal History of India উচ্চপ্রশংসিত ও পুরস্কৃত। এই বছরের (২০২৫) শুরুতে, কলকাতা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে চিঠিপত্র ও ম্যাচ লেবেলের প্রদর্শন। বহুবিধ বিষয়ের মধ্যে সংগ্রহের ও অনুসন্ধানের বিষয়, কলকাতার ইতিহাস, বাংলা চলচ্চিত্র, ম্যাচ লেবেল, বিখ্যাত মানুষদের চিঠিপত্র, ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়, কলকাতা আর বাংলা সম্বন্ধে যা কিছু। চাকরি সূত্রে প্রথম জীবন কলকাতার বাইরে, আর গত ৩০ বছর কলকাতায় সস্ত্রীক অবস্থান। দুই কন্যা বিদেশে উচ্চপদে কর্মরত।
View Posts →
1 posts
গ্রন্থাগারিকের পেশায় যুক্ত। ভালবাসি পাগলের মতো নিজের দেশ দেখতে আর সেইসব জায়গার ছবি তুলতে। বই পড়তে। বর্তমানে ভ্রমণমূলক বই পড়তেই বেশি ভাল লাগে। 'অপরাজিত' সাহিত্যপত্র নামে একটি লিটল ম্যাগাজিনের সম্পাদকীয় সদস্য প্রায় ২৪ বছর। সেই সূত্রে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
1 posts
১৯৮৫ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস। গত পাঁচিশ বছর আছেন ডেট্রয়ট শহরে। পেশায় মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর প্রফেসর। জন্ম ও ছোটবেলা কেটেছে কদমতলা, হাওড়ায়। পড়াশোনা খড়্গপুর আই. আই. টি. ও আইওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে। নেশার মধ্যে ছবি তোলা ও ছবি আঁকা, লেখা লেখি, ঘুরে বেড়ানো, নাটক ও পলিটিক্স। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রে রাজনৈতিক পরিবর্তন আনার কাজে বিশেষ ভাবে জড়িত।
View Posts →
1 posts
পিয়ালী বিভিন্ন বাণিজ্যিক পত্রিকা এবং চড়ুইপত্রে গদ্য এবং পদ্য লিখে চলেছেন অনেকদিন ধরে। ছবি আঁকা তাঁর প্রতিদিনের যাপনের মধ্যে পড়ে। বই এবং পত্রপত্রিকায় প্রচ্ছদ এবং অলঙ্করণের কাজও খুব কম নয়। বেড়াতে বা ট্রেকিংয়ে গিয়ে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা নোটখাতায় লেখা এবং ছবি আঁকার অভ্যেস কলেজজীবন থেকেই। ভূগোলের এই শিক্ষিকা ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে মাঠে-ঘাটে গাছ পুঁতে বেড়ান। প্রিয় শখ বইপড়া, সিনেমা দেখা।
View Posts →
1 posts
লেখক বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। পেশাগতভাবে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত।লিখতে ভালবাসেন। তারচেয়েও বেশি পড়তে ভালবাসেন। শখের তালিকায় সর্বাগ্রেও বই পড়া। অবসর যাপন করেন সিনেমা দেখে, কখনও কবিতা পড়ে। বিভিন্ন পত্রিকা ও ব্লগে লেখেন। 'গল্পকুটির'পত্রিকার সম্পাদনার সাথে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
রোনক বন্দ্যোপাধ্যায় লালমাটির সন্তান। তাঁর জন্ম বাঁকুড়ার বিবড়দা গ্ৰামে। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কলেজে পাঠরত। পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটবেলা থেকে লেখালেখির প্রতি গভীর আগ্ৰহ। এই সময়ের বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে নিয়মিত কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হয়।
View Posts →
1 posts
ডাঃ শ্রুতি গোস্বামী পেশায় বাংলার অধ্যাপক। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ তাঁর কর্মক্ষেত্র। নিজের পড়াশোনা প্রেসিডেন্সি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। শ্রুতির চর্চা ও আগ্রহের বিষয় বিবিধ। কথাসাহিত্য, নারীর লেখনী, সাহিত্যের রাজনৈতিক সম্পৃক্তি কিংবা প্রাচ্য অলংকার শাস্ত্র- তাঁর বিচরণক্ষেত্র। বাংলা কমিকস ও তার নানান দিক সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গবেষণামূলক নিবন্ধ ইতোমধ্যেই নানান পত্রিকায় প্রকাশিত। এ বিষয়ে বক্তৃতাও দিয়েছেন দিল্লি ও ইন্দ্রপ্রস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ে। শ্রুতি একজন পেশাদার সঙ্গীতশিল্পীও বটে।
