Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

দোলের রংবদল

Dol Utsav
Bookmark (0)
Please login to bookmark Close
(Dol Utsav)

নবনীতা দেবসেন লিখেছিলেন, ‘আমরা সবাই বুকের মধ্যে এক-একটা প্রিয় রং পুষে রাখি। সেই পোষা রঙের সঙ্গেই আমাদের গল্পগাছা, হাসিকান্না।’ রঙের গায়ে যে নামপরিচয় লেগে থাকে, তার সঙ্গে নিজের মতো অর্থ জুড়েই কালার প্যালেট বানাই আমরা। আর সেই মর্মে লাগা রঙেই দোলের উদযাপন। অন্তত তেমন ভাবনা থেকেই তো শুরু হয়েছিল এ উৎসবের যাত্রা। কাহিনি বলে, রূপের ভিন্নতা ঘুচিয়ে প্রিয় নারীকে নিজের সঙ্গে একাকার করে মিলিয়ে নিতে চেয়েই গৌরী রাধাকে রঙে ভরিয়ে দিয়েছিলেন কৃষ্ণ। রাধারানির সঙ্গে কৃষ্ণের এই হোরিখেলায় দৈবী প্রেমের যে চিরনবীন লোককথা জন্ম নিল, তার মর্মে লেগে রইল একাকারতার রং। সমস্ত অসামঞ্জস্য আর বিষমতাকে মিলিয়ে দিয়ে সুন্দরের আস্তরণ বিছিয়ে দেওয়ার বার্তা নিয়ে এল দোল উৎসব।

একালের একেবারে বাণিজ্যিক হিন্দি ছবিতেও যখন দেখা যায় হোলি খেলার সুযোগে ‘শোলে’-র বীরু-বাসন্তীর প্রেমলীলা, আর তার আড়ালেই বিধবা রাধার জীবনজোড়া সাদা ক্যানভাসে একচিলতে রং লাগিয়ে দেয় জয়, বোঝা যায় অলক্ষেই সেই সামঞ্জস্য আর সুন্দরের ডাক সময়নির্বিশেষে দোলের সঙ্গে লগ্ন হয়ে আছে।


আরও পড়ুন: রসনায় রঙের উৎসব


দোল বললেই আমাদের আম বাঙালির মনে যেসব ছবির কোলাজ ফুটে ওঠে, সেখানেও এই মিলিয়ে নেওয়ার আর জুড়ে থাকার সুর বাজে বড় স্পষ্ট হয়ে। মনে করা হয়, বৃন্দাবনের হোরিখেলা দেখে এসে বাংলায় দোল উৎসবের সূচনা করেছিলেন চৈতন্যদেব। সে উৎসবের সঙ্গে স্পষ্টতই ধর্মের যোগ ছিল বটে। কিন্তু চৈতন্য প্রবর্তিত ভক্তি আন্দোলনের ধারাটি সমস্ত ভেদাভেদ মুছে দিয়ে সব মানুষকে যেভাবে বেঁধে থাকার কথা বলেছিল, সেই সম্মিলনের ভাবনা সে উৎসবকেও আগাগোড়া প্রভাবিত করেছিল।

তার কয়েক শতক পেরিয়ে এসেও গ্রামবাংলার দোলযাত্রার এক সজল কোমল ছবি তুলে আনতে পেরেছিলেন দীনেন্দ্রকুমার রায়, যেখানে রঙের উৎসব মিলনের ডাক শোনায়। ‘পল্লীবৈচিত্র্য’-এর সে লেখা যেন টুকরো টুকরো ছবি গাঁথা মালা। সেখানে গোবিন্দপুর গ্রামে দোলের আগের দিন শুক্লা চতুর্দশীর সন্ধ্যায় গোবিন্দদেবের দোলের অধিবাস। বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা নানা নামের, নানা রূপের ‘চোদ্দো ঠাকুর’ চোদ্দোটি সিংহাসনে বসেছেন, আর দেবসভার ঠিক মাঝখানে রুপোর সিংহাসনে বসে সুসজ্জিত গোবিন্দদেব।

Dol Utsav
সবার রঙে রং মেশানোর এই প্রবর্তনা থেকেই শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসব। তা যত না দোলের, তার চেয়েও অনেক বেশি ঋতুকে বরণ করে নেওয়ার আয়োজন।

