Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

প্রাচ্যবাণীর ভাবনায় স্বামী বিবেকানন্দ

সমীপেষু দাস

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Swami Vivekananda
Bookmark (0)
Please login to bookmark Close
(Swami Vivekananda)

ভারতবর্ষ, কেবল একটি ভূখণ্ড নয়; বরং সহস্রাব্দের গ্রহণ ও রূপান্তরের এক জীবন্ত ইতিহাস। প্রাচীন মেহেরগড় ও সিন্ধু সভ্যতার ভিত্তিভূমি থেকে আর্যদের আগমন এবং বৈদিক সংস্কৃতির প্রসারে এই দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজকাঠামো এক নতুন রূপ পায়। উত্তর-পশ্চিমের পঞ্চনদ তীরবর্তী অঞ্চল থেকে আর্যায়নের যে ধারা শুরু হয়েছিল, তা কালক্রমে অযোধ্যা, ইন্দ্রপ্রস্থ হয়ে মিথিলা ও রাজগৃহ ছাড়িয়ে বৃহত্তর বঙ্গের শ্যামল প্রান্তরে এক নবদিগন্তের সূচনা করে। এই মিলনপ্রবাহে ব্রাত্য থাকেনি বিন্ধ্যাচল বা দণ্ডকারণ্যের আদিম ভূমিজ সভ্যতাও। আর্য সংস্কৃতির সঙ্গে মিলেমিশে তা হয়ে উঠেছে একাত্ম। আশ্চর্যজনকভাবে আর্যাবর্ত, বেদের বিকাশের লীলাভূমি হলেও বেদান্তের নিগূঢ় মনস্তাত্ত্বিক ও দার্শনিক চর্চা চরম উৎকর্ষ লাভ করেছিল দক্ষিণ ভারতের মাটিতেই; যার কাণ্ডারি ছিলেন আদি শংকরাচার্য, রামানুজাচার্য ও মধ্বাচার্যের মতো মনীষীরা। (Swami Vivekananda)

বদলের বিভিন্ন মাত্রা: রবীন্দ্রনাথ

অন্যদিকে বাংলার মাটিতে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনার উত্তরসূরি হিসেবে বাউল তত্ত্বের যে নান্দনিক ও মরমী প্রকাশ ঘটেছে, তা ভারতের এই আধ্যাত্মিক বহুত্ববাদকেই সমৃদ্ধ করেছে। ভারতের এই অখণ্ডতাকে দেখার ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও স্বামী বিবেকানন্দের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অনন্য। রবীন্দ্রনাথ যেখানে বিভিন্ন আঞ্চলিক জাতিসত্তার নিজস্ব ঐতিহ্যের গুণাবলিকে শ্রেষ্ঠত্ব দিতেন, বিবেকানন্দ সেখানে অতীতের গৌরবময় সংহতির মধ্য দিয়ে, এক আধুনিক বহুত্ববাদী মনন গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। বিবেকানন্দের দর্শনে ধরা পড়েছিল ‘একের মধ্যে একাধিক’ এবং ‘একাধিকের মধ্যে এক’-এর সেই পরম্পরা, যা তাঁকে ভক্তিগীতির সংকলক হিসেবে তুলে ধরে ও প্রতিষ্ঠিত করে এক পরম সাধক ও কর্মযোগী হিসেবে। (Swami Vivekananda)

Swami Vivekananda
আজ বিবেকানন্দের আদর্শ কেবল পুঁথিগত বিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষের ভাষায় ও বোধগম্যতায় ছড়িয়ে পড়ছে।