View Posts →
1 posts
ছবি তুলতে ভালোবাসেন।
View Posts →
1 posts
ডাক্তার, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ। শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
শান্তনু (শানু) ঘোষের প্রিয় সঙ্গী ক্যামেরা। স্ট্রিট, ট্র্যাভেল ও ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফি তাঁর ছবি তোলার মূল বিষয়। ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল, ই-কমার্স, ইন্টেরিয়র, রিয়েল এস্টেট এবং ফুড ফটোগ্রাফিতে রয়েছে সুদীর্ঘ ১২ বছরের অভিজ্ঞতা। জীবনের দামি মুহূর্তগুলিকে লেন্সবন্দি করার চেষ্টায় নিয়োজিত থাকেন সর্বক্ষণ।
View Posts →
1 posts
অর্থনীতির অধ্যাপিকা ঊর্মিলা সেন ১৯৯৭ সাল থেকে সুরেন্দ্রনাথ সান্ধ্য মহাবিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ওঁর লেখালেখি একাধিক পত্রপত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে। আবৃত্তি ওঁর নেশা। বর্তমানে তিনি নিউ টাউন বইমেলার সভাপতি।
View Posts →
1 posts
ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির মধ্যে জীবনের অর্থ খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পারিজাত। ইতিমধ্যেই তাঁর বহু লেখা নানা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত এবং সমাদৃত। কলকাতা থেকে প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন, উপন্যাস, কবিতা মিলিয়ে তাঁর বইয়ের সংখ্যা পাঁচ। গত চার বছর বিবাহসূত্রে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের বাসিন্দা।
View Posts →
1 posts
মধুশ্রী মৈত্র তাঁর কর্মজীবনে ছিলেন কলকাতা দূরদর্শনের প্রোগ্রাম এগজিকিউটিভ। অবসর নিয়েছেন অনেক বছর হল। এখন এই সাতাত্তরে পৌঁছে লেখালিখি আর গানই তাঁর মুখ্য অবলম্বন। বাবা ছিলেন বিখ্যাত গীতিকার অমিয় বাগচি। তাই লেখা ও সুর দুইই তাঁর রক্তে। একাধিক লিটল ম্যাগাজ়িন ছাড়াও মনোরমা, সাপ্তাহিক বর্তমান, যুগশঙ্খ, বাংলা স্টেটসম্যানে নিয়মিত লেখেন।
View Posts →
1 posts
গৌতম চক্রবর্তীর জন্ম ১৯৭৩ সালে ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুরে। সফটঅয়্যার প্রোগ্রামার হিসেবে কর্মজীবনের শুরু। এখন পেশায় সফটঅয়্যার মার্কেটিং ম্যানেজার। বর্তমানে কলকাতাবাসী। কিছু সময়ের জন্য 'একালের রক্তকরবী' পত্রিকার সহ-সম্পাদকের ভূমিকা পালন করেছেন। মূলত ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
View Posts →
1 posts
ফুয়াদ হাসানের জন্ম ১৯৭৯ সালে, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি গ্রামে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করার পর শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। বর্তমানে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সিটি কর্পোরেশন মহিলা কলেজে বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন। কবিতা লেখার শখ বরাবরই। প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা চার। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য: রাফখাতার কাটাকুটি, কাঁটাতারে কারাগারে।
View Posts →
1 posts
লেখক পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা। কর্মসুত্রে দীর্ঘ কুড়ি বছর দিল্লিবাসী। তবুও বাংলা থেকে দূরে নন। কবিতা লেখার শুরু স্কুলজীবন থেকেই। দীর্ঘদিন 'এবং এখন' লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেছেন। বিভিন্ন পত্রিকা আর অনলাইন ম্যাগাজিনের নিয়মিত লেখক।
View Posts →
1 posts
চর্ম চিকিৎসক।
View Posts →
1 posts
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, প্যাথলজিস্ট, কবি ও লেখক।
View Posts →
1 posts