খোল, করতাল, কাঁসর, রামশিঙা নিয়ে নগর সংকীর্তনে বেরোলেন সেবায়েতরা, সঙ্গে বিগ্রহদের সিংহাসন কাঁধে নিয়ে চারজন করে বাহক। ছোট ছোট সিংহাসনে মাটির গোপাল বসিয়ে সেই শোভাযাত্রায় শামিল ছেলেপুলেরাও। গ্রামপরিক্রমা শেষে দোলমঞ্চে নিয়ে আসা হল বিগ্রহদের, সেখানেই ন্যাড়াপোড়ার আয়োজন। দোলপূর্ণিমার সকালে আবার নতুন করে বাজনা বেজে উঠল, দোলযাত্রায় বেরোলেন গোবিন্দদেব। দোলতলায় বসল মেলা। চারদিকে কোলাহল, তার মধ্যেই আবির, গুলাল, পিচকারির খুনখারাবি রঙে ছেলেবুড়ো সবাই রঙিন।

দোল উৎসবের এইসব ছবিতে নাহয় ধর্মীয় অনুষঙ্গও মানুষকে বেঁধে বেঁধে রাখার সূত্র হয়ে থেকেছে। কিন্তু মনে করে নেওয়া যাক ‘দাদার কীর্তি’ ছবির ‘হোলি আয়ি রে’ গান। গ্রামের সংকীর্তনের মতোই বাংলার বাইরের শহর সেখানে দোলের সকালে প্রভাতফেরি দেখে। গানের সুরে পথে জড়ো হয় প্রবাসী বাঙালির দল। আবার, প্রমথনাথ বিশী ‘পুরানো সেই দিনের কথা’-তেও মনে করিয়ে দেন, বিশ্বভারতীতে পড়ার সময় দিনু ঠাকুরের নেতৃত্বে খোল করতাল নিয়ে বসন্তের গান গাইতে গাইতে আশ্রম পরিক্রমার কথা। সবার রঙে রং মেশানোর এই প্রবর্তনা থেকেই শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসব। তা যত না দোলের, তার চেয়েও অনেক বেশি ঋতুকে বরণ করে নেওয়ার আয়োজন।

দোলের দিনে মদ্যপ-নেশাড়ুদের আতঙ্কে পথে নামতে অস্বস্তি হয় বলে জানেন যে-কোনও মেয়ে। কিন্তু সে অস্বস্তিকে সবলে নাকচ করে, তাকে উলটে স্বাভাবিকের তকমা দেওয়াও হয়ে গিয়েছে এই সময়পর্বেই।

কবির বালক পুত্র শমীন্দ্রনাথ ১৯০৭ সালে খেলাচ্ছলে যে ঋতু উৎসবের সূচনা করেছিলেন, দিন-তারিখের হিসেব কষলে দেখা যাবে, তা অন্তত দোলের দিনে অনুষ্ঠিত হয়নি। তারপরেও, ১৯২৩ সালেই যেমন দেখা যাবে, একবার মাঘী পূর্ণিমায় আর একবার ফাল্গুনী পূর্ণিমায় বসন্ত বন্দনার আসর বসেছিল। মিলনের সুরটি ধরে রেখে, কিন্তু ধর্মীয় অনুষঙ্গকে ছাপিয়ে উঠে এইভাবেই রং বদলে গিয়েছে বাঙালির দোলের। 

যেহেতু এই ১৯২৩ সালের আগে শান্তিনিকেতনে রীতিমতো আসর-বাঁধা বসন্ত উৎসবের খবর তেমন পাওয়া যায় না, অতএব বলাই যায়, বাঙালির দোল উদযাপন শতবর্ষ পেরিয়ে এসেছে। কিন্তু এই শ-খানেক বছরে সে উৎসবের চেহারা কতখানি বদলে গেল ভিতরে বাইরে?

Dol Utsav
কাহিনি বলে, রূপের ভিন্নতা ঘুচিয়ে প্রিয় নারীকে নিজের সঙ্গে একাকার করে মিলিয়ে নিতে চেয়েই গৌরী রাধাকে রঙে ভরিয়ে দিয়েছিলেন কৃষ্ণ।

সেই কোন উনিশ শতকে হুতোম টিপ্পনি কেটেছিলেন, ‘শুনেছি কেষ্ট দোলের সময় মেড়া পুড়িয়ে খেয়েছিলেন, তবে আমাদের মটন চাপ খেতে দোষ কী? আর বষ্টমদের মদ খেতেও বিধি আছে, দেখুন, বলরাম দিনরাত মদ খেতেন, কেষ্ট বিলক্ষণ মাতাল ছিলেন।’ সুতরাং মহাজনের পন্থা স্মরণ করেই, বৈষ্ণবীয় দোলের বৈকালী ভোগকে নাকচ করে হুতোমি কলকাতার বাবুবিলাসে মদের ফোয়ারা আর মাংসের অঢেল আয়োজন। সঙ্গে মেয়েশরীরেরও কমতি নেই। কলকাত্তাইয়া নাগরিক সংস্কৃতিতে দোল উৎসবে যে ব্যসনের খণ্ডচিত্র হুতোম দেখিয়েছেন, আজকের দিনে দোল উপলক্ষ্যে মদের দোকানের সামনে ভিড় দেখলে বলাই যায়, সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলিতেছে। শুধু মদে নয়, সর্বক্ষেত্রেই।