এক সময় সংস্কৃত ভাষা ও ব্যবহারিক শাস্ত্রীয় জ্ঞান কেবল নির্দিষ্ট একটি উচ্চবর্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, যা সাধারণ মানুষের কাছে জ্ঞানের পথকে কণ্টকাকীর্ণ করে রেখেছিল। বর্তমানের পরিবর্তিত সামাজিক কাঠামো ও আধুনিক শিক্ষা-ব্যবস্থার সৌজন্যে সেই সংকীর্ণতা অনেকটাই ঘুচেছে। আজ বিবেকানন্দের আদর্শ কেবল পুঁথিগত বিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষের ভাষায় ও বোধগম্যতায় ছড়িয়ে পড়ছে। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ভারতীয় সারস্বত সাধনার আকাশে দুই উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক ছিলেন অধ্যাপক ড. যতীন্দ্রবিমল চৌধুরী (পূর্বকালীন অধ্যক্ষ, সংস্কৃত কলেজ ও পশ্চিমবঙ্গ সংস্কৃত পরিষদের সচিব) ও তাঁর সহধর্মিণী বিদুষী রমা চৌধুরী (পূর্বকালীন উপাচার্য, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়)। সংস্কৃত সাহিত্য ও দর্শনশাস্ত্রের এই দুই প্রাজ্ঞ পণ্ডিত ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘প্রাচ্যবাণী’ সংস্থা (৩, ফেডারেশন স্ট্রিট, কলকাতা ৯)। তাঁদের মূল লক্ষ্য ছিল কেবল শুষ্ক শাস্ত্রীয় কড়চা বা জটিল তাত্ত্বিক বাদানুবাদের মধ্যে আবদ্ধ না থেকে, ভারতীয় মনীষীদের জীবনদর্শনকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দেওয়া। বৈদিক ব্রাহ্মণ্য শাস্ত্রের লৌকিক দিক ও সুফি ইত্যাদি দর্শনের সমন্বয়বাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরাই ছিল প্রাচ্যবাণীর প্রয়াস। নিছক ধর্মপ্রচারের মতো সংকীর্ণ মানসিকতায় ব্যবহার করেননি ভারততত্ত্ববিদ্যার আদি ও অকৃত্রিম সৌন্দর্যকে। (Swami Vivekananda)

বিদায়-অভিশাপ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

প্রাচীন ভারতের সাহিত্যিক উপকারিতাকে সমসাময়িক কালে প্রাসঙ্গিক করে তোলার ব্রত নিয়েছিল এই সংস্থা। এই দম্পতি উপলব্ধি করেছিলেন, সংস্কৃত ভাষাকে যদি আধুনিক ও সহজবোধ্য করা না যায়, তবে তা মুষ্টিমেয় অভিজাত শ্রেণির গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে। তাই প্রাচীন এই ধ্রুপদী ভাষাকে তাঁরা এক সরল ও সাবলীল রূপ দান করেছিলেন। তাঁদের এই মহৎ উদ্দেশ্য সার্থকতা লাভ করে নাটকের মাধ্যমে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শ্রীরামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, শ্রীমা সারদা দেবী থেকে শুরু করে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য বা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর মতো প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিত্বদের জীবন আলেখ্য তাঁরা সংস্কৃত নাটকের আধারে গেঁথেছিলেন। মোট নাটকের সংখ্যা ছিল একুশটি। নাটক যেহেতু সর্বজনীন সাহিত্যের এক মাধ্যম, তাই দর্শকবৃন্দের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া ছিল সহজ। (Swami Vivekananda)

কেবল জ্ঞানগর্ভ উদ্ধৃতির ভারে নাটককে ভারাক্রান্ত না করে, তাঁরা গুরুত্ব দিয়েছিলেন মনীষীদের জীবনসংগ্রাম ও দৃঢ় সংকল্পের বাস্তবমুখী রূপায়ণের ওপর।

কেবল জ্ঞানগর্ভ উদ্ধৃতির ভারে নাটককে ভারাক্রান্ত না করে, তাঁরা গুরুত্ব দিয়েছিলেন মনীষীদের জীবনসংগ্রাম ও দৃঢ় সংকল্পের বাস্তবমুখী রূপায়ণের ওপর। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে প্রাচ্যবাণীর এই মঞ্চায়ন সংস্কৃত সাহিত্যকে যেমন আধুনিকতা দিয়েছিল, তেমনই আপামর বাঙালির কাছে পৌঁছে দিয়েছিল বিশ্ববরেণ্য সন্তানদের জীবনসংগ্রামের সেই মহতী প্রেরণা। (Swami Vivekananda)