আর্যনীল মুখোপাধ্যায়ের জন্ম কলকাতায়, পড়াশোনা সাউথ পয়েন্ট স্কুলে। পরে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও আইআইটি খড়গপুরে। আর্যনীল মূলত কবি। এছাড়াও তিনি প্রাবন্ধিক, অনুবাদক, সম্পাদক, তত্ত্বাবধায়ক, ও চিত্রনাট্যকার। মহাকাশ প্রযুক্তিতে পিএইচডি আর্যনীলের পেশাগত ক্ষেত্র– কারিগরি গণিত। সম্পাদনা করেন The MUD Proposal ও কৌরব অনলাইন। 'কৌরব' পত্রিকার সম্পাদনা করেছেন দীর্ঘদিন। তাঁর আটটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনসিনাটির বাসিন্দা।
View Posts →
1 posts
দীপান্বিতা সরকার শূন্য দশকের কবি। জন্ম ও বসবাস দক্ষিণ কলকাতায়। পড়াশোনা ইংরাজি সাহিত্য নিয়ে। পেশা কন্টেন্ট রাইটিং এবং শিক্ষকতা। সঙ্গীতে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। গান শোনা, নাটক দেখা, গান করা অন্যতম শখ। ছোটবেলা থেকেই কবিতায় আগ্রহ, ২০ বছর বয়স থেকে লেখালেখি শুরু। ২০১১ সালে প্রথম বই 'ঝিমরাতের মনোলগ' প্রকাশিত হয়। তারপরের প্রকাশিত বইগুলি হলঃ 'একান্ন থানের নাও' (২০১৩), 'পাশের উপগ্রহ থেকে' (২০১৫), 'ইতি গন্ধপুষ্পে' (২০১৬), 'হিমঝুরি' (২০১৭) এবং 'কুশের আংটি' (২০১৮), প্রাণান প্রাণেষু (২০২৪) পুরস্কার : বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ভাস্কর চক্রবর্তী স্মৃতি পুরস্কার, আদম সম্মাননা, বিনয় মজুমদার স্মৃতি পুরস্কার, বৃষ্টিদিন পুরস্কার ইত্যাদি
View Posts →
1 posts
মানস আজন্ম মালদহের বাসিন্দা। জেলাকে চেনেন হাতের তালুর মতো। পেশায় সাংবাদিক। নেশায় মানবাধিকার কর্মী। মালদহেই ‘রূপান্তরের পথে’ নামে সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশনার সঙ্গে সক্রিয় ভাবে জড়িত। অবসরে পরোপকার করে বেড়াতে সবচেয়ে ভালোবাসেন।
View Posts →
1 posts
শীর্ষেন্দু মজুমদার বোলপুর কলেজে ইংরেজির এ্যসোসিয়েট প্রফেসর। আকরগ্রন্থ Yeats and Tagore: Cross-cultural Poetry, Nationalist Politics, Hyphenated Margins and the Ascendancy of the Mind ( Dublin & Palo Alto, 2013)। আগ্রহের বিষয় আইরিশ সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস, ইয়েটস, রবীন্দ্রনাথ, অনুবাদ ও অনুবাদ তত্ব, মুদ্রনের সংস্কৃতি। ট্রিনিটি কলেজ ডাব্লিনে ভিজিটিং রিসার্চ ফেলো ছিলেন ২০১৮-১৯- এ। একাধিক বিদেশী প্রকাশনায় কনসালট্যন্ট রিডার হিসেবে যুক্ত।
View Posts →
1 posts
চিত্র সংগ্রাহক ও স্বাধীন আর্ট কিউরেটর। দেশে এবং বিদেশে ছবির প্রদর্শনীর আয়োজন করেছেন। যোগেন চৌধুরী, আকবর পদমসী, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, অমলাশঙ্কর প্রমুখ শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছেন।
View Posts →
1 posts
পেশায় অধ্যাপক বিনতা রায়চৌধুরী গল্পকার ও ঔপন্যাসিক হিসেবে জনপ্রিয়। কবিতা ও প্রবন্ধ লেখাতেও সমান দক্ষ। নিয়মিত বিখ্যাত সাহিত্যপত্রগুলিতে ওঁর লেখা প্রকাশিত হয়। যাপনলিপি, তূণীরে তিনটি তীর, আলোর রাত আঁধার রাত, নিঃশব্দ জলরব, তোমাকে ছুঁয়ে, ছকের বাইরে ওঁর কিছু প্রকাশিত বই।
View Posts →
1 posts
হিরণ মিত্রের জন্ম ১৯৪৫ সালে খড়গপুরে। মধ্য কৈশোরেই কলকাতাবাসী এবং আর্ট কলেজের পাঠ। তাঁর ছবি বরাবরই বিমূর্ত অথচ বাঙ্ময়। চলচ্চিত্র থেকে টেলিভিশন, মঞ্চ থেকে সাহিত্য, কাজ করেছেন সব ক্ষেত্রে। সমসাময়িক বাংলা প্রচ্ছদ জগতে হিরণ মিত্রের নাম একমেবাদ্বিতীয়ম। বাস্তবতা ও সময়ের গোধূলিলগ্নে দাঁড়িয়ে তুলি হাতে সতেজ টান দিয়ে সৃষ্টি করে চলেছেন একের পর এক মাস্টারপিস।
View Posts →
1 posts
