-- Advertisements --

উপন্যাস

sebanti ghosh novella image 2

ছাড় বেদয়া পত্র: পর্ব ২

হর্ষরথ পুনরায় বলতে ওঠে, ব্রহ্ম-জীবের মিলনপ্রসঙ্গ বিস্মৃত হননি নিশ্চয়? ওই যেমন বলা হয়েছে, প্রেমিকা পত্নীর দ্বারা আলিঙ্গিত হয়ে মানুষ যেমন নিজেকে ভুলে যায়, জীবের মিলন ঠিক সে ধরনের। এ তো আমার কথা নয়। উপনিষদের কথা।

Read More »
old house

একানড়ে: পর্ব ১০

আর কেউ নেই বাগানে। এই লোকটা অচেনা হলেও তার খোঁজ নিতে এসেছে, মনখারাপগুলো ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘের মতো সরে যাচ্ছিল, ‘আমি তো ভাল হয়ে গেছি।’

Read More »
radha krishna madhubani art

ছাড় বেদয়া পত্র: পর্ব ১

সুবাহু কর্ম ও জ্ঞানের সন্ধানী। তার যাত্রাপথে শিখী ছিল সঙ্গিনী মাত্র। প্রেমকে সে এ যাবৎ গুরুত্ত্ব দেয়নি কারণ মানবিক প্রেম ভাসিয়ে নিয়ে যায় মানুষের যাবতীয় কর্মপ্রচেষ্টা।

Read More »
old house

একানড়ে: পর্ব ৯

ঝিমঝিম রাত্রে যখন দিদা-দাদু পাশের ঘরে গভীর ঘুমে, দাদু ঘুমের ওষুধ খায় সে জানে, চট করে জাগবে না, আর পরপর তার ঘরে রাত কাটিয়ে দিদাও ক্লান্ত, নিঃসাড় তন্দ্রায় আচ্ছন্ন এখন, টুনু পা টিপে টিপে উঠল।

Read More »
old house

একানড়ে : পর্ব ৮

মাথা তুলেছে বুনোকুল বাদাম কাপাস মহানিমের দল, যাদের নামও সে জানে না কিন্তু অদ্ভুতভাবে স্বপ্নে চিনে নিতে কোনও অসুবিধেই হচ্ছিল না, নিঝুম রাতে সেই বেতের জঙ্গল হাওয়ায় দুলছে, বাঁশবনে শিরশির শব্দ হচ্ছে, আর দীর্ঘ গাছের ছায়াগুলি মাঝে মাঝে হাওয়ায় সরে সরে গেলে দেখা দিচ্ছে একটা ভাঙা গম্বুজ।

Read More »
old house

একানড়ে : পর্ব ৭

সকলেই যেন থম মেরে আছে। কেউ কথা বলছিল না। সবার পেছনে বাপ্পা, তার বুকের ধুকপুকুনি অন্যেরা শুনতে পাবে এই ভয়ে কিছুটা দূরত্ব রেখে হাঁটছিল। বকের ডাকটা অবিকল তার দাদার গলার মতো। এভাবেই কি চিৎকার করেছিল, যখন চাকাটা দাদার মাথার ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছিল? 

Read More »
old house

একানড়ে : পর্ব ৬

সে আচ্ছন্নের মতো তাকিয়েছিল পাঁচু ঠাকুর আর জ্বরাসুরের দিকে। কখনো দুটো মূর্তি মিলে গিয়ে একটা মূর্তি হয়ে যাচ্ছে, তার পরেই আলাদা হয়ে যাচ্ছে ছিটকে গিয়ে। পাঁচু ঠাকুরের পিঠ  দিয়ে আস্তে আস্তে বড় হয়ে উঠছে একটা তালগাছ, টুনু দেখতে পাচ্ছিল জ্বরাসুর আর পাঁচু ঠাকুর মিলে সেই তালগাছ বেয়ে উঠে যাচ্ছে, ওপরে, ওপরে, আরো অনেক ওপরে….