Swami Vivekananda
বিদুষী রমা চৌধুরী

স্বামী বিবেকানন্দের জীবনী ও কর্মবাদী চিন্তাধারা আজ ছাত্রসমাজের কাছে আলোর দিশারী। শৈশব থেকেই তাঁর সংগ্রামী জীবন পড়ানো হলেও তাঁর প্রকৃত দর্শন ও ‘শিকাগো বক্তৃতামালা’র গুরুত্ব অনুধাবন করা প্রাপ্তমনস্কদের পক্ষেই সম্ভব। রবীন্দ্রনাথের বিশ্বভ্রমণের বহু আগেই বিবেকানন্দ ভারতবর্ষের আধ্যাত্মিক সম্পদকে পাশ্চাত্যের দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, যার ফলে ভারতের প্রতি বিশ্ববাসীর চিরন্তন শ্রদ্ধা ও কৌতূহল বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। (Swami Vivekananda)

বিবেকানন্দের মহৎ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে একাত্ম হতে গেলে তাই মানসিক প্রস্তুতির পাশাপাশি উন্নত চিন্তাশক্তির প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করা যায় না।

তবে তাঁর গম্ভীর ও সুগভীর রচনাবলির রসাস্বাদন করতে গেলে বেদ, উপনিষদ, রামায়ণ ও মহাভারতের মতো ধ্রুপদী জ্ঞানভাণ্ডারের প্রাথমিক ধারণা থাকা প্রয়োজন। বিবেকানন্দের মহৎ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে একাত্ম হতে গেলে তাই মানসিক প্রস্তুতির পাশাপাশি উন্নত চিন্তাশক্তির প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করা যায় না। প্রাচ্যবাণী‌ থেকে প্রকাশিত যতীন্দ্রবিমল চৌধুরী রচিত ‘ভারতবিবেকম্’ নাটকটি স্বামী বিবেকানন্দের জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ কালখণ্ডকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। স্বামীজীর জন্মশতবর্ষে (১৯৬২-৬৩) রচিত ১২টি দৃশ্যের এই নাটকে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সঙ্গে নরেন্দ্রনাথের প্রথম সাক্ষাৎ থেকে শুরু করে বিবিদিষানন্দ হয়ে পরিশেষে খেতড়ির রাজা অজিত সিংহের সহায়তায় ‘বিবেকানন্দ’ নাম গ্রহণের ঘটনাক্রম অত্যন্ত সরল সংস্কৃত ভাষায় বর্ণিত হয়েছে। ১৯৬২-৬৩ সালের মধ্যেই বিশ্বরূপা থিয়েটার, রামকৃষ্ণ বেদান্ত মঠ, বিবেকানন্দ সোসাইটি, বরাহনগর রামকৃষ্ণ আশ্রম, দিল্লি, গোরক্ষপুর, মুম্বই, পণ্ডিচেরীতে এর অভিনয়ও হয়েছিল। নাট্যকার এখানে ১৮৮১ থেকে ১৮৯৩ সাল পর্যন্ত, স্বামীজীর জীবনের যে ১২ বছরের বিবর্তন দেখিয়েছেন, তাকে তাঁর বিশ্বজয়ের পূর্বাহ্নরূপে পূর্ণাঙ্গ বলা যেতে পারে। (Swami Vivekananda)

Swami Vivekananda
প্রাচ্যবাণী‌ থেকে প্রকাশিত যতীন্দ্রবিমল চৌধুরী রচিত ‘ভারতবিবেকম্’ নাটকটি স্বামী বিবেকানন্দের জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ কালখণ্ডকে কেন্দ্র করে আবর্তিত।