প্রয়াত পার্থ বসু মূলত কবি, গদ্য লিখেছেন সামান্যই। সাতের দশক থেকেই প্রকাশিত হয়ে চলেছিল তাঁর কবিতাবই। বইয়ের নামগুলি আশ্চর্যজনকভাবেই দীর্ঘ রাখতে ভালবাসতেন। ‘ব্যাঙ প্রথামত জিভটাকে উল্টে নেয়’, ‘নারী বশীরকণ জানে না’, ‘কবিতা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর’, ‘দিদিমণি শূন্য দিন ও ঢ্যামনা কবিতাগুচ্ছ’ তাঁর অন্যতম। চাকরি করতেন ব্যাঙ্কে। বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশ নিয়ে তাঁর আবেগ ও উদ্বেগ ছিল বিস্ময়কর। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে, কোভিড নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
View Posts →
1 posts
এমডি। সাইকিয়াট্রিতে প্রশিক্ষণরত।
View Posts →
1 posts
লেখক সুব্রত ঘোষ, বিদ্যাসাগর মহাশয়ের সহযোগী ও বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী নগেন্দ্র নাথ ঘোষ ( N.N Ghose)-এর প্রপৌত্র । হিন্দু স্কুল থেকে শিক্ষা শুরু করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কর্মজীবনে বর্তমানে ব্যাঙ্কের অফিসার। তাঁর একান্ত আশ্রয় রবীন্দ্রনাথ। ভালবাসেন দেখতে, ঘুরতে, জানতে, ভালবাসেন সাহিত্য, ভ্রমণ, পশুপাখি, ফটোগ্রাফি আর সেই সঙ্গে অবশ্যই তাঁর প্রাণের শহর কলকাতাকে। ইতিহাস, ঐতিহ্য, স্থাপত্য, শিল্পকলা আর প্রকৃতির টানে ঘুরে বেড়ান কলকাতার অলিগলি থেকে ভারতের বিভিন্ন স্থানে। বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর নানান লেখা বহু পত্রিকা ও ওয়েবসাইটে নানা সময়ে প্রকাশিত হয়েছে।
View Posts →
1 posts
অভিষেক রায় বর্মণের জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা হাওড়া জেলায়। বর্তমানে ফিল্ম স্টাডিসের গবেষক, বিশেষ উৎসাহ রয়েছে চলচ্চিত্রের বিভিন্ন নিরীক্ষামূলক ধারা নিয়ে। এর পাশাপাশি কাউন্টার শট নামক একটি ফিল্ম বিষয়ক পত্রিকার সহসম্পাদক। অন্যান্য আগ্রহের বিষয়: জঁর সাহিত্য; কমিক্স; ইতিহাস; জীবজগৎ, বাংলা গদ্যসাহিত্য; সুররিয়ালিসম ইত্যাদি।
View Posts →
1 posts
অবসরপ্রাপ্ত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার‌। ভারতে কয়েকটি প্রদেশে নির্মাণ প্রকল্পে কর্মসূত্রে বসবাস ও ভ্রমণের সুযোগ হয়েছে। অল্পখরচে, ব‍্যাকপ‍্যাকার শৈলী‌তে দীর্ঘ একাকী ভ্রমণে স্বচ্ছন্দ। অপেক্ষা‌কৃত পর্যটকবিরল স্থানে ভ্রমণে বিশেষ আগ্রহী।
View Posts →
1 posts
গৃহবধূ। সুইডেনের হেলসিংবর্গে বাস। ভালোবাসেন প্রকৃতির ছবি তুলতে ।
View Posts →
1 posts
সায়ন্তন মুখোপাধ্যায় আদতে বাগবাজারবাসী; অধুনা ক্যালিফর্নিয়া প্রবাসী। ঘুরতে, খেতে, পড়তে, ছবি তুলতে ভালোবাসেন। লেখালিখি করেন অনিয়মিতভাবে।
View Posts →
1 posts
জন্ম ২০০০ সালে, চুঁচুড়ায়। মূলত কবিতা দিয়ে লেখালিখি শুরু। পরবর্তীকালে গদ্যও লেখা হয়েছে বেশ কিছু। প্রথম গল্প প্রকাশ আনন্দমেলায়। এছাড়া বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন ও বাণিজ্যিক পত্রিকায় গল্প,কবিতা,অণুগল্প প্রকাশিত হয়েছে। বন্ধুরা মিলে ‘মকটেল’ নামে একটি লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করা হয়। কবিতার কোনও বই এখনও প্রকাশিত হয়নি।
View Posts →
1 posts
সমাজসেবায় নিয়োজিত থাকা, নিয়মিত থাকা, শখে নয়, সেটাই একমাত্র বেঁচে থাকার মন্ত্র এখন। এছাড়া, খেলাধুলো, সাহিত্যসংস্কৃতি, সিনেমা, গানবাজনা ভালো লাগে। আজীবন এই পছন্দগুলির সম্পৃক্ততা বজায় রাখার চেষ্টা আছে, সময়াভাবে কিছুটা ব্যাহত।
View Posts →
1 posts
অনিশ্চয় মূলত প্রাবন্ধিক। উপনিবেশবাদ ও ঔপনিবেশিক ইতিহাস বিষয়ে চর্চা করেন। এ ছাড়াও খেলার ইতিহাস ও বিজ্ঞান বিষয়ে প্রবন্ধ রচনায় বিশেষ পারদর্শী। অবসরে বই পড়তে, গান শুনতে, বিশ্বের নানা প্রান্তের সিনেমা দেখতে ভালবাসেন। রবীন্দ্রসঙ্গীত থেকে পাশ্চাত্য সঙ্গীত - সবরকম গান নিয়েই অনিশ্চয়ের সমান উৎসাহ।
View Posts →
1 posts