Read More »
old house

একানড়ে : পর্ব ৫

ঘর থেকে বেরোবার আগে আরো একবার চোখ চালাল চারপাশে–সব শান্ত, নিঝুম। সাবধানে দরজা বন্ধ করে টুনু নীচে নেমে এল। দিদা এখন বাড়ি ঢুকবে। তাই সামনের গেটের কাছে যাওয়া চলবে না, সে ঘুমোয়নি দেখলেই বকতে শুরু করবে আবার। কিন্তু অদ্ভুত ধাঁধা লাগছে দিদাকে নিয়ে, যার উত্তর না পেলে স্বস্তি পাচ্ছে না সে কিছুতেই। 

Read More »
old house

একানড়ে : পর্ব ৪

অবিশ্বাসের চোখে তাকিয়ে থাকল টুনু। সাধারণ দেওয়াল একটা, কী করে হতে পারে এরকম ! চুপচাপ হাত পা ছড়িয়ে ছোপটা এখন শুয়ে আছে, নিরীহ নির্বিকার।

Read More »
old house

একানড়ে : পর্ব ৩

‘কে জানে ! দাদার বডি নিয়ে এসেছিল। ট্রাকটা  ধাক্কা দিয়েছিল সাইড দিয়ে। মাথার একদিক ছিল না, ফেটে ঘিলু বেরিয়ে গেছিল, আর চোখটা ঝুলছিল। কিন্তু অন্যপাশটা একদম ঠিকঠাক ছিল, দেখে মনে হবে ঘুমোচ্ছে। আমি অনেকদিন স্বপ্ন দেখেছি, দাদা আমাদের ঘরের মধ্যে দাঁড়িয়ে কাঁদছে আর খুব চেষ্টা করছে চোখটাকে আবার সেট করে নিজের জায়গায় বসাতে, কিন্তু পারছে না। ভাল চোখটা থেকে জল বেরচ্ছে খালি।’ 

Read More »

একানড়ে (পর্ব ২)

‘লজ্জা করে না গায়ে হাত দাও?’ ‘ছেনাল মেয়েছেলের আবার সম্মান !’ ‘তুমি চাইলে চলে যাও জয়রামতলা কিন্তু ছেলেকে নিয়ে যাবে না !’ ‘গলা উঁচু করবে না, এরকম অনেক দেখেছি ! তোমার তেজকে ভয় পাই ভেবেছ?’ কথাগুলো যখন ছিটকে আসত, তার ভেতরের ভয়গুলো ফ্রিজে রাখা দুধের প্যাকেটের মত ঘেমে উঠত

Read More »

একানড়ে (পর্ব ১)

‘খিদে পেলে নুনে জারানো কান খায়। শুধু মাঝে মাঝে নেমে আসে, তারপর  হেঁটে হেঁটে ওই যে জঙ্গলের মাথায় গম্বুজ ওখানে চলে যায়। ওই গম্বুজের গা ঘেঁষে নদী চলে গেছে, যেখান থেকে মাছ  তুলে এনে একানড়ে শুকুতে দেয় গম্বুজের মাথায়। তারপর  সেই শুঁটকি মাছ  আগুনে পুড়িয়ে খায়।

Read More »
illustration by Chiranjit Samanta

শোণিতমন্ত্র (শেষ পর্ব)

শহরজুড়ে বেশ কয়েকটি অন্নসত্র, জলসত্রও খুলেছে হারাধন অতি সম্প্রতি। সরোবরের ধারে কালীমন্দিরটি সংস্কার করেছে। নিজের বাসস্থান সংলগ্ন পল্লিটির নামকরণ করেছে বাবার নামে- মনোহর পুকুর। ঢং ঢং ভেসে আসা কাঁসর ঘণ্টার শব্দ। সন্ধ্যারতি শুরু হয়েছে কালীঘাট মন্দিরে। 

Read More »
illustration by Chiranjit Samanta

শোণিতমন্ত্র (পর্ব ২৯)

শেষবারের মতো মরণ কামড় দিতে তৈরি বিশে বাগদি আর তার কয়েকজন বিশ্বস্ত স্যাঙাত। বাকি সবাই বলি হয়েছে কোম্পানির পাইক লেঠেল আর ফৌজদারদের হাতে। মারা গিয়েছে বিশের ডানহাত মেঘাও। এ বার?

Read More »
illustration by Chiranjit Samanta

শোণিতমন্ত্র (পর্ব ২৮)

যে দুশমন ডরপোকের মত দূর থেকে লড়ে, তার সঙ্গে লাঠি চলবে না। তুই গিয়ে আমাদের তীর ধনুক জোড়া আর বন্দুকগুলো নিয়ে আয়। সঙ্গে টোটা ভর্তি একটা বাক্স। আমাদের মেঘাকে মেরেছে ওরা। মরতে যদি হয়ই তবে একটার বদলে একশটা লাশ ফেলেই মরতে হবে ঠিক?

Read More »
illustration by Chiranjit Samanta

শোণিতমন্ত্র (পর্ব ২৭)

দীর্ঘ টানা বর্ষা কাটিয়ে আশ্বিন এসেছে বাংলায়। কাশ ফুলে ফুলে সাদা হয়ে রয়েছে পরিহার গড়ের সামনে ছোট মাঠটা। ঢাকের আওয়াজ

Read More »
-- Advertisements --