এর দ্বিতীয় পর্ব ছিল ‘বিশ্ববিবেকম্’; যেখানে ১৮৯৩ থেকে ১৯০২ সালের ঘটনা লিপিবদ্ধ হয়েছিল। তাই ‘ভারতবিবেকম্’ নাটকে শিকাগো ধর্মসম্মেলন, রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা বা ‘সখার প্রতি’ কবিতার বিখ্যাত সেই “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর” পঙক্তিটি অনুপস্থিত, তবুও ভারতের নিজস্ব ‘বিবেক’ বা আধ্যাত্মিক সত্তাকে উপস্থাপনা করাই ছিল নাট্যকারের প্রধান লক্ষ্য। যে শুভ-অশুভ, ন্যায়-অন্যায়, ভাল-মন্দের যথাযথ বিভাগ ক’রে আলোর পথ অনুসরণ করে, সে-ই তো প্রকৃত বিবেকী। তাই শেষ দৃশ্যে নর্তকীর উপভোগ্য নৃত্যকলা দেখেই তাঁর বিকৃত কামনার সঞ্চার হয় না; বরং তার শিল্পগুণের সমাদর করেন তিনি। তাই একজন সাধারণ মানুষ হয়ে সংগীতের প্রতি আসক্তি, একনিষ্ঠ ভক্তি এবং ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে আত্মীয়তায় তিনি ‘বিবেকানন্দ’ হয়ে উঠেছেন। (Swami Vivekananda)

গানের প্রতি ছিল স্বামীজির অকুণ্ঠ ভালবাসা। ১৮৮৭ সালের নরেন্দ্রনাথ দত্ত নামে তিনি বৈষ্ণবচরণ বসাকের সঙ্গে যুগ্ম সম্পাদনায় প্রকাশ করেছিলেন ‘সঙ্গীতকল্পতরু’।

গানের প্রতি ছিল স্বামীজির অকুণ্ঠ ভালবাসা। ১৮৮৭ সালের নরেন্দ্রনাথ দত্ত নামে তিনি বৈষ্ণবচরণ বসাকের সঙ্গে যুগ্ম সম্পাদনায় প্রকাশ করেছিলেন ‘সঙ্গীতকল্পতরু’। সেখানেই কুবির গোঁসাই, অযোধ্যানাথ পাকড়াশী, গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ নানা গীতিকারের গান সংকলিত হয়েছিল। “মন চল নিজ নিকেতনে” সেখানেই মুদ্রিত হয়েছিল। এটি এবং “খণ্ডন-ভব-বন্ধন” গানটি পরবর্তীতে স্বামীজির সঙ্গে একাত্ম হয়ে গিয়েছে। আজও রামকৃষ্ণ মিশন, দক্ষিণেশ্বর মাতৃমন্দির, মায়ের বাড়ি সর্বত্রই এই গানটি সান্ধ্য আরত্রিকে গাওয়া হয়। তাই নাট্যকার “মন চল…” এই বিশেষ গানকে নাটকে বাদ দেননি। (Swami Vivekananda)

Swami Vivekananda

“মনশ্চল স্বীযনিকেতনম্/সংসারবিদেশে বৈদেশিকবশে ভ্রমসি কথমকারণম্?” ব’লে অনুবাদ করেছেন যাতে বুঝতে দর্শকের কোনও অসুবিধা না হয়। এমনকি শ্রী শ্রী মা সারদা দেবীর সঙ্গে তার বাৎসল্য রসের সম্পর্কের দিকটিও নাট্যকার এড়িয়ে যাননি। তেমনই চতুর্থ দৃশ্যে দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরে সুললিত গানে তিনি বলেছেন “প্রেমমদিরা-পান”-এর কথা। আনুষ্ঠানিকতার অতলে থাকা মাতৃভক্তিপ্রেমরস ছড়িয়ে দিয়েছেন ঈশ্বরবাদী মানুষের মননে। তাই দেবীরূপা সারদা দেবী এবং ব্রহ্মরূপা কালিকার আসন যেন তাঁর হৃদয়পদ্মে নির্মল স্ফটিকনির্মিত। তাই ‘জীবে প্রেম’ এবং ‘প্রেমেই জীবন’ তত্ত্বকে একসূত্রে বেঁধেছেন নাট্যকার। যেহেতু এর সীমারেখা ১৮৯৩ সাল পর্যন্তই, তাই তৃতীয় দৃশ্যে রামকৃষ্ণদেবের কথায় ভবিষ্যদ্বাণী হয়েছে, একদিন নরেন্দ্রনাথ জীবসেবাকেই শিবজ্ঞান করবেন –“তব হৃদয়ে ব্রহ্ম বসতি। সেবা-দয়া-দাক্ষিণ্যপরায়ণঃ শিবস্ত্বং ভবিষ্যসি”। চিরপরিচিত শিকাগো বক্তৃতার অংশটি না থেকেও নরেন্দ্রবিক্রমে প্রজ্জ্বলিত বিবেকসত্তা হারিয়ে যায়নি। (Swami Vivekananda)