মলয় গোস্বামী সীমান্তশহর বনগাঁর বাসিন্দা। বাবা মণীন্দ্রনাথ গোস্বামী, মা উমা গোস্বামী দু’জনেই লিখতেন। আবৃত্তি, অভিনয়, নাট্য পরিচালনা, ছবি আঁকায় পারদর্শী। তাঁর গাওয়া রবীন্দ্রসঙ্গীত যে কোনও শ্রোতাকে মুগ্ধ করে দিতে পারে। প্রথম কবিতার বই ‘স্মৃতিতে সময়ে ছুড়ি অলৌকিক জাল’ (১৯৭৯)। অন্যান্য আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ: মন্দিরে প্রশ্নচিহ্ন, হাতছানি দেয় বংশীকানাই, ভেতর ভর্তি ময়লামাটি ইত্যাদি। ১৯৯৭ সালে পেয়েছেন শক্তি চট্টোপাধ্যায় স্মৃতি পুরস্কার। এছাড়াও শিস, প্রথম আলো ইত্যাদি সম্মান। নব্বইয়ের দশকে পূর্ণিমা গোস্বামী নামেও কবিতা লিখেছেন।
View Posts →
1 posts
ঋভু চৌধুরী হুগলি জেলার হরিপালের বাসিন্দা। জন্ম ১৯৯১-এর ভরা বসন্তে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। বর্তমানে পেশা ব্যবসা। নেশা লেখালিখি, বই পড়া, ছবি আঁকা, গান শোনা, সিনেমার দুনিয়ায় ডুব, আর পথে-প্রান্তরে ঘুরে বেড়ানোর অবকাশ খুঁজে নেওয়া।
View Posts →
1 posts
পলাশ বরন পাল পেশায় পদার্থবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক। কবি, লেখক ও ভাষাবিদ হিসেবে সমাদৃত। পদার্থবিজ্ঞানের নানান বিষয় ছাড়াও লিখেছেন গল্প, কবিতা ও পপুলার সায়েন্সের বেশ কিছু বই। 'বিজ্ঞান: ব্যক্তি যুক্তি সময় সমাজ', 'নানা দেশ নানা গল্প', 'বিজ্ঞান এবং', 'ধ্বনিমালা বর্ণমালা' ওঁর কিছু প্রকাশিত বই।
View Posts →
1 posts
অবন্তিকা দোলনা ডে স্কুলের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। বয়স সাড়ে ছয়। নিজের কল্পনার জগতে বিচরণ করতে সে বড় ভালোবাসে। মাঝে মাঝে সেটা প্রকাশ হয় তার আঁকা ছবিতে। রংতুলিতে জীবন্ত হয়ে ওঠে তার শিশুমনের কল্পনার অলি গলি।
View Posts →
1 posts
অন্বয় গুপ্তের জন্ম ও বসবাস বারাসতে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি তাঁর ঝুলিতে আছে। সাহিত্য ও মহাকাব্যের আগ্রহী পাঠক অন্বয় লিখতে ভালোবাসেন। সংবাদ প্রতিদিন, এই সময়, নানা ছোট পত্রিকা ও পোর্টালে নিয়মিত লেখালেখি করেন। পেশায় আকাশবাণীর ঘোষক অন্বয়ের 'নেশা' মহাভারত। তাঁর বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে ইতিমধ্যেই যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, 'শিবরামচূর্ণ', 'কৃষ্ণ-অর্জুন যাঁদের কাছে হেরেছিলেন' প্রভৃতি। বহু সংকলনেও গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ লিখে থাকেন অণ্বয়। খুঁটিয়ে মানুষ দেখা এবং তাদের মন বিশ্লেষণ করা অন্বয়ের প্রিয় অবসরযাপন।
View Posts →
1 posts
ধীমান ব্রহ্মচারীর জন্ম ১৯৮৭ সালে। বাংলায় স্নাতকোত্তর। চাকরি করেছেন আনন্দবাজারে এবং The Telegraph-এ। এরপর চাকরি ছেড়ে প্রকাশনা ও সম্পাদনা নিয়ে পূর্ণ সময়ের জন্য নিযুক্ত। লেখালিখি মূলত কবিতা হলেও,লিখতে ভালোবাসেন প্রবন্ধ,গদ্য এবং বই আলোচনা। প্রথম সম্পাদনা 'কবিতা বুলেটিন'। পরবর্তীতে 'ম্যানিউস্ক্রিপ্ট' নামক একটি লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেছেন। এরপর 'এবং অধ্যায় ' নামক পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। পাশাপাশি এই পত্রিকার নামেই করেছেন প্রকাশনা। বর্তমানে চুঁচুড়ায় বসবাস করছেন।
View Posts →
1 posts
মোহিনীমোহন গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম ১৩৪৪ বঙ্গাব্দের ২৪ কার্তিক পুরুলিয়ার শিয়ালডাঙ্গা গ্রামে। ছাত্রবয়স থেকেই লেখালিখির সূত্রপাত। ১৯৫৫ সালে সাপ্তাহিক সংগঠন পত্রিকায় প্রথম কবিতা মুদ্রিত হয়। লিখেছেন মৌচাক, শিশুসাথী, প্রবাসী, ভারতবর্ষ, বসুমতী, পরিচয়, সত্যযুগ, নন্দন, গনশক্তি , সন্দেশ, শুকতারা, অনুষ্টুপ, কিশোর ভারতী, কৃত্তিবাস সহ দেশ-বিদেশের অসংখ্য পত্রপত্রিকায়। ৫৪ বছর ধরে সম্পাদনা করে চলেছেন 'কেতকী' পত্রিকা। সম্পাদনা করেছেন আরও বেশ কিছু পত্রিকা। পেয়েছেন অজস্র সম্মান। তাঁকে নিয়ে বিশেষ সম্মাননা সংখ্যা করেছে একাধিক পত্রিকা।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৬৫ সালে কলকাতায়।যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ইতিহাসে। লিখেছেন একাধিক ব ই ও প্রবন্ধ।আগ্ৰহের বিষয় লোকশিল্পের ইতিহাস নারী ইতিহাস খাবারের ইতিহাস। উল্লেখযোগ্য বই 'বাংলার দাই','বাংলার পুতুল','বাংলার সংস্কৃতিতে পুতুল ও খেলনা','দারুবিগ্ৰহে চৈতন্য পরিক্রমা' ইত্যাদি। লেখালেখির জন্য 'মান্যবর পুরস্কার','সুফিয়া খাতুন পুরস্কার' 'সংযুক্তা বসু স্মৃতি পুরস্কার' পেয়েছেন।