১৯৯৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল রাজকুমার সন্তোষীর ছবি ‘দামিনী’। যেখানে হোলির দিনেই বাড়ির ছেলে ধর্ষণ করে গৃহপরিচারিকাকে। এ গল্প যে কেবল সিনেমার নয়, বাস্তবেও রঙের উচ্ছ্বাসের আড়ালে চাপা পড়ে গিয়েছে অপমানের কালো দাগ, আত্মীয়ের হাতে নির্যাতিত হওয়া অনেক মেয়েই সে কথা বলেন। দোলের দিনে মদ্যপ-নেশাড়ুদের আতঙ্কে পথে নামতে অস্বস্তি হয় বলে জানেন যে-কোনও মেয়ে। কিন্তু সে অস্বস্তিকে সবলে নাকচ করে, তাকে উলটে স্বাভাবিকের তকমা দেওয়াও হয়ে গিয়েছে এই সময়পর্বেই।

নয়ের দশকে অঞ্জন চৌধুরী, স্বপন সাহা-রা বাংলা ছবির জগতে যে মশলা ফিল্মের জোয়ার এনেছিলেন, সেখানেও কখনও কখনও এই মোটিফ দেখা গিয়েছে বইকি। তবে তখনও তা ব্যবহৃত হয়েছিল কোনও মস্তান বা খলনায়কের অসভ্যতার নিদর্শন হিসাবেই, যেখান থেকে নায়িকাকে বাঁচানোর নাটকে নায়কের আবির্ভাব।

দোলের হুল্লোড়ে জমায়েতে যে গান বাজবেই, সেই ‘রং বরসে ভিগে চুনারওয়ালি’ গানের দ্বিতীয় পঙক্তিই বলছে, নায়কের ছুঁড়ে দেওয়া রঙে ভিজে উঠেছে নায়িকার অন্তর্বাস। ১৯৮১ সালের ছবি ‘সিলসিলা’র এই গান কিন্তু এখনও ‘সগৌরবে চলিতেছে’। ১৯৯৩ সালে ‘ডর’ ছবির গান ‘অঙ্গ সে অঙ্গ লাগানা’। সে গানেও রং দেওয়ার ঢঙে আর অপর পক্ষের নিষেধের মধ্যে বাধা না-মানা উল্লাসের আভাস। এমনকি ২০১৩ সালে ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছবির ‘বলম পিচকারি’ গানেও নায়িকার হাত ধরার কথা আর তার প্রত্যুত্তরে নায়িকার পালটা বারণ। পুরুষের কাছে কি শুধু দস্যুতাই প্রত্যাশা করেছে নারী!

বাজারি ছবি তা ভাবার তোয়াক্কা না করে, সমস্ত অনুযোগ-বারণ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে চিৎকার করেছে, ‘বুরা না মানো হোলি হ্যায়!’ যে আপ্তবাক্য দোলের দিনে যা-ইচ্ছে করার লাইসেন্স দিয়ে আসছে এখনও। অথচ চোখ এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই, রং মাখানোর অছিলায় যাবতীয় চোখ-হাতের যাবতীয় হামলা নারীশরীরের উদ্দেশেই।

Dol Utsav
রং মাখানোর অছিলায় যাবতীয় চোখ-হাতের যাবতীয় হামলা নারীশরীরের উদ্দেশেই।