Swami Vivekananda
এরপরও রমা চৌধুরীর ‘যুগজীবনম্’ নাটকে স্বামীজির চরিত্র এসেছে।

এরপরও রমা চৌধুরীর ‘যুগজীবনম্’ নাটকে স্বামীজির চরিত্র এসেছে। সেখানে তিনি কেবলমাত্র একজন শিষ্য। স্বামীজির জীবনবৃত্তান্তের সবটুকুই অনুসরণীয়। তবে তিনি কীভাবে ভারতের অন্যতম কৃতী সন্তান হলেন, তা জানানোই ছিল নাটকের দায়িত্ব। তাই ‘বিশ্ববিবেকম্’ নাটকটির থেকেও যেন এই নাটকটি ভারতীয় জ্ঞানবাদী মুক্তধারার কাব্যগাথা। সংসারকে ত্যাগ করাই সন্ন্যাসের সারকথা নয়; সংসারের সারার্থকে সঙ্গে নিয়ে চলাই সন্ন্যাসের ধর্ম। (Swami Vivekananda)

প্রাচ্যবাণীর এই নাটক কেবল একজন শিষ্যের বিবরণ নয়; ভারতের এক জ্যোতিষ্কের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক পূর্ণতার পথে এগিয়ে চলার এক নিখুঁত চালচিত্র। এখানেই প্রাচ্যবাণীর সার্থকতা। (Swami Vivekananda)

চিত্র ঋণ- লেখক
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Author Samipeshu Das

সমীপেষু পেশায় বঙ্গবাসী কলেজের অধ্যাপক। টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউটে রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে গবেষণা করছেন। গবেষণা করছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও। তাঁর নেশা বাংলার ইতিহাস। কলকাতার কথকতা দলের অন্যতম সদস্য সমীপেষু ভালবাসেন এই বিষয় নিয়ে নতুন নতুন তথ্য অনুসন্ধান এবং লেখালিখি।

Picture of সমীপেষু দাস

সমীপেষু দাস

সমীপেষু পেশায় বঙ্গবাসী কলেজের অধ্যাপক। টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউটে রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে গবেষণা করছেন। গবেষণা করছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও। তাঁর নেশা বাংলার ইতিহাস। কলকাতার কথকতা দলের অন্যতম সদস্য সমীপেষু ভালবাসেন এই বিষয় নিয়ে নতুন নতুন তথ্য অনুসন্ধান এবং লেখালিখি।
Picture of সমীপেষু দাস

সমীপেষু দাস

সমীপেষু পেশায় বঙ্গবাসী কলেজের অধ্যাপক। টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউটে রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে গবেষণা করছেন। গবেষণা করছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও। তাঁর নেশা বাংলার ইতিহাস। কলকাতার কথকতা দলের অন্যতম সদস্য সমীপেষু ভালবাসেন এই বিষয় নিয়ে নতুন নতুন তথ্য অনুসন্ধান এবং লেখালিখি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Subscribe To Newsletter

কথাসাহিত্য

বিতস্তা ঘোষাল
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
মোহনা মজুমদার

সংস্কৃতি

আহার

অমৃতা ভট্টাচার্য
শ্রুতি গঙ্গোপাধ্যায়
অমৃতা ভট্টাচার্য

বিহার

কলমকারী

ফোটো স্টোরি

দেবার্চন চ্যাটার্জি
নির্মাল্য চ্যাটার্জি
নির্মাল্য চ্যাটার্জি

উপন্যাস

বিতস্তা ঘোষাল
বিতস্তা ঘোষাল
বিতস্তা ঘোষাল
[adning id="384325"]
[adning id="384325"]

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com