View Posts →
1 posts
প্রযুক্তিবিদ‍্যা, সাহিত্য, শিল্প- এই তিন জগতের মধ্যে প্রতীতি সেনগুপ্তর অবাধ বিচরণ ১৯৯৩ সাল থেকেই। দীর্ঘ চব্বিশ বছর তীক্ষ্ণ মেধা ও উদ্ভাবনীশক্তির জোরে  বিশ্বের প্রধান কয়েকটি তথ‍্যপ্রযুক্তি সংস্থায় উচ্চপদে কাজ করার পর, ২০১৭তে বেঙ্গালুরু ছেড়ে কলকাতায় প্রত্যাবর্তন এবং সাহিত্যিক জীবনের শুরু। ইংরেজিতে প্রতীতির প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ ২০২৩শে। দুই অন্যতম আদর্শ নারী হলেন বৃটিশ কবি বায়রন দুহিতা অগাস্টা অ্যাডা কিং (বিশ্বের প্রথম মহিলা কম্পিউটার প্রোগ্রামার),  এবং দুবার নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানী প্রাতঃস্মরণীয়া মাদাম ক্যুরি।
View Posts →
1 posts
শতানীক রায়ের জন্ম মালদা জেলায়। বসবাসও মালদাতে। মূলত কবি। প্রবন্ধ লেখেন ও অনুবাদও করেন। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ দুটো, একটি গদ্যগ্রন্থ এবং দুটো সম্পাদিত গ্রন্থ। এবং সম্পাদনা করেন তিনটি পত্রিকা: 'জলটুঙ্গি', 'অরণি' এবং 'সে'। জলটুঙ্গি পত্রিকা মূলত সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক পত্রিকা। অরণি শুধুমাত্র অনুবাদের পত্রিকা। আর সে হল শুধুমাত্র বই ও পত্রিকা আলোচনার কাগজ।
View Posts →
1 posts
সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি। মাত্র একুশ বৎসর বয়সে প্রতিভাধর কবির দেহাবসান ঘটলেও সামান্য কয়েকবছরে অত্যাশ্চর্য কবিত্ব শক্তির পরিচয় দিয়ে অশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি।
View Posts →
1 posts
জয়িতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেশায় অঙ্কের শিক্ষিকা। ঠাকুরবাড়ি এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর প্রধান গবেষণার বিষয়। লেখালেখি করেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। এ যাবৎ প্রকাশিত গ্রন্থ 'রবীন্দ্রনাথের চিঠিপত্রে সঙ্গীত প্রসঙ্গ', 'ঠাকুরবাড়ির ঝুলি ও অন্যান্য গল্প', 'গান থেকে গানে', 'রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্যে রূপান্তর'। এছাড়াও, রবীন্দ্রসঙ্গীত, ব্রহ্মসঙ্গীত, নজরুলগীতি, অতুলপ্রসাদীসহ সবধরনের গানই চর্চা করতে ভালোবাসেন।
View Posts →
1 posts
অভিষেক ঘোষাল (জন্ম ১৯৮৭) প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রাক্তনী। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পাঠ সম্পূর্ণ ক'রে বর্তমানে বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে অধ্যাপনা করেন। এর আগে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের বাংলা বিভাগে পড়িয়েছেন। প্রাগাধুনিক সাহিত্য ও উনিশ শতকের বঙ্গীয় সংস্কৃতি বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
1 posts
অর্থনীতিতে স্নাতক হলেও জীবনের অর্থ খুঁজে পেলেন বিজ্ঞাপনের কাজে। মুম্বই এবং কলকাতায় ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টরের চাকরির পাট শেষ করে, শুরু হল বিজ্ঞাপনের ছবি বানানো। সম্প্রতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় এবং রুদ্রনীল ঘোষকে নিয়ে বানানো শর্ট ফিল্ম 'C/o Chatterjees' সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশ ভাইরাল। রবিবার বিকেলে ঠিক সময়ে ঘুম ভাঙলে ফুটবল খেলতে ভালোবাসেন।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৯৬ সালে আগরতলায়। উচ্চশিক্ষার জন্য খড়গপুরে আসা। হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী আম্রপালী বেশ কিছুদিন ধরে লিখছেন। অবসরে ছবি আঁকেন, বই পড়েন, শাস্ত্রীয় সংগীত চর্চা করেন। মনেপ্রাণে শিল্পকে আঁকড়ে বাঁচতে চান। আলো ও অন্ধকারের ব্যূহে ভালোবাসা খুঁজে পেতে চান।