নয়ের দশকে অঞ্জন চৌধুরী, স্বপন সাহা-রা বাংলা ছবির জগতে যে মশলা ফিল্মের জোয়ার এনেছিলেন, সেখানেও কখনও কখনও এই মোটিফ দেখা গিয়েছে বইকি। তবে তখনও তা ব্যবহৃত হয়েছিল কোনও মস্তান বা খলনায়কের অসভ্যতার নিদর্শন হিসাবেই, যেখান থেকে নায়িকাকে বাঁচানোর নাটকে নায়কের আবির্ভাব। কিন্তু কবীর সিং-অ্যানিম্যালের জমানায় তো বটেই, বলা ভাল তার বহু আগে থেকেই, জবরদস্তি রং মাখানোর সঙ্গে ‘কনসেন্ট ভায়োলেশন’-এর সম্পর্ক চিনতে পারার নৈতিকতা অস্তে গিয়েছে। সামাজিক অনুশাসনের হাজারও সমস্যার পাশাপাশি নীতি ও ন্যায্যতার যে চর্চা জারি ছিল, তাও সহমরণে গিয়েছে সমাজবদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। বসন্ত এসে গেছে বলেই যে বিনা অনুমতিতে মেয়েদের, কিংবা যে-কোনও মানুষের গায়েই রং দেওয়া চলে না, তাকে স্পর্শ করা চলে না, সে কথা মানবে কে!

অথচ যে শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসবকে বাঙালি এখনও নিজের বলে দাবি করে চলেছে, তা নিয়ে পরবর্তীতে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আশ্রমকন্যা অমিতা সেন বলেছিলেন, ‘আমাদের সময় আবির দিয়ে এরকম ভূত সাজানো হত না, বড়দের পায়ে আবির দিয়ে প্রণাম করতাম, বন্ধুদের কপালে আবিরের টিপ পরিয়ে দিতাম, আর হাওয়ায় ছড়িয়ে দিতাম আবির, যাতে চারপাশের প্রকৃতিও রঙিন হয়ে ওঠে।’

দোলের সঙ্গে যে সুন্দরের ভাবনা জড়িয়ে ছিল, তাকেই ছুঁয়ে থাকার কথা মনে করাতে চেয়েছিলেন কবি। তাই তিনের দশকের পর শান্তিনিকেতনে দোল উদযাপন যে বসন্ত উৎসবের আদলে বদলে গিয়েছিল, সে কথা মনে করিয়ে শান্তিদেব ঘোষ জানান, ‘আগের দোল-উৎসব যেটা হত, সেটাকে গুরুদেব আর বেশি উৎসাহ দিলেন না কারণ ওই সময় নানারকম নোংরামি হত। নোংরামি মানে কী- কাদা দিয়ে দিল, ছেলেরা দুষ্টুমি করে কালি দিয়ে দিল- এরকম এলোমেলো ভাব।’

কেবল শান্তিনিকেতনেই নয়, সামগ্রিক বাঙালি-মানসেও আসলে অসংযত হুল্লোড়কে একরকম স্খলন বলে দেখার অভ্যাস ছিল। আর এই একশো বছরের যাত্রাপথে সেই অভ্যাসকে পুরোদস্তুর নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া গিয়েছে।

এই বিশৃঙ্খলার উপর দিয়ে সামঞ্জস্যের আস্তরণ বিছিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই বসন্তোৎসবকে ছন্দে বেঁধেছিলেন তিনি। রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ-পরবর্তী সময়ে আচার্য ক্ষিতিমোহন সেন মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, কবি নিছক প্রমোদের জন্য এ উৎসবের সূচনা করেননি। ‘এই উৎসব যা মিথ্যা ও কুৎসিত তার উপর সত্য ও সুন্দরের জয়ের প্রতীক।’ আসলে রুচির সঙ্গে স্থৈর্য আর সংযমকেও সমীকৃত করার ভাবনা ছিল সে উৎসবে। ‘আড়ম্বর’ শব্দের এক অর্থ ‘মহারব’, ‘বঙ্গীয় শব্দকোষ’-এ জানিয়েছেন রবীন্দ্র-অনুগামী হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই মহারবকে সরিয়ে রেখেই আন্তরিকতার অভ্যাসে শুরু হয়েছিল বাঙালির বসন্ত যাপন।

Dol Utsav
রাধারানির সঙ্গে কৃষ্ণের এই হোরিখেলায় দৈবী প্রেমের যে চিরনবীন লোককথা জন্ম নিল, তার মর্মে লেগে রইল একাকারতার রং।

কেবল শান্তিনিকেতনেই নয়, সামগ্রিক বাঙালি-মানসেও আসলে অসংযত হুল্লোড়কে একরকম স্খলন বলে দেখার অভ্যাস ছিল। আর এই একশো বছরের যাত্রাপথে সেই অভ্যাসকে পুরোদস্তুর নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া গিয়েছে। অতএব বলার অপেক্ষা রাখে না, একালের বাঙালি শান্তিনিকেতনের সঙ্গে দোল উৎসবকে অঙ্গাঙ্গী করে নিলেও সেই উৎসবের মর্মবার্তাটি মনে রাখার প্রয়োজন বোধ করেনি তাদের গরিষ্ঠ ভাগই। সেই অত্যুৎসাহী জনতার অশোভন উন্মাদনাকে প্রতিহত করতে ১৯৮২ সালে বসন্তোৎসব স্থগিত রাখার ঘোষণা করেন বিশ্বভারতীর তৎকালীন উপাচার্য অম্লান দত্ত।

