মলাট কাহিনি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Gariahat market during pandemic Sirsho Bandyopadhyay

‌তুমি আসবে বলে তাই

যত লাখ টাকারই ব্যবসা হোক, গরিব হকার বোধহয় শেষ পর্যন্ত গরিবই থেকে যান। ওঁদের হয়তো একটাই সান্ত্বনা, যে ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়ে দোকান গুঁড়িয়ে গেলে, বা মাঝরাতের আগুনে সব পুড়ে খাক হয়ে গেলেও, তার আর্থিক ক্ষতির ধাক্কাটা ওঁদের সামলাতে হয় না। কিন্তু ব্যবসা যদি না হয়, বাজার যদি না জমে, তার দায় তো নিশ্চিত ওঁদেরই।

Read More »
Gariahat market courtesy railyatri.in

গড়িয়াহাট – এক অলীক মানচিত্র

মেয়েদের ঢেউ খেলানো চুল সামনে থেকে সরে গেলে, ফাঁকা দোকানে একটু নজর বোলাতে পারলে দেখা যাবে ঝুমকো কিংবা পাথর বসানো, রূপোলি, সোনালী, কপারিশ, অক্সিডাইসড সমস্ত রকমের দুল। দেখা যাবে উঠতি স্টাইলের কাপড়ের বিডসের গয়না সঙ্গে প্যাঁচা বা দুর্গার মুখ আঁকা পেন্ডেন্ট।

Read More »
Dakhshinapan

দক্ষিণ–আপন

এই বয়সে এখন সব চেয়ে আরাম দক্ষিণাপণ যাওয়ায়। এখনও সকাল এবং বিকেলের স্বাভাবিক আলো মেখে এ ছাদ ও ছাদ পার হয়ে, কেনা কাটা করা যায়। দেখা যায়, কোনও গেম ছাড়াই নিজের হাত নিয়ে, পা নিয়ে হৈ হৈ করে বাচ্চাদের ছোটাছুটি; মধুসূদন মঞ্চে নাটকের থার্ড বেল পড়বার আগে টুক করে কিনে নেওয়া যায় কত কিছু।….

Read More »
Online Shopping

আউট ফর ডেলিভারি

পুজো মানেই বাজারে ভিড়। শাড়ি-গয়না-জুতো-ব্যাগ-পারফিউম, ঘুরে ঘুরে শুকতলা খোওয়ানো। কিন্তু সেসব দিন তো বিগতপ্রায়! গোদের উপর বিষফোঁড়া – করোনা। ফলে কেউই আর বাজারমুখো হচ্ছেন না। তাহলে উপায়? ফিকর নট্… রয়েছে অনলাইনে হাজারো দোকান!

Read More »

শ্রীসদন হস্টেল – এক রহস্যময় ছাত্রীনিবাস

কে জানে কেন আমার মনে হয়েছিল, শান্তিনিকেতনে গেলে পাব অবাধ স্বাধীনতা। মায়ের শাসনমুক্ত একটা খোলা দুনিয়া। ফলে পাশ করার অন্য কোথাও অ্যাপ্লাই না করেই চোখ-কান বুজে ‘উত্তর শিক্ষা সদন’-এ ভর্তি হয়ে গেলাম। ভর্তি হয়ে গেল আমার সেই বান্ধবীটিও। দুজনেই খুব খুশী সেকারণে।

Read More »

‘আড়াই’ টপকালেই দিলীপদার পরোটা-আলুরদম

হুট্ করে ক্যাম্পাস থেকে বেরতে হলে এই আড়াই ছিল ভরসা| বেশ খানিকটা হ্যাঁচর-প্যাঁচোড় করে পাঁচিলের মাথায় উঠে ধুপ করে অন্যদিকে লাফিয়ে পড়তে হত| ল্যান্ড করার পর এক মুক্ত পৃথিবী — বাঁ দিকে রাজপুর| ডান দিকে কলকাতা| নরেন্দ্রপুর তখনও শহর কলকাতার বাইরে|

Read More »
hostel life illustration by Suvomoy Mitra

মিশনের নিরামিষ থেকে স্কটিশ ডাফের আমিষ

ওখানে বসে চা খেতে গিয়ে চায়ের কাপের নৃত্য দেখে ভূমিকম্প হচ্ছে ভেবে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে গিয়ে জেনেছিলাম, পাশের ট্রামলাইন দিয়ে ট্রাম গেলে ওখানকার চা নাচে।

Read More »
Hostel Canteen

কিন্তু সবার চাইতে ভালো, দুধ-রুটি আর একটু গুড়!

সাড়ে চুয়াত্তরে ভানুর সেই অমোঘ উক্তি মনে পড়ে? বোর্ডিংয়ের যা চা, তিত্যাঅ্যা! সেই একই কথা বোধহয় তামাম ভারতের হোস্টেলবাসীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। হোস্টেলে দারুণ খাবার দেয়, এমন কথা বললে ঘুড়ায়ও হাসব। সেই রকমারি অখাদ্য-সুখাদ্যের ফিরিস্তি দিলেন ডাঃ অন্বেষা সেনগুপ্ত।

Read More »
illustration by Shubhraneel Ghosh

কলকাতা ‘৭০ আর হস্টেলের গল্প

অলিভ, ওয়ান আর পি জি মিলিয়ে প্রতিদিন কমপক্ষে শখানেক ছেলেপুলের থাকাখাওয়া, শেল্টারের ব্যবস্থা হত এই তিন ছাত্রাবাসে। এছাড়াও যেকোনও ছোটবড় গোপন গ্রুপ মিটিং-এর অন্যতম নিরাপদ ঠিকানা ছিল অলিভ, পিজি আর ওয়ান হস্টেল।

Read More »

অনুশাসনের ফাঁক গলে সিনেমা দেখাও চলত দেদার

হোস্টেল মানেই শুধু বাঁধনছেড়া ফুর্তি আর উল্লাস? তা মোটেই নয়! কড়া অনুশাসনে, কৃচ্ছ্বসাধনে বেড়া ওঠা ছাত্রের মনের গভীরে প্রোথিত হয়ে যায় এক অন্যতর জীবনবোধ। ছাত্রাবাসের দিনগুলি যেমন বাঁধ ভাঙার উচ্ছাসের, তেমনই বাঁধা পড়ার লাগামেরও। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সেই অনুশাসন নিয়ে লিখলেন ডাঃ সোমনাথ কুণ্ডু। …

Read More »
Calcutta B

বিস্ময়ের আর এক নাম কলকাতা ‘খ’

কলকাতা খ। রবিবারের দুপুর। রেডিয়োর নব ঘোরালেই ইংরিজি গানের রিন রিন সুর। কখনও হ্যারি বেলা ফন্টে, কখনও জিম রিভস, আবার কখনও ক্লিফ রিচার্ড। কলকাতাকে এমন করে পাশ্চাত্যের সুরে মাতিয়ে দিয়েছিল যে বেতারকেন্দ্র, তারই স্মৃতিচারণ অভিজিৎ সেনের কলমে। …

Read More »
Sukumar Samajpati

রেডিয়োর ধারাভাষ্যকে আমাদের পবিত্র কর্তব্য বলে মনে করতাম

দীর্ঘ আড়াই দশক ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার হিসেবে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন আকাশবাণীর সঙ্গে। গিয়েছেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে। পরে সঙ্গীতশিল্পী হিসেবেও যোগ দিয়েছেন নানা অনুষ্ঠানে। নিজের বেতারজীবনের আখ্যানে অকপট সুকুমার সমাজপতি। …

Read More »