View Posts →
1 posts
অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর। কিছুদিন বেসরকারি ফার্মে চাকরি। এখন সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। লেখালিখির শুরু ২০১৫ সালে। 'শুকতারা'তে ভূতের গল্প দিয়ে আত্মপ্রকাশ। ভালবাসেন কবিতা লিখতে, বিদেশি সিনেমা আর সিরিজ দেখতে। ফুটবল বলতে অজ্ঞান। অনীশ দেবের সম্পাদনায় পত্রভারতীর "১০১ ভূতের গল্প", দুই বাংলার উদীয়মান কবিদের নিয়ে "কবিতার এপার ওপার ৫" এবং দুই বাংলার গল্পকারদের নিয়ে "গল্পের এপার ওপার ২" গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে তাঁর লেখা।
View Posts →
1 posts
পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হলেও নেশায় সৃজন। অগ্নিভ লেখালিখি, শর্ট ফিল্মের গল্প থেকে শুরু করে অভিনয় ও নির্দেশনা সবেতেই রেখেছেন তাঁর নিজের সৃষ্টির ছোঁয়া। মূলত প্রবন্ধ লেখেন হল্যান্ডের জীবনযাপন ও অন্যান্য সমকালীন বিষয়ে।
View Posts →
1 posts
অবসরগ্রণের পর থেকে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেছেন। প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য 'জটায়ু জিন্দাবাদ', 'রাঁচিতে জ্যোতিরীন্দ্রনাথ', 'সত্যজিতের ছবি ও খেরোর খাতা'।
View Posts →
1 posts
আনসারউদ্দিনের জন্ম ১৯৫৯-তে নদিয়ার শালিগ্রামে। কৃষ্ণনগর কলেজের স্নাতক হয়েও গ্রামের শিকড় ছেঁড়েননি। পেশায় আজও প্রান্তিক কৃষক। বাড়ি নদিয়ার ধুবুলিয়ায়। গ্রামিক জনযাপনের চিত্রলেখই তাঁর সাহিত্যকৃতির মূল বিষয়বস্তু বরাবর। ১৯৯১ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম বই 'আনসারুদ্দিনের গল্প' ধ্রুবপদ প্রকাশনা থেকে। তারপর আরও এগারোটি বই লিখেছেন। পেয়েছেন বাংলা অকাদেমির সোমেন চন্দ পুরস্কার, আন্নদাশঙ্কর রায় স্মারক পুরস্কার, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ইলাচন্দ পুরস্কার-সহ বহু সম্মাননা। শখ বলতে বই পড়া, খবরের কাগজ পড়া আর খবর শোনা।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৫৬, কলকাতা। মধ্যবিত্ত জীবন চর্যায় লালিত। প্রচলিত ধ্যানধারণায় সদাসংশয়ী। আশির দশকের গোড়ায় নতুন নিয়ম গল্প আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা। বিগ ও লিটল ম্যাগাজিনে মৌলিক ও অনূদিত গল্প নিয়মিত লিখে চলেছেন। দুটি গল্পের বই -- কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কার ও অন্যান্য এবং দৈনিক রাশিফল।
View Posts →
1 posts
অঙ্কিতা দত্ত জার্নালিজম ও মাস কমিউনিকেশনে স্নাতক, মিউজিকে মাস্টার্স করেছেন। পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর ছাত্রী। বর্তমানে গান শিখছেন অনল চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। গানবাজনা ও লেখালেখি — দুইই প্যাশন। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশ হয়।
View Posts →
1 posts
ক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার (১৫ এপ্রিল ১৮৭৭ - ৩০ মার্চ ১৯৫৭) ছিলেন বাংলার খ্যাতিমান শিশু সাহিত্যিক ও লোককথার সংগ্রাহক, যাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হল বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা রূপকথাগুলিকে যথাসম্ভব অবিকৃত রেখে সুন্দরভাবে লিপিবদ্ধ করা। সেগুলি মুখের কথার ধাঁচাতে হয়ে উঠেছে কথাসাহিত্যে তথা বাংলার সংস্কৃতিতে এক মূল্যবান সম্পদ।