তাতেই বা কী! আজকের ‘সাংস্কৃতিক’ বাঙালির কাছে দোলে বিশ্বভারতী, নিদেনপক্ষে রবীন্দ্রভারতী প্রাঙ্গণে উপনীত হওয়া প্রায় নিয়ম। শান্তিনিকেতনে যেতে পারলে পলাশের ডাল ভেঙে, ফুল ছিঁড়ে, কিংবা বিক্রি হতে আসা স্তূপাকার পলাশমালা থেকে কিনেকেটে ফুলসজ্জা করাও নিয়ম। রবীন্দ্রগানের বৈতালিক আজকাল ছাপিয়ে উঠেছে ডিজের ধামাকা। বছর কয়েক আগে খোদ রবীন্দ্রভারতীর দোল উদযাপনেই জনাকয়েক তরুণীর আবির দিয়ে অঙ্গসজ্জায় যে অপশব্দগুলি জ্বলজ্বল করছিল, তা দেখে মনে হয়, এই বসন্ত এ কোন পরাজয়ের মালা গাঁথল!

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Ranita Chattopadhyay

পেশায় অধ্যাপক, তবে গবেষক বা লেখক পরিচয়েই বেশি স্বচ্ছন্দ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে চর্চার পাঠ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে, পরে বাংলা গোয়েন্দাসাহিত্যে নারী পরিসর নিয়ে গবেষণা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সাংবাদিকতার সূত্রে লেখায় সারজল। আগ্রহের বিষয় মানবীবিদ্যা। আনন্দবাজার থেকে প্রতিদিন, পত্রপত্রিকায় লেখালিখি কিংবা বইয়ের কাজে জারি থাকে সেই চর্চাই। আর খোলা থাকে ভাবনার নিজস্ব ঘর।

Picture of রণিতা চট্টোপাধ্যায়

রণিতা চট্টোপাধ্যায়

পেশায় অধ্যাপক, তবে গবেষক বা লেখক পরিচয়েই বেশি স্বচ্ছন্দ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে চর্চার পাঠ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে, পরে বাংলা গোয়েন্দাসাহিত্যে নারী পরিসর নিয়ে গবেষণা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সাংবাদিকতার সূত্রে লেখায় সারজল। আগ্রহের বিষয় মানবীবিদ্যা। আনন্দবাজার থেকে প্রতিদিন, পত্রপত্রিকায় লেখালিখি কিংবা বইয়ের কাজে জারি থাকে সেই চর্চাই। আর খোলা থাকে ভাবনার নিজস্ব ঘর।
Picture of রণিতা চট্টোপাধ্যায়

রণিতা চট্টোপাধ্যায়

পেশায় অধ্যাপক, তবে গবেষক বা লেখক পরিচয়েই বেশি স্বচ্ছন্দ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে চর্চার পাঠ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে, পরে বাংলা গোয়েন্দাসাহিত্যে নারী পরিসর নিয়ে গবেষণা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সাংবাদিকতার সূত্রে লেখায় সারজল। আগ্রহের বিষয় মানবীবিদ্যা। আনন্দবাজার থেকে প্রতিদিন, পত্রপত্রিকায় লেখালিখি কিংবা বইয়ের কাজে জারি থাকে সেই চর্চাই। আর খোলা থাকে ভাবনার নিজস্ব ঘর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Subscribe To Newsletter

কথাসাহিত্য

জীবনানন্দ দাশ

সংস্কৃতি

আহার

অমৃতা ভট্টাচার্য
শ্রুতি গঙ্গোপাধ্যায়
অমৃতা ভট্টাচার্য

বিহার

কাকলি মজুমদার
মধুছন্দা মিত্র ঘোষ
নির্মাল্য চ্যাটার্জি

কলমকারী

আকাশ গঙ্গোপাধ্যায়
আকাশ গঙ্গোপাধ্যায়
আকাশ গঙ্গোপাধ্যায়

ফোটো স্টোরি

নির্মাল্য চ্যাটার্জি
দেবার্চন চ্যাটার্জি

উপন্যাস

বিতস্তা ঘোষাল
বিতস্তা ঘোষাল
[adning id="384325"]
[adning id="384325"]

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com