View Posts →
1 posts
জন্ম ১৯৪৪-এর ১০ মার্চ | শৈশব কেটেছে জলপাইগুড়ি জেলার ডুয়ার্সে | স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতক | বিখ্যাত অনিমেষ সিরিজের দ্বিতীয় উপন্যাস 'কালবেলা'র জন্য ১৯৮৪ সালে পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার |
View Posts →
1 posts
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৩৪ সালে, বাংলাদেশের ফরিদপুরে। মৃত্যু ২০১২ সালে কলকাতার বাড়িতে। মধ্যবর্তী সময়টিতে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ভারতীয় গদ্যসাহিত্যের অন্যতম ব্যক্তিত্ব, যদিও ওঁর সাহিত্যজীবনের শুরু হয়েছিল কবিতা দিয়ে। ১৯৫৩ সালে কবিতা পত্রিকা 'কৃত্তিবাস'-এর যাত্রা শুরু তাঁরই হাত ধরে। বরাবর কবিতাকেই নিজের 'প্রথম প্রেম' বলে আসা সুনীল অবশ্য পরবর্তীকালে গদ্যকার হিসেবে খ্যাতি ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছন। প্রথম উপন্যাস 'আত্মপ্রকাশ' প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে দেশ পত্রিকায়। তারপর থেকেই গদ্যকার সুনীলের জয়যাত্রা শুরু। পূর্ব পশ্চিম, সেই সময়, প্রথম আলো-র মতো ম্যাগনাম ওপাস বেরিয়েছে তাঁরই কলম থেকে। পুরস্কারের সংখ্যা অগুন্তি। আনন্দ পুরস্কার, বঙ্কিম পুরস্কার, সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার সবই ছিল ঝুলিতে।
View Posts →
1 posts
অণ্বেষার জন্ম ১৯৮২ সালে৷ কলকাতায় মানুষ৷ পড়াশোনা সাউথ পয়েন্ট, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও আইআইটি খড়গপুরে৷ বর্তমানে এনআইটি রৌরকেলায় অধ্যাপনা করেন৷ পেশায় প্রযুক্তিবিদ হলেও নেশা লেখালিখি আর নানারকম গানবাজনা৷ নিয়মিত টেলিভিশনে এবং মঞ্চে অনুষ্ঠান করেন। পশুপ্রেমী৷ আর ভালোবাসেন বেড়াতে৷
View Posts →
1 posts
পেশায় রাজ্য সরকারের মানবাধিকার কমিশনে কর্মরত শাশ্বতী নিয়মিত লেখালেখি করেন নানান বাংলা সংবাদপত্র ও পত্রপত্রিকায়। মীলত গল্প লিখতে পছন্দ করেন তবে প্রবন্ধ লেখাতেও সমান স্বচ্ছন্দ। শিশু সাহিত্যও ওঁর পছন্দের মাধ্যম। স্বপ্নবলাকা, বসন্ত অফুরান, দৈত্যের বাগান, ওঁর কিছু প্রকাশিত বই।
View Posts →
1 posts
মলয় দে পেশায় রাশিতত্ত্ববিদ। বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত। নেশা বলতে অংকের জটিল ধাঁধা তৈরি আর তবলায় বোল ফোটানো। নিজের মনে লেখালিখি করতে আর গানবাজনা নিয়ে মেতে থাকতে ভালবাসেন।
View Posts →
1 posts
দিধিতির প্রতিভা বহুমুখী। শিল্পের একাধিক ধারায় তাঁর বিচরণ। পেশা সাংবাদিকতা হলেও নেশা গান, ছবি আঁকা, সাঁতার কাটা এবং বহু কিছু। মৌলিক লেখালিখি করতে ভালবাসেন বিজ্ঞানের ছাত্রী দিধিতি। অনুবাদক হিসেবেও কাজ করেছেন একসময়। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত তাঁর অন্যতম প্রিয় চর্চার বিষয়। এছাড়া ভালবাসেন নিজস্ব গবেষণার কাজ এবং সিনেমা।
View Posts →
1 posts
কিশোর ভারতী পত্রিকার সহ-সম্পাদক চুমকি চট্টোপাধ্যায় আদতে ছিলেন জুলজির ছাত্রী। বিবাহসূত্রে পত্রভারতী-র কর্ণধার ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়ের সংস্পর্শে আসা এবং কিশোর ভারতীর দায়িত্ব গ্রহণ। লেখালেখির সূত্রপাত আশির দশক থেকেই। নামী-অনামী অসংখ্য পত্রিকায় গদ্য লেখেন। ছোটগল্পের জন্য সবিশেষ খ্যাতি। প্রকাশিত হয়েছে বেশ কিছু বই। 'মাটি আকাশের মাঝখানো', 'সুন্দর আর ভালো' তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
View Posts →
1 posts
অনুষ্টুপ ভট্টাচার্য লেখক এবং সঙ্গীতশিল্পী, ITC সঙ্গীত রিসার্চ অকাডেমির প্রাক্তন স্কলার। বর্তমানে আইআইটি বম্বেতে ভাষাবিজ্ঞানের উপর গবেষণায় রত।
View Posts →

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com